নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মাহের ইসলাম
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • নুর নবী দুলাল
  • প্রত্যয় প্রকাশ
  • কাঙালী ফকির চাষী

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

ধর্মের স্বার্থে মানবতার নামে চালানো ধার্মীকের বিজ্ঞাপন, এটাই ধর্মের বাজারজাতকরন


চোখ ত্যাড়া কেউ অন্যের দিকে তাকালে দেখে মনে হয় আপনার দিকে তাকাচ্ছে আর আপনার দিকে তাকালে মনে হয় অন্য দিকে তাকাচ্ছে৷ দেখে মনে হওয়া আর বাস্তব ভিন্ন৷ ঠিক ধার্মিক দেখে এটা ভেবে নেয়ার কারণ নেই যে মানবতায় তারা মানুষের দিকে তাকাচ্ছে! আসলে তাদের চোখ কল্পিত স্বর্গে৷ এই লোভে তারা যেমন কাছে টানবে তেমনি ছুড়েও ফেলবে৷

আপনি মানুন কিংবা না মানুন এটা সত্য যে, যাদের মানুষ হবার চেষ্টা নেই তারা ধার্মিক হবে এটা স্বাভাবিক৷ কারণ তাদের চলার আর রাস্তা নেই৷ লোহাোতে অবহেলায় মরচে ধরে, মনুষত্বের অবহেলায় ধরে ঈশ্বর৷ চিকিৎসা বিজ্ঞানী ইবনে সিনা বলেছিলেন- পৃথিবীতে দুই ধরণের মানুষ আছে, এক যাদের ধর্ম আছে বুদ্ধি নেই, আর দুই যাদের বুদ্ধি আছে কিন্তু ধর্মের প্রয়োজন নেই৷

ধার্মিকদের অভ্যাস যা করবে ধর্মের স্বার্থে, আর সেটা চালিয়ে দেবে মানবতার নামে৷ এভাবেই তারা কৌশলে কাঁচকে হীরে বলে চালায়৷ ঘোলা পানি খাইয়ে বলে পড়া পানি আর সেটা করে দেয় অমৃত৷ এভাবে ধর্ম প্রতিষ্ঠিত, প্রতিষ্ঠিত ঈশ্বর নামক এক স্তম্ভের৷ ভালো ভালো কথা বললে ধর্ম মার্কেট পেতনা, ব্যবসাতো মার্কেটিং ভিজ্ঞাপন অফার মোড়কীকরণ এসবের উপর নির্ভর৷ ধর্ম ব্যবসার মূলধন হলো এসবই তবে কল্পিত যা কেউ দেখলো না বাস্তবে৷ ৷ ধর্মের জন্য মুখই যথেষ্ট্য৷ মুখে সুনাম করলেনতো আপনি পূন্যবান, দূর্নাম করলে আপনিলে পাপী বেঈমান৷ মুখে ধরে, মুখে মরে৷ মুখে স্বর্গ মুখে অনুভূতিতে লড়বড়৷

ইসলামি কোন ধর্মীয় নেতার জন্য তার সম্প্রদায় মরিয়া৷ চিকিৎসা করতে বিদেশে পাঠাচ্ছে, পকেট উজার করছে৷ দিলে সোয়াব হবে৷ আবার একই সম্প্রদায়ের সাধারণ কেউ মৃত্যুর সাথে লড়ছে কিন্তু বিদেশে চিকিৎসা দূর, দেশেই কেউ দেখছেনা৷ যে ব্রাহ্মণ ধর্ম শেখায় বা যে বৌদ্ধ ভিক্ষু তারা একটা এতিম খানার এতিম কঠিন রোগে আক্রান্ত ছেলের জন্য করছে না কিছুই, অথবা যদি করুণার ছলে৷হঠাৎ করেও তবে তাদের মানুষকে যেভাবে করছে সেভাবে তোলা মূল্যও দেয়না মন থেকে৷ একই জায়গায় তাদের ধর্মীয় জন হলে বলতে বলতে গলা শুকাচ্ছে আর ধার্মিকরা মানুষ বাঁচানোর চেয়ে পুন্য বা সোয়াব দেখছে আগে, মানুষ নয়৷ এটা কোন মানবতা টানবতা নয়, ঐ স্বর্গ লোভ৷ আর হুজুরদের কথা সে জায়গায় কি বলবো! তাদেরতো হাঁটতে বসতে হালাল-হারাম, শির্ক, ফতোয়া, জান্নাত-জাহান্নাম৷ ধর্মপুরে মানবতা বলে কিছু হয়না, হয় কল্পিত স্বর্গ নিয়ে যাতায়াতের বৃহৎ ব্যবসা৷ ওখানে সম্প্রদায় সেতো যানবাহন কোম্পানির একটা একটা নাম মাত্র৷ কল্পনার যানবাহন, কল্পনার দেশ, কল্পনার ভ্রমণ, কল্পনার টিকিট, বাস্তব শুধু ঠকানোটা৷

যে দেশে মানুষ আইন মানে সে দেশে আইনের মানুষের চাপ লাগেনা, যে দেশে রাস্তায় ট্রাপিক আইন চালকেরা মানে সেখানে ট্রাফিক পুলিশের দরকার হয়না৷ আমি বিদেশে দেখি ট্রাপিক পুলিশ নেই কিন্তু গাড়ি নিয়ম অনুযায়ীনিয়ম দাড়াচ্ছে, চলছে৷ কোন অঘটন কিংবা দূর্ঘটনা নেই৷ গাড়ি আছে, নিয়ম আছে, শান্তি আছে, ট্রাফিক পুলিশ নেই৷ যখন বাংলাদেশে রাস্তায় নামি তখন দেখি গাড়ি প্রচুর, ট্রাফিক পুলিশ আছে, দূর্ঘটনা আছে, অশান্তি আছে কিন্তু শৃঙ্খলা নেই৷ কার আগে কে যাবে এই চিন্তায় আর গন্তব্যের তাড়ায় মানুষ মরছে মারছে৷ ঠিক একই ভাবে ধর্মপুরেও তাই৷ তারাতো একই রাস্তায় তখন চলে যখন তাদের চলতে হবে, নইলে অন্যরা না থাকলে নিজেরাই নিজেদের মধ্যেই প্রতিযোগিতা৷ যেখানে শৃঙ্খলা আছে সেখানে যেমন ট্রাফিক পুলিশ লাগেনা, তেমনি যাদের ভেতর মানুষের বাস তাদের ঐ ধর্মও লাগেনা৷ কল্পনার নরকের ভয় দেখিয়ে আর স্বর্গের লোভ দেখিয়ে পৃথিবীটাকে ধ্বংস করার একটা বিষাক্ত নাম এই ধর্ম৷

একজন হুজুর বলে তাকে দান করলে সোয়াব হবে, একজন ব্রাহ্মণ বলে তার জীবনের মূল্য বেশি, একজন বৌদ্ধ ভিক্ষু বলে তার চিকিৎসায় টাকা দিলে পূন্য হবে, একজন গীর্জার পাদ্রীর সেবা করলে স্বর্গীয় যোগ হবে এসব ভাবনা মাত্রই সর্বনিম্ন মন মানসিকতার পরিচয়৷ মানুষ মানুষই তার পোষাকে তাকে মূল্যায়ন করার মাঝে পোষাককেই বড় করে মানুষকে ছোট করা হয়৷ মানবতা সবার জন্য যেখানে কোন পূন্য টুন্য নাই৷ আমি দেখবো শুধু মানুষ যেন বাঁচে, মানুষ যেন শান্তি পায়৷ সে হিন্দু কি বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কি মুসলিম, নাকি তাদের গুরু! না কোন নাস্তিক তা দেখে আমার কাজ নেই৷ আমি জানি একটা মানুষ বাঁচতে চায়, তাকে বাঁচাতে হবে৷ স্বর্গ নরক বাঁচানোর মত মূর্খতা আর পূন্যের মত মলের প্রয়োজন এখানে নোংরামী৷

ধর্ম যারা করে তারা বিধর্মীকে হয় করুণা নয় উপেক্ষা নয়তো ধ্বংস করে৷ এর চেয়ে মানুষকে চরম অবহেলা আর কি হতে পারে৷ মুখে বলে মানুষ মানুষ মানুষের জন্য আর মনে কালি৷ তার মানেই মুখে মধু অন্তরে বিষ৷ ধর্ম সাজাতে অর্থ বিয়োগ, সামর্থ্য বিয়োগ, সময় বিয়োগ আর মগজ বিয়োগ চরম মানুষ মগজবিদ্বেষী প্রক্রিয়া৷ প্রার্থনা, কোরবান, দান এসবে যদি ঈশ্বর দেব দেবী ধর্ম বাঁচে তবে এগুলোই বাঁচাবে কি! ধার্মিকইতো এসবকে বাঁচায়৷ যারা এসব নেশায় মরিয়া তাদের মানুষ হবার, মানুষকে দেখার, মানুষের আরাধনা করার, মানুষকে সম্মান করার, মানুষকে বাঁচিয়ে রাখার মত মন মানসিকতা সময় জ্ঞান বিজ্ঞান সংস্কার কই? তারাইতো পুন্যের লোভেই শুন্য৷ এদের প্রলাপ, এদের আচরণ, এদের হীন মনমানসিকতা, সাম্প্রদায়িক নালা বরং মানুষের জন্য হুমকির৷

মোটকথা ধর্মের স্বার্থে করে মানবতার নামে চালানো ধার্মীকের বিজ্ঞাপন, এটাই ধর্মের বাজারজাতকরন৷ এটা ভোটের রাজনীতির মতই সত্য৷ যেখানে দানবের স্বার্থে মানবের বৃহৎ ক্ষতি৷ এই ক্ষদ্র কিছু দেখিয়ে তারা বৃহৎ ব্যবসা করে এবং মানুষ ঠকায় দিনের পর দিন৷ এদের ভালোর মধ্যে বিষ মেশানো৷ ফল দেখতে ভালো হলেই হয়না যদি ফরমালিন থাকে৷

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কাঙালী ফকির চাষী
কাঙালী ফকির চাষী এর ছবি
Online
Last seen: 1 ঘন্টা 23 min ago
Joined: শুক্রবার, ডিসেম্বর 29, 2017 - 2:02পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর