নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • দ্বিতীয়নাম
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

ভূমিকার বিশ্লেষণ ও সমালোচনা। বইঃ আরজ আলী সমীপে, লেখকঃ আরিফ আজাদ (পর্ব-৬)



“আরজ আলী মাতুব্বরের” এই উক্তিটি “এই যে জ্ঞানের অগ্রগতিতে বাধা, মনের অদম্য স্পৃহায় আঘাত, আত্মার অতৃপ্তি, ইহারই প্রতিক্রিয়া মানুষের ধর্মকর্মে শৈথিল্য” যেটা নিয়ে আমরা ৫ম পর্বের সমালোচনাতে যে আলোচনাটি দেখলাম তা অবশ্যয় বর্তমানে পৃথিবীতে প্রচলিত সব গুলা ধর্মের ক্ষেত্রেই প্রযোয্য। যেহেতু আরজ আলী সমীপে বইটিতে লেখক আরিফ আজাদ সাহেব অন্যান্য ধর্মের এই জ্ঞানের পথে বাধার দিকটি নিজেই আমাদের একটু খোলসা করে দেখিয়েছেন তাই অন্যান্য ধর্মের বিষয়গুলি আমি আর এখানে তুলবো না তবে যেহেতু ইসলাম ধর্মের এই জ্ঞানের পথে বাধার দিকটি আমরা ৫ম পর্বের আলোচনায় তুলেছি তাই ধর্ম নিরাপেক্ষতা বজায় রাখার জন্য লেখক আরিফ আজাদ ইসলাম ধর্ম বাদে হিন্দু ও খৃস্টান ধর্মে এই সম্পর্কে কি বলেছে তা একটু দেখে নেবো। যেমন লেখক বলেছেন “হিন্দুধর্মে একটা সময়ে নিম্নবর্ণের হিন্দুরা তাদের ধর্মগ্রন্থ স্পর্শও করতে পারত না। শুধু ব্রাম্মণরাই পুজো-অর্চনা, উপাসনা করতে পারত। খ্রিষ্টধর্মের চার্চ কর্তৃক বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানীদের ওপর খগহন্তে নেমে পড়ার কাহিনিও সবার জানা” এই উক্তিটির মাধ্যেমে লেখক বোঝাতে চাইলেন এই দুইটি ধর্মে সাধারণ মানুষের জ্ঞানের চর্চায় যে বাধা দেওয়া হয় তার কিছু নমূনা। কিন্তু খেয়াল করে দেখবেন তিনি কিন্তু ধর্ম গ্রন্থর বাইরেও যে মূল জ্ঞানের ভান্ডার অন্যান্য বই পুস্তক তার কথা এখানে তোলে নাই। আমরা কি ধরে নেবো যে লেখক মনে করেন এই সমস্ত ধর্ম গ্রন্থ ছাড়া জ্ঞানার্জন সম্ভন নয় ? অবশ্যয় তিনি তা মনে করেন না।

তাহলে এখানে এই বিষয়টি উল্লেখ করার কারণ বের করতে হলে “আরজ আলী মাতুব্বরের” উক্তিটি আমাদের আরেকবার দেখতে হবে তিনি কি বলেছিলেন। তিনি বলেছেন “এই যে জ্ঞানের অগ্রগতিতে বাধা, মনের অদম্য স্পৃহায় আঘাত, আত্মার অতৃপ্তি, ইহারই প্রতিক্রিয়া মানুষের ধর্মকর্মে শৈথিল্য” এখানে খেয়াল করে দেখবেন আরজ আলী মাতুব্বর কিন্তু কোথাও উল্লেখ করেনি এটা শুধুই ইসলাম ধর্মের ক্ষেত্রে প্রযোয্য। তিনি বলেছেন “ধর্মকর্মে শৈথিল্য” কোন ধর্মে তা কিন্তু তিনি বলেননি। আর লেখক আরিফ আজাদের ধারনা সব ধর্মেই কমবেশি এই বিষয়টি থাকলেও ইসলাম ধর্মে তার ছিটেফোটাও নেই। কথা হচ্ছে যদি ইসলাম ধর্মে এই রকম কোন বিষয় নাই থাকে তাহলে তিনি কেন গায়ে পড়ে এতো এতো উদাহরণ দিয়ে তা আবার নতুন করে প্রমাণ করতে যাবে যে “আরজ আলী মাতুব্বর” মিথ্যা কথা বা ভূল কথা বলে গিয়েছেন সেই ৪০ থেকে ৫০ বছর আগে? লেখক আরিফ আজাদের দাবি “কিন্তু ইসলামের ইতিহাসে এ রকম কোনো ঘটনা নেই যেখানে ইসলাম জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চায় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে” তার প্রমাণ দেখুন, আপনি যদি সাইন্স ফিকশান, হিস্টোরিক্যাল, মিথলোজির কোন বই পড়েন তাহলে এগুলোতে অনেক সময় কুফরি (ইসলামিক পাপ কাজ) বিষয় নিয়েও লেখা থাকে যা ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক ।অনেক ক্ষেত্রে তা ঈমান-আকিদা নষ্টের ‘কারণ’ হয় এবং নাস্তিকতার প্রতি ধাবিত করে।পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন,’ “মানুষের মধ্যে এমন ব্যক্তিও আছে যে অর্থহীন ও বেহুদা গল্প কাহিনী খরিদ করে, যাতে করে সে (মানুষদের নিতান্ত) অজ্ঞতার ভিত্তিতে আল্লাহ তাআলার পথ থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে, সে একে হাসি, বিদ্রুপ, তামাশা হিসেবেই গ্রহণ করে; তাদের জন্য অপমানকর শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে।” আল কোরান–সূরা লোকমান আয়াত ০৬।

এরপরে লেখক আরিফ আজাদের তথ্য “বরং ইসলাম বরাবরই জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চায় উদ্বুদ্ধ করে এসেছে। বিজ্ঞানে মুসলিমদের অবদান সর্বজনবিদিত। চিকিৎসাবিজ্ঞান, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞানে মুসলিম বিজ্ঞানীদের রয়েছে অভূতপূর্ব অবদান” এটা আমার কাছে হাস্যকর একটি যুক্তি মনে হয়েছে, কারণ ইসলাম যে বরাবরই জ্ঞান-বিজ্ঞানের চার্চায় উদ্বুদ্ধ কিভাবে করে এসেছে মানুষকে সেটাতো আমরা দেখলামই ৫ম পর্বে। লেখক আরো বলেছেন এই কথা নাকি সর্বজনবিদিত। কিন্তু আজ পর্যন্ত পৃথিবীর কোন বিখ্যাত সায়েন্স জার্নালে কোন ইসলামিক বিজ্ঞানীর রিসার্চ বা এমন কোন গবেষণা ধর্মী বিষয়ে কারো লেখা আমাদের চোখে পড়েনি যেখানে সেই লেখক উল্লেখ করেছে আমি ইসলাম ধর্ম পালন করে এই জ্ঞানের অধিকারী হয়েছি। লেখক আরিফ আজাদ আরো বলেছেন চিকিৎসাবিজ্ঞানে অভূতপুর্ব অবদানের কথা। আসুন একটু দেখি কেমন অভূতপুর্ব অবদান। এখানে কোরানের একটি আয়াত দেখুন, “মানুষ বোঝার চেষ্টা করুক কি থেকে তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে। তাহাকে সৃষ্টি করা হয়েছে বেগবান পানি হতে, যাহা পিঠ (মেরুদণ্ড) ও পাঁজরের অস্থিসমূহ হতে বাহির হয়’। ( সুরা তারিক, আয়াত ৫-৭)। এই আয়াতেও হিপোক্রেটিস্রে ভুল বক্তব্যের (কিডনির পাশ থেকে বীর্য বের হওয়া) রেশ দেখা যায়। যদিও এই আয়াতগুলির পিছনে যুক্তি দেখানো হয় যেহেতু ভ্রুণ অবস্থায় শুক্রাশয় (Testis) পিঠের (মেরুদণ্ড) কাছাকাছি থাকে এবং পরে তা অণ্ডকোষের থলেতে (Scrotum) নেমে আসে, অতএব ‘পিঠের ও বক্ষের (পাঁজর) অস্থিসমূহ’ বলতে শুক্রাশয় বোঝানো হয়েছে। একে আসলে ‘যুক্তি’ না বলে ‘অপযুক্তি’ যা চিকিৎসা বিজ্ঞানে অভূতপুর্ব অবদান কিভাবে বলবে লেখক আরিফ আজাদ আমি বুঝতে পারলাম না।

এরপরে লেখক বলেছেন “পদার্থবিজ্ঞানে মুসলিম বিজ্ঞানীদের রয়েছে অভূতপূর্ব অবদান” এখানে বলতেই হয় পবিত্র কোরানে বেশ কয়েক যায়গায় বলা আছে “আকাশ সুবিন্যাস্ত ছাদ” ছাদ যেহেতু বলা হচ্ছে সেহেতু এটি একটি পদার্থ । আর যে পদার্থ বিজ্ঞানী বলে থাকে আকাশ একটি পদার্থ তাকে লেখক আরিফ আজাদ পদার্থবিজ্ঞানী মানতে পারে এই সচেতন পৃথিবীর সাধারন মানুষ কিভাবে মানবে ? কয়েকটি কোরানের আয়াত এখানে দিচ্ছি, (আল কোরান আয়াত ২২,৬৫) “তিনি আকাশ স্থির রাখেন, যাতে তার আদেশ ব্যাতীত ভূপৃষ্ঠে পতিত না হয়। নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের প্রতি করুনাশীল, দয়াবান”। আরো দেখুন (আল কোরান আয়াত ৩৪,৯) “আমি ইচ্ছা করলে তাদের সহ ভূমি ধসিয়ে দেবো অথবা আকাশের কোন খন্ড তাদের উপর পতিত করব।“ আরো দেখুন আকাশে নাকি কোন ছিদ্র নেই (আল কোরান আয়াত ৫০,৬) তারা কি তাদের উপস্থিতি আকাশের পানে দৃষ্টিপাত করে না আমি কিভাবে তা নির্মান করেছি সুশোভিত করেছি। তাতে কোন ছিদ্রও নেই” আপাতত আমি এখানে আর পদার্থ বিজ্ঞানের ইসলামিক নমুনা দিচ্ছি না। চলে যাচ্ছি পরের উক্তিতে।

এরপরে লেখক বলেছেন “অন্ধকার ইউরোপে সর্বপ্রথম আলোকবর্তিকা হাতে ইসলাম প্রবেশ করেছে। বিজ্ঞান, দর্শন, সাহিত্য—সবখানে মুসলিমদের ছিল জয়জয়কার। এটাও যে একটি হাস্যকর যুক্তি তা প্রামণ করবে ইসলামী স্কলাররাই। আমরা সবাই জানি ডাঃ মরিস বুকাইলিকে নিয়ে ইসলাম ধর্মে একটি গুঞ্জন বহু আগে ছিলো। কিন্তু যখন তার আসল খবর বিশ্ববাসী জানতে পারলো তখন সব পরিষ্কার হয়ে গেলো। আমি সেই “মরিস বুকাইলি” কে নিয়ে কোন কথা বলবো না তবে মরিস বুকাইলির ইসলাম ধর্ম গ্রহন ও কোরানে বিশ্বাস নিয়ে একটি ধারনা বিভিন্ন ইসলামিক স্কলাররা প্রচার করে আসতো সেটা হচ্ছে “একটা সময় ইউরোপে সব চেয়ে নিচু জাতি মনে করা হতো আরব্য বেদূঈন জাতি মুসলিমদের। তারা এখানে সবচেয়ে ছোট কাজ গুলা করতো দেখে ইউরোপীয়রা মনে করতো এরা জ্ঞানের দিক থেকে বঞ্চিত একটি জাতি। এরকম সময় ডা. মরিস বুকাইলি নাকি চিন্তা করলো এদের ধর্ম গ্রন্থ আল-কোরান তাহলে ভুল প্রামণ করা সহজ হবে তাই সে কোরান রিসার্চ করা শুরু করেছিলো। একটা সময় যখন কোরানের সব আয়াত তার কাছে সঠিক মনে হলো তখন নাকি সে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছিলো”। এখানে ৯৫% আসলে ভুল এবং মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন বিভিন্ন সময়ের আরিফ আজাদের মতো লেখক ও ইসলামিস্টরা ইসলাম ধর্মকে প্রচারের জন্য। শুধু ইউরোপে যে মুসলমান সম্প্রদায়কে কখনও জ্ঞানী সম্প্রদায় মনে করা হতো না এই কথাটি বাদে। তাহলে কথা হচ্ছে এই লেখক আরিফ আজাদ কোন সময়ের কথা বলতে চাচ্ছে যখন ইউরোপকে মুসলিমরা অন্ধকার মনে করে আলোকবর্তিকা (জ্ঞান) হাতে করে আলো দিতে প্রবেশ করেছিলো ইউরোপে ?

ইতিহাসের পাতা থেকে কিন্তু আমরা এর ঠিক উলটা ব্যাখ্যা পায়। আমরা জানি ইসলাম ধর্মের আবির্ভাব মক্কাতে ৬১২ খৃস্টাব্দে নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর নব্যুয়াত বা কোরান নাজিল স্টার্ট হবার পর থেকে বা ১৪০০ বছর আগে থেকে। এর আগে কি ইউরোপে মানুষ ছিলো না। আসল কথা হচ্ছে ইউরোপ থেকেই বরফ যুগের পরে হোমোস্যাপিয়েন্স এর পৃথিবী বিজয় শুরু হয়েছিলো আজ থেকে ২০ হাজার বছর আগে। পৃথিবীর প্রথম মানব সভ্যতা গড়ে উঠেছিলো আজ থেকে ৫ হাজার বছর আগে এই ইউরোপের মধ্যেই। প্রাচীন শহর ও জ্ঞান বিজ্ঞানের সুত্রপাতও ঘটেছে ইউরোপের রোমান সভ্যতায়। মক্কা থেকে খুব বেশি দূরে না লোহীত সাগরের অপর পাড়েই ছিলো মিশরীয় সভ্যতা যা খৃস্টপুর্বাব্দ ২৫০০ সাল থেকে ৩০০০ সালের অর্থ্যাৎ আজ থেকে ৪৫০০ থেকে ৫০০০ বছর পুর্বে মিশরীয়রা যে পিরামিড তৈরি করে গিয়েছে তা আজ পর্যন্ত জ্ঞানী গুনী আর্কিওলজিস্টদের জ্ঞানের খোরাক যোগাচ্ছে। এখন পর্যন্ত পৃথিবীর মানুষ তা তৈরি করার কথা সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেনা। খ্রিস্টপুর্বাদ ২০০০ সালের দিকে তৈরি হওয়া নগরী “ব্যাবিলন” যা ইউফ্রেতিস ও টাইগ্রিস নদীর তীরে গড়ে উঠেছিলো তাও ছিলো ইউরোপের মধ্যে। এখন পর্যন্ত আমি ৪০০০ বছর আগে এসছি যার আরো ২৬০০ বছর পরে ইসলামের সুত্রপাত হয়েছিলো এই পৃথিবীতে আজ থেকে মাত্র ১৪০০ বছর আগে। তাহলে সেই ইসলামের বিজ্ঞানীরা কিভাবে দেখতে পেলো যে ইউরোপ অন্ধকারে পড়ে আছে ? সবশেষে লেখক আরিফ আজাদ বলেছিলেন “সবখানে মুসলিমদের ছিল জয়জয়কার” কিন্তু কোথায় এই জয়জয়কারটা ছিলো তিনি বলেনি।

লেখক আরিফ আজাদের পরের উক্তি হচ্ছে “আল-কুরআনে জ্ঞানার্জনের প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। আল-কুরআন নাজিলের প্রথম যে শব্দ, সেই শব্দ ছিল—পড়ো। যে জানে এবং যে জানে না তাদের মধ্যকার পার্থক্য নির্ণয় করতে গিয়ে কুরআন বলেছে—“যারা জানে আর যারা জানে না তারা কি কখনো সমান হতে পারে?” সুন্দর একটি পার্থক্য টেনে কুরআন বুঝিয়ে দিলো যে, যারা জানে তারা উত্তম তাদের চেয়ে, যারা জানে না” এই উক্তিটি দিয়ে তিনি কি বোঝাতে চাইলেন বোঝা গেলোনা। এখানে লেখক কোরানের যে আয়াতের কথা বলছেন সেই মতবাদ একটি প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষার্থীও কোরান না পড়েই মেনে নিবে এর জন্য কোরানের জ্ঞান থাকার দরকার আছে বলে মনে হয়না। লেখক আরিফ আজাদ এরপরেই বলেছে “বিজ্ঞান চর্চায় মুসলিমদের ইসলামের ইতিহাসের দিকে তাকালে এমন বহু মুসলিম বিজ্ঞানীর না্ম দেখতে পাই যারা তাদের কর্মের মাধ্যমে বিজ্ঞান, দর্শনজগতে অবদান রেখেছিলেন। তাদের নাম সারা বিশ্বের মানুষ স্মরণ রেখেছে” উল্লেখ্য, মুসলিম বিজ্ঞানীদের নাম কিভাবে হয়েছে এই পৃথিবীতে আর তারা কারা বা তাদের নাম কি করে এতো মানুষ জেনেছে আর কোন কোন জার্নালে তাদের রিসার্চ প্রকাশ পেয়েছে আর কি কি রিসার্চ তারা করেছে এমন কোন তথ্য লেখক আরিফ আজাদ তার বই এর এই অধ্যায়ে বা সম্পুর্ণ বই এর কোথাও দেয়নি। এখানে এমন কোন মুসলিম বিজ্ঞানীর নামও উল্লেখ করা নেই যে তার অবদানের কথা আমরা একটু আলাপ আলোচনা করে দেখবো। আসলে কি আছে এমন কোন মুসলিম বিজ্ঞানী ? নাকি লেখক আরিফ আজাদ তার বই এর পাঠকদের ব্রেন ওয়াশ করার জন্য এমন কথা এখানে যোগ করেছেন। এবং তাদের নাম আজ সারা বিশ্বের মানুষ কিভাবে স্মরণ করে রেখেছে তা্ও কিন্তু বোঝা গেলো না। বাকি অংশ পরের পর্বে।

বইটিতে ২১ ও ২২ পৃষ্ঠা যেভাবে আছে তা দেখতে লিংক গুলা দেখুন।
পৃষ্ঠা ২১ http://i66.tinypic.com/2z4fgio.jpg
পৃষ্ঠা ২২ http://i66.tinypic.com/ilj2qb.jpg

মৃত কালপুরুষ
০৩/০৩/২০১৮

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মৃত কালপুরুষ
মৃত কালপুরুষ এর ছবি
Offline
Last seen: 19 ঘন্টা 54 min ago
Joined: শুক্রবার, আগস্ট 18, 2017 - 4:38অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর