নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

বাংলাদেশ সেনারা জাতিসংঘ মিশনে দেবতা! বাংলাদেশ সেনারা পাহাড়ে ধর্ষক আর হত্যাকারী? পর্ব - ৩


বাংলাদেশ সেনারা জাতিসংঘ মিশনে দেবতা!
বাংলাদেশ সেনারা পাহাড়ে ধর্ষক আর হত্যাকারী?
লেখাটি বড় বিধায় ৬-পর্বে বিভক্ত : পর্ব-৩
:
বাংলাদেশের জনমিতি অনুসারে এখানে বাঙালি ৯৮.৯%, ক্ষুৃদ্র নৃগোষ্ঠী ১.১%। বাংলা ভাষিক ৯৮.৮%, মুসলিম জনসংখ্যা ৮৯%, হিন্দু ১০%, বৌদ্ধ ০.৬%, খৃস্টান ০.৩%। পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসেবে বাংলাদেশে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা ২৭টি। এগুলো হচ্ছে: চাকমা (৪ লক্ষ ৪৪ হাজার ৭৪৮ জন); মারমা (২ লক্ষ ২ হাজার ৯৭৪ জন); ত্রিপুরা (১ লক্ষ ৩৩ হাজার ৭৯৮ জন); ম্রো (৩৯ হাজার ৪ জন); তঞ্চ্যঙ্গা (৪৪ হাজার ২৫৪ জন); বম (১২ হাজার ৪২৪ জন); পাঙ্খুয়া (দুই হাজার ২৭৪ জন);
চাক (দুই হাজার ৮৩৫ জন); খেয়াং (তিন হাজার ৮৯৯ জন); খুমি (তিন হাজার ৩৬৯ জন); লুসাই (৯৫৯ জন); কোচ (১৬ হাজার ৯০৩ জন); সাঁওতাল (১ লক্ষ ৪৭ হাজার ১১২ জন); ডালু (৮০৬ জন);
উসাই (৩৪৭ জন); রাখাইন (১৩ হাজার ২৫৪ জন); মণিপুরী (২৪ হাজার ৬৯৫ জন); গারো (৮৪ হাজার ৫৬৫ জন); হাজং (৯ হাজার ১৬২ জন); খাসিয়া বা খাসি (১১ হাজার ৬৯৭ জন); মং (২৬৩ জন);
ওঁরাও (৮০ হাজার ৩৮৬ জন); বর্ম্মন (৫৩ হাজার ৭৯২ জন); পাহাড়ি (পাঁচ হাজার ৯০৮ জন); মালপাহাড়ি (দুই হাজার ৮৪০ জন); মুন্ডা (৩৮ হাজার ২১২ জন); কোল (২ হাজার ৮৪৩ জন)।
:
চাকমা কারা কি তাদের পরিচয়?
--------------------------------------
চাকমারা মূলত ছিল মধ্য মায়ানমার ও আরাকান এলাকার অধিবাসী। এ ছাড়াও তারা চট্টগ্রাম ও আরাকানের পাহাড়ি অঞ্চলে এককালে বসবাসকারী সাক (চাক, ঠেক) নামে এক জনগোষ্ঠীর সঙ্গেও সম্পর্কিত ছিল বলে জানা যায়। অপর তাত্ত্বিক অভিমতে বলা হয়, চাকমারা উত্তর ভারতের চম্পকনগর থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে অভিবাসী হিসেবে আসে। আঠারো শতকের শেষের দিকে কেবল পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলই নয় বরং আজকের চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার পাহাড়ি এলাকা গুলিতেও তাদের বিক্ষিপ্ত অবস্থান লক্ষ্য করা যায়। ১৮৬০ সালে সরকার পার্বত্য অঞ্চলের নিম্ন এলাকায় জুমচাষ নিষিদ্ধ করলে চাকমা চাষিরা (আরও অন্যান্য পাহাড়ি চাষি যেমন, মারমা সম্প্রদায়ের লোকেরাও) পার্বত্য চট্টগ্রামের পূর্বাঞ্চলে সরে যায়। ভারতে ব্রিটিশ উপনিবেশিক আমলের আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম কোনো রাষ্ট্রের অংশ ছিল না, যদিও উত্তরে ত্রিপুরা, দক্ষিণে আরাকান ও পশ্চিমে বাংলার বিভিন্ন রাজশক্তির শাসনের কেন্দ্রগুলিতে ক্ষমতার টানাপোড়েনে অঞ্চলটি নানাভাবে প্রভাবিত হয়। সতেরো ও আঠারো শতকে মুগল রাজশক্তি এদের কাছ থেকে স্থানীয় মধ্যস্থদের হাত দিয়ে নজরানা হিসেবে তুলা আদায় করত। আর এসব আদিবাসী মধ্যস্থদের মধ্যে বিশিষ্ট ছিলেন চাকমা প্রধান, যার নিবাস ছিল কর্ণফুলি নদীর তীরে। চট্টগ্রামের সমতলভূমিতেও এ চাকমা প্রধানের বেশ বড় আকারের পারিবারিক ভূ-সম্পত্তি ছিল। এ সম্পত্তি ছিল মুগল এলাকার অভ্যন্তরে। তিনি সেখানেই তথা আজকের চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়ায় বাস করতে থাকেন। উইকির মতে, Chakmas are Tibeto-Burman, and are thus closely related to tribes in the foothills of the Himalayas. The Chakmas are believed to be originally from greater Arakan Yoma North presently Chin state who later on immigrated to Bangladesh in around fifteenth century, settling in the Cox's Bazar District, the Korpos Mohol area, and in the Indian states of Arunachal Pradesh, Tripura and Mizoram. According to Risely, the chakmas bear 84.5% Mongolian characteristics in their bodily feature. যদিও চাকমাদের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে কোনো সঠিক উপাত্ত পাওয়া যায় না। তবে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য হিসেব অনুযায়ী তাদের সংখ্যা ১৯৫৬-তে ১,৪০,০০০ ও ১৯৮১-তে ২,৩০,০০০ ছিল বলে জানা যায়। ১৯৯১-এর আদমশুমারি অনুযায়ী, চাকমা জনসংখ্যা প্রায় ২,৫৩,০০০। হিসাব অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রামে চাকমাদের আগমন কোনক্রমেই ৪০০ বছরের বেশি নয়। চাকমা রাজবংশের ইতিহাস অনুযায়ী বিজয়গিরিকে ১ম রাজা ধরলে ৩২/৩৩ তম রাজা হচ্ছেন অরুণযুগ (ইয়াংজ )। তার শাসনকাল আনুমানিক ১৩১৬ খ্রিষ্টাব্দ হতে ১৩৩৩ খ্রিষ্টাব্দ। চাকমা ঐতিহাসিকদের মতে অরুণ যুগের পতনের পরপরই অর্থাৎ ১৩৩৩ খ্রিষ্টাব্দে চাকমারা বার্মা থেকে চট্টগ্রামে বা পার্বত্য চট্টগ্রামে আগমন করেন ।
:
আমি বাংলাদেশের অনেক থানাতে দেখেছি কনস্টেবল থেকে শুরু করে এসআই পদে অনেক চাকমা। আলাপ প্রসঙ্গে জানতে পেরেছে এরা সবাই শান্তি বাহিনির সদস্য ছিল। সরকারের সঙ্গে চুক্তির পর এদের পুলিশে বিভিন্ন পদে চাকুরি দেয়া হয়। এ ছাড়া বর্তমানে প্রশাসনে, রাষ্ট্রদূত পদে, পুলিশের উচ্চ পদে বেশ কজন উপজাতি কর্মরত। তা ছাড়া আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান— শন্তু লারমা; রাঙ্গামাটি আসনের সাংসদ — উষাতন তালুকদার; রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একজন চাকমা; রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা চেয়ারম্যান —চাকমা, এছাড়া রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ির প্রায় ৭০% চাকমা চেয়ারম্যান। এ ছাড়াও মনীষ চাকমা —জেলা প্রশাসক, হবিগঞ্জ। সুপ্রভাত চাকমা — পদবি :সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (আইসিটি শাখা ও ট্রেজারি শাখা) ঝিনাইদহ। কুল প্রদীপ চাকমা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, ফেনী। শান্তি মনি চাকমা
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব), গোপালগঞ্জ। শুভাশীষ চাকমা, ট্রেজারী শাখা, নীলফামারী। পুদম পুস্প চাকমা, সাধারণ শাখা, নীলফামারী। রনি চাকমা, সিঃ সহকারি সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এভাবে নানাপদে তারা কর্মরত। সম্ভবত আনুপাতিকহারে বাঙালির চেয়ে চাকমারা এখন বেশি সরকারি পদে বা উচ্চ পদে আসীন আছে। এ ছাড়া পাহাড়ে ৩টা সন্ত্রাসি সংগঠনের প্রধান চাকমা। জেএসএস শন্তু লারমা, ইউপিডিএফ -প্রসীত খিসা, জেএসএস সংস্কার — সুদর্শন চাকমা। সম্প্রতি বিভক্ত ইউপিডিএফের প্রধানও চাকমা। এছাড়া, সন্ত্রাসী সংগঠনে চাকমা সম্প্রদায়ের আনুমানিক ৬০%, মারমা ২০ %, ত্রিপুরা ১৫% এবং অন্যান্য ৫% হতে পারে বলে পাহাড়ে বসবাসকারী অভিজ্ঞ ব্যক্তিগণ মনে করেন।
:
চাকমা রাজা কেন ২০১৮ সনের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে?
--------------------------------------------------------------------
কিসের রাজা দেবাশীষ রায়? হু ইজ হি? একটা পাড় রাজাকার, পাকিস্তানের মহাদালাল ত্রিদিব রায়ের ছেলে দেবাশীষ। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ত্রিদিব বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কাজ করে গেছে। এই আমরাই এক সময় ত্রিদিব রাজাকারের লাশ এই স্বাধীন বাংলাদেশে আনতে দেইনি সম্মিলিত ভাবে। আমরা আন্দলোন করেছি, আমরা লিখেছি, আমরা বলেছি। আর এই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সে কিসের রাজা? কোথাকার রাজা সে? এলিট সেজে পাহাড়ের প্রান্তিক সহজ সরল মানুষের রক্ত চোষা এই রাজাকারের ছেলের কথা আর তার স্ত্রীর কথা আমাকে শুনতে হবে এখন? আমার বাপ চাচারা কি এই রাজতন্ত্রের জন্য যুদ্ধ করেছে নাকি? আমার বাপ চাচারা কি এই কারনে যুদ্ধ করেছে যে একটা রাজাকারের সন্তান এলিটের জোব্বা পড়ে আর পাগড়ী পড়ে গরীব চাষীদের কাছ থেকে খাজনা নেবে? আপনারা শুনলে অবাক হবেন যে, জুম খেতের এক একর জমির মধ্য খাজনা হচ্ছে ১ টাকা ৬২ পয়সা। সেই টাকার মধ্যে থেকে ৩৭ পয়সা নেন কারবারীরা, ৪২ পয়সা নেন রাজা, আর বাকীটা বাংলাদেশ সরকার। আমার ভাবতেই অবাক লাগে একটা গণতান্ত্রিক দেশে প্যারালালি আরেকটা সরকার চলছে দেশের আরেক কোনায়! যেখানে এই রাজাকারের পরিবার হচ্ছে সর্বেসর্বা।
:
কেন কিসের জন্য দেবাশীষের পরিবার ৪২ পয়সা পাবে একর প্রতি ফসলের? এই প্রান্তিক চাষীরা দিনের পর দিন পরিশ্রম করে ফসল ফলান আর রাজাগিরি করে আর সোনালী পাগরী পড়ে এই গনতান্ত্রিক দেশে খাজনা নেবে রাজা? প্রশ্ন হচ্ছে, কেন নেবে? কোন যুক্তিতে নেবে এরা? এটা কি রাজা-গজার দেশ নাকি? রাজার পাইক পেয়াদারা আবার সাধারণ জনতাকে ডাকে প্রজা। এসব জানতে পেরে বিষ্মিত হতে হয়।
হুমায়ুন আজাদ স্যার তাঁর লিখিত গ্রন্থ "পার্বত্য চট্টগ্রাম, সবুজ পাহাড়ের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হিংসার ঝরনাধারা"-তে পরিষ্কারভাবে লিখেছেন এখানকার সন্ত্রাসীবাহিনীগুলো কিভাবে চাঁদা আদায় করে হুমকি দিয়ে। তারা ঘর প্রতি চাঁদা বেঁধে দেয়। জন প্রতি বেঁধে দেয়। আর চাঁদা না দিলে পুরষ্কার হচ্ছে মৃত্যু।
:
৩০ লক্ষ শহীদ এই কারণে প্রাণ দেয়নি যে, এই বাংলাদেশে দুইটি রাষ্ট্র হবে। এটা এক দেশ কিন্তু নানাবিধ সম্প্রদায়ের মানুষ একসাথে থাকবেন। এই দেশে কোনো রাজা থাকবে না, প্রজা থাকবেনা। এই দেশে শুধু থাকবে মানুষ। এই দেশ পাহাড়ে এলিট চৌহদ্দী তৈরী করবার জন্য জন্ম নেয়নি। দেবাশীষ আর তার মত এলিটরা যুগের পর যুগ এই পাহাড়কে বিভাজন করে রেখেছে মূল ভূখন্ড থেকে। এদের এইসব এলিটিজমের চর্চায় বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, আর সে কারনেই তাদের যত রাগ, ক্ষোভ আর প্রোপাগান্ডা তাদের দিকে ধেয়ে বেড়ায়।
:
১৯৭১ সালে ত্রিদিব রায় স্বাধীনতার বিরোধীতা করে পাকিস্তান চলে যাওয়ার পর রাজার দায়িত্ব ত্যাগ করলে অলিখিত ও মৌখিকভাবে তার ছেলে দেবাশীষ রায় সেই দায়িত্ব পালন করতে থাকেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর জেনারেল জিয়ার শাসনামলে ১৯৭৭ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেবাশীষ রায়কে ৫১তম রাজা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজার সিংহাসনে বসানো হয়। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শুধু প্রবল বিরোধিতাই নয়, দেশ স্বাধীন হওয়ায় তিনি রাগে, ক্ষোভে ও ভয়ে রাজ্য ও রাজত্ব ছেড়ে পালিয়ে তার প্রিয় রাষ্ট্র পাকিস্তানে চলে যান। পাকিস্তান রাষ্ট্রও তাকে অবমূল্যায়ন করেননি। আমৃত্যু দপ্তরবিহীন মন্ত্রীর মর্যাদা দান করেছিল তাকে। এজন্য তাকে বলা হতো পাকিস্তানের উজিরে খামাখা! ৪২ বছর ইসলামাবাদেই ছিলেন তিনি। ২০১২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানেই মারা যান রাজা ত্রিদিব রায়। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে প্রণীত দালাল আইনে তার নাম ছিল। শরবিন্দু শেখর চাকমার ‘মুক্তিযুদ্ধে পার্বত্য চট্টগ্রাম’ বইয়ের বর্ণনা অনুযায়ী, ‘রাজা ত্রিদিব রায়ের নির্দেশে রাঙামাটি পুলিশ লাইনের এক ব্যারাকে আটক করে রেখে আবদুল আলীর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ব্লেড দিয়ে আঁচড় দিয়ে সেসব জায়গায় লবণ দেয়া হয়েছিল। এরপর তাকে একটি জিপের পেছনে বেঁধে টেনে রাঙামাটির বিভিন্ন জায়গায় ঘোরানো হয়’। রাজাকার ত্রিদিব রায় তার নিজের আত্মজীবনী ‘ডিপার্টেড মেলোডি’তেও এ ঘটনার স্বীকারোক্তি তুলে ধরেছেন। একটি গণতান্ত্রিক দেশে তথাকথিত কোথাকার কোন এক রাণী তকমাধারী ইয়েন ইয়েন নামের সেই ভদ্রমহিলা মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে সেনাবাহিনীর কথা ইঙ্গিত করে যা ইচ্ছে তাই বলে দিলেন, ব্যাস শেয়ালের হুক্কা হুয়ার মত শুরু হয়ে গেলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নামে যা ইচ্ছে তা-ই বলা।
[এর পর দেখুন এ লেখার ৪র্থ পর্ব]

Comments

মাইকেল অপু মন্ডল এর ছবি
 

শেখ সাহেব যে কতটা নিকৃষ্ট মনের মানুষ ছিল সেটি সাবাইকে বাঙগালি বানানোর চেষ্টায় বোঝা যায়„

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

ড. লজিক্যাল বাঙালি
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
Offline
Last seen: 2 দিন 18 ঘন্টা ago
Joined: সোমবার, ডিসেম্বর 30, 2013 - 1:53অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর