নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • কাঙালী ফকির চাষী
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • মাহের ইসলাম
  • মৃত কালপুরুষ

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

আবার কি সেই ক্ষুধার্ত শকুন খাবলে ধরেছে বাংলাদেশের মানচিত্র।


যুদ্ধাপরাধী মুক্ত বাংলাদেশ গড়া কি আজ অসম্ভব আবার কি সেই ক্ষুধার্ত শকুন খাবলে ধরেছে বাংলাদেশের মানচিত্র।

তুরিন আফরোজ: -হ্যালো আসলামালাইকুম, এটা কি ওয়াহিদুল হক সাহেবের নাম্বার।
ওয়াহিদুল হক: -জী বলছি আমি, কাকে চাচ্ছেন ?
তুরিন:- জী আপনাকেই চাচ্ছি, আমার নাম হচ্ছে তুরিন আফরোজ।
(২ সেকেন্ড কাট, বা ল্যাগ, এই দুই সেকেন্ডের কোনই হদিশ নাই তবে বোঝা হয়তো যাচ্ছে প্ৰশ্ন ছিল " নামটা আবার বলুন ")
তুরিন: -তুরিন আফরোজ।
ওয়াহিদুল হক: জী।
তুরিন: -আমি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর।
ওয়াহিদুল হক: আন্তর্জাতিক ?
তুরিন: -অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
ওয়াহিদুল হক: -জী জী আচ্ছা জী হ্যাঁ।
তুরিন: ভালো আছেন আপনি ?
ওয়াহিদুল হক: -আছি মোটামটি ভাল, আলহামদুলিল্লাহ।
তুরিন: -আপনার সাথে কি কখনো দেখা করা যাবে ?
ওয়াহিদুল হক: -কি ব্যাপারে বলেন ?
এরপর তুরিন আফরোজ নিজের অবস্থান ও সততা সম্পর্কে বিস্তারিত জানান ও মামলার বিষয়ে জানার আগ্রহ প্রকাশ করে মামলার মেরিট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তুরিন আরও জানান যে মিথ্যাকে সত্য ও সত্যকে মিথ্যা প্রমাণ করা উনার নীতির বাইরে, বাবা ও পরিবারের কাছ থেকে সে শিক্ষা তিনি পাননি।
দেখা যাক ঘটনা কোথায় গিয়ে দাড়ায়।
একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসাবে তুরিন আফরোজের সাথে অভিযুক্ত ওয়াহিদুল হকের কথোপকথনকে কোন ভাবেই তিনি তিনি যে অপরাধী নন, সেটা তুরিনের পক্ষ থেকে প্রতিশ্রুতি মূলক আশ্বাস হিসাবে দেখা যায় না কারণ একজন তদন্তকারী কর্মকর্তার কৌশল ও গতি কি হবে সেটা জানার অধিকার সাধারণ মানুষের থাকে না বা থাকার নিয়ম নাই। দেখার বিষয় হচ্ছে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুধ্যে কোন ধরণের বেআইনি কর্ম পদ্ধতি প্রয়োগ করা হচ্ছে কিনা ?

কিন্তু ইউটিউবে ফাঁস করা টেলিফোনের কথোপকথনটি কতটুকু ফাঁস হলো বুঝতে না পারলেও এখানে একজন ব্যক্তি যিনি উত্তরায় থাকেন তিনি দু পক্ষকেই চাপে রেখেছেন সেটা সাধারণ আম জনতা খুব সহজেই বুঝতে পারছে। কারণ স্বাধীনতার শত্রুরা বিভিন্ন দিক থেকে জাতীয় নির্বাচন ও বাংলাদেশের ভাব মূর্তিকে ক্ষুণ্ণ করতে সব দিক থেকেই আক্রমণ চালাবে সেটা সহজেই বোধগম্য, তারা যে সরকারের মন্ত্রণালয়গুলোতে বা সরকারি উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা নয় তা আমরা কেউ হলপ করে বলতে পারছি না।
ভুয়া মুক্তি যোদ্ধাদের বিরুদ্ধ্যে তুরিনের প্রতিবাদই কণ্ঠই হয়তো রাজাকারদের খেপিয়ে তুলেছে, তাদের তো আর টাকার অভাব নেই , টাকা ছেটালেই কাউয়া ও মুরগির অভাব ঘটে না। এক্ষেত্রে আম জনতার প্রশ্ন কে সেই উত্তরার মানুষটি ?

ভিডিও টি দেখার পর নিজেরাই বিবেক দিয়ে বিবেচনা করুণ।
https://www.youtube.com/watch?v=O9hir4NFbM0&feature=youtu.be

ওয়াহিদুল হক: -একজন ইন্ডিভিজুয়াল এমন কেউ যিনি এটা নিয়ে এমন কিছু করতেছে.... একচুয়ালি কিন্তু কিছুই না ... এ .....
তুরিন: - এটা কি এমন একজন কেউ যেখান থেকে খুব প্রেশার আসছে ? সে কি আমাদের স্ক্রিনের ভেতরেই আছে নাকি কোন পজিশনে ?
ওয়াহিদুল হক: - আমাদের স্ক্রিনের ভেতরেই আছেন তবে আপনি যখন এতো কিছু ওপেন আপ (open up=সুগম করা) করলেন, আমি আপনার কাছে পুরো বিষয়টি তুলে ধরতে চাই (I will be happy to discuss the whole thing with you, because of you are the concern with this) তা আপনি থাকেন কোথায় ?
তুরিন: - আমি উত্তরাতে থাকি।
ওয়াহিদুল হক: -ও উত্তরাতে থাকেন, তো আমি গুলশানে থাকি any time you are most welcome to have a cup of tea or coffee with me and have a discuss the whole thing ( আপনি যে কোন সময়ে আপনাকে এক কাপ চা বা কফি পেইন আমন্ত্রণ জানাই) তা হলে হবে কি আপনার জন্যেও জিনিষটা খুব clear (পরিষ্কার) হবে।
তুরিন : -কারণ আমি পুরো জিনিস পড়েছি তা পুরো ডকুমেন্ট পড়েছি তা হলে আপনি বলেন এটার ভেতরে আমি লিগ্যালি কি ভাবে এগুবো কি ভাবে আর্গু (argu) করবো আমি নিজেকে ছাগল প্রমাণ করতে চাইনা, i will not do that thing (আমি এই কাজ করতে চাই না [যেটা অনৈতিক])। পরিশেষে,
ওয়াহিদুল হক একটু গুরুত্বপূর্ণ কথা তুরিন জানান "since you are involved with the whole thing I would like to lay out all my cards in front of you"

(ঠিক এই কথার মাঝ খানেই তুরিন প্ৰকাশ করেন যে কেউ একজন চাপ সৃষ্টি করছে,) -তা হলে এটাকে এটাকে অন্য রকম ভাবে বানিয়ে দেন, বানাইয়া দেন মানে ? I CAN NOT DO IT !!! (আমি সেটা করতে পারবো না, জিনিষটা হচ্ছে আমি যদি এটা ছেড়ে অন্য কেউ না কেউ এটা করবে "উনি" (উত্তরা থাকেন) যেটা চাচ্ছেন।
--আমাদের এর চাইতে বেশী শোনার প্ৰায়োজন আছে বলে মনে করিনা, কারণ কথোপকথনের আসল যে অভিযোগ সেটা তুরিনের পকেটে ২০ কি ২৫ কোটি টাকা ঢুকে গেছে সেটার বিন্দু মাত্র লেশ খুঁজে পাওয়া গেলো না।
একজন তদন্ত কর্মকর্তা যখন তার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তদন্ত করার দায়ভার গ্রহণ করেছেন তা তিনি কি কৌশলে অবলম্বন করবেন সেটার বিষয়ে তিনিই (তুরিন আফরোজ) ভালো জানেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার পূর্বে একজন তদন্ত কর্মকর্তা অভিযুক্ত ব্যক্তির সাথে বোরখা পরে নাকি ধুতি পরে দেখা সেটা আমাদের জানার বিষয় হতে পারে না, আমরা শুধু জানতে চাই চাপ প্রয়োগকারী তৃতীয় সেই ব্যক্তিটির নাম, আমাদের জানার বিষয় হচ্ছে কি কারণে একজন প্রতিভাবান ব্যক্তিত্বের উপর এরূপ কালিমা লেপন করা হচ্ছে ?
কি কারণে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধী ট্রাইব্যুনাল ও তার কর্মকর্তাদের প্রশ্বিদ্ধ করা হচ্ছে ?
তুরিন আফরোজের আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধী ট্রাইব্যুনালের আইন মোতাবেক একজন তদন্ত কর্মকর্তার হিসেবে অভিযুক্তের সাথে কি ভাবে দেখা করবেন, কথা বলবেন বা আলোচনা করবেন সেটা একান্তই তার নিজস্ব ব্যাপার, তাই যদি হবে তবে কেন এই গঞ্জনা ও অপবাদ ?
সরকারের পক্ষে থেকে স্বচ্ছ তদন্ত করে একজন স্বচ্ছ মানুষকে অপবাদকে মুক্তি দিয়ে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধী ট্রাইব্যুনালকে সম্মানকে সমুন্নত রাখার প্রতিশ্রুতি জনগণ আশা করে।
রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধী মুক্ত বাংলাদেশই হোক আমাদের ব্রত, জয় বাংলা।
-----মাহবুব আরিফ কিন্তু।

বিভাগ: 

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কিন্তু
কিন্তু এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 3 min ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 5:41অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর