নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • লুসিফেরাস কাফের
  • কাঙালী ফকির চাষী
  • সুখ নাই
  • কাঠমোল্লা
  • মিশু মিলন
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী

নতুন যাত্রী

  • সামসুল আলম
  • এস. এম. মাহবুব হোসেন
  • ইকরামুজ্জামান
  • রবিউল আলম ডিলার
  • জহুরুল হক
  • নীল দীপ
  • ইব্রাহীম
  • তারেক মোরশেদ
  • বাঙলা ভাষা
  • সন্দীপন বিশ্বাস জিতু

আপনি এখানে

একমাত্র মানব প্রেমেই মানুষ হত্যা বন্ধ করে, ধর্ম নয়।


আমরা এক অস্থির সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। ধর্ম , রাজনীতি, অর্থনীতি ও সংস্কৃতিতে অস্থিরতা কাজ করছে। পুস্তকেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে নীতি, নৈতিকতা এবং কর্ম দক্ষতা। ধর্মের নাম বিজ্ঞান ও যুক্তি এবং জীবন ভুলে যাচ্ছি। ধর্মের লেবাসে নীতি-নৈতিকতাহীনরা ইজারা নিয়েছে নৈতিকতার । অদক্ষ এবং নিস্কর্মরা দক্ষতার সনদ দিচ্ছে। আমরা পরস্পরকে ভালোবাসি মুখে -মুখে , অন্তর থেকে অন্তরে নয়। দেশ প্রেমকে রাজনৈতিক স্বার্থ নিয়ন্ত্রণ করে। আধুনিকতার অজুহাতে হারিয়ে যাচ্ছে পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যেবোধ এবং মর্যাদা।

বাণিজ্যিক শিক্ষা ও অপসংস্কৃতি আমাদের মানবিকতা এবং বিবেককে ধ্বংস করে দিচ্ছে। আমরা কবে মানুষ হবো ? আমাদের মনুষত্ব কবে জাগবে ? নওগাঁর আত্রাইয়ে ছেলের হাতে বাবা খুন হয়ে গেলো। বাবাকে খুন করে ছেলে কচুরিপানার নিচে লাশ রেখে দেয়। আমরা কোন পথে হাঁটছি। শিক্ষার ব্যাপক বিস্তার ঘটছে, কিন্তু আমার কি শিক্ষিত হচ্ছি ?

কোথায় আমাদের ধর্ম। আমাদের ধর্মতো আমাদের সংযত করতে পারছে না। সারা দিন রাত আমরা ,পরিবার ,সমাজ ও রাষ্টে ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করি , বাণিজ্য করি। যত দিন আমরা একে অপরকে ভালো না বাসবো ততো দিন মানুষ হত্যা ও অপরাধ বন্ধ হবে না। ধর্মের নামে অপরাধ বন্ধ করা যায় না। আরবদের বর্বরতা তার উৎকৃষ্ট উদারন।

ভালোবাসা, বিশ্বাস, আবেগ ও অনুভূতি বাণিজ্যিক হয়ে যাচ্ছে। স্বার্থের প্রয়োজনে জীবনসঙ্গী হত্যা করছে জীবনসঙ্গীকে। আইনজীবী রথীশ চন্দ্র ভৌমিক খুন হলেন নিজ স্ত্রীর হাতে। স্ত্রীর পরক্রিয়া প্রেমের বলি হলেন। নৈতিক অবক্ষয়ের জ্বলন্ত প্রমান আইনজীবী রথীশ চন্দ্র ভৌমিক খুন। আমাদের সমাজ ব্যাবস্থায় পরক্রিয়া , মাদক , ধর্মীয় উগ্রতা এবং অপরাজনীতি বিশেষ হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামাজিক অস্থিরতা , তথাকথিত আধুনিকতা ও অপসংস্কৃতি আমাদের সামাজিক শৃঙ্খলা ও মূল্যবোধ গ্রাস করেছে। বর্বরতার এক অন্যমাত্রায় আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্র অবস্থান করছে। সম্পর্কের ক্ষেত্রে মানুষদের রুচি ও মানসিকতা বিকৃত হয়ে যাচ্ছে। একজন তরুণী সম্পর্ক করছে টাকাওয়ালা বৃদ্ধের সাথে।কিংবা রাজনৈতিক নেতার সাথে অথবা ক্ষমতাবান পুরুষের সাথে। অন্যদিকে, একজন মধ্যে বয়সি নারী সম্পর্ক করছে ছেলের বয়সী তরুনের সাথে। এমনকি তরুণ- তরুণী ঝুঁকে পড়ছে সমকামিতায়। আধুনিকরার নামে আমরা ডুবে যাচ্ছি অন্ধকারে। আমাদের জীবন হচ্ছে অসামাজিক ও রুগ্ন। নেত্রকোনায় খুন হলো দিনমজুর সজীব মিয়া। আমরা মানুষ হত্যা চাই না। খুনের তালিকা বাড়ছে, মায়ের বুক খালি হচ্ছে। আমাদের রাষ্ট্র আমাদের উন্নয়নের গল্প শুনাচ্ছে। উন্নয়নের জোয়ারে দেশ ভাসছে। কিন্তু আমাদের পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধে পঁচন ধরেছে।এ পঁচন থাকে আমাদের পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রকে বাঁচাতে হবে।তা না হলে এ উন্নযনের কোনো মূল্য থাকবেনা। এখনই দরকারকার একটি গণসচেতনতা সকল অন্যায়ের ও অসামাজিকতার বিরুদ্ধে , এ জন্য রাষ্ট্র ও মিডিয়াকে বিশেষ ভূমিকা পালন করতে হবে।

এ পৃথিবীতে সন্তান সবচেয়ে নিরাপদ পিতামাতার কাছে। কিন্তু , হবিগঞ্জে পিতার হাতে খুন হলো কন্যা বিউটি আক্তার। হত্যার আগে তাকে ধর্ষণ করে অমানুষ বাবুল। আমরা কি ফিরে যাচ্ছি আইয়ামে জাহেলিয়ার যুগে। তখন আরবরা কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দিতো। এখন সন্তান কে হত্যা করা হচ্ছে। আমরা মনোনসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি। আমাদের উপর ভর করেছে আরবদের বর্বরতা ও অমানুষিকতা। আরবরা যেমন মুখে ধর্মের কথা বলে জগতের সকল অপকর্ম করে। আমরা তাদের দেখানো পথে হাঁটছি।

ঐশীর হাতে খুন হয়েছিল তার পিত-মাতা। সন্তানের হাতে খুন হচ্ছে মা -বাবা। বাণিজ্যিক শিক্ষা, মাদক ও কুসঙ্গ এই ঐশীদেরকে সৃষ্টি করছে। আমরা কি শুধু ঐশীদের দোষ দিয়ে আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য শেষ করে দিবো? এ দায় শুধু ঐশীদের নয়। ই জন্য সমান ভাবে দায়ী পরিবার , সমাজ, শিক্ষা ব্যাবস্তা ও রাষ্ট্র।একজন ঐশীকে শাস্তি দিয়ে এ অপরাধের দমন করা যাবে না। দরকার একটি সমন্বিত অপরাধ দমন ব্যাবস্থা। পরিবার সমাজ এবং রাষ্ট্রকে সমান ভাবে দায়িত্ব নিতে হবে।

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশ। রমজান এলেই মুসলমানরা আতঙ্কে থাকে দ্রব মূল্যর উদ্ধগতির ভয়ে। অসাধু ব্যাবসায়ীরা প্রয়োজনীয় পণ্যে চিনি , ভোজ্যতেল , মুসুরডাল ,ছোলা , খেজুর মজুত করে , সিন্ডিকেট করে দ্রব মূল্য সাধারণ মানুষের নাগালের বাহিরে নিয়ে যায়। মধ্যে আয়ের ও নিম্ম আয়ের মানুষেরা হিমশিম খায় তাদের পখরচের ব্যায় বহনে। অন্য দিকে ধনীদের ঘরে চলে রসনা বিলাস। রাষ্টের সরকার গোলক ধাঁধায় পরে দ্রব মূল্য নিয়ন্ত্রণে। ইতিহাস সাক্ষী সরকাররা সবসময় অতি মুনাফাখোর ব্যাবসায়ীদের সাথেই আঁতাত করেছে। কারণ ব্যাবসায়ীরা নিমন্ত্রন করছে অর্থনীতি ও এবং ঢুঁকে পড়েছে রাজনীতিতে । আমরা একটি মাসের জন্য দ্রব মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনা। এটা আমাদের ব্যার্থতা। প্রতিটি বছর ব্যাবসায়ীরা হজযাত্রীদের নিয়ে ব্যবসা করছে, প্রতারণা করছে। অনেকে সময়মতো হজে যেতে পারে না। আমাদের রাষ্ট্র বার্থ হচ্ছে এসব অপকর্ম বন্ধ করতে। অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় অর্থে অনেকেই একাধিক বার হজ করছে। আমাদের পিঠ নৈতিকতার দেয়ালে ঠেকেছে। ধর্মীয় মূল্যবোধ আমরা বিক্রি করে দিচ্ছি স্বার্থের কাছে , অর্থের কাছে।

আমরা ভালোবাসার বাগান ধ্বংস করে দিচ্ছি। কাছে টানছি হিংসা, বিদ্বেষ , লোভ এবং লালসা। আমরা মানুষ কে ভালোবাসি না, ভালো বাসি ধর্মকে। ধর্ম মানুষ হত্যা বন্ধ করতে পারবে না। কারণ আমরা ধর্মের নামেই মানুষ হত্যা করছি। প্রায়ঃশই আমরা শুনি মুসলমানের কলিজা কেন কাঁপবে রক্ত দেখে। অশিক্ষিত , অর্ধ শিক্ষিত আলেমের মাহফিলে এসব বলে বেড়ায়। এ সকল কথা মানুষকে অপরাধ প্রবন করে। মনে রাখতে হবে যত দিন আমরা মানুষকে ভালোবাসতে শিখবোনা ততদিন এ মানুষ হত্যা ও পাপ বন্ধ হবেনা। মানব পর্বের ওপর কোনো প্রেম নাই , কোনো ধর্ম নাই। জয় হোক মানবতার , জয় হোক মানবপ্রেমের।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

ইউসুফ শেখ
ইউসুফ শেখ এর ছবি
Offline
Last seen: 8 ঘন্টা 38 min ago
Joined: রবিবার, এপ্রিল 1, 2018 - 3:49অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর