নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • কাঙালী ফকির চাষী
  • সুখ নাই
  • লুসিফেরাস কাফের
  • কাঠমোল্লা
  • মিশু মিলন
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী

নতুন যাত্রী

  • সামসুল আলম
  • এস. এম. মাহবুব হোসেন
  • ইকরামুজ্জামান
  • রবিউল আলম ডিলার
  • জহুরুল হক
  • নীল দীপ
  • ইব্রাহীম
  • তারেক মোরশেদ
  • বাঙলা ভাষা
  • সন্দীপন বিশ্বাস জিতু

আপনি এখানে

ধর্ষণের জন্য নারীর পর্দা দায়ী হলে আগে পুরুষের পর্দা জরুরী



সত্যি কথা বলতে পুরুষের জন্যই পর্দার আয়াত প্রথমে নাযিল হয়েছে। পরবর্তীতে নারীর পর্দার আয়াত নাযিল হয়েছে।

সুরা নূরের ৩০ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ্‌ বলেছেন- "মুমিন পুরুষদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং লজ্জাস্থানের হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে।"

এর পরের আয়াত অর্থাৎ সুরা নূরের ৩১ নম্বর আয়াত মহান আল্লাহ্‌ নাযিল করেছেন নারীদের পর্দার জন্য।

এখন কোন পুরুষের চোখ যদি কোন নারীর সৌন্দর্য দর্শন করার অনুমতি পায় , তাহলে একমাত্র নিজের স্ত্রীর। একজন পুরুষের জন্য নিজ স্ত্রী ব্যতীত অন্য কোন নারীর চেহারার সৌন্দর্য দেখা বা অন্য কোন নারীর দেহ আকৃতি অন্তরে অনুভব করা 'হারাম' ।

এ সম্পর্কে মহানবী (স:) বলেছেন- "যদি কোন মহিলার দিকে হঠাৎ নজর পড়ে যায় , তাৎক্ষণিক দৃষ্টি সরিয়ে নেবে এবং তার দিকে আর দ্বিতীয়বার তাকাবে না।"
তিনি আরো বলেন - "তোমরা যদি চলার পথে কোন বেগনা নারীরী দেখে উত্তেজিত হয়ে পড়ে, তাহলে তুমি তোমার বিবির নিকট যাও এবং সহবাসে লিপ্ত হও, যা আমার আল্লাহ হালাল করেছেন তোমাদের জন্য। আর যদি তুমি অবিবাহিত হও তাহলে নিজেকে সংযত কর এবং নফল রোজা পালন কর।"

আল্লাহ পবিত্র কুরানের সুরা আন-নুরের ৩০নং আয়াতে নারীদের পর্দার ব্যাপারে নিষেধ করার আগে পুরুষের চোখের পর্দা হেফাজত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

এইবার আসুন ৯০% মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ দেশ বাংলাদেশ থেকে ঘুরে আসি-
সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা প্রায়ই ধর্ষণের ঘটনার নানা পরিসংখ্যান দিয়ে থাকে। তবে এই পরিসংখ্যানই চূড়ান্ত নয়। এর বাইরে বহু ঘটনা নজরে আসে না। ফলে আড়ালের ঘটনাগুলো আড়ালেই থেকে যায়। ধর্ষিতা এবং প্রতিপক্ষের সামাজিক-অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক অবস্থানের তারতম্যের কারণে এসব ঘটনা সামনে আসে না। এমনকি মামলা পর্যন্তও গড়ায় না। আবার মামলা হলেও নানা কারণে পার পেয়ে যায় ধর্ষকরা।

দেখা গেছে, গণমাধ্যম সরব হলেই কেবল ঘটনাগুলো সামনে আসছে। তবে যতটুকু গণমাধ্যমে প্রকাশ পায় সে চিত্রও ভয়াবহ। গত সাড়ে ৫ বছরে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) সারাদেশে ধর্ষণের যে চিত্র তুলে ধরেছে তা রীতিমতো চমকে ওঠার মতো। তাদের দেয়া পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত সাড়ে ৫ বছরে দেশে ৫ হাজার ২৪৮টি ধর্ষণ ও গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা (বিএমবিএস) বলছে, গত ৬ মাসে ১৪১ নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ১৪ জনকে আর গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৪৩ নারী।

শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংস্থা বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম বলছে, চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে শুধুমাত্র শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ২৯৪টি। এর মধ্যে গণধর্ষণের শিকার হয়েছে ৪৬ জন শিশু। ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ২৮ শিশুকে আর ৩ জন শিশু ধর্ষণের পর আত্মহত্যা করেছে। এছাড়া ধর্ষণ চেষ্টার শিকার হয়েছে আরো ২৮ শিশু। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ পরিসংখ্যান গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ নির্ভর। এর বাইরের চিত্র আরো ভয়াবহ।

আসকের দেয়া তথ্যানুযায়ী, সাড়ে ৫ বছরে গড়ে দিনে প্রায় ৩টি করে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এই সময়ে ৩৭৩ নারী ও শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। আর ধর্ষণের কারণে আত্মহত্যা করেছে ৫৬ জন। সংস্থাটির দেয়া পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১২ সালে ১১৪৮ জন নারী ও শিশু ধর্ষণ-গণধর্ষণের শিকার হয়েছে, ৯৮ জনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে এবং ১৪ জন ধর্ষণের অপমাণ সহ্য না করতে পেরে আত্মহত্যা করেছে। ২০১৩ সালে ধর্ষণ ও গণধর্ষণের শিকার হয়েছে ৯৯৮ জন, ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছে ৮৭ জন আর একই কারণে আত্মহত্যা করেছে ১৪ জন। ২০১৪ সালে ৭০৭ জন ধর্ষণ-গণধর্ষণের শিকার হয়েছে, ৬৮ জনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে এবং ১৩ নারী-শিশু ধর্ষণের কারণে আত্মহত্যা করেছে। ২০১৫ সালে ধর্ষিত হয়েছে ৮৪৬ জন, খুন করা হয়েছে ৬০ ধর্ষিতাকে এবং আরো ২ জন আত্মহত্যা করেছে। ২০১৬ সালে ৭২৪ নারী-শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে, ৩৭ জনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে এবং একই কারণে আত্মহত্যা করেছে ৮ জন।

বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরামের দেয়া পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত সাড়ে ৫ বছরে ১৭১৬ শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ২০১২ সালে ৮৬, ২০১৩ সালে ১৭০, ২০১৪ সালে ১৯৯ জন শিশু ধর্ষিত হয়েছে। অতীতে সব রেকর্ড ছাড়িয়ে ২০১৫ সালে ৫২১ জন শিশু এই নৃশংসতার শিকার হয়েছে। গত বছর ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৪৪৬ জন শিশু। আর চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসেই শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ২৯৪টি। এর মধ্যে গণধর্ষণের শিকার হয়েছে ৪৬ জন শিশু। ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ২৮ শিশুকে আর ৩ জন শিশু ধর্ষণের পর আত্মহত্যা করেছে। এছাড়া ধর্ষণ চেষ্টার শিকার হয়েছে আরো ২৮ শিশু।

তবে এই পরিসংখ্যান যত ভয়াবহ-ই হোক এটি বাস্তবে ঘটে যাওয়া ঘটনার খণ্ডিত চিত্র মাত্র। সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহকারীরা বলছে, এ পরিসংখ্যান মূলত গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ নির্ভর। এছাড়া কেউ কেউ তাদের স্থানীয় প্রতিনিধিদের মাধ্যমেও তথ্য সংগ্রহ করেন। তবে একটি বড় অংশই থেকে যায় খবরের আড়ালে।

তথ্যমতে আমার মতামত -
যখন কোন ব্যক্তি কাউকেজোর পূর্বক বা তার সম্মতি ব্যতিতযৌন আচরণ বা যৌন মিলন করে তখন তাকে ধর্ষণ বলে।

ধর্ষণ বর্তমানে আমাদের সমাজে এক চরমতম সংকট ও মারাত্মক আতংক। যারা নিয়মিত পত্রিকা পড়ে তাদের কাছে ধর্ষণ শব্দটা বেশী পরিচিত। এমনকি ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরাও ধর্ষণ শব্দটির সাথে পরিচিত। বর্তমানে পত্রিকা হাতে নিলে প্রথমে নজরে পড়ে ধর্ষণের লোমহর্ষক কাহিনী। পত্রিকার পাতায় এমন কোন দিন বাদ নেই যে ধর্ষণের খবর আসে না। পত্রিকার খবর ছাড়াও দেশের আনাচে কানাচে কতনারী যে ধর্ষণের শিকার হচ্ছে তারকোন হিসেব নেই। দেশের কোথাও না কোথাও ৩ বছরের কন্যা শিশু থেকে শুরু করে ৭০ বছরের বৃদ্ধা পর্যন্ত ধর্ষিত হচ্ছে। ধর্ষণের নেশায় কিছু মানুষরুপী নরপশুরা এসব নিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে যা ভাষায় প্রকাশ করা দুষ্কর। বর্তমানে এসব মানুষরূপী নরপশুদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না শিশু কন্যা, বৃদ্ধা, স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা এমনকি ছেলেরাও ধর্ষণের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না। অবশ্য এই সুশীল সমাজ ছেলেদের ধর্ষণকে বলাৎকার বলে।
এত এত ধর্ষণের পরেও এই ৯০% মুসলিমপ্রধান দেশে ধর্মান্ধতা এতটা প্রকট যে, পোষাকই নারীর ধর্ষণের কারন বলে আখ্যায়িত করা হয়। তার সপক্ষে যুক্তি দিলে তাকে "নাস্তিক" ট্যাবু দেওয়া হয়।
অবশ্য ধর্মান্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠের দেশে এর থেকে বেশি কী বা আশা করা যায়।

এখানে, ধর্মান্ধতা এতটাই প্রকট যে ধর্ষণ আসলে কী সেটা না জেনেই মানুষ শুধুমাত্র ইসলাম কর্তৃক দেয়া পর্দার নির্দেশ অমান্য করার দায়ে ধর্ষণের দোষ চাপায় সেই ধর্ষিতা নারীর উপরই। কিন্তু আমার জ্ঞান ও বিবেক বরাবরই বলে ধর্ষণের জন্য মানসিকতা দায়ি , পোশাক নয়।

ধর্ষণের জন্য কি সত্যিই নারীর পোশাক-আশাক, আচরণ ও দৃষ্টিভঙ্গি দায়ী? তাই যদি হত তাহলে একাত্তরে আমাদের মা-বোনেরা কি এমন পোশাক পরেছিলেন ও আচরণ দেখিয়েছিলেন যে, পাকিবাহিনী তাদের নির্মমভাবে ধর্ষণ করেছিল? কেউ কি পাকিদের ধর্ষণের জন্য উন্মত্ত করেছিলেন সে সময়?
যখন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা-হাঙ্গামা হয়, যখন সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে তাদের স্ত্রী-কন্যাদের উপর পাশবিক নির্যাতন করা হয়, তখনও কি আপনারা বলবেন যে নারী নিজেই তার ধর্ষণের জন্য দায়ী?
কারো কাছে কি কোনো যুক্তি আছে কেন ৩ বছরের শিশুকে ধর্ষিতা হতে হয়?

তনুকে যখন ধর্ষণ করে হত্যা করা হলো , তখনো বাংলাদেশের ধর্মান্ধ জামাতীরা অপপ্রচার চালিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছিলো যে তনুর ধর্ষণের জন্য তনুর পোশাকই দায়ী। কিন্তু তনুর ছবিগুলো তখন সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়েছিল যে সে বোরখা পরিহিতা ছিল। কতটা নির্লজ্জ মানসিকতা হলে একটি মৃত মেয়ের উপর মিথ্যে দোষ চাপানো যায় ভাবতে পারেন? কিংবা কিছু দিন আগে যে শিশুটি মসজিদের ভিতর ঈমাম দ্বারা ধর্ষিত হল তার কথাই বা কী বলবেন? এটাও কি পোশাকের দোষ? এমন নিচ মানসিকতার বলেই তো ধর্ষণ সম্ভব, পোশাকের কী দোষ!

শুনুন, ধর্মান্ধ হয়ে আপনি যতই বলুন পোশাক দায়ী ধর্ষণের জন্য তা আমি আপনাকে লেখার শুরুতে আপনার ধর্মগ্রন্থ থেকে রেফারেন্স দিয়েছি, সুতারাং আগে নিজের পর্দা করুন।
কিন্তু বাস্তব হলো মানসিকতা। ধর্ষণকারী কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের কেউ নয়। ধর্ষণকারী নারীর পোশাক, বয়স, আচরণ কোনো কিছুই আমলে নেয় না। বিকৃত কাম চরিতার্থে নারীরা এদের শিকার হয়। ধর্ষণকারীর পক্ষে তাই কোনো সাফাই নয়।

পোশাককে যারা ধর্ষণের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে এইসব আত্মমর্যাদাহীন লোলায়িত পুরুষরা নিজের মাতৃগর্ভকে পর্যন্ত কলঙ্কিত করে ফেলেছে! এদের মতো শিক্ষিত বলদেরা ধর্ষকদের সাফাইকারী! ধর্ষক থেকেও এরা মারাত্মক অপরাধী। কারণ এদের সাফাই আরেকটা ধর্ষণের ক্ষেত্র তৈরি করে আমাদের সমাজে। তাই সমানতালে এইসব বর্বর সাফাইকারীদেরও বিচার করা উচিৎ।

তারিখ : ২৯-০৩-২০১৮

$$$$$
অদৃশ্য

Comments

কাজি মাহীন এর ছবি
 

এই লালসালু ভাই পোস্টে ইমেজ কোথায়? কত ধরনের ইমেজ দিতে পারতেন। খুবই গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট আরো শেয়ার হওয়া দরকার

alomgir kobir kumkum

 
কাজি মাহীন এর ছবি
 

তনু বোরখা বা হিজাবপরা মেয়ে আমরা ছবিতে দেখেছি, কিন্তু হিজাব ছাড়া হলেই কী ধর্ষন জায়েজ হয়ে যেত। পোশাকের সাথে ধর্ষনকে জড়ানোটাই একটা নোংরামো

alomgir kobir kumkum

 
লালসালু এর ছবি
 

আমি ফোনে টাইপ করি যার কারনে, ছবি এড করতে পারছিলাম না কাজী মাহিন

 
লালসালু এর ছবি
 

যারা ধর্ষণের জন্য পোষাক দায়ী করে তাহলে ধর্ষকের আগে ধর্ষকের এই মদগদাতা গুলারে শাস্তি দেওয়া জরুরী "লিঙ্গ এমন ভাবে কর্তন করা হোক, যাতে লিঙ্গ দাড়ায় মাগার কাজ করবে না যন্ত্রণা দিবে"।
কথায় আছে না, বৃষ বৃক্ষের আগাছা পরিষ্কার নয়, উপড়ে ফেলতে হয়।

 
rasal.hasan.lia@gmail.com এর ছবি
 

৪/৫ বছরেরে শিশুদের ক্ষেত্রও কি তাদের পোশাক দায়ী!!!!! -
কতকাল অার জানোয়ারদের সুশিক্ষিত করার ব্যর্থ চেষ্টা চলবে, তার থেকে বরং নিরাপদ দূরত্ব অথবা মানবকূলের জানোয়ার নিধনই করাই শ্রেয়

 
রাসেল হাসান লিয়া এর ছবি
 

৪/৫ বছরেরে শিশুদের ক্ষেত্রও কি তাদের পোশাক দায়ী!!!!
কতকাল অার জানোয়ারদের সুশিক্ষিত করার ব্যর্থ চেষ্টা চলবে, তার থেকে বরং নিরাপদ দূরত্ব অথবা মানবকূলের জানোয়ার নিধনই করাই শ্রেয়

 
কাঠমোল্লা এর ছবি
 

মাঝে মাঝে শোনা যায় কিছু মানুষ গরু ছাগল ভেড়া ইত্যাদি ধর্ষন করে। এক্ষেত্রে কি এখন গরু ছাগল ভেড়াকে বোরখা পরাতে হবে ?

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

লালসালু
লালসালু এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 17 min ago
Joined: বৃহস্পতিবার, মার্চ 15, 2018 - 5:54অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর