নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • লুসিফেরাস কাফের
  • কাঙালী ফকির চাষী
  • সুখ নাই
  • কাঠমোল্লা
  • মিশু মিলন
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী

নতুন যাত্রী

  • সামসুল আলম
  • এস. এম. মাহবুব হোসেন
  • ইকরামুজ্জামান
  • রবিউল আলম ডিলার
  • জহুরুল হক
  • নীল দীপ
  • ইব্রাহীম
  • তারেক মোরশেদ
  • বাঙলা ভাষা
  • সন্দীপন বিশ্বাস জিতু

আপনি এখানে

কোটা সংস্কার আন্দোলন। সাধু সাবধান !!!



কোঠা সংস্কার আন্দোলনকে স্বাগত জানাই। আন্দোলন ন্যায্য দাবি আদায়ের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। আমরা আমাদের ভাষার অধিকার পেয়েছিলাম গণআন্দোল ও সংগ্রামের মাধ্যামে। স্বাধীনতা পেয়েছিলাম আন্দোলের মাধ্যমে। স্বৈরাচার দমন করেছিলাম গণআন্দোলনের মাধ্যমে। এসকল আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছে সাধারণ ছাত্র। মনে রাখে হবে, আন্দোলন হতে হবে যোক্তিক ও মানবিক। আন্দোলনে ভূত থাকা যাবে না। ভূতের অস্তিত্ব অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে ও ভুলপথে পরিচালনা করে। এ আন্দোলনটি কোঠা সংস্কারের আন্দোলন, কোঠা বাতিলের আন্দোলন নয়। তবে এতিমধ্য আন্দোলনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার ভূত ঢুকে পড়েছে। এ সুন্দর ও সুশৃঙ্খল আন্দোলনকে হিংস্র ও বিপথে চালিত করতে। এ ভূতরা সাধু সেজে ভীড়ের মধ্যে কৌশলে ঢুকে পড়ছে। এবং অশান্তি তৈরির উল্লাস করছে। আমাদের বিশ্বাস এ ভূত আমাদের শান্তিপ্রিয় ছাত্ররা ওঝা হয়ে তাড়াবে ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সাহায্য করবে এ ভূত তাড়াতে। ইতিমধ্যে সরকার বেসরকারি উনিভার্সিটির ছাত্র/ছাত্রীদের ভ্যাট মওকুফ করে দিয়েছে। এবং যৌক্তিক কোঠা সংস্কারে আসস্থ করেছে।

আগামীদিনে সরকারি চাকরি প্রত্যাশীরা কোঠা সংস্কারের আন্দোলনে ডাক দিয়েছে। কোঠা সংস্কারের আন্দোলন ঢাকাসহ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। তরুণ-তরুণী রাজপথে নেমে এসেছে। তাদের এ আন্দোলন কোঠা বাতিলের জন্য নয় , কোঠা সংস্কারের জন্য। অহিংস আন্দোলনের ডাক দিয়েছে সাধারণ ছাত্র / ছাত্রী ন্যায্য দাবির প্রেক্ষাপটে। এ বৈষম্যমূলক কোঠা ব্যাবস্তা খুব পুরানো। কোঠা ব্যাবস্থার আগ্রাসনে প্রকৃত মেধাবীরা সুকৌশলে বঞ্চিত হচ্ছে সরকারি চাকরি থাকে। এর নেতিবাচক প্রভাবে রাষ্ট্র মেধা শুন্য হচ্ছে। একটা রাস্টার মৌলিক দায়িত্ব, রাস্টার সকল নাগরিকে সকল ক্ষেত্রে সমান সুযোগ দাওয়া। তবে অনগ্রসর অংশকে বিশেষ সুবিধার আওতায় নিয়ে আসাও রাস্টার দায়িত্ব। রাষ্ট্র শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য অবশ্যই কোঠা ব্যাবস্থা রাখবে। প্রতিবন্ধী কোঠা নিয়ে কারো কোন অভিযোগ নাই। তবে অন্নান্য সকল কোঠা ব্যবস্থা সংস্কার করা যৌক্তিক। মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের অহংকার , আমাদের শ্রদ্বেয়। বাংলাদেশের প্রাণ। আমাদের অস্তিত্বের শিকড় তারা। রাষ্টের উচিত তাদের সন্তান , কিংবা বংশদরদেরসহ অন্নান্য অনগ্রসর অংশকে বর্তমান কোঠা ব্যাবস্থায় বা বিশেষ পরীক্ষার মাধ্যমে চাকরিতে নিয়োগ দেওয়া।

তরুণ- তরুণীরা বুক ফুলিয়ে বাঁচবে , বুক ফুলিয়ে আন্দোলন করবে এটা বাংলাদেশের অহংকার ও গৌরব। বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলিতে সাধারণত আন্দোলনের মাধ্যমেই দাবি আদায় করে নিতে হয়। বাংলাদেশেও তার ব্যাতিক্রম হয়নি। সাধারণ অহিংস্র আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশের আক্রমন নিন্দনীয় ও দুঃখজনক। কোঠা সংস্কার ও চাকরির আবেদনের বয়স বৃদ্ধির আন্দোলনে সাধারণ ছাত্র/ছাত্রী দীর্ঘ দিন যাবত সরব।
স্বাধীন বাংলাদেশ রাজাকারের ঠাঁই নাই। এবং তাদের উত্তরসূরিদের জন্য ঠাঁই নাই। রাজাকাররা পাকিদের জারজ সন্তান। মুক্তিযুদ্ধারা বাংলাদেশ স্বাধীন করেছে। আমাদের দিয়েছে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। যে রাষ্টে আমরা বুকফুলিয়ে বাঁচি। বিশ্বদরবারে নিজেদের বাংলাদেশী বলে পরিচয় দেই। একবার ভাবি, বাংলাদেশ স্বাধীন না হলে আমরা পরাধীন থাকতাম। পাকিস্তানের গোলামী করতাম। অবশ্যই আমাদের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব যারা বাংলাদেশ স্বাধীন করলো তাদের ও তাদের বংশদরকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া। সরকারি চাকরিতে ৩০% কোঠা সরকারিভাবে বরাদ্ধ মুক্তিযুদ্ধ পরিবারের জন্য। এটা তাদের প্রতি সম্মান। আজকে জামাত-শিবির ও সরকার বিরোধীরা কোঠা সংস্কারের নামে রাজনৈতিক খেলা খেলছে। সাধারণ ছাত্র /ছাত্রীদের তারা সুকৌশলে অহিংস্র থেকে হিংস্র করে তুলছে। সাধারণ ছাত্র /ছাত্রীদের দাবি সরকার আমলে নিয়েছে। এবং প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা আশ্বস্ত করেছেনা যথাযথ সুব্যবস্থা নেয়ার। কোঠা ব্যাবস্থার সংস্কারের জন্য সময় প্রয়জন। প্রয়জন সুপরিকল্পনা যাতে সাধারণ ছাত্র/ছাত্রীদের স্বার্থ রক্ষা হয়। অহিংস আন্দোলনকারীদের অপব্যাবহার করছে জামাত-শিবির ও সরকার বিরোধী চক্র। চক্রন্তকারীরা সুকৌশলে ঢুকে পড়ছে আন্দোলনে। ক্রমশ আন্দোলনকে হিংস্র করার হীন চক্রন্তে মেতে আছে তারা। ইতিমধ্যে উপাচাৰ্যর বাসভবনে আক্রমণ করেছে চক্রন্তকারীরা। তাকে ও তার পরিবারকে হত্যা চেষ্টা করাহয়েছে। এটা কিসের আলামত। সরকারসহ সবাই সাধারণ আন্দোলনকারীদের পক্ষেই আছে। স্বাধীনরার পক্ষের এই সরকার অবশ্যই ন্যায্য দাবির মূল্যায়ন করবে।

স্বাধিনতা বিরোধী ও তাদের প্রজন্মরা সদা প্রস্তুত দেশে অরাজকতা তৈরী করার জন্য। বিগত সময়গুলিতে বিনপি ও জামাত ক্ষমতায় ছিল তারা কোঠা সংস্কার করেনি। সরকারি চাকরিতে নিয়োগের সকল রেকর্ড ভেঙ্গেছে বর্তমান সরকার। তরুণদের জন্য নতুন নতুন চাকরির ক্ষেত্র তৈরি করছে সরকার। মনে রাখতে হবে , বিনপি যখন রাজাকারদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধাদের অসম্মান করেছিল। বাংলাদেশকে অসম্মান করেছিল। এখন আবার চাকরিতে মুক্তিযুদ্ধা কোঠায় আঘাত করে মুক্তিযুদ্ধাদের অসম্মান করছে। বাংলাদেশকে অসম্মান করছে। শান্ত বাংলাদেশ অশান্ত করার অপকৌশল।

আমাদের বিশ্বাস সরকার সাধারণ আন্দোলনকারীদের হতাশ করবেননা । তাদের দাবি মনোযোগসহ শুনবে এবং তাদের দাবির মূল্যায়ন করবেন। সরকার ও আন্দোলনকারীদের সতর্ক থাকতে হবে। চক্রন্তকারীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সুকৌশলে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। আমরা শান্ত বাংলাদেশকে অশান্ত হতে দিতে পারি না।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

ইউসুফ শেখ
ইউসুফ শেখ এর ছবি
Offline
Last seen: 8 ঘন্টা 38 min ago
Joined: রবিবার, এপ্রিল 1, 2018 - 3:49অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর