নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • উদয় খান

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

২০২৮ সনের এক ভয়াবহ দু:স্বপ্নের গল্প !


অনেকদিন হলো কোন স্বপ্ন দেখিনা আমি। রাতে খুব গভীর ঘুম হয় আমার। তাই সারাদিনের সব ক্লান্তি দূর হয় আমার সকালে ঘুম থেকে উঠলেই। কিন্তু গতরাতে একদম ঘুম হয়নি আমার। মারাত্মক এক স্বপ্ন দেখলাম সারারাত ঘুমের ঘোরে। স্বপ্নের মাঝে আরেক স্বপ্ন যেন! ২০২৭ সনের ঘটনা স্বপ্নে কে যেন আগাম দেখালো আমায়! এ কি শুধুই স্বপ্ন নাকি সত্যি! কৈশোরে যেসব স্বপ্ন দেখেছি আমি, তার অধিকাংশ বাস্তবায়িত হয়েছে যৌবনে আমার। যখন স্কুলে পড়তাম আমি, তখন একটা স্বপ্ন দেখেছিলাম, এক বিশেষ নৌকাতে অচেনা অস্ট্রিক লোকদের সাথে ঘুরছি আমি নীল জলরাশির মহাসমুদ্রে। ২০০৪ সনে পলিনেশীয় দ্বীপমালা টোঙ্গাতে ঘুরতে গিয়ে প্রশাস্ত মহাসাগরে নৌকোভ্রমণে যাওয়ার প্রাক্কালে দেখলাম, সেই নৌকো আর সেই মাঝি, যাদের স্বপ্নে দেখেছিলাম আমি অনেক বছর আগে আমার কৈশোরিক গ্রামীণ ঘরের বৃষ্টিভেজা রাতে।
:
তবে এ স্বপ্নটি কৈশোরিক নৌকো ভ্রমণের মত সুখকর নয় একটুও। নানাবিধ যুদ্ধবিগ্রহ আর মানুষ হত্যার ঘটনার স্বপ্ন। যা নিতান্তই অপছন্দ আমার। ২০২৮ সনে ভয়াবহ রাজনৈতিক আর সামাজিক অস্থিরতায় আক্রান্ত বাংলাদেশ! ২০১৮ সনে বাংলাদেশে আগত প্রায় ১১-লাখ রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়নি বার্মিজ সরকার। নানাবিধ তালবাহানা করে কেবল কালক্ষেপণ করেছে তারা প্রায় ১০-বছর। বিশ্বের পরাশক্তিগুলোর ঋণাত্মক "ভেটো" প্রয়োগের কারণে বার-বার নিস্ফল হয়েছে রোহিঙ্গা বিষয়ক জাতিসংঘের বিবিধ প্রস্তাবগুলো। এর মধ্যে ২০১৭ সনে আগত লাখ লাখ রোহিঙ্গা কিশোর ২০২৭ সনে পরিণত হয়েছে রোহিঙ্গা যুবকে। এলাকার সাধারণ বাঙালিরা রোহিঙ্গাদের নানাবিধ নেতিবাচক কর্মকান্ডে ত্যক্তবিরক্ত এখন ওদের ওপর। বেশ কবার রোহিঙ্গাদের সাথে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে এলাকার সাধারণ বাঙালিদের সাথে।
:
অপর দিকে ২০২৮ সনে ৩-পাবর্ত্য জেলাতে উপজাতি উগ্রবাদি সমস্যাও ভয়াবহ রূপ লাভ করেছে। উগ্রবাদি চাকমাদের "জুম্মল্যান্ড" আন্দোলন চলছে মারাত্মকভাবে। কোন কিছুতেই তৃপ্ত নয় উগ্র চাকমারা। তারা ৩-পার্বত্য জেলার স্বাধীনতা চাইছে বাংলাদেশ থেকে। তথাকথিত "জুম্মল্যান্ডে"র আলাদা পতাকা, মুদ্রা, পাসপোর্ট বানিয়েছে তারা। অনেক উপজাতিকে বিশেষ করে চাকমা তরুণদের ঐসব উগ্র সন্ত্রাসি গ্রুপে টানতে পেরেছে তারা। ত্রিপুরা, মেঘালয়, বার্মা প্রভৃতি এলাকার উগ্রবাদি চাকমাদের সহযোগিতায় মারাত্মক অস্ত্র জোগার করেছে তারা। তাছাড়া একাত্তরে পাকিস্তান সরকার কর্তৃক চাকমা রাজাকে প্রদত্ত অস্ত্রগুলোও তারা ব্যবহার করছে এখন বাংলাদেশ সেনাদের বিরুদ্ধে, যা কখনো ফেরত দেয়নি চাকমারা। প্রায় প্রতিদিন পাহাড়ে বাংলাদেশ সেনা ও উগ্র সন্ত্রাসি পাহাড়ি উপজাতিদের সাথে যুদ্ধবিগ্রহ চলছে। কখনো মারা যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনারা, কখনো নিহত হচ্ছে উগ্র সন্ত্রাসি উপজাতি গোষ্ঠী। সাধারণ বাঙালি আর সাধারণ উপজাতিদের ঘরবাড়িতে আগুন দেয়া হচ্ছে প্রতিনিয়ত। তাদের চাঁদাবাজি এমন পর্যায়ে গিয়েছে যে, ঐ ৩-জেলাতে কোন বাঙালি পরিবারই এখন আর চাঁদা প্রদান না করে কোন কাজই করতে পারছেনা। নিজেদের জমিতে চাষ করতে যেতে পারেনা বাঙালিরা। কারণ উগ্র চাকমা উপজাতিরা বলছে, সরকার বাঙালিদের ঐ জমি দিলেও, তা মানেনা তারা। জুম্মল্যান্ডের জমির মালিক জুম্মজাতি, বাংলাদেশ সরকার নয়। তাই তারা পাকিস্তান চেয়েছিল, বাংলাদেশ চায়নি কখনো, এখনো চায়না। বাঙালিরা কেন তাদের বাংলাদেশের সাথে থাকতে বলছে? তারা কি বাঙালি? তাদের রক্ত মঙ্গোলীয়, বাঙালি নয়!
:
এর মধ্যে পদ্মা, মেঘনা, সাঙ্গু, মাতামুহুরি আর নাফ নদীতে জল গড়িয়েছে অনেক। আইএস, জেএমবি, হুজিসহ অনেক ইসলামি জঙ্গী সংগঠনে যুক্ত হয়েছে রোহিঙ্গা যুবক যুবতিরা। রোহিঙ্গা তরুণ জঙ্গী যুবকদের সংখ্যা এখন প্রায় ৫-৬ লাখ। আন্তর্জাতিক ইসলামি টেররিস্টরা নিয়মিত অস্ত্র আর অর্থ দেয় এসব যুবকদের। প্রায় প্রতিরাতে বার্মা-কক্সবাজার বর্ডারে গোলাগুলি হয় রোহিঙ্গা যুবক ও বার্মিজ সেনাদের সাথে। এর মধ্যে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গ্রুপ বেশ কবার বার্মার অভ্যন্তরে গিয়ে নানাবিধ চোরাগোপ্তা আক্রমণ চালিয়েছে বার্মিজ সেনাদের ঘাটিতে। যাতে হতাহত হয়েছে ২-পক্ষের অনেক লোকজন। বাংলাদেশ সেনাদের ৮০% সেনা এখন মোতায়েন বার্মা আর ৩-পার্বত্য জেলার সন্ত্রাসি উপজাতি দমনে।
:
রোহিঙ্গা ও "জুম্মল্যান্ডি" উপজাতি সমস্যা যুদ্ধ করে সমাধান করতে পারছেনা ক্ষমতাসীন "আওয়ামী লীগ সরকার", এ অজুহাতে বিএনপি-জামাত জোটসহ সকল ইসলামপন্থী আওয়ামী বিরোধী শক্তি একত্র হয়ে নির্বাচনে হারালো আওয়ামী লীগকে ২০২৭ এর নির্বাচনে। ক্ষমতায় বসলো জামাত-বিএনপি জোটভুক্ত কট্টর ইসলামপন্থী দলের এ্যালায়েন্স। ক্ষমতা লাভের কদিন পরই তারা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিলো, শান্তিচুক্ত বাতিল করবে তারা, যেহেতু ঐ চুক্তির পরও পাহাড়ে শান্তি আসেনি। তা ছাড়া শান্তিচুক্তি মূলত বাঙালি জাতির জন্য অপমানজনক। আর বাতিলের পর, সশস্ত্র ৫-৬ লাখ রোহিঙ্গাদের তারা পাঠাবে বাংলাদেশের ৩-পার্বত্য জেলাতে উগ্র উপজাতি সন্ত্রাসিদের দমন করতে, সাথে থাকবে বাংলাদেশ সেনারা। যারা "জুম্মল্যান্ডে"র আন্দোলন করে বিচ্ছিন্ন করতে চায় বাংলাদেশ থেকে ৩-পার্বত্য জেলাকে। কক্সবাজারে গাদাগাদি করে প্রায় ১০/১৫ বছর যাবৎ অমানবিকভাবে বসবাস করা রোহিঙ্গাদের তারা বুঝিয়েছে, যদি উগ্র জুম্মদের দমন করে বাংলাদেশের ৩-পাহাড়ি জেলাকে সমতলের মত শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশে পরিণত করতে পারে, তবে সকল রোহিঙ্গাকে বসবাস করতে দেয়া হবে ৩-পাহাড়ি জেলাতে, প্রত্যেক পরিবারকে বরাদ্দ করা হবে ৫-একর ভূমি এবং তাদের দেয়া হবে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব। সুতরাং ১০-২০ বছর যাবত নিজের দেশ থেকে বিতাড়িত নির্যাতিত রোহিঙ্গারা অবশেষে চুক্তি করলো বাংলাদেশ সরকারের সাথে। কেবল রোহিঙ্গা সশস্ত্র তরুণরা নয়, বাংলাদেশে ১৫-২০ বছর যাবত অমানবিকভাবে বস্তিতে বেঁচে থাকা লাখ লাখ রোহিঙ্গা নারী, বৃদ্ধ, কিশোর-কিশোরি যোগদান করলো ৩-পার্বত্য জেলাকে উদ্ধার করার এ যুদ্ধে। যা তাদের বেঁচে থাকার শেষ আশা তথা অবলম্বন! প্রবাস থেকে অনেক রোহিঙ্গা যোগদান করলো এ যুদ্ধে।
:
এবার ত্রিমুখী যুদ্ধ শুরু হলো ৩-পার্বত্য জেলাতে। এক পক্ষ UPDF, JSS (সন্তু লারমা) ও JSS (সংস্কার) এর চাকমা নেতৃত্বাধীন উগ্র উপজাতি বাংলাদেশ বিরোধী গ্রুপ, যারা বাংলাদেশ থেকে আলাদা এক স্বাধীন তথাকথিত জুম্মল্যান্ডের কথা বলছে উপজাতিদের। যাদের সংখ্যা ২-৩ লাখের মত। অপর পক্ষে ১০-লাখ রোহিঙ্গা তরুণ, নারী-বৃদ্ধ, কিশোর-কিশোরীদের সশস্ত্র বাহিনি, যাদের পরিপূর্ণ সাপোর্ট দিচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনি, বাংলাদেশ সরকার, মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক ইসলামি দেশগুলো এবং সর্বোপরি পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ISI ! এর মধ্যে ইসলামী জঙ্গী সংগঠনগুলো থেকে নানাভাবে আধুনিক অস্ত্র লাভ করেছে সশস্ত্র রোহিঙ্গারা ঢাকাস্থ পাকিস্তান দূতাবাসের মাধ্যমে। আওয়ামী শাসনামলে পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক খারাপ থাকলেও, বর্তমান বিএনপি-জামাত শাসনামলে খুবই ভাল সম্পর্ক পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের।
:
বাংলাদেশের অনেক সাধারণ মানুষও উগ্র উপজাতিদের "জুম্মল্যান্ড আন্দোলনের" নামে সাধারণ বাঙালিদের উপর দীর্ঘদিন অত্যাচারে মারাত্মক বিরক্ত হয়ে বাধ্য হয়ে রোহিঙ্গাদের পাহাড়ি ৩-জেলাতে অভিযানকে সাপোর্ট করলো। তারাও চাইছে UPDF, JSS (সন্তু লারমা) ও JSS (সংস্কার) এর উগ্র চাঁদাবাজ সন্ত্রাসিদের দমন করুক রোহিঙ্গারা। সুতরাং পুরো বাঙালি জাতি না হোক অধিকাংশ বাঙালি সাপোর্ট করলো জোট সরকারের এ পরিকল্পনাকে। সম্ভবত ঐসব উগ্র অকৃতজ্ঞ উপজাতিদের থেকে রোহিঙ্গারা ভাল হবে এমন মনে করলো বাংলাদেশিরা। কারণ উগ্র চাকমা উপজাতিরা একাত্তরেও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে লড়েছিল পাকিস্তানের পক্ষে। তা ছাড়া ১‌৩-জন রাজাকার হত্যার বিচার চেয়েছিল চাকমারা বঙ্গবন্ধুর কাছে, যা ধৃষ্টতা বলে মনে করে অনেক বাঙালি। ১৬ই ডিসেম্বরের পরও চাকমারা তাদের এলাকায় পাকিস্তানের পতাকা উড়িয়েছিল অনেকদিন, যা ১৯৭২ এর জানুয়ারিতে বাংলাদেশ সেনারা গিয়ে নামিয়ে সেখানে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ায়। সুতরাং এমন অকৃতজ্ঞ বাংলাদেশ বিরোধী উপজাতিদের দমনে অনেকেই মনেপ্রাণে সাপোর্ট করলো জোট সরকারকে। এমনকি মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামীলীগার কেউ কেউ।
:
পরিশ্রমি রোহিঙ্গারা পাহাড় কাটতে খুবই পারদর্শী। ইতোমধ্যেই পায় ১০-বছরে বাংলাদেশের কক্সবাজারের সব পাহাড় কেটে পুরো সমতল করেছে তারা। সুতরাং বর্তমান জামাত-বিএনপি জোট সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ৩-পার্বত্য জেলার সব পাহাড়কে কেটে সমতল করবে তারা রোহিঙ্গাদের দিয়ে। যাতে দুর্গম পাহাড় সমতল হয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হয়। দুর্গমতার সুযোগে এখন উগ্র পাহাড়িরা যে সন্ত্রাসি কর্মকান্ড চালাচ্ছে, তা যেন আর না পারে। পাহাড় সমতল হলে দেশে সমতল ভূমি কয়েকগুণ বাড়বে, উগ্র সন্ত্রাসি পাহাড়িদের পাহাড়ি জীবন ধ্বংস হবে, সমতলের প্রায় ১০-১১ লাখ রোহিঙ্গাদের বসবাসের সুবিধা হবে, পুরো বাংলাদেশ সমতল হওয়ার কারণে সমতল-পাহাড়ি বৈষম্য দূর হবে, আর প্রতিবছর বর্ষাতে ঘটবে না জীবনঘাতি পাহাড় ধ্বস!
:
এবং পরিকল্পনা মোতাবেক সকল রোহিঙ্গা মার্চ শুরু করলো ৩-পার্বত্য জেলার দিকে। রোহিঙ্গা আবাল বৃদ্ধ বণিতা সবাই যুদ্ধসাজে ঢুকছে রাঙামাটি, বান্ধরবান আর খাগড়াছড়িতে। একদম সামনে দৃঢ়পদে এগুচ্ছে ৩-লাখ আধুনিক অস্ত্রধারী রোহিঙ্গা তরুণ। তারপর তার পেছনে ৩-লাখ অস্ত্রধারী রোহিঙ্গা তরুণি। তার পেছনে ২-লাখ কিশোর-কিশোরি। সবার পেছনে ৩-লাখ নারী আর বৃদ্ধরা। সাথে তাদের শিশু, রসদপত্র আরো কত কি! তাদের সহায়তা রক্ষক বাংলাদেশ সেনারা।
:
অপরদিকে পাহাড়ের ৩-জেলাতে এ খবর পেয়ে উপজাতি সশস্ত্র জঙ্গীরা তাদের সহযোগি মেঘালয়, ত্রিপুরার বিচ্ছিন্নতাবাদী ও বার্মার সেনাদের থেকে সংগ্রহ করছে আধুনিক অস্ত্রসস্ত্র। পুরো পার্বত্য জেলাগুলোতে এখন যুদ্ধের দামামা। সাধারণ নীরিহ বাঙালি আর সাধারণ শান্তিপ্রিয় উপজাতিরা কি করবে ঠিক বুঝতে পারছেনা এ সময়ে। রুদ্ধশ্বাস সিনেমার মত সারারাত এ দু:স্বপ্ন দেখে জবজবে ঘামে ভিজে ঘুম ভাঙলো আমার!
:
সকালের খবর শুনতে টিভি অন করে মানবিক অসভ্যতা আর অশুভ্রতার দুঃসময়ে রোহিঙ্গা দলিত জীবন দেখি টিভির পর্দায়। পত্রিকায় পাতা খুলে পাহাড়ের ৩-জেলাতে চাঁদাবাদ উগ্র উপজাতিদের খবর পড়ি প্রতিদিনকার মতো। পয়তাল্লিশ বছরের স্বাধীন বাংলাদেশে পথভ্রান্ত রাখালের গোধুলির রাঙা অনুপম বাঁশির সুর শুনতে পাইনা কেন সে বোধে ক্লেদাক্ত হয় মন ভাঙা হৃদয়। চারদিকে স্বার্থবাদিতার ভ্রান্ত মেকি সভ্যতার লোকদেখানো চাষাবাদে মনটা বিষিয়ে থাকে সারাক্ষণ। কষ্ট লাগে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা জীবনে দু:খপাখিদের বিষময় নীলাকাশে ক্নান্তিকর ওড়াওড়ি দেখে। প্রশ্ন জাগে মননে, এ ভয়াবহ দু:স্বপ্ন কি তবে সত্যি হবে একদিন! হাজার বছর বেঁচে থাকার মূঢ়তা অপনোদনের শাস্তিভোগী কয়েদির মত এ দেশটাকে কি অমন পথে হাঁটতে হবে কোনদিন! বাঙালির দেশ কি একদিন দুঃখের শ্লোকে বাঁধা অতলান্তিক বিষময় জীবন বৃক্ষ হবে! এ প্রশ্নের জবাব পাইনা খুঁজে!

Comments

ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

!

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

!

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 
মাহের ইসলাম এর ছবি
 

ভাই,
আপনার কথাগুলো যদিও শুনতে ভয়ংকর লাগছে, কিন্তু পুরোপুরি অবাস্তব বা অসম্ভব মনে হচ্ছে না।
চলমান রোহিঙ্গা ইস্যু এবং তথাকথিত জুম্মল্যান্ড ইস্যু কে ঠিকমত সামাল দিতে না পারলে, বাংলাদেশের সামনে এমন ঘোর বিপদ যদি চলে আসে, তাহলে হয়ত তখন অনেকেই তেমন একটা অবাক হবে না।

 
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

ধন্যবাদ ভাই! আমি চাইনা এমনটা হোক। কিন্তু আমার ফিউচার মননের চোখ এমনটা দেখছে। আরেকটি কথা অতীতে যা যা কল্পনা করেছি আমি, তার ৯৯% সত্যি হয়েছে। আর চাকমা মারমারা যত উগ্র-যুদ্ধবাজ হোক, ১১-লাখ রোহিঙ্গাদের যদি সেটেল করতে চায় কখনো বাংলাদেশ, এবং বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র যদি সাপোর্ট করে তাদের, তবে সত্যি তখন ভয়াবহ অবস্থা হবে চাকমা মারমাদের। বিষয়টা উচিত উপজাতি নেতাদের উপলব্দি করা!

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 
মাহের ইসলাম এর ছবি
 

"চাকমা মারমারা যত উগ্র-যুদ্ধবাজ হোক, ১১-লাখ রোহিঙ্গাদের যদি সেটেল করতে চায় কখনো বাংলাদেশ, এবং বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র যদি সাপোর্ট করে তাদের, তবে সত্যি তখন ভয়াবহ অবস্থা হবে চাকমা মারমাদের।"
চাকমাদের ইতিহাস কিন্তু বলে যে তাদের নেতারা অদূরদর্শী এবং অনেক ক্ষেত্রেই ব্যক্তি স্বার্থ বড় করে দেখে। ১৯৪৭, ১৯৬০, ১৯৭১, ১৯৭২ ইত্যাদি কিন্তু অনেক ঘটনার জন্ম দিয়েছে এই পার্বত্য চট্রগ্রামে, যেখানে নেতৃত্বের দোষে সাধারণ পাহাড়িদের দুর্দশা বেড়েছে।

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

ড. লজিক্যাল বাঙালি
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
Offline
Last seen: 3 দিন 4 ঘন্টা ago
Joined: সোমবার, ডিসেম্বর 30, 2013 - 1:53অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর