নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • শাম্মী হক

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

কলা বেচা হলো বটে তবে মেলায় রথ দেখাটা হয়ে ওঠেনি


আশি দশকের প্রথম দিকে, সময়টা ছিল গ্রীষ্মকাল, আজও মনে আছে স্টকহোল্মের আর্লান্দা বিমান বন্দরে পৌঁছেই মনে হচ্ছিল নিজের গায়ের রংটাও হয়তো পরিবর্তিত হয়ে যাবে সহসাই। সবাই যে খুব একটা উৎসুক নয়নে আমার দিকে তাকিয়ে আছে তা কিন্তু নয়, আসে পাশে ঠিক আমারই মত কাউকে দেখা না গেলও বুঝতে পারছিলাম গায়ের রঙের কারণে আমাকে মানুষের চেয়ে আলাদা বা অন্য উদ্ভট গোত্রের কিছু একটা, তা কিন্তু কেউই ভাবছে না। এক সাথে এতোগুলো শ্বেতাঙ্গ মানুষ এক সাথে কস্মিন কালেও দেখিনি, কৌতূহল হচ্ছে বটে তবে আমাকে যেন কেউ আনস্মার্ট না ভাবে তাই কৌতূহলটা সম্বরণ করার চেষ্টা করছি। কমিউনিটি ট্রেনে চেপে বিমানবন্দর থেকে শহরের দিকে যাত্রা শুরু করেছি এক অসাধারণ সুন্দর পরিচ্ছন্ন সবুজের ভেতর দিয়ে ট্রেনটা ছুটে চলেছে। একটা শহর যে এভাবে সাজানো গোছানো করে রাখা যায় সেটা ভাবতে গিয়ে নিজের দেশের সাথে তুলনা করতে বেশ লজ্জা বোধ হচ্ছে, সামনের সিটে কুড়ি কি বাইশ বছরের মেয়েটিকে দেখে মনে হচ্ছে জীবন্ত একটা পুতুল চুক চুক করে ঠাণ্ডা সাদা আইসক্রিমটায় কামড় দিচ্ছে কিন্তু কাগজের খোসাটা আইসক্রিমের ঠিক শেষ প্রান্তে ঝুলে আছে, বোকা মেয়েটা কাগজটা ফেলে দিলেই তো হয়, অবাক করার বিষয় হচ্ছে আইসক্রিমটা শেষ হতেই মেয়েটি কাঠি সমেত কাগজটি নিজের হাতে রাখা ছোট ব্যাগটির ভেতরে ঢুকিয়ে নিলো, এ রকম একটা অদ্ভুত আচরণের জন্যে আমি প্রস্তুত ছিলাম না, মনে মনে মেয়েটিকে কেমন যেন মানসিক বিকারগ্রস্ত ভাবতে শুরু করেছি। আসলে অনেকদিন পর বুঝতে পেরেছি সভ্য দেশের মানুষ সভ্যতার নিয়মাবলী গুলি জন্মের পরেই শিখে থাকে, যত্রতত্র ময়লা ফেলে দেয়ার নিয়মটা যে অসভ্যতা তা হয়তো আমার মতো সদ্য আগত বাঙালির মাথায় সহজে আসার কথা না, আর তাই সেই দিন ঐ মেয়েটিকে মানসিক বিকারগ্রস্ত ভাবার জন্যে আমি আজও অনুতাপ বোধ করছি।

আশি দশকের সুইডেনে প্রথম দিকে বাংলাদেশীদের সংখ্যা ঠিক কত হবে তা আমার জানা না থাকলেও আনুমানিক ছয় বা খুব বেশী হলে সারে ছয় হাজার, আশি লক্ষ মানুষের দেশে সারে ছয় হাজার বাংলাদেশীর বসবাস তা খুব যে একটা বেশী তা বলা যাবেনা, আর সেই সময়টাতে বাংলাদেশীরা গণহারে প্রবাসে বিশেষ করে সুইডেনের মত দেশে আসা শুরু করেনি, যারাই এসেছেন তাদের প্রায় সবাই ৭৫ এর পর রাজনৈতিক পটভূমি পরিবর্তনের কারণে এইসব দেশে চলে আসেন আবার অনেকেই লেখা পড়ার উদ্দেশেও এসেছেন, মোটামুটি অবস্থা সম্পন্ন ঘরের পড়াশোনা জানা ছেলেরাই ইউরোপের দিকে যাত্রা করেছেন। সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্কে সামাজিক ভাবে বাংলাদেশীদের অবস্থান বেশ ভালো যা আমি কিছুদিনেই আঁচ করতে পেরেছি। আমার মাঝে অবশ্য কোথায় বাংলাদেশী কতজন কি ভাবে আছে কি নাই সেটা জানার বিশেষ কৌতূহল নাই, ইউরোপে এসেছি মানে আমার স্বপ্নের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছি, ছোট বেলা থেকেই গান শোনাটা আমার অভ্যাস, মানুষের জীবনে তো কত রকমেরই স্বপ্ন থাকে আমার ঐ একটাই স্বপ্ন পূরণ না করা পর্যন্ত মনের তৃপ্তি মিটবে কি ? একটা স্টেরিও ডেক সেট যে আমার চাইই চাই, don meclain, bee gees, elton jhon, lobo, carpentars, beatels, clif richard, dona summer, johnny cash, kenny rogers, linda ronsted, olivia newton jhon, pink floyed, bob dylan, rolling ston আহা কত শিল্পীদের নাম যে মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে এইসব শিল্পীদের রেকর্ড সংগ্রহ করার বাসনা তো চিরকালের। ইউরোপে চলে এসেছি আমাকে তো এখন আর খুঁজেই পাওয়া যাবে না, পরিশেষে আমি স্বয়ং ABBA'র দেশেই এসে হাজির হয়েছি।

পথে ঘাটে বাংলাদেশীদের দেখলে প্রথম দিকে বেশ ভালোই লাগতো শত হলেও আন্তরিকতা বাঙালিদের স্বভাব কিন্তু তারপরও খুব যে সহজ বাঙালিদের সাথে মিশতে চাইতাম তা কিন্তু নয়, নিজেকে আধুনিকতার আবরণে ঢাকতে গিয়ে আশেপাশের বাঙালিদের দেখলে কেমন যেন সাধারণ মেছো বাঙালি মনে হতো, তাদের মাঝে নেই কোন আধুনিকতা না আছে আধুনিক ভাবে চলাফেরা বৈশিষ্ট্য ও আধুনিক চিন্তা ধারা, পারত পক্ষে নিজেকে বাংলাদেশীদের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখতাম, শুক্র শনিবার ডিস্কোতে যাওয়াটা এক ধরনের অভ্যাস বা রীতিতে পরিণত হয়ে গিয়েছে, ভাষাটাও খুব তাড়াতাড়ি রপ্ত করতে বিশেষ বেগ পেতে হলো না কারণ ইংরেজিতে আমার দখল ভালই, ছোটবেলা থেকেই ইংরেজি মিশনারি স্কুলে পড়াশোনা করেছি কাজেই ইউরোপে এসে কখনই নিজেকে অনাহুত মনে হচ্ছিল না বরং বাঙালিদের সাথেই যেন আমার দূরত্বটা বাড়তে থাকে, তার অপর আরও একটা কারণও ছিল বৈকি আর সেটা হচ্ছে বেশীর ভাগ বাংলাদেশীরা নিজেদের এমন ভাবে উপস্থাপন করতো যেন তারা বাংলাদেশের মিনিস্টারদের ভাতিজা, চাচা অনেক মানা করার পরও পা পিছলে প্রবাসে পরে গেছেন, গ্রামের বাড়ি যেখানেই থাকুক না কেন জান পরান দিয়ে বোঝাতে চাইবেন তিনারা ঢাকা সেটেল্ড, ঢাকা সেটেল্ড না হওয়াটা তাদের জন্যে ইজ্জতের সওয়াল। আমরা যারাই নতুন সুইডেনে এসেছি সবাই তাদের ছাত্র, দীর্ঘদিন ইউরোপে আছেন ভাবখানা অনেকটা জ্ঞানের ভাণ্ডারে তারা যেন টইটুম্বুর, সুযোগ পেলেই হাই কোর্ট দেখাতে চেষ্টা করেন। একজন বেশ অনেকদিন হলো এই দেশে আছেন আমি নতুন এসেছি জেনে এক রকম জোর করেই আমাকে শনিবার দিন বাসায় আমন্ত্রণ জানালেন, আমি সেজে গুজে শনিবার বিকেলের দিকে ভদ্রলোকের বাসায় কড়া নাড়লাম, ড্রইং রুমে ঢুকেই বুঝতে পারলাম তিনি ফিরোজা বেগমের "তুমি কি এখন দেখিছ স্বপন আমারে আমারে আমারেই....আধো রাতে সেথায় উঠেছি কি চাঁদ আহারে......" নজরুল ইসলামের রচনায় বিখ্যাত একটি গান শুনছেন, রেকর্ডের কাভারটা সোফার উপর পড়ে আছে, ভাবলাম লোকটার গানের রুচি বোধ প্রশংসা করার মত বটে, আমি গানটার প্রশংসা করতেই তিনি উত্তর দিলেন রবীন্দ্র সঙ্গীত উনার খুব প্রিয় ছোট বেলা থেকেই রবীন্দ্র সঙ্গীত শুনে আসছেন আর এই রবীন্দ্র সঙ্গীতটাই উনার বেশ ভালো লাগে, আমার বুঝতে অসুবিধা হলো না যে একটু পর আলোচনার ফাঁকে ভদ্রলোক বলে বসবেন মিনিস্টার ছলিমুদ্দিন উনার চাচা আর পরিবারের সবাই ঢাকাতেই সেটেল্ড, মোটামুটি এইসব বিবিধ কারণেই দিন দিন বাংলাদেশীদের সাথে আমার দূরত্ব বাড়তে থাকে।

প্রবাসে বারো জন বাঙালি থাকলেই তেরটি সংগঠন না থাকলে আমাদের বৈশিষ্ট্যটা প্রকৃত অর্থে প্রতীয়মান হয় না। বেশ কিছুদিন এ ভাবেই পার হতে থাকে, যতই দিন যাচ্ছে শত দূরত্ব থাকা সত্বেও প্রবাসে বাঙালিদের স্তাহে মেলামেশাটা কদাচিত ঘটে যায়। প্রবাসে আমাদের একটা আমাদের মোরল সাজার একটা স্বভাব আর চেয়ারম্যানের বড় ছেলে সাজার ঐ একটাই পথ সেটা হচ্ছে রাজনৈতিক সংগঠন তৈরী করে সংগঠনের নেতা সেঝে বসা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি, বাঙালি আমার পরিচয় তাই পারিবারিক একটা রাজনৈতিক সুত্র আমার ভেতরেও বিদ্যমান, প্রবাসে বসে বাংলাদেশীয় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ অবধান রক্ষার সুযোগ নাই, নিজ দেশের নাগরিক হয়েও প্রবাসীদের জাতিও নির্বাচনে ভোট প্রদানের সুযোগটা বাংলাদেশীদের ভাগ্যে এখনো অনিশ্চিত, ভবিষ্যতে হবে কিনা আমার জানা নাই, তারপরও সুদুর প্রবাসে বসে অনেকের সাথে জয় বাংলা স্লোগান দিতে কার না ভালো লাগে বলুন, বিবিসি'র পরিসংখান মতে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু আমাদের জাতির পিতা অন্তত এই কথাটা তো গর্ব করে বিদেশীদের কাছে একটা বলার মত বিষয়।

বহুকাল গত হবার পর ব্যক্তিগত ভাবে প্রবাসে আওয়ামীলীগ আদর্শের সংগঠনে উদ্বুদ্ধ হতে গিয়ে বাংলাদেশের যতগুলো সন্ত্রাসীর নাম মুখস্থ করতে পেরেছি কোন পত্রিকাতেও এক সাথে এতগুলো নাম প্রকাশ করা হয় নাই। প্রবাসে রাজনীতি বিষয়টি এখনো আমার কাছে পরিস্কার না কারণ যে দেশে নাগরিত্ব থাকার পর এখনো ভোটের অধিকার নাই সেই দেশের রাজনীতি প্রবাসীদের জন্যে কতটুকু যুক্তি সংগত তার একটা উত্তর খুঁজে বেড়াই, দলীয় বা আদর্শের প্রতি একটা ভালবাসা থাকতেই পারে যেটা দেশ প্রেমের পর্যায়ে পরে।

সুইডেনে একবার একজন আওয়ামীলীগ আদর্শের মহান দেশ প্রেমিক যিনি কিনা বেশ গর্ব করেই বলে বেড়াচ্ছেন আগামীতে জাতিও নির্বাচনে আওয়ামীলীগের পক্ষে সংসদ পদে নির্বাচন করার প্রতিশ্রুতি পেয়েছেন, যেখানে দলীয় গঠনতন্ত্রের নিয়ম হচ্ছে প্রবাসীদের দেশে স্থায়ী ভাবে বসবাস করার পর রাজনৈতিক সংগঠন গুলোর সদস্য পদ গ্রহণ করে তবেই নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করা যাবে, ভদ্রলোক মনে হচ্ছে এইসব বিষয়ে দারুণ ভাবেই অনভিজ্ঞ তা না হলে এ ধরনের বক্তব্য দেবার কারণ থাকতে পারে না। সুযোগ বুঝে তাকে একদিন প্রশ্ন করলাম- আপনি কেন আওয়ামীলীগের আদর্শে বিশ্বাসী, ভদ্রলোক উত্তরে জানালেন তিনি বঙ্গবন্ধুকে ভালবাসেন, আমার পরের প্রশ্ন ছিল ছয় দফা আন্দোলন ঠিক কবে থেকে ও কেন স্বাধীনতার আন্দোলনে রূপ নিলো? ভদ্রলোক খানিক ভেবে চিন্তে কিছুটা ইতস্তত বোধ করে উত্তর দিলেন – "ইয়ে মানে ও আচ্ছা, হুম" করতে করতে আমার উপর খেপে গিয়ে বলে বসলেন - "বাশবাগের ঝল্টু আমার ফ্রেন্ড, তালবাগের ল্যাংড়া আক্কাস আমাকে সমীহ করে চলে," তারপর তিনি শশুর আব্বার নাম ধাম ও বাড়ি ঘরের পরিচয় দেয়া শুরু করলেন। কিছুক্ষণ চুপ থেকে আবার প্রশ্ন করলাম তা আপনার দেশের বাড়ি কোথায় এবার ভদ্রলোক কিছুটা শান্ত হয়ে উত্তর দিলেন - আমাদের আদি বাড়ি নোয়াখালী চর আলেকজান্ডার, বাড়ি নদীতে তলিয়ে গেছে তবে এখন ঢাকা সেটেল্ড, জিজ্ঞাস করলাম ঢাকা কোথায়, তিনি ৩৮ ইঞ্চি বুকের ছাতি ৪২ ইঞ্চিতে টেনে নিয়ে উত্তর দিলেন - গাজীপুর ৭ নাম্বার রোডের 8 নাম্বার বাড়ির ৩ তলা, উত্তর শুনে আমি বেশ খানিকক্ষণ স্তব্ধ হয়ে রইলাম কারণ পুরো বিষয়টি কাল বৈশাখীর ঝড়ের বেগে আমার মাথার উপর দিয়ে চলে যাচ্ছে। এবার ভদ্রলোক প্রশ্ন করলেন, তা আপনার বাড়ি কোথায় ? - তাইতো আমার এখন উত্তর দেবার পালা লজ্জার মাথা খেয়ে উত্তর দিলাম- "জি আমার বাড়ি গুলিস্তান, কামানের উপর আর কামানটি আমার দাদা'র।" ভদ্রলোকের জন্যে এর চাইতে সদুত্তর আর কিছুই খুঁজে পেলাম না।

কিছুদিন পর সুইডেনে ২১শে ফেফ্রুয়ারি উদযাপন উপলক্ষে অনেক বাঙালি দেশ প্রেমিকদের সাথে শহরের স্থানীয় একটি আবাসিক এলাকায় গোটা তিরিশেক লোকের সমাগমে ভদ্রলোক সুইডেন আওয়ামীলীগের সহসভাপতি হিসাবে ২১শে উপর বক্তব্য দেবেন কিন্তু তার আগেই আমি ও আমার পার্শ্ববর্তী অতিথিকে সাইড টক করতে বারণ করে মন দিয়ে তিনার বক্তব্য শুনতে অনুরোধ জানালেন, গালে হাত দিয়ে বেশ বিজ্ঞের ভঙ্গিতে ভদ্রলোকের বক্তব্য শুনছি, বুঝতে পারলাম চেতনার ভারে উনার চোখ মুখ লাল হয়ে যাচ্ছে, গলার স্বর উচ্চতর থেকে উচ্চে উঠে যাচ্ছে, প্রিন্টেড শার্টের সাথে ফুলে ফলে সাজানো টাইয়ের বাধন গলার স্বরকে নামাতে পারছে না, এবার তিনি বলে বসলেন- “২১শে ফেব্রুয়ারিতে আমাদের অনেক নেতা শহীদ হয়েছেন আজ তারা ভাষা সৈনিক, আমাদের গর্ব বাংলা ভাষা আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। জয় বাংলা” !!!
প্রবাসে আমার মনের ভেতরের সুপ্ত যে আশাটি ছিল, একদিন আওয়ামীলীগের সংগঠনে সহসভাপতি হয়েই যাবো, কিন্তু আজ এই শুভক্ষণে আমার সেই স্বপ্ন, চেতনা সব কিছুই কর্পূরের মত হওয়ায় উড়ে গেল। কলা বেচা হলো বটে তবে মেলায় রথ দেখাটা হয়ে ওঠেনি।

--- মাহবুব আরিফ কিন্তু।

বিভাগ: 

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কিন্তু
কিন্তু এর ছবি
Offline
Last seen: 4 weeks 1 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 5:41অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর