নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • নুর নবী দুলাল
  • প্রত্যয় প্রকাশ
  • কাঙালী ফকির চাষী
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

বিষাক্ত রাজনীতি:- চতুর্থ পর্ব-


যে সমস্যাটি ভারতীয় রাজনীতি ও সমাজ জীবন চিরতরে পাল্টে দিয়েছিল সেই ঘটনাটি ছিল এইরকম- মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর শহরের নামজাদা উকিল মহম্মদ আহমদ খান দুটি বিবাহ করেন। বড় স্ত্রী ছিলেন সাহাবানু। বাষট্টি বছর বয়সী ও পাঁচ সন্তানের জননী সাহাবানু যখন তার স্বামী মহম্মদ আহমদ খানের কাছে ভরণপোষণ সংক্রান্ত অর্থ চাইতে যায় তখন তার স্বামী প্রচন্ড রাগে তালাক, তালাক, তালাক বলে তিন তালাক দেয়, 6 ই নভেম্বর 1978। অর্থাৎ এরপর থেকে তাদের মধ্যে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক শেষ। এরফলে ইসলামি আইন অনুযায়ী শুধু বিয়ের সময় দেনমোহর ও বিচ্ছেদের 90 দিন পর্যন্ত অর্থাৎ ইদ্দতের সময় পর্যন্ত স্বামীর স্ত্রীকে অর্থ প্রদান করা অর্থাৎ 'নাফকা' ওয়াজিব (অবশ্যই কর্তব্য) তারপর অর্থ প্রদান ওয়াজিব নয়(ঐচ্ছিক)।

তাই সাহাবানু নিজের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আদালতের শরণাপন্ন হন। লোয়ার কোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত কোর্টের রায় সাহাবানুর পক্ষে যায়। সাহাবানুর মামলা প্রথমে সুপ্রিম কোর্টের মুরতাজা ফজল আলি ও এ ভরদ্বারাজনের দুই সদস্য বিশিষ্ট বেঞ্চের কাছে যায়, 3 রা ফেব্রুয়ারি 1981। এই দুই সদস্য বিশিষ্ট বেঞ্চ মনে করেন সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে, তাই মামলাটি উচ্চস্তরের পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট সাংবিধানিক বেঞ্চের কাছে পাঠানো হয়। তৎকালীন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ওয়াই ভি চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট সাংবিধানিক বেঞ্চ 23 শে এপ্রিল 1985 সালে সর্বসম্মতিক্রমে রায় দেন- "আইনি এবং মানবিকতার উপর ভিত্তি করে মহম্মদ আহমদ খানকে, সাহাবানুকে মাসিক 500 টাকা খোরপোশ প্রদানের আদেশ দেয়"। সুপ্রিম কোর্ট কোরানের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন- বিয়ের শেষে শুধুমাত্র দেনমোহর আদায় করা মানেই খোরপোশ দেওয়া নয়। আর দেনমোহর পাওয়ার পরও মুসলিম মহিলারা নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে আদালতে দ্বারস্থ হতে পারবে। সেই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট বলেন সংবিধানের 44 নং ধারায় উল্লেখিত ইউনিফর্ম সিভিল কোর্ট (অর্থাৎ প্রতিটি ধর্ম, সম্প্রদায়, জাতির জন্য এক ব্যবহারিক আইন) চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করতে বলেন।

সুপ্রিম কোর্টের রায় থেকেই সরকার মুসলিম মহিলাদের অধিকার সুরক্ষিত রাখার অস্ত্র পেয়ে যায়। দেশের যুব ও নতুন চেতনায় আস্থাশীল প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর উপর অনেকেরই আশা ছিল তিনি সুপ্রিম কোর্টের রায়কে বাস্তবায়ন করবেন এবং মুসলিম মহিলাদের সঠিক মর্যাদা দেবেন। রাজীব গান্ধীর ও সৎইচ্ছা ছিল তিনি তৎকালীন তাঁর কেন্দ্রীয় সরকারের ক্যাবিনেট মন্ত্রী আরিফ মহম্মদ খানকে বলেন- "এই রায়কে আমরা কাজে লাগাব এবং কারোর কোন চাপে নত স্বীকার করার কোন প্রশ্নই ওঠে না। আপনি এই রায়ের সপক্ষে প্রচার করুন"। তাই আরিফ মহম্মদ খান সংসদে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পক্ষে কথা বলেন। গোটা দেশে এটা মনে হতে থাকে রাজীব গান্ধী কোর্টের রায় মেনে মুসলিম মহিলাদের সঠিক ন্যায় দেবেন।

ঠিক এই সময় বেশ কিছু ধর্মান্ধ মুসলিম সংগঠন সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাতে থাকে, তারা আন্দোলন করতে থাকে এবং সরকারকে এই মর্মে প্রচ্ছন্ন হুমকি দিতে থাকে যে- এই রায় কার্যকর করলে তা সরকারের পক্ষে ভালো হবে না। এরপর উত্তর ভারতের কিছু রাজ্যে, বেশ কিছু নির্বাচনে কংগ্রেস খুব খারাপ ভাবে হারে। এই ঘটনা রাজীব গান্ধীর চিন্তা চেতনায় তীব্র আঘাত হানে এবং তিনি নতুন করে ভাবতে শুরু করেন, বস্তুত নির্বাচনের এই ফলাফলে রাজীব গান্ধী বেশ চাপেই পড়ে যান। এই সময় রাজীব গান্ধীর ক্যাবিনেট মন্ত্রী আরিফ মহম্মদ খান রাজীব গান্ধীকে বলেন- "আপনি তরুণ মুসলিমদের প্রকৃত নেতা, তাই আপনাকে এই রায় কার্যকর করে মুসলিম মহিলাদের ন্যায় দেওয়া উচিত, এটা অন্তত আমি মনে করি"। রাজীব গান্ধী প্রত্যুত্তরে বলেন- "আপনি সঠিক বলেছেন কিন্তু আপনি একটা কথা ভুলে যাচ্ছেন আমি ও একজন রাজনীতিবিদ"। "I am also a politician" এই ছিল সেই বিখ্যাত উক্তি। এই একটি কথাই ভারতের ইতিহাস চিরতরে বদলে দিয়েছিল, সত্যিই রাজীব গান্ধীর পলিটিক্সের নমুনা গোটা দেশ দেখে এবং তার প্রভাব আজও সুতীব্রভাবে অনুভূত হয়।

পলিটিক্সের জন্য মানুষ যে কতটা নীচে নামতে পারে এবং জঘন্য ধর্ম রাজনীতি করতে পারে তার সবচেয়ে উজ্জ্বল নিদর্শন হল রাজীব গান্ধী। এই ক্ষমতা লোভী মানুষটি ধর্মান্ধ মুসলিমদের সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে "The Muslim women (protection of rights on divorce) act, 1986" সংসদে পাশ করান। এই বিল পাশ করানোর ফলে সুপ্রিম কোর্টের রায়কে অকার্যকর করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের রায় যদি সেদিন রাজীব গান্ধী সরকার মেনে নিত তাহলে আজ আবার নতুন করে তিন তালাক নিয়ে আন্দোলনে নামতে হত না। তবে বর্তমান মোদী সরকারকে এই মর্মে সাধুবাদ জানাই যে তারা অন্তত সুপ্রিম কোর্টের তিন তালাক বাতিলের নতুন রায়কে কাজে লাগিয়ে আইন প্রণয়নের চেষ্টা করছে। যাইহোক ওই সময় সৈফুদ্দিন চৌধুরী,দীপন ঘোষ, সিপিআই নেতা গুরুদাস দাসমুন্সি, কংগ্রেস নেতা আরিফ মহম্মদ খান প্রমুখরা এই বিলের তীব্র বিরোধিতা করেন কিন্তু সংখ্যা গরিষ্ঠতার জোরে রাজীব গান্ধী এই চরম ধর্মান্ধ ও কালা বিল সংসদে পাশ করান। এই আইন মুসলিম মহিলাদের তালাকের পর শুধুমাত্র তিন মাস পর্যন্ত দেনমোহর ও খোরপোশ আদায় করার অধিকার দেয়, সেই সঙ্গে মুসলিম মহিলাদের খোরপোশ আদায়ের জন্য কোর্টে যাওয়ার অধিকার ও এই আইনের মাধ্যমে কেড়ে নেওয়া হয়।

তাহলে বুঝতে পারছেন কি এই বিল মুসলিম মহিলাদের কতটা স্বার্থ সুরক্ষিত করেছিল? আসলে রাজীব গান্ধী এই বিলের মাধ্যমে কট্টরপন্থী মুসলিমদের কাছে নির্লজ্জ ভাবে আত্তসমর্পণ করেছিল এবং নিজের গদি বাঁচানোর লক্ষ্যে তোষণের মধ্যে দিয়ে নোংরা ধর্ম রাজনীতি করেন। বলাই বাহুল্য এর প্রভাব ভারতের ইতিহাসে চিরস্থায়ী রয়ে গেছে। রাজীব গান্ধীর এই তোষণের নোংরা রাজনীতির প্রতিবাদ স্বরূপ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরিফ মহম্মদ খান ক্যাবিনেট ও কংগ্রেস দল থেকে ইস্তফা দেন, এবং তিনি আর কোন দিন কংগ্রেসের হয়ে রাজনীতি করেন নি। এই ঘটনার পর দেশ জুড়ে এমন একটি বার্তা যায় যে- রাজীব গান্ধী শুধুমাত্র মুসলমানদেরই প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলমানদের তোষণ করে। তাই রাজনীতিবিদ রাজীব গান্ধীর মনে হতে থাকে- মুসলিমদের পক্ষে এই বিল আনার ফলে সংগরিষ্ঠ হিন্দুরা তার উপর বিরূপ, যা তাঁর রাজনৈতিক প্রভুত্ব বজায় রাখার পক্ষে ক্ষতিকর। তাই রাজীব গান্ধী চেষ্টা করতে থাকেন হিন্দুদের ও খুশি করতে অর্থাৎ হিন্দু তোষণের রাজনীতি করতে।

খুব শীঘ্রই সেই সন্ধিক্ষণ এসে উপস্থিত হল- 30 শে জানুয়ারী, 1986। ওই দিন উত্তরপ্রদেশের ফৈজাবাদ জেলা আদালত এক ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করে। মাত্র দুই দিন আগে দাখিল হত্তয়া উমেশচন্দ্র পান্ডের মামলার পরিপ্রেক্ষিতে জেলা জর্জ কেএম পান্ডে ঐতিহাসিক রায়ে বলেন- 'অযোধ্যার বাবরি মসজিদ অভ্যন্তরিস্ত রাম লালার তালা খুলে দিতে হবে এবং হিন্দুরা এখানে রামের পূজো শুরু করতে পারবে'। এই রায় ঘোষণার মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যে জেলা প্রশাসন এই নির্দেশ কার্যকর করে। এত দ্রুত এই রায় কার্যকর করা হয় যে বিবাদী অন্য পক্ষ উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগই পাইনি, তার আগেই মন্দিরের তালা খুলে দেওয়া হয়। এই ঘটনাটি আবার কভার করার জন্য দিল্লি থেকে দূরদর্শনের একটি টিম আনা হয় এবং মন্দিরের তালা খোলার ঘটনাটি দূরদর্শনের মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়, যার ফলে গোটা দেশে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এরপর বিবাদী পক্ষ 3 রা ফেব্রুয়ারি 1986, মামলাটি এলাহাবাদ হাইকোর্টের লৌক্ষ বেঞ্চের সম্মুখে উপস্থাপন করে। হাইকোর্ট তার রায়ে বলে- 'বিবাদিত ইমারতের কোন রূপ বদল করা যাবে না', এই মর্মে আদেশ দেয় এবং সেই সঙ্গে শান্তি বজায় রাখতে বলেন। এই সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে বাবরী মসজিদ অ্যাকশন কমিটি গঠিত হয়।

পুরো ঘটনাটি এত দ্রুত কার্যকর করা হয় যে, অনেকেই মনে করেন এটি পূর্ব পরিকল্পিত। প্রশ্ন হল এত বড় এবং এত দ্রুত একটা সিদ্ধান্ত কি বড় কোন নেতৃত্বের সম্মতি ছাড়া এমনি এমনি নেওয়া সম্ভব? তাহলে প্রশ্ন হল এই সিদ্ধান্তটি নেওয়ার পেছনে কার হাত ছিল? উত্তরপ্রদেশের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বীর বাহাদুর সিং কে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি উত্তর দেন- "মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যসরকার এই বিষয়ে পুরোপুরি অজ্ঞ, এটা কিছু আরও বড় নেতাদের ইশারায় হয়েছে"। এখন প্রশ্ন হল এই আর ও বড় নেতাটি কে? এই আরও বড় নেতাটি ছিলেন দেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। অনেকের মতে রাজীব গান্ধীকে তৎকালীন কংগ্রেসের প্রভাবশালী নেতা অরুণ নেহরু সমেত আরও কিছু নেতা পরমর্শ দেন যে- 'মন্দিরের তালা যদি একবার খোলা যায় তাহলে হিন্দুরা খুশি হবে। এতে কংগ্রেসের রাজনৈতিক অবস্থান সুদৃঢ় হবে এবং ওই রাজ্যে আর কেউ কংগ্রেসকে হারাতে পারবে না, যার সুফল কেন্দ্রীয় সরকার ও লাভ করবে'। কারণ কেন্দ্রে সরকার গঠন করতে গেলে উত্তরপ্রদেশে ভালো ফল করা বাঞ্ছনীয়, তাই একটি কথা বহুল প্রচলিত দিল্লির সরকার লক্ষৌর উপর দিয়েই যায়(সর্বাধিক লোকসভা আসন বিশিষ্ট রাজ্য, বর্তমানে এই রাজ্যের লোকসভা আসন হল 80 টি, তৎকালীন সময় উওরাখন্ড রাজ্যটি উত্তরপ্রদেশের সঙ্গে যুক্ত থাকায় আসন সংখ্যা ছিল 85 টি। 1984 সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস 82-83 টি আসন লাভ করেছিল। তথ্যসূত্র- উইকিপিডিয়া। তাই এই রাজ্যের রাজনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম।)।

আসলে মতবাদটি ছিল এই রকম একদিকে যেমন-"The Muslim women (protection of rights on divorce) act, 1986", পাশ করিয়ে মুসলিমদের খুশি করানো হয়। তেমনই অন্যদিকে হিন্দুদের খুশি করতেই বাবরি মসজিদ অবস্থিত রাম লালার মন্দিরের তালা খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তাই রাজীব গান্ধী ভোটের স্বার্থে উভয় ধর্মের মানুষকেই খুশি করতে চেষ্টা করেন অর্থাৎ প্রকৃতপক্ষে উভয় ধর্মের কট্টরপন্থীদের তোষণ করতে শুরু করে যার ফল হয় মারাত্মক। কি অদ্ভুত যে রাজীব গান্ধী নতুন চিন্তার কথা বলতেন, যুব নেতা হিসাবে উঠে এসেছিলেন তিনি শেষ পর্যন্ত নোংরা ধর্ম রাজনীতি করছিলেন! এটা আপামর দেশবাসীর জন্য চরম লজ্জার ও ভয়ংকর সমস্যার সৃষ্টি করেছিল। বস্তুত 1984 সাল থেকেই বিশ্ব হিন্দু পরিষদ রাম লালার মন্দিরের তালা খুলে দেওয়ার জন্য আন্দোলন করছিল, রাজীব সরকারের এই কর্মকান্ডে আগুনে ঘৃতাহুতি লাগে। অন্য একটি মত হল কংগ্রেস বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এই আন্দোলনকে অপ্রাসঙ্গিক করে দেওয়ার লক্ষ্যে তড়িঘড়ি মন্দিরের তালা খুলে দেয় এর ফলে রাজনৈতিক লাভের কথাও চিন্তা করা হয়। তবে আগুন নিয়ে খেললে তার পরিণতি ভালো হয় না, আগুন লাগানো কারিও অনেক সময় সেই আগুনেই পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যায়। এই আগুনে ধর্ম রাজনীতির ফল ভালো হয়নি। মন্দিরের তালা একবার খুলে দেওয়া ফলে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির মনোবল বৃদ্ধি পায় এবং তারা সর্বশক্তি দিয়ে রাম মন্দির নির্মাণ আন্দোলনে নেমে পড়ে। বলাই বাহুল্য এই বিষাক্ত রাজনীতিই পরবর্তী কালে বাবরি মসজিদ ধ্যুলিষ্যাৎ এর প্রেক্ষাপট রচনা করে।

চলবে...

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

রক্তিম বিপ্লবী
রক্তিম বিপ্লবী এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 1 দিন ago
Joined: মঙ্গলবার, আগস্ট 29, 2017 - 3:02অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর