নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • দ্বিতীয়নাম
  • বেহুলার ভেলা
  • অাব্দুল ফাত্তাহ

নতুন যাত্রী

  • সুশান্ত কুমার
  • আলমামুন শাওন
  • সমুদ্র শাঁচি
  • অরুপ কুমার দেবনাথ
  • তাপস ভৌমিক
  • ইউসুফ শেখ
  • আনোয়ার আলী
  • সৌগত চর্বাক
  • সৌগত চার্বাক
  • মোঃ আব্দুল বারিক

আপনি এখানে

প্যাসকেল বাজি এবং আমার অবিশ্বাস


ফরাসি গণিত শাস্ত্রবিদ এবং পদার্থবিদ প্যাসকেলের ঈশ্বরের উপর বিশ্বাস সংক্রান্ত ডিসিশন মেট্রিক্সটার সাথে কম বেশী সবাই পরিচিত। যদি কেউ প্রথম দেখে থাকেন একবার দেখলেই বুঝতে পারবেন হবে কি বোঝানো হচ্ছে।

“যদি আপনি বিশ্বাস রাখেন এবং মৃত্যুর পরে ঈশ্বরকে দেখতে পান বেহেস্তের যাবেন আর যদি না পান কোন লস নাই। যদি বিশ্বাস না রাখেন এবং ঈশ্বর থেকে থাকে তাহলে বিপদ আছে না থাকলে তো লস নাই। ইংরেজিতে এটাকে বলা হয় প্যাস্কেল ওয়েজার বা প্যাসকেলের বাজি
প্রথমত বুঝতে হবে এটা কোন ঈশ্বরের অস্তিত্বের প্রমাণ নয়, এটা কেবলমাত্র ঈশ্বরে উপর অন্ধ বিশ্বাস করার এক ধরনের যৌক্তিকতা দাঁড় করানোর প্রক্রিয়া।

আমি সম্ভাবনা তত্ত্বের কোনো জটিল শব্দাবলী ব্যবহার না করে বিষয়টা বিশ্লেষণ করবো। কিন্তু তার আগে আমার একটা পুরাতন লেখা পড়তে অনুরোধ করবো। মূল আলোচনায় যাবার আগে আমার পুরাতন লেখার কপি পেস্ট করছি -

আসলে কত কিছুই হতে পারে, আমি শুধু কয়েকটা সম্ভাবনার কথা বলি।

১.ঈশ্বর আছে, কিন্তু পরকাল নেই।

২.পরকাল আছে, কিন্তু ঈশ্বর নেই।

৩.পরকাল আছে, ঈশ্বর আছে, কিন্তু যারা ভাঁওতাবাজি ছাড়া যৌক্তিক মুক্তচিন্তা করতে সক্ষম, তারাই পুরস্কৃত হবে।

৪.ঈশ্বর আছে, কিন্তু সে কোনো ঈশ্বরীর প্রেমে পড়ে তার সৃষ্টির কথা ভুলে গেছে।

৫.ঈশ্বর আছে, পরকাল আছে, কিন্তু কোনো হিসাব নিকাশ নেই।

৬.ঈশ্বর আছে, কিন্তু সে তার বিশাল মহাবিশ্ব তৈরি করতে করতে কোন গ্যালাক্সির কোন সৌরজগতের কোন গ্রহের কোন স্তন্যপায়ী প্রাণীর যৌনকর্মের কথা নজরদারি করতে হবে, ভুলে গেছে।

৭.ঈশ্বর ছিলো, কিন্তু অন্য ঈশ্বর বা শয়তানের সাথে মারামারিতে সে মরে গেছে।

৮.ঈশ্বর আছে, কিন্তু সে আউটসোর্সিং-এর মাধ্যমে কোনো তৃতীয় ঈশ্বরের দ্বারা আমাদের সৃষ্টি করেছে, যে কোনো আফটার সেলস সার্ভিস দেয় না এবং আমাদের ব্যাপারে কেয়ার করে না।

৯.হয়তো কোনো সমান্তরাল মহাবিশ্বের কোনো এক বদের হাড্ডি বিজ্ঞানী জটিল কোনো টানেল খুঁড়ে খুঁড়ে মধ্যযুগে কিছু মানুষের মাথায় মারামারি কাটাকাটির বাহানা হিসাবে ধর্মের বীজ বপন করে দিয়েছিল।

১০.ঈশ্বর নেই, পরকালও নেই।

আসলে আমরা যারা মুসলিম পরিবারে / সমাজে জন্ম হয়েছি শিশুকাল থেকে মসজিদে মক্তবে গিয়েছি, সারাদিন চারদিকে “আল্লাহ মহান” বলে আজান শুনেছি, নামাজ পড়েছি, আমাদের ভিতর আমাদের অযৌক্তিক বিশ্বাসের বিশাল আস্তরণ তৈরী করেছি - আমাদের ইসলাম ধর্মের প্রতি বিশ্বাস প্রবণতা থাকবে তাই স্বাভাবিক। মানুষ যে সমাজে বেড়ে উঠে তাঁর দ্বারা প্রভাবিত হয়। আমি আমার একটা পুরাতন লেখায় ঝাল শুঁটকির ভর্তা দিয়ে ভাত খাওয়া ভাল লাগার সাথে তুলনা করেছিলাম । আমাদের মগজ শিশুকাল থেকে ট্রেনিং পেতে পেতে অভ্যস্ত হতে হতে একসময় শুঁটকি মাছের মতো ঝাল / দুর্গন্ধ যুক্ত খাবারকেও ভাল লাগতে শিখে। যদিও অনেক ইউরোপিয়ান হয়তো তা খেলে বমি করে দিবে। কিংবা আমার মুখে শুকরের মাংস উঠলে (নাস্তিক হওয়া সত্ত্বেও) বমি আমার হতে পারে অন্যদিকে যারা তা খেয়ে বড় হয়েছে তাদের কাছে তাকেই টেস্টি মনে হতে পারে। মানুষের ধর্মের প্রতি ভাল লাগা বা আস্থাটাও এই রকম । মানুষ যারা ইউরোপে জন্মায় খ্রিস্টান হয় আর ভারতে জন্মালে হয় খুব সম্ভবত হিন্দু।

এখন আসুন অন্যদিক থেকে ভেবে দেখি কি কি ভিত্তিহীন বিষয়ের উপর ধর্ম বিশ্বাস টিকে থাকে। বিষয় গুলোকে অলিখিত ভাবেই সত্য বলে কল্পনা করা হয়েছে , এর সব গুলো সত্যি হলেই একমাত্র এই ধরনের প্যাসকেল ওয়েজারের মতো যুক্তি প্রদর্শন কিছুটা গ্রহণযোগ্য হতে পারে

১. শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হবার মত আত্মা বলে কোন কিছুর অস্তিত্ব থাকা

২. পরকাল বলে কোন কিছু থাকা যখন মরে পচে নষ্ট হওয়া দেহটা জোড়া লাগবে

৩. সৃষ্টিকর্তা বলতে এমন কিছু থাকা যে কিনা আপনা আপনি আছেন বা যাকে কেউ সৃষ্টি করেনি বা অনন্তকাল অস্তিত্বমান জটিল কোনো প্রাণী। আমরা নিজেদের এবং মহাবিশ্ব কে এতই জটিল কিছু মনে করছি যা কুল কিনারা করতে না পেরে এই এইরকম সৃষ্টিকর্তা কল্পনা করে নিচ্ছি যে কি না বলা বাহুল্য এর চেয়েও বেশী জটিল কিছু- (আর তাই সাথে সাথে আমাদের বলা হয়েছে তার সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা যাবেনা।) যদি সৃষ্টি কে আমাদের জটিল মনে হয় সৃষ্টিকর্তাকে আরো বেশি জটিল মনে করতেই হবে। আর তাই এটা সমস্যার সমাধান না বরং নিজেকে ভুল বোঝানো । আমরা যদি সৃষ্টি কর্তাকে অনন্তকালব্যাপী ভাবতে পারি তাহলে মহাবিশ্বকে অনন্তকালব্যাপী কেন ভাবতে পারবো না । কারণ যদি বলেন- বিগ ব্যাং থিউরি - তাহলে মনোযোগ দিয়ে থিওরিটা পড়ে দেখলেই হয় এতে কোথাও কোনো ঈশ্বর খুঁজে পান কি না। সেই সাথে দেখেনিন অন্যদিকে যে প্রমাণাদির ভিত্তিতে প্রাণিজগতের বর্তমান অবস্থানের বিশ্লেষণে সুদীর্ঘ মহাকালের ধীর ক্রমবর্ধমান বিবর্তনের ব্যাখ্যা পাই তা জানার পরে লৌহ যুগের যুদ্ধবাজ আরব বণিকের কাব্যগ্রন্থের বেহেস্থের বাগানে গন্ধম ফল খাবার কাহিনী আদৌকি আপনার আগ্রহ উদ্রেক করবে?

৪. সৃষ্টিকর্তা থেকে থাকেলও কি তিনি আমাদের অস্তিত্ব নিয়ে আদৌ অবগত আছেন, আদৌ কি আমাদের ভালো মন্দ নিয়ে কেয়ার করেন? (যেমন এমনটা হতে পারে মহাবিশ্বের সৃষ্টি করত জানেনও না যে আমাদের অস্তিত্ব আছে আমরা কি করছি না করছি এযাবৎকালের আবিষ্কৃত মহাবিশ্বের তুলনায় ও আমরা অতি ক্ষুদ্র এ সম্পর্কে আমার একটা পোস্ট আছে শফি হুজুকে এই গল্পের হিরো বানিয়ে দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেলের একটা লেখা অনুকরণে লেখা যদি চান পড়তে পারেন ঐ লেখাটার মূলকথা মহাবিশ্ব এতো বিশাল যদি ঈশ্বর থেকেও থাকেন তিনি মানুষের মতো ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রজাতির (বিশেষ করে যৌন) কাজকর্ম সমূহের দিকে নজরদারি করে সময় নষ্ট করবেন না। হয়ত জানবেনই না যে আমরা আছি।

৫. সৃষ্টিকর্তা তার নিজের অস্তিত্ব সম্পর্কে এবং আমাদের কার কি করণীয় তা সম্পর্কে নির্দিষ্ট একজন ব্যক্তির (নবী/রাসুল) কানে কানে ঐশ্বরিক বাণী শুনিয়ে থাকেন। আসলে যদি ঈশ্বরের কোন যদি কোন কিছু বলার থাকতো সরাসরি সবাইকে বলতে পারতেন ( কেউ যদি নিজের কানে কানে ঐশ্বরিক বাণী শুনতে পায় তার জন্য বর্তমানকালে মানসিকহাসপাতালে বিশেষ চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে, আদিম কালের যা ছিল না। আদিম কালে মানুষ ছিল ভীতির উপরে কারণ মেঘ বৃষ্টি কেন হয় তা জানতোনা, ঝড় ভূমিকম্প কি কারণে হয় বুঝতোনা। আর তাই ঈশ্বরের অস্তিত্ব কল্পনা করে নিজের অজ্ঞতার শূন্যস্থান পূরণ করতো। )

৬. এখানে আরো মনে করতে হবে নৃবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা কৃত এই জাতীয় ধর্মসৃষ্টির এবং বিস্তার সংক্রান্ত যে বিজ্ঞানসম্মত এবং যৌক্তিক তথ্যাদি বই পড়ে বিজ্ঞানের আলোচনা শুনে জানতে পারি তারা সবাই ভুল ধরে নিতে হবে যদিও তাদের উপর্যুপরি যৌক্তিক প্রমাণাদির ভিত্তি রয়েছে- যা ধর্মের নেই।

৮. নবী মুহাম্মদ সত্যিকারের নবী এবং শেষ নবী যদিও কোরআন-হাদিসে অজস্র ভুল ত্রুটি বিজ্ঞানীক দৃষ্টিকোণ থেকে অগ্রহণযোগ্য বিষয়বস্তু রয়ে গেছে নবীজি রোগ বিস্তারের পেছনে জীবাণুর কারসাজি আছে জানতেন না ডাইনোসরের অস্তিত্ব সম্পর্কে কিছু বলে যাননি আমেরিকা মহাদেশ কোথায় কিংবা পৃথিবী গোলাকার তার সম্পর্কে ইসলামের কোন ব্যাখ্যা নাই যদিও জাকিরনায়েক অর্থ বিকৃত করে গায়ের জোরে পৃথিবীকে উট পাখির ডিম বানিয়েছেন বিষয়টা আপনি আমি সবাই বুঝি যে পুরোপুরি হাস্যকর এবং নিতান্ত নিরুপায় হয়েই উনাকে এভাবে ভন্ডামী করতে হয়েছে। বলা বাহুল্য বর্তমানকলের ক্লাস ফাইভে পড়া দশ বছরের শিশু যে কোনো আগের দিনের নবী রাসূল থেকে অনেক কিছুই সঠিক জানে।

৯. এখন বেহেশতে যাবার জন্য আপনাকে শুধু মুসলমান হলেই চলবেনা- সহি মুসলমান হইতে হবে শেষ জামানায় নাকি ৭২ কাতার হবে কিন্তু এখন একটু ভেবে দেখুন কত ধরনের ইসলামের বিকৃতি, ভাগাভাগি এদের সবাই আপনি যেমন আপনার ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ কে সত্য মনে করেন তারাও তাদের (শিয়া সুন্নি ওহাবি সবাই) নিজনিজ ধর্মীয দৃষ্টিভঙ্গিকে সত্য মনে করে .- একই রকম ধারণা আছে খ্রিস্টানদের মাঝেও ওদের প্রতিটা দলই এবং বেহেশত যাবার জন্য নিজেকে সঠিক এবং অন্যদের নরকগামী মনে করে।

আমার একটা পুরাতন লেখার আবার কপি পেস্ট

একটা গন্ধমের লাগিয়া
আল্লায় বানাইল দুনিয়া
আদম খাইল আর হাওয়ায় খাইল
ইবলিশ শয়তান তার আশা ফুরাইল

তারপর সর্বশক্তিমান বিপথগামী মানুষদের সঠিক পথে আনার জন্য ১২৪০০০ নবী-রাসুল পাঠাইছেন। শুধু তাই নয়, তিনি পাঠিয়েছেন সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও রাসুল মহাম্মাদ (সাঃ)-কে। সর্বজ্ঞানী এবং অসীম দয়ালু আল্লাহ তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি স্তন্যপায়ী মানুষ প্রজাতিকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাতে চেষ্টার ত্রুটি করেননি।

আসুন, আমরা হিসাব করে দেখতে পারি, তিনি কত শতাংশ সাফল্য অর্জন করেছেন। অতীতকালে এই ধরনের তথ্য সংগ্রহ অসম্ভব ছিল। আমরা জানি, পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ২৩% (যদিও তেত্তিরিশ পাইলে পাশ) মুছলিম। সর্বজ্ঞানী অসীম দয়ালু আল্লাহ এখনো অধিকাংশ ৬৭ % মানুষদের বিধর্মীদের ঘরে নরকের জ্বালানি হইবার জন্য জন্ম দিয়া যাইতেছেন। আর যারা ২৩% এর মধ্যে পড়ে, তাদের ভিত্রেও শিয়া, সুন্নি, আহমদিয়া ইত্যাদি একে অন্যকে ভুল বলে। অসীম দয়ালু সর্বজ্ঞানী সর্বশক্তিমান কেউ থাকলে আসলে কি এমন হতে পারত?

ধর্ম আর ধর্মের উপদল গুলোকে ভাগ করলে দেখা যাবে প্যাসকেল ওয়েজার এই রকম দেখাচ্ছে।
যদিও প্যাসকেলের খৃস্ট ধর্ম ভিত্তিক চিন্তা শুধুমাত্র উপরের বামকোনার লাল দাগের ভিতরকার ক্ষুদ্র অংশে সীমাবদ্ধ ছিল।

শুরুতেই বলেছিলাম এইটা ঈশ্বরের অস্তিত্বের প্রমান নয় শুধু মাত্র ঈশ্বরের বিশ্বাস রাখার বাহানা। আর যদি তাই হয় আপনাকে একই সাথে বুঝতে হবে এই ধরণের অন্ধ বিশ্বাস সমাজে প্রশ্রয় পেতে থাকলে পরিণতি কোন দিকে গড়াতে পারে।

একদম নরকে না পুড়ে সরাসরি বেহেস্তে যাবার আশায় কোথাও না কোথাও আত্মঘাতী বোমা হামলা চালাতে থাকবে -জিহাদি আক্রমণের নামে / অজুহাতে ।
ধর্মে নামে একে অন্যকে ঘৃণা চলতে থাকবে। যেমন আমাদের ইসলাম ধর্মে নাস্তিক এবং সব বিধর্মীদের নিকৃষ্ট তম প্রাণী (যে কোনো পশুদের থেকে অধম) হিসেবে কোরান শরীফে বলা আছে। আর যদি তাই হয়- মানুষ যেহেতু পশু কোরবানি দিতে পারে আর বিধর্মী কাফের নাস্তিক জবাই দেয়া কোনো ব্যাপার ই না ভেবে বসবে।
শরিয়া আইনের নাম পাথর ছুড়ে মানুষ হত্যা চলবে
চুরির অপরাধে লৌহযুগের হাত কাটার আইন চালু হবে।

আসুন মগজ ব্যবহার করি সুন্দর পৃথিবী গড়ি

Richard Carrier তার The End of Pascal's Wager: Only Nontheists Go to Heaven বইতে বলেন

"Suppose there is a god who is watching us and choosing which souls of the deceased to bring to heaven, and this god really does want only the morally good to populate heaven. He will probably select from only those who made a significant and responsible effort to discover the truth. . .Therefore, only such people can be sufficiently moral and trustworthy to deserve a place in heaven — unless God wishes to fill heaven with the morally lazy, irresponsible, or untrustworthy."

অবশেষে বলবো যদি এই মহাবিশ্ব নিজে নিজে সৃষ্টি হয়েছে তা অনুধাবন করতে আপনার সমস্যা হয় তাহলে আপনি কোনো মঙ্গলকামী ঈশ্বর কল্পনা করে নিতেই পারেন ভাল প্রতিদানের আশা হয়তো করতে পারেন- ভাল মানুষের জীবন যাপন করতে পারেন। তবে কোনো সংগঠিত ধর্মে অন্ধ আনুগত্য করার কোনো যৌক্তিকতা আপনি পাবেন না।

https://www.facebook.com/noromponthir/

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

নরমপন্থী
নরমপন্থী এর ছবি
Offline
Last seen: 1 month 1 দিন ago
Joined: সোমবার, আগস্ট 14, 2017 - 7:28পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর