নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

স্টিফেন হকিং এর মৃত্যু একজন নক্ষত্রের বিদায়



স্টিফেন হকিং পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন কিন্তু তার মতো বিজ্ঞানীদের বিদায় দিতে নেই তারা অমর। তাদের বিদায় দেয়া মানে তাদের অমরত্বকে অস্বীকার করা। বিগ ব্যাং থিউরির এই প্রবক্তা আসলেই একটি বিস্ফোরন ঘটান যেদিন বলেন, সৃষ্টিকর্তা মহাবিশ্বকে সৃষ্টি করেননি, সৃষ্টিকর্তা বলে কেউ নেই। তত্ত্বীয় পদার্থবিদ্যার এই দিকপাল ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর ও আপেক্ষিকতা নিয়ে গবেষণার জন্য বিখ্যাত ছিলেন। বিজ্ঞানের সাধনায় নিজেকে উতসর্গ করলেও তিনি কেন নোবেল পুরস্কার পাননি এটা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন রয়ে গেছে হয়তো। যদিও থিউরিটিক্যাল ফিজিক্সে তার "Black holes are mortal" যথেষ্টই প্রতিষ্ঠিত, তবুও তার এই তত্ত্ব প্রমানের কোনও উপায় ছিল না আর তাই হয়তো নোবেল উনার কাছে অধরাই থেকে গেল। কিন্তু অনেক বছর পরে হয়তো তার তত্ত্বগুলি প্রমানিত হবে, কেউ এর জন্যে হবেন নোবেল বিজয়ী। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক পত্রিকায় টিমথি ফেরিস লেখেন, এই তত্ত্ব প্রমান করা বর্তমানে প্রায় অসম্ভবই। তারার আকারের প্রথম ব্ল্যাক হোল বিস্ফোরনে এখনো কয়েক লাখ কোটি বছর বাকী রয়েছে। প্রমানের অভাবে ঠিক একই কারনে ১৯৬৪ সালে পিটার হিগস 'হিগস বোসন' তত্ত্বের জন্য নোবেল পুরস্কার পাননি। দীর্ঘ ৪৯ বছর পরে এই তত্ত্বকে প্রমানের পরেই ২০১৩ সালে ফ্রাঁসোয়া এঙ্গলার্টের সাথে যৌথভাবে পিটার হিগস নোবেল পান।

স্টিফেন হকিং পৃথিবীর সেরা মহাকাশবিজ্ঞানীদের একজন, ১৯৮৮ সালে তার লেখা ‘আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম’ সর্বকালের সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া বইয়ের একটা এবং এই বইয়ের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বিখ্যাত হয়ে ওঠেন হকিং। বইটিতে তিনি মহাবিশ্বের সৃষ্টি–রহস্য নিয়ে তত্ত্ব দেন। আন্তর্জাতিকভাবে বেস্টসেলার হিসেবে বইটির এক কোটি কপি বিক্রি হয়। মহাবিশ্ব নিয়ে প্রকাশিত তাঁর আরেকটি বই ‘দ্য গ্র্যান্ড ডিজাইন’। হকিংয়ের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হলো আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা এবং বোর-হাইজেনবার্গের কোয়ান্টাম তত্ত্বকে মিলিয়ে দেওয়া। আপেক্ষিকতার তত্ত্ব কাজ করে মহাজগতের অতিকায় বস্তু নিয়ে আর কোয়ান্টাম তত্ত্বের বাহাদুরি হচ্ছে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র জগতে।

স্টিফেন হকিং আমাদেরকে এই মহাবিশ্ব তৈরির পেছনে বিগ ব্যাং বা একটি মহাবিস্ফোরণের কথা বলেন। অনেকেই স্টিফেন হকিং এর বলা বিগ ব্যাং থিওরীকে মানব সভ্যতার জন্য একটি বিপর্যয় বলে মনে করেন। কারন স্টিফেন হকিং কোন অলৌকিক ঘটনাবলীতে বিশ্বাস করেন না। তাই তিনি শক্তভাবেই বলেন আমাদের এই মহাবিশ্ব তৈরিতে কোন সৃষ্টিকর্তা বা ঈশ্বরের কোন প্রয়োজন নেই। তবে সৃষ্টি সম্পর্কে মানুষের বহু পুরাতন দাবী “আমাদেরকে ও আমাদের এই মহাবিশ্বকে একজন সৃষ্টিকর্তা বা একজন ঈশ্বর (ধর্ম অনুযায়ী) তৈরি করেছে” যা আজ হঠাৎ করে কেউ ভুল বলার কারনে ঈশ্বরবাদীরা মানতে পারছে না। যুগ যুগ ধরে বিশ্বাস করে আসা একটি জিনিস ভুল বলাতে অনেকের অনুভুতিতে আঘাত লাগছে।

মাধ্যাকর্ষণ নিয়মের বাইরে মহাবিশ্ব নিজে থেকে কোন কিছুই সৃষ্টি করতে পারেনা। স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে সৃষ্টি হবার কোন কারন নেই। মহাবিশ্ব এবং আমাদের অস্তিত্ব আপন আপন গতিতেই বিদ্যমান” বিগ ব্যাং তত্ত্ব বলে আজ থেকে প্রায় ১৩.৭ বিলিয়ন বছর পূর্বে এই মহাবিশ্ব একটি অতি ঘন এবং উত্তপ্ত অবস্থা থেকে সৃষ্টি হয়েছিল। তখন দানা পরিমান ভর ছিল। যা একসময় বিস্ফোরিত হয়ে সব কিছুর জন্ম দেয়।বিজ্ঞানী এডুইন হাবল প্রথম বলেন, দূরবর্তী ছায়াপথের বেগ সামগ্রিকভাবে পর্যালোচনা করলে দেখা যায় এরা পরষ্পর আলোর বেগের চেয়েও বেশি বেগে দূরে সরে যাচ্ছে। অর্থাৎ মহাবিশ্ব ক্রমশ সম্প্রসারিত হচ্ছে। হয়ত ভাবছেন আইন্সটাইন কি তাহলে ভুল আপেক্ষিক তত্ত্ব দিলেন? তিনি তো বলেছেন বলেছেন কোন কিছু আলোর চেয়ে বেশি বেগে যেতে পারে না। তিনি ঠিক ই বলেছেন। মহাবিশ্বের মধ্যে যে ফাঁক সেটা আলোর চেয়েও বেশি বেগে প্রসারিত হচ্ছে। এখানে কিন্তু কোন ভর আলোর চেয়ে বেশি বেগে যাচ্ছে না। তাই এটাও ‘থিউরি অফ রিলিটিভিটি ‘ মেনেই হচ্ছে। বিজ্ঞানী এডুইন হাবল বলেছেন মহাবিশ্ব সম্প্রসারিত হচ্ছে।

বিজ্ঞান আজ আমাদের দেখিয়েছে বিগ ব্যাং তত্ত্বকে আরো বিস্তৃতভাবে। মহাবিশ্ব সৃষ্টির পেছনে যে বৃহৎ বিস্ফোরনের কথা বলা হয়ে থাকে সেটি নিশ্চিত করা হয়েছে। বিগ ব্যাং থিউরী দিয়ে যে সময়ের শেষ প্রান্তে গিয়ে চিন্তা করা হয়েছে আজ তাও আবার খতিয়ে দেখা হচ্ছে নতুন কিছু আবিষ্কার করা সম্ভব কিনা। মহাবিশ্ব শুরুর একদম প্রথম সময়ের যে মাইক্রোসেকেন্ড আছে তারপুর্বে কি ছিলো বা কোন সময় ছিলো কিনা তাও পর্যবেক্ষন করে চলেছে বিজ্ঞানীরা। আমাদের মহাবিশ্বের ছায়াপথ আর গ্রহ, নক্ষত্র তৈরির পুর্বে এমন কোন মহাবিশ্ব আগেও ছিলো কিনা তাও কল্পনা করে দেখা হচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে বিগ ব্যাং এর পুর্বে কি ছিলো তার কি কোন নির্দিষ্ট উত্তর পাওয়া যাবে ? বা বিগ ব্যাং এর পুর্বে কি বিদ্যমান ছিলো ?

তবে এটিই হচ্ছে মহাবিস্ফোরণ তত্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল দিক। আপেক্ষিকতা তত্ত্বের প্রধান বক্তব্যই হচ্ছে যে, স্থান এবং কাল হলো মহাবিশ্বেরই অংশ। এরা কোনো ব্যাখ্যার অতীত পটভূমি নয় যেখানে মহাবিশ্ব নিজেই ঘটে চলছে। তাই আমাদের রহস্যময়ী মহাবিশ্বের উৎপত্তি নিশ্চিতভাবেই স্থান ও কালের উৎপত্তির কথা বলে। তারপরও প্রশ্ন করা যেতে পারে তেমন একটি উৎপত্তির উৎস আমরা কোথায় খুঁজব? তাহলে আবারো ধর্না দিতে হবে আপেক্ষিকতার কাছে। সে বলছে যে, স্থান এবং কাল কিছু বিশেষ নির্দিষ্ট রূপ ধারণ করতে পারে। তাদেরকে বলা হচ্ছে Singularities আর বাংলায় বলা যেতে পারে ‘এককত্ব’। যেমন কৃষ্ণ গহ্বরের কেন্দ্রে রয়েছে এমন এককত্বের অস্তিত্ব। আরেকটি উদাহরণ হতে পারে মহাবিস্ফোরণের মুহূর্তে স্থান কালের যে আদি অবস্থা ছিল সেরকম কিছুর কথা। ধারণাটা এমন যে, সময়ের যতই পেছনে যাওয়া যাবে মহাবিশ্ব ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসবে এবং স্থান কালের বক্রতা অসীম হতে পারে একটি চোঙের সাথে, যেটি সরল হতে হতে একটি বিন্দুতে এসে থামে। এবং ঠিক এই বিন্দু থেকেই শুরু কাল এবং স্থানের। যখনই এ ধারণাটা গ্রহণ করে নেওয়া গেল তখনই মহাবিস্ফোরণের আগে কি ঘটেছিল- এই প্রশ্নের আর কোনো অর্থ থাকল না।

দুরারোগ্য মোটর নিউরন ব্যাধি ছিল স্টিফেন হকিংয়ের। কিন্তু শারীরিক অক্ষমতা তাঁকে রুখতে পারেনি। আইনস্টাইনের পর হকিংকে বিখ্যাত পদার্থবিদ হিসেবে গণ্য করা হয়। হকিং ২১ বছর বয়স থেকে অ্যামায়োট্রফিক ল্যাটেরাল স্ক্লেরোসিস (এএলএস) রোগে ভুগছিলেন। এ রোগ খুব কম দেখা যায়। এটি খুব ধীরে ধীরে মানুষকে পক্ষাঘাতগ্রস্ত করে ফেলে। ১৯৮৫ সালে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। তাঁর ভোকাল কর্ড ও ল্যারিংস নষ্ট হয়। এতে কি-বোর্ড চালিত ইলেকট্রনিক স্পিচ সিনথেইজার তাঁর হুইলচেয়ারে বসানো হয় যা ব্যাবহার করে তিনি কথা বলতেন। কিন্তু হুইল চেয়ারে বসে বেঁচেছেন দীর্ঘদিন, শারীরিক সীমাবদ্ধতা নিয়েও পদার্থ বিজ্ঞানে রেখেছেন অসামান্য অবদান। অবাক লাগে তার গভীর জীবনবোধ দেখে, তিনি জীবনের জন্য কৃতজ্ঞ ছিলেন, বেচে থাকার জন্য আনন্দিত ছিলেন, জীবনকে এভাবেই অ্যাপ্রিশিয়েট করেছেন।

১৯৬৬ সালে ‘সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের বৈশিষ্ট্য’ নামের ১৩৪ পাতার থিসিসটি লেখার সময় স্টিফেন হকিং ছিলেন ক্যামব্রিজ ট্রিনিটি হলের পোস্ট গ্রাজুয়েটের ছাত্র। তার বয়স তখন ছিল ২৪ বছর। এটি গত বছর অনলাইনে প্রকাশ হলে কয়েকদিনেই এর ভিউয়ার ২০ লক্ষ ছাড়িয়ে যায় আর এত লোক একদিনে হুমড়ি খেয়ে পড়ায় ওয়েবসাইটটি ক্রাশ করে। এই সময়ে ও তার পরবর্তি সময়ে স্টিফেন হকিং এর জীবন কেমন ছিলো তা নিয়ে পরবর্তীতে ২০১৪ সালে পরিচালক “জেমস মার্স” একটি চলচ্চিত্র তৈরি করেন যার নাম “The Theory of Everything” যেখানে অভিমেতা “এডি রেডমাইন” অভিনয় করেছেন স্টিফেন হকিং এর চরিত্রে এবং অস্কার জিতে নেন। ১৯৬০ সালে স্টিফেন হকিং ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা অবস্থায় “জেন ওয়াইল্ড” (তার স্ত্রী) এর প্রেমে পড়ে। ২১ বছর বয়সে স্টিফেন হকিং জানতে পারে তার “মোটর নিউরন” রোগ আছে। জেন ওয়াইল্ড তা জানার পরেও স্টিফেন হকিং এর পাশে একজন ডাক্তারের মতো থাকেন। এইসব নিয়েই তৈরি হয়েছে “দ্যা থিউরী অফ এভরিথিং” নামের অসাধারন চলচ্চিত্রটি।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (নাসা) তাদের শোকবার্তায় বলেছে, ‘তাঁর তত্ত্ব মহাবিশ্বের অমিত সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন খুলে দিয়েছে, যেটা আমরা এবং সমগ্র বিশ্ব উদ্ধারের চেষ্টা করছি।’ মহান এ বিজ্ঞানীর মৃত্যুর ঘটনা জানার পরপরই টুইটারসহ বিভিন্ন মাধ্যমে শোক জানিয়েছেন বিশ্বের খ্যাতিমান ব্যক্তিত্বরা।

Comments

রূপালীনা এর ছবি
 

সৃষ্টিরহস্য নিয়ে আমাদের কৌতূহল অসীম. এর কিছুটা হলেও মিটিয়েছিলেন এই মহান বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং। কিন্তু অজানা আরো কত কিছুই রয়ে গেল এটা নিয়ে যখন ভাবি তখন উনার কথাটাই আমার কাছে বেস্ট উত্তর মনে হয় আসলে সব যদি জানাই হয়ে যেত তাহলে আবিষ্কারের আর কী বাকী থাকত? থাকুক কিছু অজানা, যুগে যুগে আরো স্টিফেন হকিং আসবে তারা সে সব রহস্যের কুল কিনারা করবে।
"If human life were long enough to find the ultimate theory, everything would have been solved by previous generations. Nothing would be left to be discovered" Stephen Hawking

 
কাজি মাহীন এর ছবি
 

অবাক লাগে তার গভীর জীবনবোধ দেখে, তিনি জীবনের জন্য কৃতজ্ঞ ছিলেন, বেচে থাকার জন্য আনন্দিত ছিলেন, জীবনকে এভাবেই অ্যাপ্রিশিয়েট করেছেন।

alomgir kobir kumkum

 
মৃত কালপুরুষ এর ছবি
 

আজ ফেবুতে কোথাও একটা কমেন্টস দেখলাম কোন এক মুমিন দাবি করছে স্টিফেন হকিংস নাকি অনেক আগেই মারা গিয়েছিলেন আর এতোদিন তার রোবট আমরা দেখছিলাম যেটা হয়তো নষ্ট হয়ে গিয়েছে তাই এখন সবাই বলছে সে মারা গিয়েছে। এই কমেন্টস এর স্ক্রিনসর্ট দেখে আমাদের চিন্তা জগৎ সম্পর্কে একটা ধারনা পাওয়া যায়।

স্টিফেন হকিংয়ের ‘সাহস ও অধ্যাবসায়ের’ প্রশংসা করেন তাঁর সন্তানেরা। তাঁরা বলেন, ‘হকিংয়ের প্রতিভা এবং রসবোধ বিশ্বব্যাপী মানুষকে অনুপ্রেরণা জোগাবে। তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।’ ধন্যবাদ আপনার লেখাটির জন্য।

-------- মৃত কালপুরুষ

 
লালসালু এর ছবি
 

পঞ্চাশ বছর ধরে দুরারোগ‍্য রােগে ভুগেও যিনি জগত সৃষ্টির প্রহেলিকা উদ্ঘাটন করার ধ‍্যানে মগ্ন ছিলেন, তিনি হলেন সত‍্যিকারের মৃত্যুঞ্জয়ী। তিনি হলেন সত‍্যিকারের ইন্দ্রজিৎ। তার মৃত্যু নেই। এমন নক্ষত্ররা প্রাণের মিছিল থেকে স্খলিত হয়ে, অন‍্য গগণের নক্ষত্র হয়ে জ্বলতে থাকতে থাকে।
বিনম্র শ্রদ্ধা "স্টিফান হকিং"

 
রূপালীনা এর ছবি
 

আসলেই তাই, আমরা অল্পতেই হতাশ হয়ে পড়ি। জীবন নিয়ে আমাদের কত কত অভি্যোগ, অথচ হকিং তার এই কষ্টের জীবন নিয়েও বলেছেন, এক্টাই জীবন আর এ জীবনের জন্য আমি কৃতজ্ঞ

 
অ্যালেক্স এর ছবি
 

স্টিফেন হকিং পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন কিন্তু তার মতো বিজ্ঞানীদের বিদায় দিতে নেই তারা অমর। তাদের বিদায় দেয়া মানে তাদের অমরত্বকে অস্বীকার করা।

আসলে এর চাইতে বেশি আর কি মন্তব্য করবো ভেবে পাচ্ছি না!!

একজন স্টিপেন হকিং এর জায়গা কতদিনে আমারা পূরণ করতে পারবো? তা ভাববার বিষয়.....

Alex

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কাজি মাহীন
কাজি মাহীন এর ছবি
Offline
Last seen: 2 months 11 ঘন্টা ago
Joined: বুধবার, নভেম্বর 29, 2017 - 11:43অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর