নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ক্যাম পাশা
  • সলিম সাহা
  • নুর নবী দুলাল
  • মারুফুর রহমান খান
  • লুসিফেরাস কাফের

নতুন যাত্রী

  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ
  • শহিদুল নাঈম

আপনি এখানে

রমজান সংযমের মাস। কিন্তু এদের সংযম কোথায়?


রমজান সংযমের মাস। কিন্তু এদের সংযম কোথায়?
সাইয়িদ রফিকুল হক

বছরের প্রায় প্রতিটি জুম্মার নামাজের আগে মসজিদের ইমামসাহেবদের বয়ান শুনতে হয়। আর তাতে এরা যে-ভাষা ব্যবহার করে—তার তুলনা দুনিয়ার কোথাও মিলবে না। এরা কাউকে মানে না। আর মানে নাতো মানে না—এরা নিজেকে দুনিয়ার সবচেয়ে বড় পণ্ডিত মনে করে থাকে। আর সেভাবেই তারা মসজিদের মিম্বরে দাঁড়িয়ে নানারকম মনগড়া, অসত্য, উদ্ভট, কাল্পনিক, অবৈজ্ঞানিক, আজেবাজে, আবোলতাবোল, আলতুফালতু ও মিথ্যা কথা বলতে থাকে। এদের ভাবখানা দেখলে মনে হয়: এরা বুঝি দুনিয়ার রাজা-বাদশাহ কিংবা তারচেয়ে বড় কিছু! আর এই জীবগুলোই আমাদের মসজিদের ইমাম।

বছরের বারোমাসে ৫২টি খুতবা আছে। জুম্মার নামাজের আগে খুতবা দেওয়া হয়। আর প্রয়োজনবোধে জুম্মার নামাজের আগে খুতবাবিষয়ক আলোচনাও করা যেতে পারে। কিন্তু এই আলোচনা শুধু নির্ধারিত খুতবাবিষয়ক হতে হবে। কিন্তু আমরা কি তা পাচ্ছি? না, পাচ্ছি না। তার কারণ, আমাদের দেশের অধিকাংশ মসজিদেরই ইমাম ধর্মব্যবসায়ী কোনো-না-কোনো রাজনৈতিক দলের সক্রিয় সদস্য। এরা সাধারণ মুসল্লিদের কাছে হয়তো ইমাম। কিন্তু এদের আসল পরিচয় হচ্ছে—এরা এখনও পাকিস্তানপন্থী রাজনৈতিক দলের সক্রিয়-ক্যাডার। আর এরা এখনও পাকিস্তানের অপআদর্শে ও ভাবধারায় এদেশে ইসলামী-হুকুমাত কায়েম করতে চায়। এরা সেই পাকিস্তান আমল থেকে এখনও এই অপকর্মটি চালিয়ে যাচ্ছে। তাই, এরা সুন্দর-পরিচ্ছন্ন একটা মন নিয়ে ইমামতি করবে কীভাবে?

যাদের মনের ভিতরে এতো শয়তানী—তারা ইমাম হয় কীভাবে? এদের ভিতরে-বাইরে সবসময় দুইটি রূপ। বাইরে এরা মসজিদে নামাজপড়ানোর সময় খুব ভালোমানুষি দেখায়। কিন্তু ভিতরে এরা ভালোমানুষ হয়নি। আর কখনও ভালোমানুষ হয় না। এরা মুখে বলে—আমরা কোরআন মানি, হাদিস মানি! আর ইসলাম মানি! আসলে কি তা-ই? না-না, মোটেও না। এরা কোরআন, হাদিস, ইসলাম কিছুই মানে না। এরা সবসময় মানে শুধু পাকিস্তানী-ইসলাম আর জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান। এদের জন্ম, শিকড়, আত্মপরিচয় ও মূলধারা এখনও সেখানেই প্রোথিত।

মসজিদে নামাজআদায় করতে গিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ ইমামদের আচরণ ও কার্যকলাপ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি। আর দেখেছি, এরা মুখে যা বলে তা কখনও নিজের জীবনে পালন করে না। এরা নিজেদের চাকরি, ব্যবসা আর অর্থোপার্জনের ক্ষেত্র ঠিক রাখার জন্য মুখে-মুখে এতো ইসলাম-ইসলাম করে থাকে। ইসলাম ছেড়ে দিলে এদের আর-কোনো কাজ করে খাওয়ার মুরোদ নাই। তাই, এরা আল্লাহ-রাসুলকে ভালোবেসে নয়—নিজেদের চাকরিবাকরি ও অর্থোপার্জনের জন্য ইসলামকে আঁকড়ে ধরেছে। সাধারণ মানুষ তাদের দক্ষতা ও যোগ্যতা অনুযায়ী যেকোনো-একটা কাজ করে খেতে পারে। কিন্তু মসজিদের এইসব মোল্লা তথা কাটমোল্লাগুলো কী জানে? এরা সামান্য মাদ্রাসাপাস। এদের আধুনিক কোনো শিক্ষাদীক্ষা নাই। আর দেশের প্রচলিত আধুনিকশিক্ষার প্রতি এদের ন্যূনতম ভক্তিশ্রদ্ধাও নাই। এরা শুধু নিজেদের মনগড়া সামান্য মাদ্রাসাশিক্ষাকে আজ ইসলামীশিক্ষা বলে অপপ্রচার চালিয়ে সমাজে-রাষ্ট্রে নিজেদের কামাই-রোজগারের একটা অভিনবপন্থা আবিষ্কার করে নিয়েছে। তাই, এরা মসজিদে আগত সাধারণ মুসল্লিদের মগজধোলাই করার জন্য সবসময় বলে থাকে—মাদ্রাসাশিক্ষাই একমাত্র শিক্ষা। অথচ, আমরা জানি, দেশের সরকারি-অনুদানভুক্ত-মাদ্রাসাগুলো বাদ দিলে বাকী সমুদয় মাদ্রাসাশিক্ষা (কওমী ও নুরানী ধারা) পরিচালিত হয় ভিক্ষাবৃত্তির দ্বারা। আর যারা সমাজের এইসব নিম্নমানের মাদ্রাসাকে সাহায্য-সহযোগিতা করে থাকে তারা রাষ্ট্রের একনাম্বার ঘুষখোর, ভণ্ড, দাগী, সন্ত্রাসী, কালোবাজারি, চোরাকারবারি, রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুণ্ঠনকারী ও সর্বক্ষেত্রে দেশের সর্বস্তরের অবৈধ উপায়ে অর্থউপার্জনকারী। আর এদেরই কালোটাকায় বেড়ে উঠেছে মাদ্রাসাগুলো, আর এভাবে বেড়ে উঠছে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের মন-মেধা ও মগজ! কী সুন্দর শিক্ষাব্যবস্থা! আর এরাই কিনা আলেম! আর এরাই কিনা দেশের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার শিক্ষিতদের চেয়ে উত্তম! এরা আসলে, আমাদের দেশের ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ এবং ‘গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল’।

মসজিদের সস্তা-ইমামগুলো এখন নামাজপড়ানোর কাজটি বাদ দিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক দলের যাবতীয় শয়তানী-এজেন্ডা-বাস্তবায়নের জন্য দিন-রাত অপকর্ম করে যাচ্ছে। এরা সঠিকভাবে নিজেও নামাজ পড়ে না, আর মুসল্লিদের নামাজও সঠিকভাবে পড়ায় না। বর্তমানে এদের দুটি প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো:

১. ইসলামের নাম ভাঙ্গিয়ে নিজেদের চাকরিবাকরি ঠিক রাখা;
২. দেশবিরোধী তথাকথিত ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত ও যুক্ত থেকে পাকিস্তানের স্বার্থে পাকিস্তানী-ভাবধারায় আমাদের দেশে কথিত ইসলামী-হুকুমাত প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা করা।

এছাড়া বিনাপরিশ্রমে এদের খেয়েদেয়ে আর-কোনো কাজ নাই।

দীর্ঘদিন যাবৎ মসজিদে যাতায়াত করছি। কিন্তু যোগ্য ও ধর্মভীরু ইমামের দেখা আজও পাইনি। সবখানে কেমন যেন একটা ফাঁক আর সম্পূর্ণ ফাঁকিবাজি। ১০০০টা ইমামের ওপর কেস স্ট্যাডি করলে দেখা যাবে সেখানে ৯৯৯টা ইমামই ভেজাল। আর তারা ধর্মসাধনা বাদ দিয়ে নিজেদের লোভের ও লাভের তথাকথিত ইসলামী-রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। তাই, এরা মসজিদে যে-সব কথা বলে তা সবসময় একপেশে, খণ্ডিত, যুক্তিহীন, বিবেকহীন ও ইসলামবিরোধী-গালগল্প। এরা মানুষের নৈতিক চরিত্রের উৎকর্ষসাধনের কোনো পন্থা জানে না, নিজেরাও কোনো মহৎচরিত্রের অধিকারী হতে পারেনি। তাই, এরা কিছু আচারঅনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই লোকদেখানো ধর্মপালনের পথে আজ এভাবে উদ্বুদ্ধ হয়েছে। আর সাধারণ মুসল্লিদের ধর্মসাধনার নামে তাদের শুধু বিভ্রান্তই করছে।

রমজান-মাস এলো। মনে করেছিলাম, এবার বুঝি ইমামসাহেবরা একটুখানি শালীন, নম্র, মার্জিত ও ভদ্র হবে। কিন্তু এখন দেখি, সে আশায় গুড়ে বালি! এই সংযমের মাসেও এদের পাগলামি ও ক্ষ্যাপামি একটুও কমেনি। বরং নতুন করে যেন তা আরও বেড়ে গেছে। তার কারণটা বলছি, অতিসম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাদের দেশের ইসরাইলী-দূতাবাস ইসরাইলের রাজধানী জেরুসালেমে স্থানান্তর করেছে। আর এতেই এদেশের সস্তা-মুসলমানের সেন্টিমেন্ট একেবারে বিছুটিপাতার স্পর্শে যেন দাউ-দাউ করে জ্বলে উঠেছে! আর তাই, এবছর পহেলা রমজানে প্রথম জুম্মায় মসজিদের ইমামসাহেবগুলো মিম্বরে দাঁড়িয়ে, চেঁচিয়ে, লাফিয়ে ও ঝাঁপিয়ে যে-সব ভাষায় ইহুদী ও খ্রিস্টানসম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছে—তা অতীব ঘৃণিত। এরা অন্যধর্মের মানুষগুলোকে কখনও মানুষ মনে করে না। এরা পৃথিবীর প্রতিষ্ঠিত ধর্মসম্প্রদায়গুলোকে এখনও ঘৃণার চোখে দেখছে। ইসরাইলীদের সঙ্গে ফিলিস্তিনীদের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব রয়েছে। কিন্তু আমাদের দেশের মুসলমানদের ইমাম-নামধারী একশ্রেণীর অমানুষ এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে ‘ইহুদী-খ্রিস্টান’ নামক দুইটি ধর্মবিশ্বাসী-জাতিসম্প্রদায়ের সকলকে নিজের ইচ্ছেমতো গালিগালাজ করছে! এটি কোন সভ্যতা? এটি কীভাবে ধর্মপালনের দৃষ্টান্ত হয়? সামান্য ‘জেরুসালেমে’র জন্য সমগ্র ‘ইহুদী-খ্রিস্টানসম্প্রদায়’কে লাগাতার গালিগালাজ করাটা কতখানি যুক্তিসঙ্গত?

রমজান-মাসে রমজানের ফজিলতবিষয়ক তথা এর পবিত্রতাসম্পর্কিত আলোচনা করা যেতে পারে। এখানে, মুসলমানদের কাছে বার্তা পৌঁছে দিতে হবে যে, এই মাসে তাদের করণীয় কী, আর কীভাবে তাদের রোজা, নামাজ আরও সুন্দর ও সার্থক করে তোলা যায়। কিন্তু মসজিদের ইমামগুলো এসব ভুলে জুম্মার নামাজের জন্য নির্ধারিত খুতবা-আলোচনার সঠিক পথ ছেড়ে হঠাৎ করেই মুসলমানদের ভুল ও পাপের জন্য ইহুদী-খ্রিস্টান-হিন্দু-বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সরাসরি আক্রমণ করে তাদের সমালোচনার নামে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে থাকে। এর বৈধতা কোথায়? এভাবে, মসজিদে বসে নিজেদের ভুল ও পাপের জন্য ইহুদী-খ্রিস্টান-হিন্দু-বৌদ্ধ ইত্যাদি সম্প্রদায়কে জঘন্য ভাষায় দোষারোপ করাটা মানবতাবিরোধী অপরাধ নয় কি? আর এতে ইসলামের গৌরব বৃদ্ধি পাবে নাকি কমবে?
মসজিদের এইসব সস্তা-ইমাম মুসলমানদের স্বীয় পাপ ও ভুলগুলো কখনও চোখে দেখে না। এই যে সৌদিআরব নামক একটি বর্বররাষ্ট্র দীর্ঘদিন যাবৎ দৈনিক রুটিনমাফিক ইয়েমেন ও সিরিয়ায় মানবতাবিরোধী অস্ত্র ও বোমা হামলা করছে—মসজিদের ইমামরা তা চোখে দেখে না। এরা শুধু ইহুদী-খ্রিস্টান-হিন্দু-বৌদ্ধ ইত্যাদি সম্প্রদায়ের দোষত্রুটি খুঁজে বেড়ায়। এই রমজান-মাসেও আমাদের মসজিদের ইমামদের বিবেক জাগ্রত হয় না—তাদের মধ্যে রমজানের সামান্যতম সংযমভাব প্রকাশ পায় না। এদের জিহ্বা এখনও ক্ষুরের চেয়ে ধারালো আর আগুনের চেয়ে ভয়ংকর। এরা শুধু লোকদেখানো দাড়ি, টুপি, জোব্বা আর নামাজ নিয়ে ব্যস্ত।

ইসরাইলী ও ফিলিস্তিনী সম্প্রদায়ের জাতিগত-সমস্যাটি অনেক আগে থেকে। আরবের লোকেরা কখনও-কোনোদিন ইহুদীদের প্রতি একটুখানি সুবিচার করেনি। বরং তারা সুযোগ পেলেই ইহুদীসম্প্রদায়ের ওপর ভয়ানক, অকথ্য, অশ্লীল ও অবর্ণনীয় জুলুম-নির্যাতন করেছে। তাদের নারীদের ইচ্ছেমতো ধর্ষণ, ভোগদখল ও গনীমাতের মাল হিসাবে ব্যবহার করেছে এই আরবরা। বর্বর আরবরা ইতঃপূর্বে বহুবার ইহুদীসম্প্রদায়কে চিরতরে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার জন্য নানারকম অপচেষ্টা করেছে। তাদের লোমহর্ষক অত্যাচারের কথা এখনও ছাপা হচ্ছে—এই পৃথিবীর ইতিহাসে। কিন্তু এসব কথা তো মসজিদের এইসব পাতিইমাম একবারও বলে না! এরা একটুখানি সুযোগ পেলেই ইহুদী-খিস্টানসম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নানান বিষোদগার করে থাকে। মানুষ মানুষের সমালোচনা করতেই পারে। কিন্তু আমাদের দেশের একশ্রেণীর মুসলমান-নামধারী-জীবগুলো আজ মসজিদের মিম্বরে বসে যে-ভাষায় শুধু ইহুদী-খ্রিস্টান-হিন্দু-বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে গালিগালাজ করে থাকে—তা মারাত্মক অশালীন, শিষ্টাচারবর্জিত, অকথ্য, অসত্য ও মানবতাবিরোধী।

শৈশব থেকে শুনেছি, ধর্মগ্রন্থপাঠে দেখেছি, রমজান সংযমের মাস। কিন্তু আমাদের দেশের একশ্রেণীর মুসলমান দিনভর মারাত্মক অসংযম থাকে—আর উপোস করে—কিন্তু রোজার সংযম পালন করে না। এদের কথাবার্তা শুনলে মনে হয়, এরা যেন ধোয়া তুলসীপাতা! আর পৃথিবীর সকল ধর্মাবলম্বীই অপরাধী! মসজিদের ইমামগুলো এদের চেয়েও এককাঠি সরেস। এরা অন্যধর্মাবলম্বীদের বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূতভাবে ভয়ংকর অশ্লীল কথাবার্তা বলতে সামান্যতম লজ্জাবোধ করে না। সারাদিন মিথ্যাকথা বলে এরা কি রমজানের সংযম ও পবিত্রতা রক্ষা করছে নাকি সামাজিক ও রাষ্ট্রিক অপরাধ করছে? আর এরা কি আসলেই সংযমপালন করছে? তাই, মনে ছোট্ট একটা প্রশ্ন জাগে: রমজান সংযমের মাস। কিন্তু এদের সংযম কোথায়?

সাইয়িদ রফিকুল হক
১৯/০৫/২০১৮

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

সাইয়িদ রফিকুল হক
সাইয়িদ রফিকুল হক এর ছবি
Offline
Last seen: 2 দিন 22 ঘন্টা ago
Joined: রবিবার, জানুয়ারী 3, 2016 - 7:20পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর