নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মাহের ইসলাম
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • নুর নবী দুলাল
  • প্রত্যয় প্রকাশ
  • কাঙালী ফকির চাষী

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

একজন সংশয়বাদীর প্রশ্ন : এখানে কোন সূত্রে এলেন ?



এই প্রশ্নটির ব্যাখ্যা হবে, আমি, আপনি ও আমরা যেহেতু এই পৃথিবীর একেকজন মানুষ এবং এই পৃথিবীতেই আছি তাই এই প্রশ্নটি করা হচ্ছে এবং “এখানে” বলতে এই পৃথিবীতে বোঝানো হচ্ছে “এখানে কোন সুত্রে এলেন ?” বর্তমানে অনলাইন সোস্যাল মিডিয়া গুলিতে আস্তিক্যবাদ ও নাস্তিক্যবাদ নিয়ে একটি প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা আমরা এই দুই পক্ষের ভেতরেই দেখে থাকি প্রতিনিয়ত। এদের মধ্যে কে জয়ী হচ্ছে আর কে হার মানছে তাও আমাদের চোখ এড়িয়ে যাবার কথা নয়। একটা সময় যাদের দেখতাম আস্তিক্যবাদ নিয়ে সুন্দর সুন্দর কথা বলছে ক্ষনে ক্ষনে ঈশ্বরের বানীর সুত্র দিয়ে ফেসবুকে স্টাটাস দিচ্ছে, বর্তমানে দেখছি তাদের ফেসবুক স্টাটাসের ভেতরেও একটা সংশয়বাদের স্বাদ পাওয়া যাচ্ছে। অর্থাৎ তারাও এখন আর সরাসরি কোন কল্পিত ঈশ্বর প্রদত্ত নিয়ম নীতি ফুল এবং ফাইনাল বা পুর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা বলছে না। অন্তত সংশয়ী মনের ভাবনায় এটুকু যোগ হয়েছে যে এই কল্পিত ঈশ্বর ধারনা আর তার তৈরি নিয়ম কানুন মানুষের মনের প্রশান্তির কাজে ব্যবহার করা ছাড়া আর কোন কাজেই তা আসেনা।

আমরা নিশ্চয় জানি যে সভ্যতার ইতিহাসে মানুষের সব থেকে প্রাচীন প্রশ্ন হচ্ছে “কেনো”। আর এই কেনো কথার উত্তর খুজঁতে গিয়েই মানুষ আবিষ্কার করে ফেলছে নানান তত্ব ও মতবাদ। এটা কেনো হয়, ওটা কেনো হবেনা, আমি কেনো পারবোনা, পৃথিবী কেনো ঘোরে এরকম “কেনো” কথার জেনো শেষ নেই। আজ থেকে ২০ হাজার বছর আগে যখন বরফ যুগ শেষ হয়ে পৃথিবী উষ্ণ হতে শুরু করলো তখন থেকেই হোমোস্যাপিয়েন্স’রা বর্তমান আফ্রিকা মহাদেশ থেকে আস্তে আস্তে ছড়িয়ে পড়তে থাকলো সমস্ত পৃথিবীজুড়ে। এই পৃথিবীতে যখন মানুষ সভ্য হতে শুরু করলো তখন একটি মতবাদ তৈরি করেছিলো এই মানুষেরাই যার নাম হচ্ছে “ধর্ম”। আর এই ধর্ম তৈরি হয়েছিলো ঠিক সেই প্রশ্ন “কেনো” থেকেই। হয়তো সভ্যতার শুরুতে মানুষের মনে প্রশ্ন উদয় হয়েছিলো এই পৃথিবী কেনো তৈরি হলো ? এই আমি এখানে কেনো আসলাম ? আর তার উত্তর খুজতে খুজতে একদিন মানুষ তৈরি করে ফেললো একটি কল্পিত ঈশ্বর। এবং প্রচার করা শুরু করে দিলো তিনিই মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন, এবং যুক্তি হিসেবে উপস্থাপন করলো, এই দাবীটি কেউ অপ্রমাণ করতে পারবে না, এবং আরও প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করলো মানুষের অজ্ঞতাকে।

কারণ একটা সময় মানুষ অজ্ঞ ছিলো। তারা জানতো না যে আসলেই এই প্রকৃতি এমন বাধাধরা নিয়মে কিভাবে চলছে বৃষ্টি কেনো হচ্ছে, বজ্রপাত কিভাবে হয়, চাঁদ কেনো উঠে এরকম হাজার হাজার বিষয়ে ছিলো মানুষের অজ্ঞ্রতা। আর এই অজ্ঞতার অপর নামই হচ্ছে ঈশ্বর বা স্রষ্টা। সেই প্রাচীনকাল থেকেই মানুষের অনুসন্ধিৎসু মন বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে খজঁতে আজকের এই আধুনিক মানুষে এসে দাড়িয়েছে। কিন্তু মানুষ যে সব প্রশ্নের উত্তর পেয়েছে তা কিন্তু নয়। কিছু কিছু বিষয় মানুষ পর্যবেক্ষনের মাধ্যমে জানতে পেরেছে, যেমন চাঁদ শুধুই রাতের আকাশে উঠে, সুর্য আমাদের আলো দেয়। ধীরে ধীরে মানুষ আরও জ্ঞান অর্জন করেছে, যুগ আরো উন্নত হয়েছে সেই সাথে মানুষও আরও বেশি জেনেছে। আর যেগুলো সম্পর্কে মানুষ জানতে পারেনি, সে সময়ের জ্ঞান যে পর্যন্ত পৌছেনি, সেগুলো সম্পর্কে মানুষ ধারনা করেছে, কল্পনা করেছে, দিনের পর দিন তা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করেছে। কিন্তু একটা পর্যায়ে যখন অজ্ঞানতা, জানতে না পারার হতাশা, অজ্ঞতা একধরনে হীনমন্যতায় রুপ নিয়েছে ঠিক তখনই এই মানব সভ্যতার শুরুর দিকের কিছু মানুষ ধীরে ধীরে সেই না জানা আর অজ্ঞানতার অন্ধকার একপর্যায়ে ঈশ্বর নামক একটা কল্পনা দিয়ে তারা ভরাট করে দিয়েছে। যেমন, এটা ঈশ্বর ছাড়া আর কেউ জানে না।

এখন কথা হচ্ছে একটি প্রশ্ন নিয়ে। মানুষের মন যে সেই প্রাচীনকাল থেকেই সংশয়ী তা কিন্তু কেউ অশ্বীকার করতে পারেনা। মানুষ প্রশ্ন করতে ভালোবাসে নতুন কিছু জানতে ভালোবাসে যেই প্রবনতা শিশুদের ভেতরে সব থেকে বেশি পরিলক্ষিত হয়ে থাকে। তাই আমাদের এই জানতে চাওয়া বা প্রশ্ন করা আসলে একটি স্বাভাবিক প্রবৃত্তি। এই আমি মানুষ এই পৃথিবীতে কোন সুত্রে এলাম তা জানতে চাওয়াও মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তির মধ্যেই পড়ে। তবে কথা হচ্ছে বিবর্তনবাদ নিয়ে এতোএতো ব্যাখ্যা দেখেও কেনো আবার কিছু মানুষ জানতে চাইবে মানুষ কোন সুত্রে এই পৃথিবীতে এলো। এখানেই হচ্ছে মূল সমস্যাটা। কেনো মানুষের মধ্যে এই নানান মতবাদ। কেউ বিবর্তনবাদ বিশ্বাস করে তো কেউ কোন কল্পিত বা মনুষ্যসৃষ্ট ধর্মীয় মতবাদ। মানুষের তৈরি এসব ধর্মীয় মতবাদ একটা সময় সভ্যতার শুরুতে মানব জাতির জন্য কোন অবদান রেখে গেলোও তার প্রয়োজন মানব সভ্যতায় বহু আগেই ফুরিয়েছে। যেহেতু এই ধর্মীয় মতবাদ মানুষের আবেগ আর অনুভুতির সাথে জড়িত তাই যুগে যুগে মানুষের মস্তিষ্কের একটা অংশ এই মতবাদ দ্বারা নিয়ন্ত্রণ হয়ে আসছে। মুক্তমনার প্রতিষ্ঠাতা, বিজ্ঞান মনষ্ক লেখক ও প্রকৌশলী অভিজিৎ রায় এই বিষয়টিকে ভাইরাসের সাথে তুলনা করেছিলেন, বলেছিলেন “বিশ্বাসের ভাইরাস” তিনি “ল্যাংসেট ফ্লুক” নামক পিপড়ার মস্তিষ্কে আক্রমন করা একটি ভাইরাসের সাথে তুলনা করে লিখেছিলেন “ল্যাংসেট ফ্লুক” নামক ভাইরাস যখন পিপড়ার মস্তিষ্কে আক্রমন করে তখন পিপড়া একটি পাথরের গা বেয়ে শুধুই উঠানামা করে থাকে। ধর্ম বিশ্বাস হচ্ছে মানুষের জন্য এরকম একটি ভাইরাস যার নাম “বিশ্বাসের ভাইরাস”।

এই জাতীয় বিশ্বাসের ভাইরাসের কারনেই বর্তমান যুগের এই আধুনিকতায় মানুষের মাঝে টিকে আছে বিভিন্ন ধর্মীয় মতবাদ ও ধর্ম বিশ্বাস। যার কারণে বিবর্তনবাদের মতো প্রমাণিত তত্ব দিয়েও তাদের সেই বিশ্বাসের যায়গা থেকে বের করা যায়না। আর এমন মানসিকতার ও মনোভাবের মানুষদের কাছ থেকে এই জাতীয় প্রশ্ন কোন অপ্রাত্যাশিত প্রশ্ন হবার কথা না। যদিও এসব প্রশ্নের উত্তর বর্তমানে কারো অজানা থাকার কথা নয় তারপরেও এখানে আমি আবার সংক্ষেপে তা উপস্থাপন করার চেষ্টা করছি। আমরা বর্তমানে আধুনিক মানুষ যা্দের বিজ্ঞানের ভাষায় হোমোস্যাপিয়েন্স (Homo sapiens) বলা হয়। বর্তমান যুগের বিবর্তনবাদ বা (evaluation theory) দিয়ে মহাবিশ্বের সৃষ্টি ও পৃথিবীতে প্রাণের আগমন কিভাবে ঘটেছে এবং কোটি কোটি বছরের ব্যবধানে আমরা আজকের আধুনিক মানুষ কিভাবে হলাম তা নিয়ে বর্তমানে ইউটিউব, নেটফ্লিক্স, ন্যাশনাল জিওগ্রাফী চ্যানেল, এনিমেল প্লানেট, অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে পর্যাপ্ত ডকুমেন্টারী আছে যা দেখলে মানুষ বা হোমোস্যাপিয়েন্স এর আগমন সম্পর্কে পরিপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।

আমাদের এই পৃথিবী ঠিক কবে কখন তৈরি হয় এমন প্রশ্নের উত্তরে বলা যায় একেবারে শুরুর কোনো পাথর টিকে নেই, তাই সঠিক করে বলা যায় না। তবে ধারণা করা হয় সৌরজগৎ সৃষ্টির মোটামুটি ১০০ মিলিয়ন বছর পর একগুচ্ছ সংঘর্ষের ফল হলো আমাদের এই পৃথিবী। আজ থেকে ৪.৫৪ বিলিয়ন বছর আগে পৃথিবী নামের গ্রহটি আকৃতি পায়, পায় লৌহের একটি কেন্দ্র এবং একটি বায়ুমণ্ডল। পৃথিবী তৈরি হবার পরে মোটামুটি ৩.৫ বিলিয়ন বছর আগে সালোকসংশ্লেষণ থেকে আসে প্রথম অক্সিজেন। পাথরের ওপরে জন্মানো সায়ানোব্যাকটেরিয়া বা নীলচে সবুজ শ্যাওলা থেকে প্রথম অক্সিজেন আসে। তবে এটা আসলে ভালো কিছু করেনি। এই অক্সিজেনের উপস্থিতির কারণে এমন কিছু ব্যাকটেরিয়া মরে যায় যারা অক্সিজেন এর উপস্থিতি সহ্য করতে পারে না। আর এভাবে ২.৪ বিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে অক্সিজেন অনেক বেশি বেড়ে যায় যাকে বলে হয়ে থাকে “Great Oxygenation Crisis”। তারও অনেক পরে আজ থেকে ৬৫০ মিলিয়ন বছর আগে বায়ুমণ্ডলে আবারো বাড়তে শুরু করে অক্সিজেন এবং এ সময়ে বিভিন্ন প্রাণীর উদ্ভব হতে থাকে। একটা সময় সুমদ্রতলে এককোষী প্রাণীর থেকে এসে তৈরি হয় বহুকোষী প্রাণী। এই সময়সীমার মাঝেই শিকার এবং শিকারির উদ্ভব হয়।

এভাবেই চলতে থাকে তা কিন্তু নয়। আমাদের এই পৃথিবীতে তৈরি হওয়া জীবের মধ্যে ৮৫% জীব বর্তমানে আর এই পৃথিবীতে নেই। পৃথিবীর ইতিহাসে সবচাইতে বড় বিলুপ্তির ঘটনা ঘটে আজ থেকে ২৫২ মিলিয়ন বছর আগে পারমিয়ান পিরিয়ডে। মাত্র ৬০ হাজার বছরের মাঝে প্রায় ৯০ শতাংশ জীবের বিলুপ্তি ঘটে। ৬৬ মিলিয়ন বছর আগে ক্রেটেশাস পিরিয়ডে বিলুপ্তি ঘটে ডায়নোসর সহ ৮৫ শতাংশ জীবের। পারমিয়ান পিরিয়ডে এই বিলুপ্তির কারণ ছিলো সাইবেরিয়ায় এক বিশাল অগ্ন্যুৎপাত। পরিবেশ পরিবর্তনের কারণেও বিলুপ্তি ঘটতে দেখা গেছে। ৪৫০ মিলিয়ন বছর আগে বড়সড় একটা তুষার যুগের কারণে বিলুপ্তি ঘটে ৭৫ শতাংশ জীবের। এতে করে বিজ্ঞানীরা মনে করে থাকেন যে মানুষ বা হোমোস্যাপিয়েন্সদের পূর্বপুরুষ বা একই গোত্র, হোমিনিড, হোমো-ইরেকটাস, হোমোস্যাপিয়েন্স (নেয়ান্ডারথাল বর্তমানে বিলুপ্ত) তাদের পুর্বপুরুষ “এপ” বা “প্রাইমেট” তাদের জন্য একটি অনুকুল পরিবেশ তৈরি হয়েছিলো বলেই আজকে আমরা আধুনিক মানুষে রুপলাভ করেছি। যাই হোক সংক্ষেপে এই লেখাটির টাইটেলে সে প্রশ্নটি করা আছে “এখানে কোন সূত্রে এলেন ?” সেই সুত্রটি নিশ্চয় পরিষ্কার হবার কথা। হ্যাঁ বর্তমান যুগের আধুনিক মানুষ (Human) এভাবেই এই পৃথিবীতে এসেছে। তবে সেই সাথে একটি বিষয় এখানে জানিয়ে রাখা উত্তম বলে মনে করি, তা হচ্ছে ধর্ম বিশ্বাসীদের মধ্যে বর্তমানে মডারেট কিছু বিশ্বাসী তৈরি হয়েছে যারা বিভিন্ন কুযুক্তি দিয়ে এই বিবর্তনবাদ ভূল এবং মিথ্যা দাবী করে থাকে এবং তাদের কল্পিত ঈশ্বর দ্বারা মানুষের সৃষ্টি তত্বের অনেকটা রুপকথার গল্প (একেকটি ধর্মে একেক রকম) টাইপের বিশ্বাস মানুষের মস্তিষ্কে ঢুকাতে থাকে।

যেমন খ্রিস্টান ধর্মে প্রথম মানব, মানবী হচ্ছে ইভ ও এডাম, হিন্দু ধর্মে প্রথম মানব মহর্ষি মনু, প্রথম মানবী শতরূপা। এভাবে ইসলাম, ইহুদী, শিখ, রোমান, প্রাচীন মিশরীয়, কনফুসিয়, জৈন, বৌদ্ধ, জরথ্রুস্ট, শিন্তো সহ পৃথিবীর লিখিত ও প্রতিষ্ঠানিক ৫২০০ টি ধর্মে প্রায় সমান সমান মতবাদ প্রচলিত আছে এই মানব আগমন বা আপনি আমি কিভাবে এই পৃথিবীতে এসেছি তা নিয়ে। এমনও আছে যে, নর্থ আমেরিকার রেড ইন্ডিয়ানদের একটি ধর্ম আছে যে ধর্মে মানুষের সৃষ্টি হয়েছে দাড়কাক থেকে দাবী করা হয়। এরকম নানান ধর্মের নানান মতবাদের কারনে আজকের বর্তমান আধুনিক যুগেও মানুষের মনে প্রশ্ন থাকে আমি, আপনি বা আমরা কোথা থেকে এসেছি ? আমি কোথায় যাচ্ছি ? আমি কে ? ইত্যাদি ইত্যাদি। ধর্মীও তত্ব গুলা যার যার মতো করে তাদের মনগড়া ব্যাখ্যা দিলেও বিজ্ঞান আমাদেরকে দিয়েছে তার সঠিক উত্তর। তবে মানুষের আবেগ ও অনুভুতির সাথে যেহেতু এই ধর্মবিশ্বাস জড়িত তাই তাদের মনে এই প্রশ্ন বারবার ফিরে আসে আর বিভিন্নভাবে তার ব্যাখ্যা চায় তারা।

মৃত কালপুরুষ
১৫/০৫/২০১৮

Comments

নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

দারুণ লিখেছেন। ধার্মিকদের অন্ধ বিশ্বাস ভাঙতে হলে এই ধরনের তথ্যমূলক লেখা আমাদের লিখতে হবে। দু'টি তথ্যগত ভুল আমার নজরে পড়েছে। আপনি চেক করে নিতে পারেন আবার।

আজ থেকে ২০ হাজার বছর আগে যখন বরফ যুগ শেষ হয়ে পৃথিবী উষ্ণ হতে শুরু করলো তখন থেকেই হোমোস্যাপিয়েন্স’রা বর্তমান আফ্রিকা মহাদেশ থেকে আস্তে আস্তে ছড়িয়ে পড়তে থাকলো সমস্ত পৃথিবীজুড়ে।

সম্ভবত ২০ হাজার নয়, ৩০ হাজার বছর হবে।

এভাবে ইসলাম, ইহুদী, শিখ, রোমান, প্রাচীন মিশরীয়, কনফুসিয়, জৈন, বৌদ্ধ, জরথ্রুস্ট, শিন্তো সহ পৃথিবীর লিখিত ও প্রতিষ্ঠানিক ৫২০০ টি ধর্মে প্রায় সমান সমান মতবাদ প্রচলিত আছে এই মানব আগমন বা আপনি আমি কিভাবে এই পৃথিবীতে এসেছি তা নিয়ে।

এখানেও সম্ভবত ৫২০০ নয় ৪২০০টি ধর্ম হবে।

 
মৃত কালপুরুষ এর ছবি
 

ধন্যবাদ আপনাকে।

-------- মৃত কালপুরুষ

 
মোঃ যীশুকৃষ্ণ এর ছবি
 

"মুক্তমনার প্রতিষ্ঠাতা, বিজ্ঞান মনষ্ক লেখক ও প্রকৌশলী অভিজিৎ রায় এই বিষয়টিকে ভাইরাসের সাথে তুলনা করেছিলেন, বলেছিলেন “বিশ্বাসের ভাইরাস” তিনি “ল্যাংসেট ফ্লুক” নামক পিপড়ার মস্তিষ্কে আক্রমন করা একটি ভাইরাসের সাথে তুলনা করে লিখেছিলেন “ল্যাংসেট ফ্লুক” নামক ভাইরাস যখন পিপড়ার মস্তিষ্কে আক্রমন করে তখন পিপড়া একটি পাথরের গা বেয়ে শুধুই উঠানামা করে থাকে। ধর্ম বিশ্বাস হচ্ছে মানুষের জন্য এরকম একটি ভাইরাস যার নাম “বিশ্বাসের ভাইরাস”।"

এই ভাইরাসটির আক্রমণের আরেকটি যুগান্তকারী উদাহরণ অভিজিৎ রায় নিজেই।
ধর্মবিশ্বাস মানুষকে অন্য কোন প্রজাতিতে রূপান্তর করে ফেলে বলে মনে হয়।

সোনালী ভোর
আর কতদূর

দেখা কী পাব তার

এ জীবন থাকতে আমার???

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মৃত কালপুরুষ
মৃত কালপুরুষ এর ছবি
Offline
Last seen: 3 ঘন্টা 50 min ago
Joined: শুক্রবার, আগস্ট 18, 2017 - 4:38অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর