নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

মোহাম্মদের অাল্লাহর ফাঁসি চাই!


খুব সম্ভবত 2017 সালের জুলাই মাসে এটি পোস্ট করেছিলাম অামার গোপন অাইড "বিশ্বাস মন্ডল" থেকে। সে অাইডি এখন গায়েব, কিন্তু লেখাটি রয়ে গেছে গুগল ড্রাইভে। সেখান থেকে কপি করে রি-পোস্ট করলাম।
=====================
মোহাম্মদের অাল্লার ফাঁসি চাই!

অামি অামার জানামতে কোনদিন কাউকে ঠকাইনি। মোনাফেকী, প্রতারণা, পরশ্রীকাতরতা এসবের কিছুই ছিলনা অামার মধ্যে। পড়াশোনা করেছি কওমি মাদ্রাসায়, এবং মোল্লাগিরির সর্বোচ্চ শিখরে অারোহণ করে সুখে এবং শান্তিতে কালাতিপাত করছিলাম। মোহাম্মদের অাল্লাহ হেদায়াত এবং গোমরাহ করার মালিক, তার হুকুম ছাড়া গাছের পাতাও নড়েনা। মাদ্রাসায় পড়াকালীন সময়ে অন্যান্য দরবেশদের ন্যায় রাত্রিতে তাহাজ্জুদ পড়ে জুনিয়র ক্লাসের ছাত্রদের মশারিতে ঢুকতাম না। দরবেশদেরকে বলতাম - অাকাম করবি কর, কিন্তু অতিসাধুর ভাব ধরে জুনিয়র ছাত্রদের পায়ু মাড়াস ক্যান? দরবেশরা লা-জওয়াব! সর্বদা নৈতিক জীবন যাপন করতাম। নারী অধিকার সম্পর্কে অন্যান্য মোল্লাদের চেয়ে সচেতন ছিলাম। অল্প বয়সে এক সম্ভ্রান্ত ধার্মিক পরিবারের বালিকা বধূ বিয়ে করে নিয়ে অাসলাম। কথা-বার্তা, রূপ, গুণ কোনদিকেই স্ত্রী কম ছিলনা। বাসর রাতেই স্ত্রীকে বললাম, তুমিও অামার মত পরিপূর্ণ মানুষ, অধিকারেও সমান। অামি তোমাকে একটা চড় দিলে তুমিও পাল্টা চড় দেবে অামাকে। অতি সাধের স্ত্রী লাই পেয়ে গাছের মগডালে চড়েছে, তাতে অামার অাপত্তি নেই, অামি তথাকথিত লুঙ্গিবাবা মার্কা নারীবাদী কোনকালেই ছিলাম না।
প্রথমদিকে মনে করতাম, অামি কত ভালো, অামি অামার স্ত্রীকে স্বাধীনতা দিচ্ছি!
বাংলাদেশ প্রতিদিনে একবার তসলিমা নাসরিনের একটি লেখা পড়েছিলাম। এরপরই অামার ভাবনার জগত পাল্টে গেল, অামি বুঝতে পারলাম নারী-স্বাধীনতার ভাবনাতে অামি কত বোকা ছিলাম!
স্ত্রীকে স্বাধীনতা দেয়ার মালিক কোন হাজবেন্ড নয়, বরং প্রতিটি নারী এবং পুরুষ জন্মগতভাবেই স্বাধীন।
অামি স্ত্রীকে স্বাধীনতা দেয়ার কেউ নই, স্বাধীনতা তার জন্মগত অধিকার (যদিও মুমিনা রমণীকুল স্বাধীনতা চায় না!)

নারী স্বাধীনতা পুরুষের দেয়া দয়া-দাক্ষিণ্য কিংবা উপহার নয়, বরং নারী স্বাধীনতা হরণ করার কারণে পুরুষজাতির অধিকাংশ সদস্যই অপরাধী। যদিও নারীদের বড় একটি অংশ এখন স্বাধীনতা নিতেও অস্বীকার করছে, তারা বোরকাবন্দি হয়ে থাকতে পছন্দ করছে! তারা পুরুষতন্ত্রের ফাঁদে পা দিতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে!

বিবাহের পূর্বে ও পরে অামি এবং অামার স্ত্রী অন্য কারো সাথে কোন শারীরিক সম্পর্কে জড়াইনি, অামাদের মধ্যে বোঝাপড়া ছিল চমৎকার। একটা সমাজের অতি সম্মানিত হুজুর অামি, হাজারো লোক চেনে অামাকে। এতকিছুর পরেও অামি কেন অাজ একা? এত ভালোবাসাবাসির পরেও কেন স্ত্রী অাজ অামাকে শর্ত দিয়ে দূরে সরিয়ে রাখছে? এজন্যই মোহাম্মদের অাল্লার ফাঁসি চাই। মোহাম্মদের অাল্লাহ বহুগামী লম্পট মোহাম্মদের জন্য অায়াত নাজিল করলো, কিন্তু অামার জন্য কোন অায়াত নাজিল করলোনা! দেখুন অাল্লাহ কি করেছে :-

يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُل لِّأَزْوَاجِكَ إِن كُنتُنَّ تُرِدْنَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا وَزِينَتَهَا فَتَعَالَيْنَ أُمَتِّعْكُنَّ وَأُسَرِّحْكُنَّ سَرَاحًا جَمِيلًا ﴿٢٨﴾ وَإِن كُنتُنَّ تُرِدْنَ اللَّـهَ وَرَسُولَهُ وَالدَّارَ الْآخِرَةَ فَإِنَّ اللَّـهَ أَعَدَّ لِلْمُحْسِنَاتِ مِنكُنَّ أَجْرًا عَظِيمًا ﴿٢٩﴾ يَا نِسَاءَ النَّبِيِّ مَن يَأْتِ مِنكُنَّ بِفَاحِشَةٍ مُّبَيِّنَةٍ يُضَاعَفْ لَهَا الْعَذَابُ ضِعْفَيْنِ ۚ وَكَانَ ذَٰلِكَ عَلَى اللَّـهِ يَسِيرًا ﴿٣٠﴾ ২৮-২৯. হে নবী! তুমি তোমার স্ত্রীদের বলো, ‘তোমরা যদি পার্থিব ভোগবিলাস কামনা করো, তাহলে এসো, আমি তোমাদের বিলাস-সামগ্রীর ব্যবস্থা করে দেই এবং সৌজন্যের সাথে তোমাদের বিদায়ের ব্যবস্থা করি। আর তোমরা যদি আল্লাহ, তাঁর রসুল এবং পরকালীন জীবনের সাফল্য চাও, তাহলে (মনে রেখো) তোমাদের মধ্যে যারা সৎকর্ম করবে, আল্লাহ তাদের জন্যে মহাপুরস্কার প্রস্তুত করে রেখেছেন।’ ৩০. হে নবীপত্নীগণ! তোমাদের মধ্যে কেউ প্রকাশ্য অশ্লীল কাজ করলে তার শাস্তি হবে (অন্য পাপীদের চেয়ে) দ্বিগুণ। আর আল্লাহর জন্যে এটা করা খুবই সহজ। (সূরা আহজাব)

يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِنَّا أَحْلَلْنَا لَكَ أَزْوَاجَكَ اللَّاتِي آتَيْتَ أُجُورَهُنَّ وَمَا مَلَكَتْ يَمِينُكَ مِمَّا أَفَاءَ اللَّـهُ عَلَيْكَ وَبَنَاتِ عَمِّكَ وَبَنَاتِ عَمَّاتِكَ وَبَنَاتِ خَالِكَ وَبَنَاتِ خَالَاتِكَ اللَّاتِي هَاجَرْنَ مَعَكَ وَامْرَأَةً مُّؤْمِنَةً إِن وَهَبَتْ نَفْسَهَا لِلنَّبِيِّ إِنْ أَرَادَ النَّبِيُّ أَن يَسْتَنكِحَهَا خَالِصَةً لَّكَ مِن دُونِ الْمُؤْمِنِينَ ۗ قَدْ عَلِمْنَا مَا فَرَضْنَا عَلَيْهِمْ فِي أَزْوَاجِهِمْ وَمَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُمْ لِكَيْلَا يَكُونَ عَلَيْكَ حَرَجٌ ۗ وَكَانَ اللَّـهُ غَفُورًا رَّحِيمًا ﴿٥٠﴾ ৫০. হে নবী! আমি তোমার জন্যে বৈধ করেছি তোমার স্ত্রীদের, যাদের দেনমোহর তুমি প্রদান করেছ এবং বৈধ করেছি দাসীদের, যাদের আল্লাহ তোমার অধিকারভুক্ত করেছেন। তোমার বিয়ের জন্যে বৈধ করেছি তোমার চাচাতো, ফুফাতো, মামাতো, খালাতো বোনদেরকে, যারা তোমার সাথে হিজরত করেছে। এ-ছাড়া কোনো বিশ্বাসী নারী যদি নবীর নিকট নিজেকে নিবেদন করতে চায় এবং নবী তাকে বিয়ে করতে চাইলে সে-ও বৈধ। এ বিশেষ নিয়মগুলো শুধু তোমার জন্যে, যাতে তোমার কোনো অসুবিধা না হয়। এটি অন্য বিশ্বাসীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। বিশ্বাসীদের স্ত্রী ও তাদের দাসীদের ব্যাপারে আমি যা নির্ধারণ করেছি, তা পূর্বেই আমি জানিয়েছি। নিশ্চয়ই আল্লাহ অতীব ক্ষমাশীল, পরমদয়ালু। (সূরাআহজাব)

تُرْجِي مَن تَشَاءُ مِنْهُنَّ وَتُؤْوِي إِلَيْكَ مَن تَشَاءُ ۖ وَمَنِ ابْتَغَيْتَ مِمَّنْ عَزَلْتَ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْكَ ۚ ذَٰلِكَ أَدْنَىٰ أَن تَقَرَّ أَعْيُنُهُنَّ وَلَا يَحْزَنَّ وَيَرْضَيْنَ بِمَا آتَيْتَهُنَّ كُلُّهُنَّ ۚ وَاللَّـهُ يَعْلَمُ مَا فِي قُلُوبِكُمْ ۚ وَكَانَ اللَّـهُ عَلِيمًا حَلِيمًا ﴿٥١﴾ لَّا يَحِلُّ لَكَ النِّسَاءُ مِن بَعْدُ وَلَا أَن تَبَدَّلَ بِهِنَّ مِنْ أَزْوَاجٍ وَلَوْ أَعْجَبَكَ حُسْنُهُنَّ إِلَّا مَا مَلَكَتْ يَمِينُكَ ۗ وَكَانَ اللَّـهُ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ رَّقِيبًا ﴿٥٢﴾
৫১. তোমার স্ত্রীদের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা (কিছু সময়ের জন্যে) দূরে রাখতে পারো আবার যাকে ইচ্ছা কাছে আনতে পারো। যাকে দূরে রেখেছ, তাকে আবার কাছে আনতেও কোনো দোষ নেই। এ নিয়মে ওদের খুশি করা সহজ হবে আর (মাঝে মাঝে তোমাকে না দেখলেও) দুঃখিত হবে না। তখন তুমি তাদেরকে যা দেবে তাতেই তারা তৃপ্ত হবে। শুধু আল্লাহই জানেন তোমার অন্তরে যা আছে। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, অতিসহনশীল। ৫২. এরপর অন্য কোনো নারী বিয়ে করা তোমার জন্যে বৈধ নয়। কারো সৌন্দর্যে মুগ্ধ হলেও তোমার স্ত্রীদের পরিবর্তে অন্য কাউকে স্ত্রীরূপে গ্রহণ করাও বৈধ নয়। তবে অধিকারভুক্ত দাসীদের ব্যাপারে এ নিয়ম প্রযোজ্য নয়। বস্তুত আল্লাহ সবকিছুই নজরে রাখেন। (সূরা আহজাব)

>> পুত্রবধূ পর্যন্ত অাল্লাহ নিজেই মোহাম্মদের সাথে বিয়ে দিল! এবং মোহাম্মদ যে মনেমনে জয়নবকে মোহাব্বত করতো তা-ও অাল্লাহ অকপটে প্রকাশ করেছে :-
وَإِذْ تَقُولُ لِلَّذِي أَنْعَمَ اللَّـهُ عَلَيْهِ وَأَنْعَمْتَ عَلَيْهِ أَمْسِكْ عَلَيْكَ زَوْجَكَ وَاتَّقِ اللَّـهَ وَتُخْفِي فِي نَفْسِكَ مَا اللَّـهُ مُبْدِيهِ وَتَخْشَى النَّاسَ وَاللَّـهُ أَحَقُّ أَن تَخْشَاهُ ۖ فَلَمَّا قَضَىٰ زَيْدٌ مِّنْهَا وَطَرًا زَوَّجْنَاكَهَا لِكَيْ لَا يَكُونَ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ حَرَجٌ فِي أَزْوَاجِ أَدْعِيَائِهِمْ إِذَا قَضَوْا مِنْهُنَّ وَطَرًا ۚ وَكَانَ أَمْرُ اللَّـهِ مَفْعُولًا ﴿٣٧﴾
৩৭. স্মরণ করো! (হে নবী!) আল্লাহ যাকে অনুগ্রহ করেছেন এবং তুমিও তাকে অনুগ্রহ করেছ, তাকে তুমি বলেছিলে, ‘তুমি তোমার স্ত্রীকে তোমার কাছে রেখো এবং আল্লাহকে ভয় কর।’ তখন তুমি তোমার অন্তরে যা লুকিয়েছিলে, আল্লাহ তা প্রকাশ করে দিয়েছেন। তুমি লোকনিন্দার ভয় করেছিলে, অথচ আল্লাহর (বিরাগভাজন হওয়ার) ভয় করাই ছিল তোমার জন্যে অধিক যুক্তিযুক্ত। তারপর জায়েদ যখন জয়নবের সাথে সহবাস করলো তখন আমি তাকে তোমার সাথে বিবাহসূত্রে আবদ্ধ করলাম। এর কারণ ছিল, ভবিষ্যতে বিশ্বাসীদের দত্তকপুত্ররা নিজ স্ত্রীর সাথে বিবাহ-সম্পর্ক ছিন্ন করলে, সেই রমণীকে বিয়ে করতে বিশ্বাসীদের যেন কোনো বাধা না থাকে। আল্লাহর নির্দেশ অবশ্যই পালিত হবে। (সূরা আহজাব)

>> অামার স্ত্রী মোহাম্মদের পরিপূর্ণ দিওয়ানা, অামিও একসময় মোহাম্মদকে ভালোবাসতাম। এতক্ষণ সবই ঠিক ছিল, কিন্তু অাল্লা হারামজাদা সবকিছুর মধ্যে ভেজাল করে দিল - সে অামাকে পথভ্রষ্ট করে দিল, কোরঅানের মাধ্যমেই অাল্লাহ অামাকে ইসলামের প্রতি ঘৃণার সৃষ্টি করলো। অার অাল্লাহ নাকি এই খেলাটা খেলে মজাও পায়! দেখুন কি বলছে অাল্লাহ হারামি :-
وَمَن يَهْدِ اللَّـهُ فَمَا لَهُ مِن مُّضِلٍّ ۗ أَلَيْسَ اللَّـهُ بِعَزِيزٍ ذِي انتِقَامٍ ﴿٣٧﴾
৩৭. আর আল্লাহ যাকে সৎপথ প্রদর্শন করেন, কেউ তাকে পথভ্রষ্ট করতে পারে না। আল্লাহ কি মহাপরাক্রমশালী (ও অন্যায়ের) শাস্তিদাতা নন? (সূরা জুমার)

مَن يَهْدِ اللَّـهُ فَهُوَ الْمُهْتَدِ ۖ وَمَن يُضْلِلْ فَلَن تَجِدَ لَهُ وَلِيًّا مُّرْشِدًا ﴿١٧﴾
১৭. আল্লাহ যাকে সৎপথে পরিচালিত করেন, সে সৎপথ পায়। আর (পাপাচারের কারণে) আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট হতে দেন, তার জন্যে তুমি কোনো পথপ্রদর্শক পাবে না। (সূরা কাহাফ)

إِنَّكَ لَا تَهْدِي مَنْ أَحْبَبْتَ وَلَـٰكِنَّ اللَّـهَ يَهْدِي مَن يَشَاءُ ۚ وَهُوَ أَعْلَمُ بِالْمُهْتَدِينَ ﴿٥٦﴾
৫৬. (হে নবী!) তুমি চাইলেই কাউকে সৎপথে আনতে পারবে না। তবে যে ইচ্ছা করে, আল্লাহ তাকে সৎপথে আনেন। আর তিনি ভালো করেই জানেন কারা সৎপথ অনুসরণ করতে চায়। (সূরা কাসাস)
يُضِل
بِهِ كَثِيرً‌ا وَيَهْدِي بِهِ كَثِيرً‌ا ۚ وَمَا يُضِلُّ بِهِ إِلَّا الْفَاسِقِينَ ﴿٢٦﴾
২৬. এভাবে (কোরঅানের উদাহরণের মাধ্যমে) অনেককে তিনি (অাল্লাহ) পথভ্রষ্ট করেন আর অনেককে  সত্যপথে পরিচালিত করেন। অবশ্য ফাসেক বা সত্য পরিত্যাগকারী ছাড়া কাউকে আল্লাহ পথভ্রষ্ট হতে দেন না। (সূরা বাকারা)

>> নাস্তিকদের লেখা পড়ে নয়, কোরঅান পড়েই অামি ইসলাম ত্যাগ করেছি। অাল্লাহ নিজে অামাকে এক্স মুসলিম বানিয়েছে, অাল্লাহই অামাকে ইসলামনিরোধী লেখার জন্য উস্কানি দিয়েছে। সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার অাশংকায় স্ত্রীকে কিছু বলিনি। কুটনা অাল্লাহ এখানেও ভেজাল লাগিয়ে দিল - অনলাইনে ইসলামের বিপক্ষের সকল লেখা স্ত্রীর কাছে প্রকাশ হয়ে গেল! কুটনামিতে অাল্লাহর নামযশ ভালো, দেখুন সূরা তাহরীম :- 
وَإِذْ أَسَرَّ النَّبِيُّ إِلَى
ٰ بَعْضِ أَزْوَاجِهِ حَدِيثًا فَلَمَّا نَبَّأَتْ بِهِ وَأَظْهَرَهُ اللَّـهُ عَلَيْهِ عَرَّفَ بَعْضَهُ وَأَعْرَضَ عَن بَعْضٍ ۖ فَلَمَّا نَبَّأَهَا بِهِ قَالَتْ مَنْ أَنبَأَكَ هَـٰذَا ۖ قَالَ نَبَّأَنِيَ الْعَلِيمُ الْخَبِيرُ ﴿٣﴾
৩. স্মরণ করো! নবী তার স্ত্রীদের একজনকে একান্তে কিছু বলেছিল। তারপর সেই স্ত্রী তা অন্যকে বলে দেয় আর আল্লাহ নবীকে তা জানিয়ে দেন। তখন নবী সেই স্ত্রীকে এর কিছু বিষয়ে সতর্ক করল, কিছু বিষয় এড়িয়ে গেল। নবী সেই স্ত্রীকে কিছু বলার পর স্ত্রী তাকে জিজ্ঞেস করল, ‘কে একথা জানাল?’ নবী বলল, ‘আমাকে জানিয়েছেন তিনি, যিনি সর্বজ্ঞ, সম্যক-অবগত।’ (সূরা তাহরিম)

>> কুটনামির মাধ্যমে অাল্লাহ অামার ধর্মহীনতা অামার স্ত্রীর কাছে ফাঁস করে দিয়ে অামাকে বিরহী বানিয়েছে! স্ত্রী শর্ত দিয়েছে, মোহাম্মদকে মন থেকে নবী মানলে সংসার করবে, নয়তো করবেনা। মোহাম্মদের অাল্লাহ সপ্তম অাকাশের উপর বসে ক্রুর হাসি হাসছে! অার অামি অামার বাসায় কোলবালিশকে সঙ্গে নিয়ে ঘুমাই। অাল্লাহ হারামি তো Gay, এজন্য তার কোন চিন্তা নেই। অাল্লাহর কারণে অাল্লাহর পেয়ার বান্দা তেঁতুল হুজুররা সবাই ছাত্রমৈথুন করে যৌবনে, শুধু অামার মত কিছু খোদাদ্রহীই গে হয়না। অামি কোনদিনই হোমোসেক্সুয়াল নই, সো অামার কষ্ট কি অাল্লাহ বুঝবে? লুচ্চা নবীর লুচ্চা অাল্লাহ কি অামার স্ত্রীকে বিয়ে করবি, নাকি মোহাম্মদকে হাদিয়া দিবি? অামার রাতগুলি অাজ শেষ হয়না, অামার দিনগুলি যেন অার কাটেনা। প্রতিদিন ভোর হয়, কিন্তু তা যেন অামার জন্য নয়! গাছে ফুল ফোটে, পাখি গান গায়, কিন্তু কিছুই যেন অামার জন্য নয়! অামার চরম সর্বনাশকারী অাল্লাহর ফাঁসি চাই!!!

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মুফতি মাসুদ
মুফতি মাসুদ এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 6 দিন ago
Joined: সোমবার, আগস্ট 14, 2017 - 6:00অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর