নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • প্রত্যয় প্রকাশ
  • কাঙালী ফকির চাষী
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়িদের মধ্য ভ্রাতৃঘাটি যুদ্ধ চলছে , না সামরিক শাসনের পরিকল্পনার অংশের নাম "অপারেশন সার্চলাইট"চলছে !


পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়িদের মধ্য ভ্রাতৃঘাটি যুদ্ধ চলছে , না "অপারেশন সার্চলাইট"!
গতবছরের ইউপিডিএফের নেতা মিথুন চাকমা থেকে শুরু ক'রে আজকে জেএসএস(এম এন) নেতা শক্তিমান চাকমা,এই ভ্রাতৃঘাটি সংঘাতে অনেকজনকে প্রাণ দিতে হল। পাহাড়ে এরা এক একটা রাজনৈতিক দলের নেতা ছিলেন। ইউপিডিএফ ও জেএসএসের মধ্য হানাহানি বন্ধের পর দীর্ঘদিন ভ্রাতৃঘাটি সংঘাতটা বন্ধ ছিল, সাধারণ জনগণেরাও স্বস্তিতে ছিলেন। কিন্তু শাসকগোস্টী সরকারের এবং সেনাবাহিনীদের এটা সহ্য হল না, পাহাড়িরা কেন নিজেরা নিজে মারামারি করবে না। নিজের ভাইয়ের হাতে ভাই মরবে না তা কি ক'রে হয়, মরতে হবে ভাইয়ের হাতে ভাই ,পিতার হাতে পুত্রের ,পুত্রের হাতে পিতার। পরিকল্পনা অনুসারে ইউপিডিএফকে ভেঙে নতুন একটা দলের সৃষ্টি ক'রে দিল , এর আগে জেএসএসকে ভেঙে দুইটা রাজনৈতিক দল ক'রে দিয়েছে । আর রাজনৈতিক সংগ্রামের নাম করে ক্ষমতার স্বার্থের লোভে শাসকগোস্টীর ফাঁদে পা দিল এক একটা রাজনৈতিক নেতা। যারা একসময় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সেনাবাহিনী এবং সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম করেছিল,তারা আজ একে অপরের রক্ত দিয়ে তৃষ্ণা মিটাতে চায়। যেই না মাত্র ইউপিডিএফ দলটা ভেঙে নতুন দলের সৃষ্টি হল, শুরু হতে লাগল নতুন ক'রে ভ্রাতৃঘাটি সংঘাতটা, হানাহানি ,মারামারি ,অপহরণ ,ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকান্ডগুলো একের পর এক ঘটে যাচ্ছে ।পাহাড় হয়ে উঠেছে অস্বস্তির,অনিরপত্তার। আমার কাছে এটা শুধু ভ্রাতৃঘাটি সংঘাত নয়, দুরদর্শী পরিকল্পনার একটা রাষ্ট্রীয় সরকারের সামরিক অপারেশনের একটা অংশ। এই সামরিক পরিকল্পনা নাম হচ্ছে " অপারেশন সার্চলাইট"।

স্বাধীনতার যুদ্ধের শুরুর সময় ২৫শে মার্চের পর 'টিক্কা' খানের নামটি বাঙালিদের মনে ভয়ের সৃষ্টি করে। টিক্কা খান ছিলেন "অপারেশন সার্চলাইটের" প্রধান পরিচালক, একই সঙ্গে তৎকালীন পুর্ব পাকিস্তানের গভর্ণর এবং সামরিক আইন প্রশাসক। লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান ছিলেন খুব শক্ত মেজাজের মানুষ। ২৫শে মার্চ রাত্রের সেই যে গোপন পরিকল্পনা,একই সঙ্গে বাঙালী সৈনিক ,পুলিশ ও সমস্ত বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের বন্ধী করা,বিশ্ববিদ্যালয় ও সংবাদপত্র অফিসে আক্রমণ ,শেখ মুজিবকে আটক ও প্রতিটি শহরে ভীতির অবস্থা সৃষ্টি করা, এই পরিকল্পনার সামরিক নাম হচ্ছে "অপারেশন সার্চলাইট"।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খানের দ্বারা তৎকালীন পুর্ব পাকিস্তানে শুধুমাত্র ১৯৭১ সালে ২৫শে মার্চ মাসের রাতে হয়েছে "অপারেশন সার্চলাইট" এদেশের বাঙালিদের ওপর। কিন্তু স্বাধীনতার পর স্বাধীন বাংলাদেশে টিক্কা খানের ক্লোনগুলো পাহাড়িদের ঘটিয়েছে অগণিত "অপারেশন সার্চলাইট"-এর মতন মর্মান্তিক ঘটনা , এর মধ্য রয়েছে ১৩টি গণহত্যা। স্বাধীন বাংলাদেশের সেনাবাহিনীরা পার্বত্য ভূখণ্ডে একটি আতঙ্কের নাম। এই আতঙ্কটি এক বা দুই দিনে সৃষ্টি হয় নি, বছরের পর বছরের সামরিক নির্যাতনের ফলে সৃষ্টি হয়েছে।

পাহাড়ে ভ্রাতৃঘাটি সংঘাতময় অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশের দায় রাষ্ট্র সরকার এড়াতে পারে না, এর জন্য রাষ্ট্র দায়ী। পাহাড়ে যা কিছু অরাজকতার সৃষ্টি হচ্ছে তা "পার্বত্য চুক্তি"কে নিয়ে। সরকার যদি পার্বত্য চুক্তিকে দ্রুত বাস্তবায়ন করে দিতেন তাহলে এত সংঘাতময় পরিবেশের সৃষ্টি হত না। পার্বত্য চট্টগ্রাম হয়ে উঠত শান্ত। কিন্তু চুক্তিকে বাস্তবায়ন না করে সরকার একের পর নীল নকশা এঁকে যাচ্ছে পাহাড়িদের নির্মুল করার জন্য।
বাংলাদেশের ভূখন্ডে একমাত্র সামরিক শাসন বহাল আছে পার্বত্য চট্টগ্রামে, সামরিক শাসনে অতিস্ট হয়ে উঠেছে পাহাড়িরা। যুগে যুগে পাহাড়িরা ছিল স্বশাসিত। সামরিক শাসনের অত্যাচারে পাহাড়িরা দিশেহারা হয়ে উঠেছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের সামরিক শাসনের চিত্রগুলো দেখলে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের চিত্রগুলো ভেসে উঠে। স্পষ্ট চোখের সামনে ভেসে উঠে ইয়াহিয়া খান,টিক্কা খান, নিয়াজীদের। বাঙালিদের "পাকিস্তানী" বানানোর রাজনীতির প্রতিবাদে ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ,সামরিক অভিযান,গনহত্যা,প্রায় আড়াই লক্ষ বাঙালী নারী ধর্ষনের ইতিহাস এই রাজনীতিরই অনুষঙ্ক ছিল। বাঙালীদের আরবিয় মুসলমান বানানোর জন্য সাংস্কৃতিক নির্মুল করণের হেফাজতি-জামাতি রাজনীতিও আমরা দেখেছি। এসবই ছিল পাকিস্তানী শাসকগোস্টীর পরিকল্পনার অংশ। ঠিক পাকিস্তানীদের কৌশলের ভিত্তিতে ছিল বাংলাদেশ সরকারের জাতিগত নির্মুলীকরনের অভিযান। পার্বত্য চট্টগ্রামে যে পরিমাণ সেনাবাহিনী বরাদ্ধ রেখেছে আক্ষরিক অর্থে শারীরিকভাবে কোন একটা জনগোস্টীকে নির্মুল করতে সম্ভব যুদ্ধের মধ্য দিয়ে। এছাড়াও কোন জনগোস্টীকে সাংস্কৃতিকভাবেও নির্মুল করা যেতে পারে সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের মাধ্যমে। তখন মানুষেরা বেঁচে থাকবে,কিন্তু তাঁদের সংস্কৃতি( মুল্যবোধ,ভাষা,পোশাক, শিল্পসাহিত্য, প্রথা-প্রতিস্টান) বেঁচে থাকবে না, বিলুপ্তি হয়ে যাবে। জাতির পরিচয় বলতে আর কিছুই থাকবে না। রাট্রযন্ত্র সামরিক এবং সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের মাধ্যমে পাহাড়িদের নির্মুল করার জন্য বিভিন্ন নীল নকশা একে যাচ্ছে।

তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান সরকার এবং বর্তমান বাংলাদেশ সরকার দু'টি প্রোপাগান্ডায় সফল। পুর্ব পাকিস্তানের জনগণের সাথে লড়াই হয়েছিল মূলত পশ্চিম পাকিস্তানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে, সমগ্র পশ্চিম পাকিস্তানের জনগণের সাথে নয়। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোস্টী সামরিক সরকার তাদের জনগণকে বুঝিয়েছে যে পুর্ব পাকিস্তানের সমগ্র জনগণ ভারতের দালাল। অর্থাৎ হিন্দুদের পক্ষে। তখন পশ্চিম পাকিস্তানের জনগণের কাছে "ধর্ম'টা মুখ্য হয়ে উঠে , এবং এরা বিশ্বাস করেছিল যে পুর্ব পাকিস্তানের জনগণেরা হিন্দুদের পক্ষে। তাই এরা নীরবে সমর্থন দিয়েছিল পুর্ব পাকিস্তানের জনগণের ওপর সামরিক অত্যাচারগুলোকে ।

বাংলাদেশ সরকারের একটি মস্তবড় প্রোপাগান্ডা হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়িরা বিচ্ছিন্তাবাদী,পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশের ভূখণ্ড থেকে পৃথক করতে চায় । সরকার এই প্রোপাগান্ডায় প্রচারের জন্য রাষ্ট্রীয় সমস্ত শক্তিকে ব্যবহার করে যাচ্ছে। মিডিয়া,সংবাদপত্র ,বুদ্ধিজীবী ,সেটেলার বাঙালিদের দিয়ে অপপ্রচার করে যাচ্ছে,এবং এই প্রোপাগান্ডায় বিশ্বাস করে দেশের সিংহভাগ মানুষ। তাই পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূখণ্ডকে স্বাধীন বাংলাদেশ থেকে হারানোর ভয়ে সিংহভাগ মানুষ পাহাড়ে সেনাশাসনকে সমর্থন দিয়ে আসছে। এই অপপ্রচারে ইয়াহিহা খানদের মতন আমাদের রাস্ট্রনেতারাও সফল।

সত্যিটা হচ্ছে,পাহাড়িরা কখনো পৃথক রাষ্ট্র গঠনের জন্য শসস্ত্র সংগ্রাম করেন নি, তারা আন্দোলন করেছিলেন স্বশাসিত অঞ্চলের জন্য ,সংবিধানে নিজের অস্তিত্বকে সংরক্ষিত করার জন্য, কিন্তু রাষ্ট্র সরকার প্রোপাগান্ডায় চালিয়ে আসছে যে পাহাড়িরা পৃথক হতে চায় বাংলাদেশের ভূখণ্ড থেকে। এটা একটা ঢাহা মিথ্যা ,বিশাল অপপ্রচার পাহাড়িদের বিরুদ্ধে।

অতীতে পাহাড়িরা কী দাবি করেছে,করেনি তা সবগুলো মীমাংসিত হয়েছে ১৯৯৭ সালের "পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি'র মধ্য দিয়ে। চুক্তির শুরুতেই উল্লেখিত যে, একটু মনযোগ সহকারে পড়েন নিচের কথাটি - " বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের আওতায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার প্রতি পুর্ন ও অবিচল অনুগত্য রাখিয়া পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে সকল নাগরিকের রাজনৈতিক ,সামাজিক , সাংস্কৃতিক, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক অধিকার সমুন্নত এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রক্রিয়া ত্বরাণ্বিত করা এবং বাংলাদেশের সকল নাগরিকের স্ব স্ব অধিকার সংরক্ষণ ও উন্নয়নের লক্ষ্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তরফ হয়তে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার অধিবাসীদের পক্ষ হইতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহটি সমিতি বর্ণিত চারই খণ্ড (ক,খ,গ,ঘ) সম্বলিত চুক্তিতে উপনীত হইলেন"।
কাজেই উক্ত চুক্তির মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি পাহাড়িরা কখনো বিচ্ছিনতাবাদী নয় ,এবং পৃথক রাষ্ট্র গঠনের প্রশ্নই উঠেনা।

সরকার পাহাড়িদের সাথে যে চুক্তিটা করেছে তা বাস্তবায়ন করতে বাধ্য হবেন,দেরিতে হলেও বাধ্য হবেন চুক্তিটাকে বাস্তবায়ন করতে। কিন্তু ভয়টা হচ্ছে চুক্তিটি বাস্তবায়নের আগেই পাহাড়িদের মেরুদণ্ড ভেঙে দেবেন ,যার ফলে পাহাড়িরা শত বছর পিছিয়ে যাবে। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান যখন নিশ্চিত পরাজয়ের দিকে তখন রাও ফরমান আলী একটা ঘটনা ঘটে ফেললেন। তিনি ভাবলেন বিশ্বাসঘাতক বাঙালিদের শেষ শিক্ষা দিয়ে যাবেন।বাঙালিরা স্বাধীন হয়ে নিজেরা রাজত্ব চালাবে? বাঙালীদের মধ্য জ্ঞানে-গুনে যারা কিছুটা উন্নত, সেসমস্ত মানুষদের একটা তালিকা তৈরি করলেন রাও ফরমান আলী। এঁদের মধ্য ছিলেন শিক্ষক -অধ্যাপক,উকিল ব্যারিস্টার ,ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার ইত্যাদি সব ধরণের বুদ্ধিজীবি,পেশাজীবি। তিনি ভাবলেন এঁদের সকলকে হত্যা করতে পারলে স্বাধীন বাংলাদেশকে বাঙালিরা কাদের নিয়ে চালাবে ? ভারতীয় এবং মুক্তিবাহিনীর সম্মিলিত যৌথবাহিনী ঢাকার পৌছার আগে রাও ফরমান আলী আল বদর ও আল শমসের বাহিনীকে লেলিয়ে দিলেন তালিকাভুক্ত বাঙালিদের বিনাশ করার। এভাবে নাট্যকার মুনির চৌধুরী, আনোয়ার পাশ,আইনজীবী এ কে এম সিদ্দিক ,ডাক্তার আব্দুল আলীম চৌধুরী, বিজ্ঞানী আবুল কালাম আজাদ এবং আরো অনেককে। আজকের স্বাধীন বাংলাদেশের মেরুদণ্ডটা সেদিনই ভেঙে দিয়েছিলেন রাও ফরমান আলীরা ,যা এখনও সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছে না স্বাধীন বাংলাদেশটি।

পার্বত্য চট্টগ্রামে ভ্রাতৃঘাটি সংঘাতটা অশুভ লক্ষণ পাহাড়িদের জন্য,এরকম দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে পাহাড়িরা মেরুদণ্ডহীন হয়ে পড়বে ।শাসকগোস্টী বিভিন্ন ফাঁদে ফেলে ভ্রাতৃঘাটি সংঘাতটি জিইয়ে রাখবেন,বিভিন্ন ক্ষমতার প্রলোভন দেখিয়ে সংঘাতকে উস্কে দেবেন ,এতে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে পাহাড়িরা । শাসকগোস্টী চায় এভাবে পাহাড়িদের মেরুদণ্ড ভেঙ্গে যাক ,যাতে বাঙালিদের মতন পাহাড়িরাও পিছিয়ে যায় ।এই হানাহানি মারামারি সংঘাত বন্ধ করতে পাহাড়ি সকল আঞ্চলিক নেতাদের বৈঠকে বসে একটা সিদ্ধান্তে আসা জরুরী হয়ে পড়েছে । চিন্তা করে দেখেন, শাসকগোস্টীর টার্গেট হচ্ছে প্রধানত বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের নেতাদের। এক এক ক'রে এঁদেরকে নির্মুল করা হচ্ছে, রাজনৈতিক নেতাদের হারানো মানে মেরুদণ্ড খসে পড়ে যাচ্ছে জুম্মজাতের! পরে সকল আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলো এক দলে পরিণত হলেও দেখবেন নেতৃত্ব দেবার নেতা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।তখন সত্যিকারের বিজয় হবে শাসকগোস্টীর।

বিভাগ: 

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

বিশ্ব চাকমা
বিশ্ব চাকমা এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 1 দিন ago
Joined: বুধবার, নভেম্বর 1, 2017 - 6:24অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর