নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • নুর নবী দুলাল
  • প্রত্যয় প্রকাশ
  • কাঙালী ফকির চাষী
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

সহিহ ইসলাম জানার সহিহ পদ্ধতিটা কি ? কেন জিহাদ হলো ইসলামের প্রকৃত আদর্শ ?


৯৯.৯৯% মুসলমানই জানে না যে , কোরান নিজেই তার বহু বিধান বাতিল করে দিয়েছে। মুহাম্মদ পূর্বে যে আয়াত নাজিল করেছিল , সেই আয়াতের বিধান মুহাম্মদ পরে অন্য আয়াত নাজিল করে বাতিল করে দিয়ে গেছে। যাকে ইসলামিক পরিভাষায় বলে - নাসেক ও মানসুক। তার ফলেই মক্কা ও মদিনার প্রাথমিক যুগে মুহাম্মদ যেসব শান্তির বানীর কথা প্রচার করেছিল , তা কিন্তু তার জীবনের শেষে নাজিল করা সুরা তওবার বিধান দ্বারা বাতিল করে গেছে। বিষয়টা ভাল করে বোঝা যাক--

সুরা নাহল-১৬: ১০১: এবং যখন আমি এক আয়াতের স্থলে অন্য আয়াত উপস্থিত করি এবং আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেন তিনিই সে সম্পর্কে ভাল জানেন; তখন তারা বলেঃ আপনি তো মনগড়া উক্তি করেন; বরং তাদের অধিকাংশ লোকই জানে না।( মাক্কি সূরা)

খেয়াল করুন উক্ত সুরা মাক্কি সূরা অর্থাৎ মক্কায় নাজিলকৃত। মক্কায় যখন মুহাম্মদ তার কোরানের কথা বার্তা প্রচার করছিল , তখন তার অনেক কথাই তৌরাত ও ইঞ্জিলের বিরোধী ছিল। তখন ইহুদি ও খৃষ্টানরা মুহাম্মদকে জিজ্ঞেস করল - তুমি তো আগের কিতাবের বিধি বিধানের উল্টো কথা বলছ। তখনই মুহাম্মদ উক্ত ১৬: ১০১ নং আয়াত নাজিল করে বলল- আগের কিতাবের বিধান বাতিল। এবার নিচের আয়াতটা পড়া যাক---

সুরা বাকারা-২: ১০৬: আমি কোন আয়াত রহিত করলে অথবা বিস্মৃত করিয়ে দিলে তদপেক্ষা উত্তম অথবা তার সমপর্যায়ের আয়াত আনয়ন করি। তুমি কি জান না যে, আল্লাহ সব কিছুর উপর শক্তিমান?

মুহাম্মদ মক্কায় ইসলাম প্রচারকালে মক্কায় ও এমন কি মদিনার প্রাথমিক যুগের নাজিলকৃত কোরানেরই কিছু বিধি বিধান ও কথা সম্পর্কে যা বলেছিল , দেখা গেল মদিনায় গিয়ে মুহাম্মদ সেই একই বিষয়ে ভিন্ন কথা বলছে। তখন মুহাম্মদেরই সাহাবীরা তাকে জিজ্ঞেস করল - হে নবী , আপনি তো মক্কাতে এই বিষয়ে অন্য কথা বলেছিলেন। এখন ভিন্ন কথা কেন ? আর তখনই মুহাম্মদ উক্ত ২: ১০৬ নং আয়াত নাজিল করে বলল - আল্লাহ আগের বিধান বাতিল করে দিয়ে একই বিষয়ে নতুন বিধান দিয়েছে।

এই আয়াত ও তার বিধান বাতিলকরন পদ্ধতি ও নীতি যদি আমরা গোটা কোরানের ওপর প্রয়োগ করি , তাহলে কি দেখব ? দেখা যাবে , মুহাম্মদ মক্কা ও মদিনার জীবনের প্রাথমিক যুগে যেসব শান্তির আয়াত যেমন - সুরা কাফিরুন - ১০৯:৬ ও সুরা বাকারা ২: ২৫৬ ইত্যাদি মুহাম্মদের শেষ জীবনের নিচের আয়াত দ্বারা বাতিল হয়ে যাবে।

সুরা তাওবা-৯:৫: অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও, তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর। আর প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসে থাক। কিন্তু যদি তারা তওবা করে, নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

সুরা তাওবা- ৯:২৯: তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে।

তার মানে কোরানে পূর্বে নাজিলকৃত শান্তির বিধান বাদ। পরিবর্তে জিহাদের বিধান বহাল। দুনিয়ার সকল প্রসিদ্ধ আলেমরাই কোরানের এই আয়াতের বিধান বাতিল হওয়ার নীতি মেনে নিয়েছেন , না নিয়ে উপায়ও নেই। কারন কোরান নিজে যে বিধান দিয়েছে ,. তার বিরুদ্ধে তো কোন আলেম কথা বলতে পারেন না।

সুতরাং এর পরেও যদি কোন মুমিন এসে দাবী করে - ইসলাম হলো শান্তির ধর্ম , তাহলে বুঝতে হবে , সে ইসলাম জানে না অথবা জেনে শুনেও মিথ্যা কথা বলে মানুষকে প্রতারনা করছে।

কোরানের বাতিলকৃত আয়াতের লিষ্ট -https://wikiislam.net/wiki/List_of_Abrogations_in_the_Qur%27an
সময়ক্রম অনুযায়ী নাজিলকৃত সুরার তালিকা -http://www.qran.org/q-chrono.htm

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 3 দিন 3 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর