নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মাহের ইসলাম
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • নুর নবী দুলাল
  • প্রত্যয় প্রকাশ
  • কাঙালী ফকির চাষী
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

একত্ববাদের নামে বিভ্রান্ত করে মুহাম্মদ মুসলমানদেরকে পাথর পুজারি বানিয়েছে



প্রতিটা মুসলমান বিশ্বাস করে , তারা আল্লাহর ইবাদত করে যা হলো একত্ববাদ। তাদের বিশ্বাসে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু ইসলামের নামে তারা কি আসলেই একত্ববাদ অনুসরন করে ? মুহাম্মদ আসলে একত্ববাদের নামে কি শিখিয়ে গেছে ? এবার আসুন সেটা দেখা যাক। প্রথমেই আমরা নিচের হাদিসটা পাঠ করি ---

সহি আত তিরমিজি( ইফা) , হাদিস নং- ৮৭৮. কুতায়বা (রহঃ) ....... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, হাজরে আসওয়াদ জান্নাত থেকে অবতীর্ন হয়েছিল তখন সেটি ছিল দুধ থেকেও শুভ্র। মানুষের গুণাহ- খাতা এটিকে এমন কালো করে দিয়েছে। - মিশকাত ২৫৭৭, তা'লীকুর রাগীব ২/১২৩, আল হাজ্জুল কাবীর, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৭৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]

তার মানে হজ্জের সময় মুমিনরা যে কাল পাথরকে স্পর্শ করে , তা তাদের দেহ ও মনের সব পাপ শুষে নিয়েছে, এবং নিজে কাল হয়ে গেছে। মুমিনের দেহ ও মন থেকে পাপ শুষে নেয়ার ফলে সে পাপমুক্ত হয়ে যাবে , এটা আর বলার দরকার নেই। কারন এখনই কিছু মুনাফিক টাইপের ধান্ধাবাজ ও কথিত মুমিন এসে প্রশ্ন করবে , উক্ত হাদিসে পাপমুক্ত হওয়ার কথা তো হাদিসে বলা নেই। বাস্তবেই যে হজ্জ করার পর একজন মুমিন সম্পূর্ন পাপ মুক্ত হয়ে নিষ্পাপ শিশুর মত হয়ে যায় , সেটা দেখা যাচ্ছে নিচের হাদিসে -

সহিহ বুখারি( ইফা) , হাদিস নং - ১৪৩১। আদম (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যাক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে হাজ্জ (হজ্জ) করলো এবং অশালীন কথাবার্তা ও গুনাহ থেকে বিরত রইল, সে নবজাতক শিশু, যাকে তাঁর মা এ মুহূর্তেই প্রসব করেছে, তার ন্যায় নিষ্পাপ হয়ে ফিরবে।

হজ্জ করতে গিয়ে , হাজি যে কাল পাথর স্পর্শ করল , তাতেই তার দেহ ও মনের সব পাপ নি:শেষ হয়ে গেছে। আর সে হয়ে গেছে শিশুর মত নিষ্পাপ। এখনই কিছু কথিত মডারেট মুসলমান বা মুনাফিক এসে নিচের হাদিস দেখিয়ে বলবে , পাথরের কোন গুণ নেই -

সুনান আত তিরমিজি(ইফা) হাদিস নং-৮৬২. হান্নাদ (রহঃ) ...... আবিস ইবনু রাবীআ (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, আমি উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) কে হাজরে আসওয়াদে চুমা দিতে দেখেছি। তিনি তখন বলছিলেন, আমি জানি তুমি একটি পাথর, তবুও তোমাকে আমি চুম্বন করছি। যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে চুম্বন দিতে না দেখতাম তবে তোমাকে আমি চুমা দিতাম না। - ইবনু মাজাহ ২৯৪৩, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৬০ [আল মাদানী প্রকাশনী]

খেয়াল করুন , হাদিসটা হলো ওমরের , মুহাম্মদের না। কাল পাথর সম্পর্কে মুহাম্মদ বলছে যে সে পাপ মোচন করে , আর ওমর বলছে , পাথরের কোন ক্ষমতা নেই। প্রশ্ন হলো - কার কথা ইসলাম ? মুহাম্মদের কথা , নাকি ওমরের কথা ? কে ইসলামের নবী ? মুহাম্মদ , নাকি ওমর ? কোন একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে মুহাম্মদ যে নির্দেশ দেবে , সেই একই বিষয়ে দুনিয়ার আর কারও কোন মন্তব্য গ্রহনযোগ্য নয়। তাই ওমরের বক্তব্য গ্রহন যোগ্য নয়।

ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী , মানুষের পাপ মোচন বা ক্ষমা করার ক্ষমতা একমাত্র কার ? নিশ্চিতভাবেই আল্লাহর। এখন সহিহ হাদিস থেকে দেখা যাচ্ছে , কাল পাথরেরও পাপ মোচন বা ক্ষমা করার ক্ষমতা বিদ্যমান আছে। তাহলে বিষয়টা কি দাড়াল ?

আল্লাহর পাপ মাফ করার ক্ষমতা বিদ্যমান=কাল পাথরের পাপ মাফ করার ক্ষমতা বিদ্যমান
সুতরাং , আল্লাহ = কাল পাথর । তার মানে সহিহ হাদিস অনুযায়ী , মুসলমানদের কাছে কাল পাথরটাই আসলে আল্লাহর প্রতিকী রূপ। সেটা মুসলমানরা স্বীকার করুক বা না করুক , তারা আচরন দিয়ে কিন্তু সেটাই প্রমান করে। কিন্তু মনে হয় সেটা উপলব্ধি করে না। কারন মুহাম্মদের নির্দেশ তারা কোন প্রশ্ন ছাড়াই অনুসরন করে , প্রশ্ন করে না , জানতে চেষ্টা করে না কার্য কারন তত্ত্ব। জানতে চাওয়াটাকে তারা গুনাহ মনে করে , কেউ যদি জানাতে চায় , তাহলে তারা তার ওপর চাপাতি নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে।

এখন দুনিয়ার প্রতিটা মুসলমান কাবা ঘরের দিকে মুখ করে নামাজ পড়ে , সিজদা দেয় , মাথা নত করে। প্রশ্ন হলো - কাবা ঘরের মধ্যে কি আল্লাহ থাকে বা বাস করে ? না , বাস করে না। আল্লাহ থাকে সাত আসমানের ওপর তার আরশে। তাহলে কোরান যদি নির্দেশ দিয়ে থাকে , কাবা ঘরের দিকে মুখ করে নামাজ পড়তে বা সিজদা দিতে , তাহলে সেটা কিভাবে আল্লাহর কাছে সিজদা দেয়া হবে ? কোরান যে নির্দেশই দিক না কেন , কাবা ঘরের দিকে মুখ করে নামাজ পড়ার অর্থ হবে , কাবা ঘরের কাছেই মাথা নত করা , যদি আল্লাহ সেই ঘরে না থাকে। আর কাবা ঘরের সাথে আছে কি ? কাবা ঘরের দেয়ালে সাটানো আছে কাল পাথর , যাকে স্পর্শ করলে মানুষের পাপ মোচন হয়। আর সেই কাল পাথরটাই আসলে মুসলমানদের কাছে আল্লাহর প্রতিক স্বরূপ। তার অর্থ - মুসলমানরা যে কাবা ঘরের দিকে মুখ করে নামাজ পড়ে , সিজদা দেয় , তারা তখন আসলে সেই কাল পাথরটার কাছেই সিজদা দেয়। কিন্তু সেটা তারা উপলব্ধি করতে পারে না।

মুসলমানরা উপলব্ধি করতে পারত , যদি তারা চিন্তা করত। কিন্তু তারা তো চিন্তা করে না। তারা হলো রোবটের মত। মুহাম্মদ নির্দেশ দিয়ে গেছে , তাই অন্ধের মত সেটাই অনুসরন করে। কারন তারা সবাই নিজেদেরকে মুহাম্মদের দাস মনে করে। সেই কারনেই দাস হিসাবে তারা মুহাম্মদ নামক মনিবের আদেশকে প্রশ্ন ছাড়াই অন্ধের মত অনুসরন করে এবং সেটা করেই তারা যে মূলত: পাথর পুজা করে , সেটা তারা বোঝে না , বোঝার চেষ্টা করে না । আর কেউ যদি তাদেরকে সেটা বোঝাতে যায় , তাহলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে চাপাতি নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 3 দিন 4 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর