নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • শ্মশান বাসী
  • আহমেদ শামীম
  • গোলাপ মাহমুদ

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

স্পিনোজার শিক্ষাজীবন



ইহুদিদের দীর্ঘ পথ পরিক্রমা স্পিনোজার মানস গঠনে প্রভূত ভূমিকা রেখেছিল। ইহুদিদের ইতিহাস স্পিনোজার চরিত্রে দিয়েছিল দৃঢ়তা এবং হয়ত এই কারনেই ইহুদি সমাজ থেকে বিচ্যুত হয়েছিলেন। যদিও স্পিনোজার বাবা ছিলেন সফল ব্যবসায়ী তবুও ছোটবেলা থেকেই পিতৃ পেশায় তার কোন আগ্রহ ছিল না। সিনেগগ তার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু এবং এখানে সময় কাটাতেই বেশি পছন্দ করতেন। তখন তিনি ইহুদি ধর্ম এবং ইহুদি সম্প্রদায়ের ইতিহাস নিয়ে জ্ঞানার্জনে সময় কাটাতেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী এবং তার সম্প্রদায়ের বয়োজ্যেষ্ঠরা মনে করতেন এই ছেলে একদিন ইহুদি সম্প্রদায়ের মুখ উজ্জ্বল করবে সেই সাথে তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসকে সমুন্নত করবে। খুব দ্রুতই তিনি বাইবেল এবং তালমুদের খুটিনাটি ব্যাখ্যা ও জটিল নিগূঢ় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে গেলেন। ধর্মগ্রন্থের বাইরে তিনি মাইমোনাইডস, লেভি বেন গারসোন, ইবনে এজরা এবং হাসদাই ক্রেসকাসের অবিন্যস্ত লেখাকে পরিপূর্ণতা দান করেন। এমনকি সেই বয়সে স্পিনোজা তার পাঠাভ্যাস কবি ও দার্শনিক ইবনে গেবিরোল এবং কর্ডোভার ইহুদি পথপ্রদর্শকের মরমীবাদ ‘কাব্বালা’ পর্যন্ত বিস্তৃত করেছিলেন।

বেন গারসন স্পিনোজাকে অনন্ত মহাবিশ্বের ধারনা দিলেন। বেন গারসনের শিক্ষার আলোকে তিনি যখন ঈশ্বর এবং মহাবিশ্বের স্বরূপ দেখতে পেলেন তখন বিস্ময়াবিভূত হয়ে পড়লেন। হাসদাই ক্রেসকাস মনে করতেন এই সমগ্র পৃথিবীটাই ঈশ্বরের মস্ত বড় একটা শরীর। এই সময়ে তিনি আরব্য স্প্যানিশ দার্শনিক এবং চিকিৎসক এভারোসের তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে মাইমোনাইডসের অমীমাংসিত আলোচনায় জানতে পারলেন অমরত্ব একটা নৈর্ব্যক্তিক ধারণা। কিন্তু মাইমোনাইডসের Guide to the Perplexed প্রবন্ধ পড়ে স্পিনোজা দিকনির্দেশনা থেকে বিভ্রান্ত হলেন বেশি। ইহুদি পুরোহিতদের কাছে তিনি উত্তরের প্রত্যাশা না করে প্রশ্ন করতে লাগলেন। স্পিনোজা ক্রমেই ওল্ড টেস্টামেন্টের স্ববিরোধীতা এবং অসাড়তা বুঝতে পারছিলেন। সেই প্রশ্নের সমাধান কিছুটা দেরিতে পেয়েছিলেন মাইমোনাইডসের অগোছালো কিছু লেখায়। বিশ্বাসে আঘাতকারী মেধাবীরা যে কোন বিশ্বাসের চরম শত্রু। তাদের সূক্ষ্ম চিন্তা অবিশ্বাসের জন্ম দেয় এবং মানুষের সুপ্ত মনকে জাগিয়ে তোলে। মাইমোনাইডসের লেখায় অবিশ্বাসের সুচনা মাত্র, ইবনে এজরার ধর্মীয় ব্যাখ্যায় সেটা আরো পরিণত হয়েছে। সেখানে তিনি পুরনো বিশ্বাসকে আরো সরাসরি প্রশ্নের সম্মুখীন করেছেন, এবং অনেক সময় উত্তর দেয়ার অযোগ্য বলে প্রশ্নকে বাতিল করা হয়েছে। স্পিনোজা যত পড়তে লাগলেন আর চিন্তা করতে লাগলেন, ততই তার সামনে থেকে নিশ্চিন্তার পর্দা গলে সেখানে দেখা দিচ্ছিল বিস্ময় আর অবিশ্বাস।

ঈশ্বর এবং মানুষের গন্তব্য কী এই ক্ল্যাসিকাল প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য স্পিনোজার কৌতূহলী মন তন্নতন্ন করে খুঁজে বেড়াতে লাগল খ্রিস্টান ধর্মীয় চিন্তাবিদেরা কে কি লিখে গেছেন। তিনি ডাচ পণ্ডিত ভ্যান ডেন এনডে’র কাছে তিনি ল্যাটিন ভাষায় পাঠ নিতে লাগলেন এবং সেখানে পেয়ে গেলেন বিস্তৃত অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের সন্ধান। তার এই নতুন শিক্ষক নিজেও ছিলেন প্রচলিত ধর্মের গোঁড়ামির প্রচণ্ড বিরোধী, ধর্ম বিশ্বাস এবং সরকারের সমালোচক। সরকার বিরোধী এক ছাত্র তার লাইব্রেরীতে ফ্রান্সের রাজার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় এবং ১৬৭৪ সালে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। ভ্যান ডেন এনডে’র সুন্দরী কন্যা স্পিনোজার প্রতি অনুরক্ত হয়ে পড়েন। এমনকি কলেজের কোন আধুনিক ছাত্রও এই সুন্দরীর মোহে পড়ে ল্যাটিন শেখা শুরু করে দিতে পারে। কিন্তু এই সুন্দরী স্পিনোজার শুধু মেধার প্রতি নির্মোহ থাকতে পারেন নি। যখন অন্য প্রণয়প্রার্থী দামি উপহার নিয়ে সুন্দরিকে প্রেম নিবেদন করেন তখন সে স্পিনোজার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। কোন সন্দেহ নেই ঠিক সেই সময়ে আমাদের নায়ক স্পিনোজা দার্শনিকে পরিণত হন।

যেকোন উপায়ে হোক স্পিনোজা ল্যাটিন ভাষা শিখে ফেললেন। ল্যাটিন ভাষার মাধ্যমে স্পিনোজা প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইউরোপীয় চিন্তার ঐতিহ্যে প্রবেশ করলেন। তার মনে হলো সক্রেটিস, প্লেটো, এরিস্টটলের দর্শন পড়া দরকার। কিন্তু তিনি বেছে নিলেন ডেমোক্রিটাস, এপিকিউরিয়াস, এবং লুক্রেটিয়াস এবং স্টোয়িক দর্শনের ধারা তার উপর অবর্ণনীয় প্রভাব রেখে গেল। তিনি পণ্ডিত দার্শনিকদের লেখা পড়লেন এবং তাদের দার্শনিক জ্ঞানের পরিভাষায় শুধু গ্রহণ করলেন না, সেই সাথে গ্রহণ করলেন তাদের গবেষণালব্ধ জ্ঞান প্রমাণের জন্য জ্যামিতিক প্রক্রিয়া, সংজ্ঞায়ন, গবেষণালব্ধ জ্ঞানের প্রস্তাব, প্রস্তাবনার প্রমাণ, দার্শনিক মন্তব্য এবং অনুসিদ্ধান্ত। তিনি এই সময়ে জিয়ার্দানো ব্রুনো’র (১৫৪৮-১৬০০) লেখা পড়লেন। এই মহান বিদ্রোহী যে আগুন জ্বেলেছিলেন ককেশাসের সমস্ত বরফ তা নেভাতে পারেনি। ব্রুনো দেশ থেকে দেশান্তরে, ধর্ম থেকে ধর্মে ঘুরতে লাগলেন, জ্ঞান অন্বেষণ করতে লাগলেন এবং অভিভূত হয়ে ফিরে এলেন যেখান থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন এবং তিনি জ্ঞানের দায়ে দণ্ডিত হলেন। খ্রিস্টানরা দয়া করে রক্তপাতের বদলে তাকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার আদেশ দিলেন। এই স্বপন বিলাসী ইতালীয় তরুণের মনে কী অপরিসীম চিন্তার ঐশর্য লুকিয়ে ছিল। প্রথমত তার প্রধান চিন্তা ছিল বস্তুর ঐক্যতা। বাস্তবের সবকিছুই একটা নির্দিষ্ট কারনে অনাদি থেকে একটা বস্তুর মধ্যে সীমাবদ্ধ। ঈশ্বর সম্পর্কিত বাস্তবতার একটাই প্রতিরূপ। ব্রুনোর কাছে মন এবং বস্তুজগৎ একটাই মনে হয়েছিল। বাস্তবিক জগতের সব বস্তুকণা শারীরিক এবং মানসিকভাবে একই উপাদানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। দর্শনের মূল লক্ষ্য তাহলে ঐক্যতাকে বহুমুখীতায়, মনকে বস্তুতে আবার বস্তুকে মনে উপস্থাপন করে তার স্বরূপ অনুধাবন করা, বৈপরীত্য এবং সংঘাত কোথায় গিয়ে মিলিত হয় আর সৃষ্টি করে যৌগ সেটা বিশ্লেষণ করে খুঁজে খুঁজে দেখা এবং জ্ঞানের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছানো যেখান থেকে মহাবিশ্বের ঐক্যতা দেখা যায় এবং যেটা আসলে বুদ্ধিবৃত্তিক অবস্থান থেকে ঈশ্বরকে ভালবাসার সমার্থক। এইসব চিন্তা থেকেই স্পিনোজার মনোজগতের কাঠামো গড়ে ওঠে।

এসব জ্ঞানার্জন ছাড়াও সর্বোপরি স্পিনোজা বিষয়ভিত্তিক এবং আদর্শিক (subjective and idealistic) দর্শনতত্ত্বের জনক রেনে দেকার্ত’র (১৫৯৬-১৬৫০) দ্বারা ভীষণ প্রভাবিত হয়েছিলেন। যেমন ফ্রান্সিস বেকন ছিলেন উদ্দেশ্যভিত্তিক এবং বাস্তবতাভিত্তিক (objective and realistic) দর্শনের পুরোধা যাদের হাত ধরে আধুনিক দর্শনের যাত্রা শুরু। তার ফ্রান্সের অনুসারী আর ইংল্যান্ডের নিন্দুকদের ধারণা দেকার্তের দর্শনে চেতনা বোধ প্রধান। স্পষ্টতই দেকার্তের দর্শন প্রস্তাব করে যে মানুষের মন নিজেকেই জানে প্রথমে অন্য যে কোন কিছু তাৎক্ষনিক বা সরাসরি জানার আগেই। মন ‘বাইরের পৃথিবীকে’ জানতে পারে সংবেদন এবং অনুধাবনের মাধ্যমে বিশ্বের যে চিত্র মনের মধ্যে আঁকা আছে সেটা দেখে। সব দর্শনই ধারাবাহিক ঘটানার সমষ্টি। দর্শন সবকিছুকেই সন্দেহ করে আর শুরু হয় মানুষের নিজের মন ও স্বত্বাকে প্রশ্ন করে এবং প্রথম যুক্তিতর্ক শুরু হয় তিনটি মাত্র শব্দ (Cogito, ergo, sum) দিয়ে। আমি চিন্তা করি, তাই আমি আছি। সম্ভবত রেনেসাঁর প্রভাবেই প্রথমে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদের যাত্রা শুরু। নিশ্চয় রেনেসাঁর মধ্যে এমনকিছু কিছু জাদুকরী পরম্পরা ছিল যার ফলে আমরা এই অনুমানে আসতে পারি। এখন শুরু হবে জ্ঞানতত্ত্বের বিপুল খেলা এবং এই খেলায় যুক্ত হবেন লিবনিৎজ, লক, বার্কলে, হিউম এবং ইমানুয়েল কান্ট যারা তিনশ বছরের জ্ঞানযুদ্ধে শামিল এবং খোল নলচে পালটে দেবেন তৎকালীন আপাত আধুনিক দার্শনিক তত্ত্ব।

কিন্তু স্পিনোজা দেকার্তের চিন্তা দ্বারা সর্বাংশে আকৃষ্ট হলেন না বা হারিয়ে গেলেন না জ্ঞানতত্ত্বের গভীর গোলকধাঁধায়। রেনে দেকার্ত মনে করতেন একই ধরনের ‘পদার্থ’ সমগোত্রীয় সবধরণের বস্তুতে নিহিত এবং সমগোত্রীয় বস্তু মানুষের সম্পূর্ণ মনোজগৎ গঠন করে। দেকার্তের উপরোক্ত ধারণা দ্বারা স্পিনোজা আকৃষ্ট হলেন। রেনে দেকার্তের এই বস্তুজগতের দুইটি বিভাজনকে একত্রিত করায় ছিল স্পিনোজার প্রধান চ্যালেঞ্জ এবং আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। রেনে দেকার্তের চিন্তা স্পিনোজার চিন্তাকে নিষিক্ত ভ্রুণের মত একীভূত করতে পেরেছিল। স্পিনোজা রেনে দেকার্তের ঈশ্বর ব্যতীত পৃথিবীকে কল্পনা করা, আত্মাকে যান্ত্রিক এবং গাণিতিক নিয়মে ব্যাখ্যা করার ধারণা দ্বারা ভীষণভাবে আকৃষ্ট হয়েছিলেন যা আমাদেরকে লিওনার্দো এবং গ্যালিলিও’র কাছে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। সম্ভবত রেনে দেকার্তের দার্শনিক তত্ত্বের প্রভাবেই ইতালির শহরগুলোতে গড়ে উঠেছিল যান্ত্রিক শিল্প কলকারখানা। দেকার্ত বলেছেন, প্রাথমিকভাবে জ্যোতির্বিজ্ঞান, ভূবিজ্ঞান, বস্তুজগতের পরিবর্তন এবং বিবর্তন ঈশ্বরকে ছাড়াই ব্যাখ্যা করা সম্ভব। ঠিক একই কথা প্রায় দুই হাজার বছর আগে গ্রীক দার্শনিক আনাক্সাগোরাস বলে গেছেন। দেকার্তের মতে একই ধরণের পদার্থ বিভিন্নরূপে বিরাজ করতে পারে। যেমন, ফ্রান্সের জ্যোতির্বিজ্ঞানী পিয়েরে সিমোন ল্যাপলেস এবং ইমানুয়েল কান্ট বিশদ ব্যাখ্যা করে দেখিয়েছেন কীভাবে নীহারিকা থেকে জন্ম নেয় নক্ষত্র ও তারকাপুঞ্জ। দেকার্ত আরো বলেছিলেন, মানুষের শরীর এমনকি প্রত্যেক প্রাণীর প্রতিটি পদক্ষেপ আসলে যান্ত্রিক গতি। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, মানুষের শরীরের রক্ত সঞ্চালন গতির ফলাফল। প্রতিটি শরীর, সমস্ত মহাবিশ্ব একটা মস্তবড় যন্ত্র। ঈশ্বর থাকেন ঐ মহাবিশ্বের বাইরে যেখানে আসলে কিছুই নেই। আর আমাদের শরীরের মধ্যে আছে প্রাণ যাকে ঐশ্বরিক আত্মা বলে।

এ পর্যন্ত বলেই রেনে দেকার্ত থেমে গেছেন, কিন্তু অসীম আগ্রহে এগিয়ে গেছেন বারুখ ডি স্পিনোজা।

[ উইল ডুরান্টের 'স্টোরি অফ ফিলোসফি' বইয়ের স্পিনোজা অধ্যায়ের ধারাবাহিক অনুবাদ। আজ প্রকাশিত হলো "স্পিনোজার শিক্ষাজীবন" ]

Comments

মৃত কালপুরুষ এর ছবি
 

আপনার লেখার সাথে মিল রেখে একটা করে ছবি এড করে দিবেন। ছবি এড করার নিয়ম এখানে আছে দেখে নিতে পারেন।
ট্রেনিং রুম

-------- মৃত কালপুরুষ

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

লুসিফেরাস কাফের
লুসিফেরাস কাফের এর ছবি
Offline
Last seen: 3 দিন 3 ঘন্টা ago
Joined: সোমবার, জুন 27, 2016 - 9:59অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর