নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • নুর নবী দুলাল
  • প্রত্যয় প্রকাশ
  • কাঙালী ফকির চাষী
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

শেষ দেখা !



বরগুনার চরমন্তাজের রাবেয়া ডিভি ভিসাতে যুক্তরাষ্ট্র গেলো প্রায় ৬-বছর আগে মাত্র ১৯-বছর বয়সে। এখন তার বয়স ২৫। এর মধ্যে আর দেশে ফেরেনি মেয়েটি। কারণ ওখানে যাওয়ার আগেই মারা গিয়েছিল বাবা, আর যাওয়ার কদিন পরই মাকেও হারায় রাবেয়া। নানা সংগ্রাম করে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াতে একটা ভাল জবের ব্যবস্থা হয়েছে ক'বছর আগে তার। ঢাকায় অবস্থানরত ভাইবোনরা যাওয়ার পর থেকেই প্রথমে কেবল টাকা-টাকা এবং শেষে যুক্তরাষ্ট্র নিতে চাপ দেয় রাবেয়াকে। ওখানে কম আয়ের কারণে স্বজনদের নেয়া তার জন্যে প্রবলেমেটিক হলেও, ভাইবোন কাউকেই এ কথা বিশ্বাস করাতে পারেনা এ মেয়েটি। প্রথমে তার খন্ডকালীন আয়ের সব টাকাটাই পাঠিয়ে দেয় দেশে ভাইবোনের কাছে। কিন্তু মায়ের চিকিৎসার কথা বলে, নানাবিধ প্রয়োজন, জমি কেনা ইত্যাদির বাহানায় দিন-দিন বাড়তে থাকে চাহিদা। প্রায় ৫-বছর রাবেয়া তার কষ্ট-আয়ের পুরো টাকাটাই পাঠায় দেশে ভাইবোনদের কাছে। কিন্তু দেশ থেকে নানাবিধ অভিযোগ আর বর্ধিত অর্থ চাহিদা ছাড়া কিছুই পায়নি সে। এমনকি মায়ের মৃত্যু সংবাদ তাকে দেয়া হয় ৩-দিন পর, যখন নিজ উদ্যোগে দেশে ফোন করে সে সবার খবরাদি জানতে।
:
এসব কারণে একটা কষ্ট নিয়ে ভার্জিনিয়া দিন কাটে রাবেয়ার একাকি। দেশে আসারও কোন তাগিদ অনুভব করেনা সে। কেউ একবারো বলেনি তাকে দেশে বেড়াতে আসতে। সবার কথা ওমুকের তমুক কাজে টাকা চাই। অমুক অমুক লোকেরা কানাডা-আমেরিকা যাচ্ছে, রাবেয়া তার ঘরের লোকদের নিচ্ছে না কেন? সবার বদ্ধমূল ধারণা, ইচ্ছে করে রাবেয়া নিচ্ছেনা কাউকে, যাতে তার সমকক্ষ কেউ আমেরিকার পাসপোর্টধারী হয়ে গর্ব না করতে পারে। এসব কথা শুনে প্রবাসি স্বজনহীন ভার্জিনিয়াতে বিচ্ছেদের শেষ চুম্বনের কষ্টস্বাদ অনুভব করে রাবেয়া প্রায়ই কাঁদে একাকি অবসরে।
:
ছমাস আগে ঢাকার মুক্তমনা সৌরভের সাথে ফেসবুকে পরিচয় ঘটে রাবেয়ার। সৌরভের পোস্ট, গল্প, প্রবন্ধ, ব্লগ, ব্যক্তিত্ব, মানবিকতা, নির্ধামিকতা সবই ভাল লাগে রাবেয়ার। রাবেয়া নিজে ধার্মিক হলেও, সৌরভের ধর্মহীন যৌক্তিক কথাকে পায়ে ঠেলতে পারেনা সুশিক্ষিত রাবেয়া। বরং সৌরভের কথাকেই কেন যেন বিজ্ঞানভিত্তিক আর সত্যি মনে হয় রাবেয়ার কাছেও। তারপরো ধর্মভয় তাকে আঁকড়ে ধরে রাখে সারাক্ষণ। সুতরাং সৌরভকে পছন্দ করলেও, ধর্মকে একটুও ছাড়েনা রাবেয়া। এটাও আসলে এক ধরণের ভালবাসা।
:
ফেসবুকে সপ্তরঙা বাতাস আর চর্তুবর্ণা জলকণার কথা কইতে কইতে একদিন সত্যি প্রেমে পড়ে রাবেয়া সৌরভের। ঢাকার দিনগুলোর হারাণো সুখের স্মৃতি-প্রজাপতির বর্ণময় রূপময়তায় সৌরভকে ভার্জিনিয়া ডাকে রাবেয়া। কিন্তু ঢাকায় চমৎকার একটা জব থাকাতে, তা ছেড়ে সৌরভ যেতে চায়না আমেরিকা। যদিও একবার চেষ্টা করেছিল সে ভিজিট ভিসায় রাবেয়ার কাছে যেতে কিন্তু নির্ধার্মিক সৌরভের নামের প্রারম্ভে মোহাম্মদ থাকাতে, যুক্তরাষ্ট্রীয় লোকজন কট্টর ধার্মিক মনে করে ভিসা দেয়নি সৌরভকে। দুতাবাস থেকে বেড়িয়ে এ ব্যাপারে একা-একা অনেকক্ষণ হেসেছিল সৌরভ, দুতাবাস কর্তৃপক্ষের অদক্ষতা আর অবিচক্ষণতা দেখে।
:
ভিসা রিফিউজের পর আবার কথা কয় সৌরভ-রাবেয়া দীর্ঘক্ষণ। দুজনেই দেখা করতে চায় দুজনের সাথে উদ্ভিন্ন যৌবনগাঁথায় ভাললাগাময় আটপৌরে বোধে। এবার ঠিক হয় রাবেয়া আসবে দেশে সৌরভের জন্যে। আর ভাইবোনতো আছেই। তাদের সাথেও দেখা হয়ে যাবে ৬ বছর পর। যদিও রাবেয়া প্রতিজ্ঞা করেছিল, আর কখনো আসবেনা সে তার লোভী স্বজনদের কাছে, যারা টাকা আর আমেরিকা ছাড়া কিছুই চেনেনা। তারপরো রাবেয়া তুর্কী এয়ারের একটা রিটার্ন সস্তা টিকেট কাটলো একদিন, ১০-ঘন্টার ইস্তাম্বুল ট্রানিজটসহ। সৌরভকে বললো, কাউকে জানাবে না সে বাংলাদেশে আসার। সৌরভ যেন এয়ারপোর্টে থাকে। তার সাথে দেখা করেই সে সিন্ধান্ত নেবে সৌরভের সাথে তার ফ্লাটে যাবে? নাকি তার ভাইদের মীরপুরের বাড়িতে! কথা হলো সৌরভ তার অফিসের গাড়ি নিয়ে এয়ারপোর্টে থাকবে সকাল নটার মধ্যে। ঐদিন ছুটি নিয়েছে সে, সম্ভবত অফিসে যাবেনা। প্রয়োজনে রাবেয়াসহ যাবে তার ভাইদের বাড়ি বিকেলে।
:
কাটায় কাটায় ঠিক নটায় রাবেয়ার ফ্লাইট নামলো ঢাকাতে। ইমিগ্রেশন, কাস্টম চেকিং করতে করতে পাক্কা দেড় ঘন্টা লাগলো রাবেয়ার। ক্যানোপিতে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকেও সৌরভ বা তার কথিত কালো রঙের ৪৩২৬ নম্বরের জিপ চোখে পড়লো না রাবেয়ার। অবশেষে এক আনসারের হেলপ নিয়ে তার মোবাইল থেকে ফোন করলো সৌরভের নম্বরে। সৌরভের বদলে ফোনটি ধরলো তার দাপ্তরিক পিওন আমির। আমির মিনতি করে বললো, "স্যার মন্ত্রীর সাথে একটা জরুরি মিটিংয়ের কারণে যেতে পারেননি। এখনো ভেতরে সে। আপনার ফোন আসতে পারে, তাই ফোনটা রেখে গেলো আমার কাছে। আর স্যারের গাড়ি নিয়ে ড্রাইভার কিন্তু এখনো এয়ারপোর্টে। আপনারতো কোন নম্বর নেই, তাই কিভাবে পাবে সে আপনাকে"? অবশেষে আরো ২/৩-বার ফোনের পর সৌরভের ড্রাইভারকে পায় রাবেয়া। এবং মন খারাপ করে সৌরভের দাপ্তরিক গাড়ি আর ড্রাইভারের পথ নির্দেশনায় সে খুঁজে-খুঁজে একাকি চলে যায় মীরপুরে তার বড় ভাইর বাসাতে।
:
আকস্মিক রাবেয়াকে দেখে আকাশ থেকে পড়ে তারা। ঘন্টাখানেকের মধ্যে আশপাশের বাড়ি থেকে অন্য ভাইবোনেরাও চলে আসে ঐ বাসাতে সবাই। এবং এতোদিন পর কার জন্যে কি এনেছে এটাই সবার প্রধান আগ্রহের বিষয় হয়ে ওঠে। বিকেলের দিকে ফ্রি হয় সৌরভ কিন্তু ভাবীর ফোন নম্বর দেয়াতে, তেমন কথা হয়না রাবেয়ার সাথে। নিজের নামে নতুন সিম, আর ঢাকার নেট সংযোগ পেতে সন্ধ্যা হয় তার। রাতে নেটে অনেকক্ষণ কাটায় সৌরভ-রাবেয়া। নিজে এয়ারপোর্টে না যাওয়ার জন্যে বার-বার ক্ষমা চাইতে থাকে সৌরভ রাবেয়ার কাছে। পরদিন রাবেয়ার সাথে দেখা করার প্রোগ্রাম হলেও রাতেই সৌরভকে গ্রামে যেতে হয় নাইট কোচে আকস্মিক। কারণ বাবা 'স্ট্রোক' করেছে গ্রামের বাড়িতে। পরদিন সৌরভই মোবাইলে জানায় রাবেয়াকে, রাতেই মারা গেছে তার বাবা। ভোরে বাড়ি পৌঁছে কেবল লাশটাই দেখতে পায় সে, জীবিত বাবাকে নয়। কি বলে সৌরভকে সান্ত্বনা দেবে রাবেয়া বুঝতে পারেনা। কেবল তার বাবার পরকালীন শান্তির জন্যে স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করা ছাড়া। বাবার দাফন-কাফন, ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা, ঋণ শোধ, মায়ের সাথে বাড়িতে থাকার জন্যে একজন গরিব আত্মীয়কে রাজি করানো, গ্রামের স্বজনদের আবদার অনুযায়ী গরিব মিসকিনের জন্যে ডাল-ভাতের ব্যবস্থা, সবই করতে হয় একমাত্র ছেলে হিসেবে সৌরভকে। এবং এসব কাজ শেষ করে ঢাকা ফিরতে ৮-দিন লেগে যায় সৌরভের।
:
সৌরভ যেদিন ঢাকা পৌঁছে, সেদিনই ৭-ভাইবোন আর তাদের ছেলেপুলেসহ ২৩-সদস্যের পুরো পরিবারসহ রাবেয়া দ্বিতল লঞ্চে ওঠে তার গ্রাম চরমন্তাজে যেতে। যেখানে দাফন করা হয়েছে তার মাকে। মৃত্যুর সময় মাকে দেখেনি রাবেয়া। তাই অন্তত নিজ গ্রাম আর কবরটা দেখতে যেতে চায় সে, ছুঁতে চায় মায়ের উষ্ণতা। কিন্তু নিম্নবিত্ত স্বার্থবাদী এ পরিবারের সকল সদস্যই রাবেয়ার সাথে গ্রামে যেতে উৎগ্রীব হয় এ হিসেবে যে, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসি রাবেয়াই ঐ দুর দ্বীপাঞ্চলে আসা যাওয়ার ভাড়াসহ সব খরচ বহন করবে। এবং সত্যি ২৩-সদস্যের জন্যে কেবিন, রাতে খাবার ইত্যাদিতে অনেক টাকা খরচ হয়ে যায় রাবেয়ার। ভাই বা অন্য স্বজনদের কারো হাত গলে একটা পয়সাও বের হয়না এ দুরযাত্রায়! চার-দিন থেকেই ঢাকা ফিরে আসার কথা থাকলেও, ৯-বছর পর নিজ গ্রামে এসে সব পরিচিত আত্মীয় স্বজনের বাড়ি যেতে-যেতে, দাওয়াত গ্রহণ আর বর্জনে, প্রতিবেশি আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগদান পর্ব শেষে ৯-দিন চলে যায় রাবেয়ার চোখের পলকে। সৌরভ ঢাকা বসে অস্থির হয় রাবেয়াকে দেখতে। এই চরাঞ্চলে নেট স্লো বলে ফেসবুকে আসেনা সে নিয়মিত। তবে কথা কয় রাবেয়া সৌরভের সাথে প্রতিদিন দুতিনবার সময় পেলেই।
:
৯-দিনের মাথায় চরমন্তাজ থেকে সরাসরি দুপুরের লঞ্চে সবার জন্যে কেবিন করায় রাবেয়া। দুপুর ১২-টায় ছাড়া এ লঞ্চ ঢাকা পৌঁছবে পরদিন সকাল ৮-টায়। কিন্তু ১০-টার দিকেই ভাতিজা খবর নিয়ে এলো নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। ৪-নম্বর সিগন্যালের পতাকা টানিয়েছে লঞ্চঘাটে। লঞ্চ ছাড়বে না আজ। রেডিওর নব ঘুড়িয়ে নিশ্চিত হয় রাবেয়া। হ্যা দক্ষিণ বে অব বেঙ্গলে সৃষ্টি হওয়া ঝড় ধেয়ে আসছে বাংলাদেশ ভারতের দিকে। যার প্রভাবে গুমোট অন্ধকার। আকাশ ভেঙে কখন বৃষ্টি নামে কে জানে! ঝড়ে উপকুলের ঘরবাড়ি ভেঙে, পশু-পাখি ভাসিয়ে মেঘালয়ের দিকে যেতে ৪-দিন লাগলো পুরো। অবশেষে সাকুল্যে ১৫-দিন পর যখন ঢাকা পৌঁছতে পারলো রাবেয়ার বিশাল বহর, সৌরভ তখন বিদেশি একটা টিম নিয়ে দাপ্তরিক কাজে চট্টগ্রামে বন্দরে। যারা একটা বিশেষ প্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রজেক্টের কাজে এখন বাংলাদেশে। বিদেশিদের নিরাপত্তা ও দেখ-ভাল করার জন্যে মন্ত্রণালয় থেকে এ বিশেষ দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সৌরভকে। এবং সৌরভের এ নিবিড় দায়িত্ব শেষ করে ঢাকা ফিরতে ফিরতে রাবেয়ার ইস্তাম্বুল হয়ে আমেরিকা ফেরার ফ্লাইটটার সময় চলে এলো। তুর্কী এয়ারের সস্তা এ টিকেট আবার অপরিবর্তন আর অফেরতযোগ্য। তা ছাড়া অনেক চেষ্টাতে ভার্জিনিয়ার সফোসটিকেটেড জবটিও হারাতে চায়না রাবেয়া। মাসের প্রথম দিনই কাজে যোগ দিতে হবে তার। তাই নির্দিষ্ট ফ্লাইটেই ফিরতে হবে রাবেয়াকে!
:
অবশেষে ফ্লাইটের দিন সকালে বিদায়ের প্রাকলগ্নে এয়ারপোর্টে দেখা হয় সৌরভ আর রাবেয়ার। ১১-টায় ফ্লাইট থাকলেও, ৮-টায় উপস্থিত হয় রাবেয়ার পুরো পরিবার আর সৌরভ। এয়ারপোর্ট হাজারো গিজগিজে মানুষের ভীড়ে কি কথা কইবে সৌরভ রাবেয়াকে খুজেঁ পায়না সে! প্রথম দেখাতেই সুখনেত্র থেকে অনন্তে উত্তরণের পথে-পথে কতটা নিকষ জাল বিছানো সৌরভ-রাবেয়ার প্রেমে, তা চিন্তনে বিষাদময় হয় সৌরভের চোখ। বাড়ন্ত কিশোরির রোদমাখা খোলা বুকের দৃশ্যমুগ্ধতার মতো, রাবেয়াকে আঁকড়ে ধরতে ইচ্ছে করে সৌরভের। এ ছমাসের প্রেমজ পরশে পরস্পরের বাহুতে মাথা রেখে ঘুমুতে চেয়েছিল ওরা। কিন্তু বন্দর ভরা হাজারো মানুষের সামনে ফিকে রোদ্দুরের আবিষ্ট পুকুরে ভেসে বেড়ায় সৌরভের চাওয়াগুলো উড়ে যাওয়া বুনো হাঁসের ঝাঁকের মত। ওরা কেবল চেয়ে থাকে একে অপরের দিকে ধুসরতার অপলকে। হাতটা ধরতেও ভুলে যায় ওরা কেন যেন। এবং দুচারটা কথার পর ভেতরে চলে যেতে হয় রাবেয়াকে। আর সত্যি-সত্যি রাবেয়া সৌরভের হাতটা না ছুঁয়েই ভেতরে চলে যায় হেঁটে-হেঁটে।
:
ফেসবুকের অনামা নারীর নিভৃত ভালবাসার অঝোড় বৃষ্টির টুপ-টাপে ক্রমাগত ভিজতে থাকে সৌরভ। সৌরভের প্রথম মানবির অনাদি যুগের রোমান্টিসিজমের ঘ্রাণের ঘ্রাণময়তা নিয়ে হারিয়ে যায় রাবেয়া। সবাই চলে যাওয়ার পরও রাবেয়া নামের এক কিশোরী কার অবোধ পুঙ্খের ঝুমঝুমির শব্দময়তায় অনেকক্ষণ বন্দরে দাঁড়িয়ে থাকে সৌরভ! রাবেয়ার চলে যা্ওয়া পথে কষ্টবাতাসের মৃদঙ্গ ধ্বনিরা জলকষ্টে নেচে চলে এবার ভেজা কাকের মত। যে জল-ভেজা কাকেরা অবিরত কা-কা করতে থাকে সৌরভ আর রাবেয়ার সাক্ষাতের শেষদৃশ্য আর অদৃশ্যমান জীবন চিন্তনে!

Comments

 

অসাধারণ।
বিরতিহীন পড়তে বাধ্য হয়েছি, অনেকটা গোগ্রাসে গিলে ফেলা বলতে পারেন।

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

ড. লজিক্যাল বাঙালি
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
Online
Last seen: 3 min 2 sec ago
Joined: সোমবার, ডিসেম্বর 30, 2013 - 1:53অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর