নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • প্রত্যয় প্রকাশ
  • কাঙালী ফকির চাষী
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

পাহড়ে শান্তি স্থাপনের নাম করে কারা অশান্তি সৃষ্টি করে যাচ্ছে ।



এদেশের গর্বিত সেনাবাহিনীদের অপর নাম জলপাই রঙের রাষ্ট্রীয় ধর্ষক এবং কালো চকচকে বুটধারী সন্ত্রাসী। এখন প্রশ্ন হতে পারে, কয়েকজন সেনাবাহিনী ধর্ষণ করেছে ,এর দায় কি সমগ্র সেনাবাহিনীদের ওপরে চেপে দেওয়া যায় ?
-হ্যাঁ, যায়।এর দায় বাংলাদেশের সেনাবাহিনী প্রতিষ্ঠানের নিতে হবে ।কারণ, সেনা সদস্যরা যখন তনু'কে ক্যান্টনমেন্টের ভিতরে ধর্ষণ করলো,দোষী সেনা সদস্যদের বিচার করেন নি এই প্রতিষ্ঠানটি,বরং অপরাধীদের রক্ষা করতে এগিয়ে এসেছে সেনা প্রতিষ্ঠানটি,যা এখনও তনু'র হত্যার বিচার পায় নি আমরা। একজন ধর্ষককে বাঁচাতে যখন কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ধর্ষকের হয়ে লড়বে সেও একজন ধর্ষক।

এরপর রাঙামাটির বিলাইছড়িতে আদিবাসী দুই মারমা বোনকে ধর্ষণ ও যৌননিপীড়ন করল সেনা সদস্যরা,এবারও ধর্ষক সেনা সদস্যদের রক্ষা করতে ভূমিকা নিল সেনা প্রতিষ্ঠানটি। অপরাধীদের ধরিয়ে না দিয়ে অপরাধীদের রক্ষা করতে নতুন নতুন নাটক নিয়ে হাজির হল প্রতিষ্ঠানটি। রাঙ্গামাটি সদর সরকারি হাসপাতাল থেকে জোর করে তুলে নিয়ে গেল দুই মারমা বোনকে। এগয়ে আসা ভলান্টিয়ারদের মারধর করা হল। চাকমা রানী ইয়েন ইয়েনের ওপর নির্যাতন করল রাষ্ট্রীয় গুণ্ডারা, রানীর ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদে বেকায়দায় পড়ে গেল সেনাবাহিনীরা ,ওদের মুখোশ উন্মোচন হতে লাগল। তারপর ,সেনাবাহিনীরা ভাড়া করল মজুমদার নামক অনলাইন ধর্ষকদের, এই অনলাইন ধর্ষক কোথাকার লন্ডনে বসে পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক সমস্যাগুলো নিয়ে একের পর এক বমি করতে লাগল।

আওয়ামী লীগ দালালদের সাথে ফোনে কথাবার্তা ব'লে রায় দিয়ে দিল সেনাবাহিনীরা সম্পূর্ণ নির্দোষ, যত্তসব পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের কারসাজি! সুদূর লন্ডনে বসে রায় দিয়ে দিলেন দুই মারমা বোনের ওপর কোন ধর্ষনের ঘটনা ঘটেনি, সম্পুর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট,এদেশের জাতীয় বীরদের ভাবমুর্তি নষ্ট করার জন্য পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের সাজানো নাটক । লন্ডনে বসে সেনাবাহিনীদের হয়ে ওকালতি করতে লাগল ভাড়াটে ধর্ষক নিঝুম মজুমদার।
সেনাবাহিনীদের উচিৎ ছিল এতো নাটক না সাজিয়ে,ধর্ষক সেনা সদস্য বা সদস্যদের আইনের হাতে তুলে দেয়া, এবং সেনাবাহিনীর প্রতিষ্ঠানকে ক্লিন রাখা যেকোন অপরাধের কর্ম থেকে। তা না করে, সেনাবাহিনীরা প্রতিষ্ঠানকে কলঙ্কিত এবং প্রশ্নবিদ্ধ করেছে ।

এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে আরেকটি ঘটনার জন্ম দিল জাতীয় বীররা, এবারে দাবার গতি বানাল সদ্য গঠিত নব্য মুখোশ বাহিনী, ইউপিডিএফ থেকে বাহির হয়ে যাওয়া রাষ্ট্রের পেটোয়া বাহিনী নতুন রাজনৈতিক দলকে। যদিও এই দলটিকে কোনোভাবে রাজনৈতিক দল ভাবা যায় না। এদলের নীতি আদর্শ রাজনৈতিক দলের পর্যায়ে পরে না।সেনাবাহিনীদের সহযোগিতায় দিন দুপুরে অপহরণ করা হল ইউপিডিএফের 'হিল উইমেন্স ফেডারেশনে'র' দুই নেত্রী,মন্টি চাকমা এবং দয়া সোনা চাকমাকে।এই দুই নেত্রীর জন্য এখন ১০ লক্ষ টাকার মুক্তিপণ দাবী করছে নব্য সৃষ্ট এই রাজনৈতিক দল। না, এরা মোটেই রাজনৈতিক দল নয়, বরং বলতে দ্বিধা নেই এরা হচ্ছে সন্ত্রাসী দল। একটি রাজনৈতিক দলের আদর্শ কাউকে অপহরণ করে নিয়ে মুক্তিপণ দাবী করা নয়, এসমস্ত কাজগুলো সন্ত্রাসী দলের, রাজনৈতিক দলের কাজ নয়।

পাহাড়ে সেনাবাহিনী প্রতিষ্ঠানটি সন্ত্রাসী দলে পরিণত হয়েছে, এই প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা প্রথমে রোমেল চাকমাকে সন্ত্রাসীদের কায়দায় মেরে ফেলেছে,ঠিক যেভাবে সন্ত্রাসীরা কাউকে হত্যা করে।একটি গনতান্ত্রিক দেশে চরম আইনের লংঘন করেছে সেনাবাহিনীরা , এরকম করে কাউকে হত্যা করতে পারে না কোন প্রশাসনের বাহিনী। কোন জবাবদিহি দিতে হয়নি সেনাবাহিনীদের , এটাকে ব'লে রাষ্ট্রীয় গুণ্ডামি একটি জনগোষ্টীর ওপর। এরপর পাহাড়ে নতুন একটি দল তৈরি করে দিল,শুরুতেই এই দলটাকে দিয়ে ' মিথুন চাকমা'কে হত্যা করল। সম্প্রতি অপহরণ করল দুই নারী নেত্রীকে। এসবকিছুর কলকাঠি নাড়াচ্ছে সেনাবাহিনীরা।

এক কল্পনা চাকমাকে অপহরণ করে সেনাবাহিনীরা যে দুর্নাম নিয়ে বয়ে বেড়াচ্ছে,এই দুর্নামের দাগ সহজে মুছে ফেলতে পারবে না। লেফটেনেন্ট ফেরদৌসের নেতৃত্বে পোষাকধারী সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যায় কল্পনা চাকমাকে, আজ দীর্ঘ ২১-২২ বছরেও পাহাড়িদের কাছে কোন জবাবদিহিতা দিতে পারেন নি সরকারের পক্ষ থেকে।পাহড়িরা এখনও খোঁজে বেড়ায় তাঁদের হারিয়ে যাওয়া বোনকে, প্রতিবছর মিছিল সমাবেশ করে তাঁদের হারিয়ে যাওয়া বোনের খবর নেয়ার জন্য। সরকারের কাছে প্রশ্ন করে, আমার বোন কল্পনা চাকমা কোথায়! এরি মধ্য লেফটেনেন্ট ফেরদৌসকে পদন্নোতি দেয়া হয়েছে, কিন্তু কল্পনা চাকমার অপহরণের মামলার বিচার হয় উঠেনি।

পার্বত্য চট্টগ্রামে অতিরিক্ত সেনা মোতায়নের বিষয়ে প্রশ্ন উঠলে, সরকারের পক্ষ থেকে দাবী করা হয় পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিবেশ অশান্তিতে রয়েছে,অস্ত্র-বারুদের ঝনঝনানিতে ভরে উঠেছে পাহাড় । পাহাড়ে তথা দেশের শান্তির বজায় রাখতে সেনাবাহিনীর প্রয়োজন পার্বত্য চট্টগ্রামে। কিন্তু এই যে, পাহাড়ে সন্ত্রাসী দমন নাম করে ধর্ষণ,অপহরণ,গুণ্ডামি কারা করছে ? ধর্ষণ, অপহরণের অভিযোগ কেন সেনাবাহিনীদের দিকে আঙুল তোলা হয় ?
পাহড়ে শান্তি স্থাপনের নাম করে কারা অশান্তি সৃষ্টি করে যাচ্ছে , কাদের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছে সেনাবাহিনীরা,কাদেরকে দিয়ে কাদেরকে ঠেকাতে চাচ্ছে?
সেনাবাহিনীরা কি চায় পার্বত্য চট্টগ্রাম আবার আগের মতন হয়ে উঠুক, পাহাড়িরা আর কতো সহনশীলতার পরিচয় দিবে !

বিভাগ: 

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

বিশ্ব চাকমা
বিশ্ব চাকমা এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 1 দিন ago
Joined: বুধবার, নভেম্বর 1, 2017 - 6:24অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর