নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • দ্বিতীয়নাম
  • বেহুলার ভেলা
  • অাব্দুল ফাত্তাহ

নতুন যাত্রী

  • সুশান্ত কুমার
  • আলমামুন শাওন
  • সমুদ্র শাঁচি
  • অরুপ কুমার দেবনাথ
  • তাপস ভৌমিক
  • ইউসুফ শেখ
  • আনোয়ার আলী
  • সৌগত চর্বাক
  • সৌগত চার্বাক
  • মোঃ আব্দুল বারিক

আপনি এখানে

শিক্ষাব্যবস্থার চরম অবনতি; এর দায় কার !


মানুষের প্রতিটি পেশা মহৎ হয়ে উঠে যখন সে পেশাকে সততাভাবে পালন করে থাকে। অসততাভাবে পালন করলে মহৎ পেশাও খারাপ পেশায় পরিণত হয়। হাজারো পেশার মধ্য একটি পেশা বিশ্বজনীনভাবে স্বীকৃত মহৎ পেশা হিসেবে,পেশাটি হচ্ছে- শিক্ষকতা। সময়ের স্রোতে এই পেশাকেও ব্যবসায়িক পেশায় রূপ দেয়া হয়েছে।শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড, এই ভাবসম্প্রসারণটি কতবার যে পড়তে এবং লিখতে হয়েছে আমাদের স্কুলের জীবনে তা প্রতিটি ছাত্রছাত্রীরা জানে।

শিক্ষা যে জাতির মেরুদণ্ড তা আমরা বেশিরভাগ ছাত্রছাত্রীরা পড়ার অবস্থায় বুঝতে পারিনা,কারণ সেসময় আমরা বুঝি শুধু নাম্বার , পরীক্ষায় খাতা লিখে দিয় শুধু নাম্বারের জন্য,অথবা পড়তে হয় শিক্ষকের কাছ থেকে শাস্তি না পাওয়ার জন্য। এই কথাটির সারমর্ম বুঝতে পারি তখনি, যখন আমরা পরিণত বয়সে পরিণত হয়,যখন আমাদের শিক্ষার গুনের প্রতি বোধশক্তি জাগ্রত হয়।পৃথিবীজুড়ে শিক্ষকদের বলা হয় "বিল্ডারস অফ ন্যাশন" ,তাই শিক্ষকতার পেশা হচ্ছে সর্বোচ্চ সম্মানী পেশা। যুক্তরাষ্ট্রে ,শিক্ষকদের ভিআইপি মর্যাদা দেয়া হয়। ফ্রান্সে, আদালতে কেবল শিক্ষকদের চেয়ারে বসতে দেয়া হয়। জাপানে, সরকারের বিশেষ অনুমতি ছাড়া শিক্ষকদের গ্রেপ্তার করা যায় না। চীনে, সবচেয়ে মর্যাদাপুর্ণ পদ শিক্ষকতা। দক্ষিণ কোরিয়ায় ,শিক্ষকরা মন্ত্রীদের সমান সুযোগ পান।

আমাদের দেশে শিক্ষকদের কানে ধরে উঠবস করানো হয়, মারপিট করানো হয় । এমন কেউ শিক্ষক আছে তার ছাত্রদের কাছ থেকে মারও খেতে হয়েছে। ছাত্রছাত্রী অভিবাবকদের কাছ থেকে লাঞ্ছিত হতে হয়েছে। এই তো কয়েক বছর হলো ডঃ হুমায়ুদ আজাদ স্যারকে হত্যা করল এদেশের ধর্মীয় মৌলবাদীরা,ডঃ মুহাম্মদ জাফর ইকবাল স্যারের ওপর হামলা হল সম্প্রতি। যাদেরকে একটি জাতির,দেশের মেরুদণ্ড ভাবা হয় তাদেরকে হত্যা করার চেষ্টা করি, তাদেরকে আমরা প্রতি পদে পদে অপদুস্থ করি, অল্প বেতনের চাকর বলে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করি। শিক্ষকতার পেশার নাম শুনলে নাক ছিটকায়। শিক্ষকদের প্রতি এরকম বৈরিতা আচরণ আমাদের সমাজে এবং দেশে একটা ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আবার দুনিয়াজুড়ে যে পেশাকে সর্বোচ্চ সম্মানি পেশা বলা হয়, যে শিক্ষকদের "বিল্ডার্স অফ ন্যাশন" বলা হয়,আমাদের দেশে সেই পেশাজীবিরা সম্মানি পেশাটাকে অসম্মান পেশায় পরিণত করেছে । যাদের কাজ মানুষ গড়ার দায়িত্ব তারাই আজ মানুষ গড়ার দায়িত্ব ভুলে গিয়ে জড়িয়ে পড়েছে নোংরা রাজনীতিতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের উঠাবসা ঘুন্ডা ক্যাডারদের সাথে, মন্ত্রী আমলাদের সাথে।স্কুল কলেজের শিক্ষকেরা শিক্ষাকে বানাচ্ছে ব্যবসার পুঁজি। মন্ত্রী আমলারা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে। জিপিএ ৫,গোল্ডেন প্লাস গ্রেডিং সিস্টেমের ফাঁদ দিয়ে এদেশের ছাত্রাছাত্রীদেরকে মেধাশুন্য করা হচ্ছে। ছাত্রছাত্রীরা নিজের প্রতিভাগুলোকে বিকশিত করতে পারছে না গ্রেডিং সিস্টেমের ফাঁদে পরে। জন্মের পর একজন মানুষ বিভিন্ন প্রতিভায় প্রতিভাবান হয়, কেউ নাচে,কেউ গানে, কেউ খেলাধুলায়, কেউ পড়াশুনায় ,কিন্তু আমাদের বাচ্চাদের শুধু একটি বিষয়ে পড়াশুনায় অমানসিক যন্ত্রণার চাপ দেয়া হয়। প্রথম শ্রেণি থেকে বাচ্চাদের শিক্ষক এবং অভিবাবকরা শিখিয়ে থাকে প্রতিযোগিতা। পরীক্ষায় প্রথম হতে হবে ,এই পরীক্ষায় প্রথম হতে গিয়ে বাচ্চাদের ধ্যান দিতে হয় শুধুমাত্র পড়াশুনায় , পড়াশুনার চাপে নীরবে হারিয়ে যাচ্ছে বাচ্চাটার অন্যান্য প্রতিভাগুলো।অন্যান্য প্রতিভাগুলো মেলে ধরার সুযোগও থাকে না।

বিদ্যালয়ের পড়াশুনা শুরু হয় প্লে,নার্সারি লেভেল থেকে। এই লেভেলে বাচ্চারা স্কুলে গিয়ে হেসেখেলে মন যা ইচ্ছে করে সেগুলো করবে ,থাকবে না কোন পড়াশুনার চাপ, না কোন পরীক্ষার রেজাল্টের ভয়।কিন্তু আমাদের এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা সেই লেভেলেও বাচ্চাদের পরীক্ষার ফলাফলের ভয় শেখানো হয়, অন্ধ দৌড় প্রতিযোগিতায় নামিয়ে দেওয়া হয়, অথচ বাচ্চারা জানেই না পরীক্ষা কি জিনিস, আর প্রতিযোগিতায় বা কি জিনিস! এত রুট লেভেল থেকে পরীক্ষার পর পরীক্ষা নিয়ে যাচাই বাঁচাই করে ছাত্রছাত্রীদের গড়ে তোলা হয়, কিন্তু কই বিশ্বের অন্যান্য দেশের ছাত্রছাত্রীদের সাথে প্রতিযোগিতায় ঠিকতে পারছে? সবার তলানিতে চলে আছে এদেশের নামটা। জাপান,আমেরিকা,বিভিন্ন উন্নত দেশে কখনো বাচ্চাদের পরীক্ষায় প্রতিযোগিতার দৌড় শেখানো হয় না ,কিন্তু তবুও তো তারা আমাদের চেয়ে হাজার গুন এগিয়ে। এতো কিছুর পরও কি মনে প্রশ্ন জাগে না যে, আমাদের শিক্ষার ব্যবস্থার মাঝে কোথায় যেন ভুল আছে ?

উন্নত বিশ্বের শিক্ষার ব্যবস্থার কথা নাই বা তুললাম, আমাদের পাশের দেশ ভারত। বর্তমানে ভারতেও ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত কোন পরীক্ষায় পাশ ফেলের হিসাব হবে না। স্কুলে যাবেন, পরীক্ষা দিবেন । পরীক্ষায় পাশ করো বা না করো পড়াশুনা চালিয়ে যাবেন ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত। সেখানে আমাদের দেশে ৫ম শ্রেণি হয়তে বোর্ড পরীক্ষা লাগিয়ে দেয়া হয়েছে। ৫ম,৮ম,১০ম বোর্ড পরীক্ষা, একজন ছাত্রকে শুধুমাত্র ১০ম শ্রেণী অতিক্রম করতে দিয়ে আসতে হয় ২-৩ টা বোর্ড পরীক্ষা। তারপরে শিক্ষার ক্ষেত্রে সবার তলানিতে আমরা। আপনারা জানেন,এই পরীক্ষার ফলফলের ভার সইতে না পেরে বছরে কতো ছাত্রছাত্রী পড়াশুনার বিমুখী হয়ে ঝরে পরে যাচ্ছে। ভারতে ৮ম শ্রেণী আগ পর্যন্ত কোন বোর্ড পরীক্ষা বা পাশ ফেলের হিসাব হয় না, কিন্তু তারপরেও বর্তমানে নাসার প্রায় ৩৬ % কর্মী ভারতীয় , আমেরিকার বিজ্ঞানীদের মধ্য প্রায় ১২% ভারতীয় , ডাক্তারিতে ৩৮% ,মাইক্রোসপ্টে ৩৪% , আইবিএম-এ ২৮%, ইন্টেল-এ ১৭ %, জেরক্স -এ ১৩ % ! সারাবিশ্বে সপ্তওয়্যার রপ্তানিতে ভারতের অবস্থান কত ,তা নেটে সার্চ দিয়ে দেখেন। সারা বিশ্বের বড়ো বড়ো কোম্পানিগুলো ভারতের আইটি ছাত্রছাত্রীদের লুফে নেয়। কই তাদেরতো আমাদের মতন সেই প্লে,নার্সারি লেভেল থেকে প্রতিযোগিতা করতে হয় না।

জাপানে শিক্ষা ব্যবস্থায় রোল কলের সিস্টেমটা আমাদের দেশের মতন মেধাভিত্তিক নয়, কারণ এই মেধাভিত্তিক সিস্টেমটা বৈষম্য গড়ে তোলে শিক্ষার্থীদের মধ্য। তাই বৈষম্যতার দুর করতে সেদেশের রোল কলের সিস্টেমটা হয় যে আগে ভর্তি হবে তার নাম চলে আসবে প্রথমে, এই নয় যে সবার উপরে থাকা নামটা সবার চেয়ে মেধাবী।

উনিফর্ম ,অর্থাৎ শিক্ষার্থীদের ড্রেস কোড , এই ইউনিফর্মতা শিক্ষার্থীদের কেন দেওয়া হয় জানেন,একটি বিদ্যালয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরের পরিবার থেকে ছাত্রছাত্রীরা পড়াশুনার জন্য আছে,এবং বিদ্যালয় যেন সবার সাথে সমানভাবে আচরণ করে ,যাহাতে শ্রেণী বৈষম্যতা লক্ষ্য করা না যায়। তাই এই উনিফর্ম।

স্কুলের শিক্ষার্থীদের ওপর শিক্ষকদের হাত তোলা এদেশে একটা রীতিনীতিতে পরিণত হয়েছে,এবং শিক্ষার্থীদের অভিবাবকদে কাছ থেকেও শিক্ষকরা এই উৎসাহটি পেয়ে থাকে। ছোটবেলা থাকতে আমার মা-বাবারা কতো শিক্ষককে বলেছে যে পড়াশুনায় অমনোযোগী হলে কোন মাপ নাই,শুধু জীবনটা রেখে দিলে চলবে । এর ভয়ে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা না বুঝে মুখস্ত আর মুখস্ত করতাম ,কিন্তু কি মুখস্ত করেছি তা কিছুই জানি না। শিক্ষকদের এই শাস্তির ভয় থেকে রেহাই পেতে অগণিত ছেলে মেয়ে পড়াশুনা করে না। বিশ্বের উন্নত দেশগুলো শিক্ষার্থীদের ওপর হাত তোলা বিধিবিধান না থাকার ফলে সেদেশের ছেলেমেয়েরা অতি উৎসাহে বিদ্যালয়ে যায়,বিদ্যালয়ে গিয়ে আনন্দ পায়,মজা করে । আমাদের গ্রামে অনেক ছেলেদের দেখেছি গরু চড়াতে রাজি হয়েছে ,তারপরেও বিদ্যালয়ে যেতে রাজি হয় নি। কেন জানেন, শুধুমাত্র শিক্ষকদের শাস্তির ভার আর প্রথম,দ্বিতীয় শ্রেণী থেকে পরীক্ষার নামক ফলফলের ভয় থেকে রেহায় পেতে !
অতিরিক্ত কড়া শাসন কোনকিছুর জন্য ভাল ফল বয়ে আনে না।

মানব জীবনের জন্য সবচেয়ে সুন্দর জিনিসটা হচ্ছে কথা বলতে পারা , নিজের মনের ভাবকে প্রকাশ করতে পারা। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদেরকেও একে অপরের এই কথা বলতে পারার অধিকার দিতে হবে ,যাতে তারা বিদ্যালয়কে একটি জেলখানা মনে না করে, এবং তাঁদের জন্য জেলখানা না হয় বিদ্যালয় থেকে উত্তম জায়গা।

শিক্ষা ব্যবস্থা, প্রশ্নপত্র ,ছাত্রছাত্রীদের সুযোগসুবিধা নিয়ে উন্নত দেশগুলিতে চিন্তার শেষ নেই, কারণ এই ছাত্রছাত্রীরা আগামী দিনের প্রজন্ম,এরাই দেশকে তথা পৃথিবীকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। গতবছর দক্ষিণ কোরিয়ার শিক্ষামন্ত্রী পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ভুলের দায় স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। কেবল দুঃখ প্রকাশই নয়, এ ভুলের দায় নিয়ে পদত্যাগ করেছেন দেশটির জাতীয় পরীক্ষা বোর্ডের প্রধান। দেশটির কলেজ প্রবেশিকা পরীক্ষার দু'টি প্রশ্নপত্রে ভুলের অভিযোগ উঠায় এ পদত্যাগ সিদ্বান্তের কথা জানান পরীক্ষার বোর্ড প্রধান কিম সাং-হুন । সাং হউনের পদত্যাগের সিদ্বান্তের আগে অভিবাবক ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ভুলের অভিযোগ আসতে থাকার প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বিবৃতিতে দুঃখ প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী হাওয়াং উ-ইয়ে বলেন ,আমি গভীর দুঃখ প্রকাশ করছি এবং প্রশ্নপত্র তৈরি প্রক্রিয়া আরও উন্নত করতে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ দরকার বলে স্বীকার করছি।"

আমাদের দেশে প্রশ্নপত্রের ফাঁস প্রতিটি পরীক্ষায় বছরের পর বছর হয়ে আসছে,কিন্তু আমাদের শিক্ষামন্ত্রী কখনো এই ব্যর্থতার দায় স্বীকার করেন নি,এবং স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী বলেছেন - প্রশ্ন ফাঁস নতুন নয়, দায়ও মন্ত্রীর নয়,তাই প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে খোঁচাখুঁচির কিছুই নেই।

এরকম মন্ত্রীপরিষদ নিয়ে সরকার গঠন করলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তা সময় বলে দিবে, আমি চিন্তিত এদেশের ছেলেমেয়েদের নিয়ে।এদেশের ছেলেমেয়েদের মেধাশুন্য করা হচ্ছে গোল্ডেন প্লাস অর্জন নামক শিক্ষার মাধ্যমকে দিয়ে। সর্বোচ্চ পয়েন্ট নিয়েও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় উর্ত্তীন্ন হতে ব্যর্থ হচ্ছে। বিএ ,মাস্টার্স পাশ করা ছাত্রছাত্রীদের সাথে কিচ্ছুক্ষণ কথা বললে বোঝা যায় এদের শিক্ষার মান।দেশের শিক্ষার মান এত নিচুমানের হয়ে যাচ্ছে দিনকে দিন। এর দায় কে নেবে, শিক্ষার্থীরা,অভিবাবকরা ,শিক্ষকরা , না যারা শিক্ষা ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করতেছে?

বিভাগ: 

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

বিশ্ব চাকমা
বিশ্ব চাকমা এর ছবি
Offline
Last seen: 1 month 1 দিন ago
Joined: বুধবার, নভেম্বর 1, 2017 - 6:24অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর