নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • দ্বিতীয়নাম
  • বেহুলার ভেলা
  • অাব্দুল ফাত্তাহ

নতুন যাত্রী

  • সুশান্ত কুমার
  • আলমামুন শাওন
  • সমুদ্র শাঁচি
  • অরুপ কুমার দেবনাথ
  • তাপস ভৌমিক
  • ইউসুফ শেখ
  • আনোয়ার আলী
  • সৌগত চর্বাক
  • সৌগত চার্বাক
  • মোঃ আব্দুল বারিক

আপনি এখানে

কুরআন অনলি রেফারেন্স: (১৮) ‘আল্লাহর’ হীনমন্যতা ও পাশবিকতা!


স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) তার স্ব-রচিত জবানবন্দি কুরআনে তার বশ্যতা অস্বীকারকারীদের বিরুদ্ধে বার বার ঘোষণা করেছেন যে অবিশ্বাসীদের বিপথগামী ও পথভ্রষ্ট করার পিছনের যে সত্তা ও শয়তানের যাবতীয় অপকর্মের পেছনের যিনি গডফাদার, তিনি হলেন ‘আল্লাহ' স্বয়ং; যার বিস্তারিত আলোচনা গত পর্বে করা হয়েছে। তিনি আরও দাবী করেছেন যে, তার আল্লাহ স্বয়ং অবিশ্বাসীদের কানে-চোখে-মনে "সিল-মোহর" মেরে বিশ্বাসী হওয়ার পথ রুদ্ধ করে দেন ও তাঁদের অভিসম্পাত ও ধ্বংস কামনা করেন!

মুহাম্মদের ভাষায়: [1] [2]

স্বয়ং আল্লাহ অবিশ্বাসীদের অন্তর-কর্ণ-চক্ষুর ওপর মোহর মেরে করেন বিকলাঙ্গ:

২:৬-৭ (সূরা আল বাক্বারাহ) – “নিশ্চিতই যারা কাফের হয়েছে তাদেরকে আপনি ভয় প্রদর্শন করুন আর নাই করুন তাতে কিছুই আসে যায় না, তারা ঈমান আনবে না। আল্লাহ তাদের অন্তঃকরণ এবং তাদের কানসমূহ বন্ধ করে দিয়েছেন, আর তাদের চোখসমূহ পর্দায় ঢেকে দিয়েছেন। আর তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি।"

১৬:১০৭-১০৮ (সূরা নাহল) - "এটা এ জন্যে যে, তারা পার্থিব জীবনকে পরকালের চাইতে প্রিয় মনে করেছে এবং আল্লাহ অবিশ্বাসীদেরকে পথ প্রদর্শন করেন না। এরাই তারা, আল্লাহ তা’য়ালা এদেরই অন্তর, কর্ণ ও চক্ষুর উপর মোহর মেরে দিয়েছেন এবং এরাই কান্ড জ্ঞানহীন।"

৬:২৫ (সূরা আল আন-আম) - "তাদের কেউ কেউ আপনার দিকে কান লাগিয়ে থাকে। আমি তাদের অন্তরের উপর আবরণ রেখে দিয়েছি যাতে একে না বুঝে এবং তাদের কানে বোঝা ভরে দিয়েছি। যদি তারা সব নিদর্শন অবলোকন করে তবুও সেগুলো বিশ্বাস করবে না| এমনকি, তারা যখন আপনার কাছে ঝগড়া করতে আসে, তখন কাফেররা বলে: এটি পূর্ববর্তীদের কিচ্ছাকাহিনী বৈ তো নয়।"

১৭:৪৫-৪৬ (সূরা বনী ইসরাঈল) - "যখন আপনি কোরআন পাঠ করেন, তখন আমি আপনার মধ্যে ও পরকালে অবিশ্বাসীদের মধ্যে প্রচ্ছন্ন পর্দা ফেলে দেই। আমি তাদের অন্তরের উপর আবরণ রেখে দেই, যাতে তারা একে উপলব্ধি করতে না পারে এবং তাদের কর্ণকুহরে বোঝা চাপিয়ে দেই। যখন আপনি কোরআনে পালনকর্তার একত্ব আবৃত্তি করেন, তখন ও অনীহাবশতঃ ওরা পৃষ্ট প্রদর্শন করে চলে যায়।"

১৮:৫৭ (সূরা কাহফ) - "তার চাইতে অধিক জালেম কে, যাকে তার পালনকর্তার কালাম দ্বারা বোঝানো হয়, অতঃপর সে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং তার পূর্ববর্তী কৃতকর্মসমূহ ভুলে যায়? আমি তাদের অন্তরের উপর পর্দা রেখে দিয়েছি, যেন তা না বোঝে এবং তাদের কানে রয়েছে বধিরতার বোঝা। যদি আপনি তাদেরকে সৎপথের প্রতি দাওয়াত দেন, তবে কখনই তারা সৎপথে আসবে না।"

অনুরূপ বাণী: ৪:১৫৫; ৭:১০০; ৯:৮৭; ৯:৯৩; ৩০:৫৯; ৪৭:১৬; ইত্যাদি।

আল্লাহ স্বয়ং ও তার ফেরেশতাকুল অবিশ্বাসীদের অভিসম্পাত করেন:

২:৮৮-৮৯ (সূরা আল বাক্বারাহ) - "তারা বলে, আমাদের হৃদয় অর্ধাবৃত। এবং তাদের কুফরের কারণে আল্লাহ্ অভিসম্পাত করেছেন। ফলে তারা অল্পই ঈমান আনে। যখন তাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে কিতাব এসে পৌঁছাল, যা সে বিষয়ের সত্যায়ন করে, যা তাদের কাছে রয়েছে এবং তারা পূর্বে করত। অবশেষে যখন তাদের কাছে পৌঁছল যাকে তারা চিনে রেখেছিল, তখন তারা তা অস্বীকার করে বসল। অতএব, অস্বীকারকারীদের উপর আল্লাহর অভিসম্পাত।"

২:১৬১ - "নিশ্চয় যারা কুফরী করে এবং কাফের অবস্খায়ই মৃত্যুবরণ করে, সে সমস্ত লোকের প্রতি আল্লাহর ফেরেশতাগনের এবং সমগ্র মানুষের লা’নত।"

৫:১৩ (সূরা আল মায়েদাহ) - "অতএব, তাদের অঙ্গীকার ভঙ্গের দরুন আমি তাদের উপর অভিসম্পাত করেছি এবং তাদের অন্তরকে কঠোর করে দিয়েছি। ----"

৫:৬০ - "বলুন: আমি তোমাদেরকে বলি, তাদের মধ্যে কার মন্দ প্রতিফল রয়েছে আল্লাহ্র কাছে? যাদের প্রতি আল্লাহ্ অভিসম্পাত করেছেন, যাদের প্রতি তিনি ক্রোধাম্বিত হয়েছেন, যাদের কতককে বানর ও শুকরে রূপান্তরিত করে দিয়েছেন এবং যারা শয়তানের আরাধনা করেছে, তারাই মর্যাদার দিক দিয়ে নিকৃষ্টতর এবং সত্যপথ থেকেও অনেক দূরে।"

৩৩:৬৪ (সূরা আল আহযাব) - "নিশ্চয় আল্লাহ কাফেরদেরকে অভিসম্পাত করেছেন এবং তাদের জন্যে জ্বলন্ত অগ্নি প্রস্তুত রেখেছেন।"

অনুরূপ বাণী: ৩:৬১; ৩:৮৭; ৪:৪৬-৪৭; ৪:৫১-৫২; ৫:৬৪; ১১:১৮; ২৮:৪১-৪২; ইত্যাদি।

আল্লাহ অবিশ্বাসীদের ধ্বংস কামনা করেন:

৬৩:৪ (সূরা মুনাফিকুন) - "আপনি যখন তাদেরকে দেখেন, তখন তাদের দেহাবয়ব আপনার কাছে প্রীতিকর মনে হয়। আর যদি তারা কথা বলে, তবে আপনি তাদের কথা শুনেন। তারা প্রাচীরে ঠেকানো কাঠসদৃশ্য। প্রত্যেক শোরগোলকে তারা নিজেদের বিরুদ্ধে মনে করে। তারাই শত্রু, অতএব তাদের সম্পর্কে সতর্ক হোন। ধ্বংস করুন আল্লাহ তাদেরকে। তারা কোথায় বিভ্রান্ত হচ্ছে?"

১১১:১-৫ (সূরা লাহাব) - "আবু লাহাবের হস্তদ্বয় ধ্বংস হোক এবং ধ্বংস হোক সে নিজে, কোন কাজে আসেনি তার ধন-সম্পদ ও যা সে উপার্জন করেছে। সত্বরই সে প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে এবং তার স্ত্রীও-যে ইন্ধন বহন করে, তার গলদেশে খর্জুরের রশি নিয়ে।"

>> কুরআনের ওপরে বর্ণিত বর্ণনায় যা সুস্পষ্ট তা হলো, মুহাম্মদ তার আল্লাহর রেফারেন্সে দাবী করছেন যে 'তার আল্লাহ' স্বয়ং অবিশ্বাসীদের কানে-চোখে-মনে সিল-মোহর মেরে বিশ্বাসী হওয়ার পথ রুদ্ধ করে দেন, আল্লাহ স্বয়ং ও তার ফেরেশতাকুল অবিশ্বাসীদের অভিসম্পাত দেন ও তিনি তাঁদের ধ্বংস কামনা করেন!

অভিশাপ" বিষয়টি আসলে কী?
সহজ উত্তর: "মনে-প্রাণে অপরের অনিষ্ট কামনা করা” আল্লাহর শক্তিমত্তার ধারা বিবরণীতে অন্যত্র মুহাম্মদ দাবী করেছেন, 'তার আল্লাহ' যখন কোনো কিছু করতে ইচ্ছা করেন, তখন তাকে কেবল বলে দেন, ‘হও’ তখনই তা হয়ে যায় (৩৬:৮২)।' কুরানের এই বাণীটি বহুল প্রচলিত ও প্রচারিত, "কুন ফা ইয়া কুন”। মুহাম্মদের এই দাবীটি সত্য হলে 'আল্লাহ' কোনোভাবেই 'অভিশাপকারী' হতে পারেন না। কারণ, ইচ্ছা (Wish) করার সঙ্গে সঙ্গেই যদি ঘটনাটি ঘটে যায়, তখন তা হয় 'কর্ম' (Physical Act)। "ইচ্ছাশক্তি" সেখানে হাত-পা-মুখ-জিহ্বা ইত্যাদি শারীরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মত প্রাত্যহিক কর্ম সম্পাদনের বাহন হিসাবে কাজ করে। সুতরাং সেক্ষেত্রে সংজ্ঞা অনুযায়ী 'ইচ্ছা" করার সঙ্গে সঙ্গেই সে ইচ্ছাটি 'কর্মে' পরিণত হবার কারণে আল্লাহর পক্ষে কারও অনিষ্ট (অভিশাপ অথবা ধ্বংস) কামনা নিয়ে অপেক্ষা করা একেবারেই অসম্ভব, অবান্তর ও অপ্রয়োজনীয়!

মানুষ কি কারণে অভিশাপ দেয় কিংবা অন্যের ধ্বংস কামনা করে?
প্রতিপক্ষের কথায় ও কাজে কোনো রুষ্ট ব্যক্তি যখন বিষয়টির প্রতিকার করতে ব্যর্থ হন তখনই সে ব্যক্তি 'অভিশাপের আশ্রয়' নেন। প্রতিকারের ক্ষমতা থাকলে বিষয়টির নিষ্পত্তি তিনি করবেন তার সেই ক্ষমতাবলে। বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টিকর্তা (যদি থাকে) নিশ্চয়ই অক্ষম নন! তাই তার অভিশাপের আশ্রয় নেয়া বা কারও ধ্বংস কামনা করার কোনোই প্রয়োজন নেই।

নিজের কোনো ক্ষতি-বৃদ্ধির কারণ না হলে কোনো সাধারণ মানুষও অন্যের অনিষ্ট কামনা করেন না। একমাত্র নিম্ন-প্রকৃতির লোকেরাই নিজের কোনো ক্ষতি-বৃদ্ধির কারণ ছাড়াই অপরের অনিষ্ট কামনা করে। সৃষ্টিকর্তার ক্ষতি-বৃদ্ধি করার ক্ষমতা কি মানুষের আছে? অবশ্যই "না"। তাহলে? সৃষ্টিকর্তা কেন মানুষকে অভিশাপ দেবেন কিংবা কারও ধ্বংস কামনা করবেন? একজন সাধারণ মানুষও যা করেন না, সেই কাজটি "সৃষ্টিকর্তা" করেন, তা কি আদৌ বিশ্বাসযোগ্য? কোনো সুস্থ-চিন্তার মানুষ কী সৃষ্টিকর্তাকে কখনোই এক "নিম্ন-প্রকৃতির মানুষের চরিত্রে" কল্পনা করতে পারেন? কিন্তু, মুহাম্মদ তা করেছিলেন! যা তারই স্ব-রচিত জবানবন্দি 'কুরআনের' ওপরে বর্ণিত বর্ণনায় অত্যন্ত সুস্পষ্ট!

তাহলে? প্রয়োজনটি কার? নিঃসন্দেহে মুহাম্মদের। মুহাম্মদ কি "কুন ফা ইয়া কুন (৩৬:৮২)" ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন? অবশ্যই না। প্রয়োজন আছে কিন্তু ক্ষমতা নেই এমন ব্যক্তি কি রুষ্ট হয়ে তার প্রতিপক্ষের অনিষ্ট কামনা করতে পারেন? অবশ্যই হ্যাঁ। সুতরাং নিঃসন্দেহে কুরানের যাবতীয় "বিষোদগার" মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহর। সৃষ্টিকর্তার সাথে এর কোনোই সংস্রব নেই।

সুতরাং যে প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তা হলো মুহাম্মদ কী চরিত্রের লোক ছিলেন?

>>> বিশ্বের প্রতিটি ইসলামবিশ্বাসী বিশ্বাস করেন যে, মুহাম্মদের চরিত্রে কোনো কালিমা নেই। দাবী করেন, মুহাম্মদ ছিলেন নিঃস্বার্থ, নির্লোভ, মহানুভব; ইত্যাদি ইত্যাদি যাবতীয় গুনের অধিকারী। তাদের এ সকল দাবীর পেছনে সত্যতা কোথায়? কুরানের যাবতীয় অভিশাপ মুহাম্মদের। সৃষ্টিকর্তার সাথে এর কোনোই সম্পর্ক নেই। নিঃস্বার্থ ও নির্লোভ ব্যক্তি কি অন্যের অনিষ্ট কামনা করেন? নিজের কোনো ক্ষতিবৃদ্ধির কারণ না হলে কোনো সাধারণ মানুষও যেখানে অন্যের অনিষ্ট কামনা করেন না, সেখানে মুহাম্মদ কী কারণে অসংখ্যবার তার প্রতিপক্ষের অনিষ্ট কামনা করেছিলেন? নিজের ক্ষতি-বৃদ্ধির সম্ভাবনা না থাকা সত্ত্বেও যে-ব্যক্তি অপরের অনিষ্ট কামনা করে, সে ব্যক্তিটি যে একজন সাধারণ মানুষের চেয়েও "নিম্ন-প্রকৃতির", এ সত্যকে কি অস্বীকার করা যায়?

যারা আঘাতকারীকে ক্ষমা করেন, তাঁরা সৎ লোক। যারা আঘাতকারীর সুফল কামনা করেন, তারা মহামানব। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, মুহাম্মদ ও তার অনুসারীরাই ছিলেন আগ্রাসী। আক্রান্ত জনগোষ্ঠী করেছেন তাদের জান-মাল হেফাজতের চেষ্টা। আঘাতকারী ছিলেন মুহাম্মদ! অভিশাপকারীও তিনিই! হুমকি, অসম্মান, ভীতি প্রদর্শন ও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যকারীও সেই একই ব্যক্তি! মুহাম্মদের নিজের জবানবন্দি 'কুরআন' এ সাক্ষ্য ধারণ করে আছে। যুগে যুগে যাঁরাই এ সত্যকে উন্মোচন করার চেষ্টা করেছেন, তাঁদেরকেই প্রচণ্ড নিষ্ঠুরতায় দমন করা হয়েছে। যে শিক্ষার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপ্যাল মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ! বিশ্বাসীরা তার "অনুসারী" মাত্র। আজ ইন্টারনেট ও তথ্য প্রযুক্তির যুগে যে কোন সত্য উন্মোচনের পথ অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি নিরাপদ।

এই চমকপ্রদ বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টিকর্তা আদৌ আছে কি নেই, সে প্রশ্ন এ বিতর্কে অপ্রাসঙ্গিক। সেই সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস করেন কি করেন না, সেটাও এ বিতর্কের বিবেচ্য বিষয় নয়। আমাদের এ ক্ষুদ্র জ্ঞানে সৃষ্টিকর্তাকে নিয়ে প্রশ্ন ও তার কার্যকলাপের সমালোচনা করতে পারি কি না, সে প্রশ্ন এখানে বাতুলতা। আমাদের প্রাত্যহিক অসহায়ত্ব ও অক্ষমতার বিপরীতে "স্রষ্টা" নামক প্রতিরক্ষা বর্মটি আমাদের উর্বর-মস্তিষ্কেরই (Superior Intelligence) সৃষ্টি কি না, তাও এ আলোচনার বিষয় নয়। স্রষ্টায় বিশ্বাস উচিত নাকি অনুচিত, প্রয়োজন নাকি অপ্রয়োজনীয়, ক্ষতিকারক নাকি লাভজনক, সে বিষয়ের অবতারণা এ আলোচনায় অর্থহীন। এ আলোচনার "একমাত্র বিষয়" স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর বক্তব্য ও কার্যকলাপ বিশ্লেষণের মাধ্যমে তার দাবীর যথার্থতা কিংবা অসাড়তা নিরূপণ! তার বানী, শিক্ষা ও কার্যকলাপ কি ঐশ্বরিক (Divine) নাকি দানবীয় (Demonic)? তারই নির্ধারণ। মুহাম্মদের দাবীকৃত "আল্লাহ" কি বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টিকর্তার (যদি থাকে) গুনে গুণান্বিত হবার যোগ্যতা রাখেন? এ আলোচনার উদ্দেশ্য তারই নির্ধারণ।

ইসলামকে সঠিকভাবে বুঝতে হলে মুহাম্মদকে সঠিকভাবে জানতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই! তাকে জানার সবচেয়ে উত্তম মাধ্যম তিনি নিজেই রচনা করে রেখেছেন। আসুন, আমরা নির্মোহ মানসিকতা নিয়ে "মুহাম্মদের জবানবন্দী" পাঠের মাধ্যমে তাকে ও ইসলামকে জানার চেষ্টা করি।

(চলবে)

তথ্যসূত্র ও পাদটীকা:
[1] কুরআনেরই উদ্ধৃতি ফাহাদ বিন আবদুল আজিজ কর্তৃক বিতরণকৃত তরজমা থেকে নেয়া। অনুবাদে ত্রুটি-বিচ্যুতির দায় অনুবাদকারীর।
http://www.quraanshareef.org/
[2] কুরানের ছয়জন বিশিষ্ট ইংরেজি অনুবাদকারীর ও চৌত্রিশ-টি ভাষায় পাশাপাশি অনুবাদ: https://quran.com/

Comments

Md Zahid Hasan এর ছবি
 

আপনার এই সিরিজটি কি ই-বুক করা হভে?
আপনার আগের যে সিরিজটি চলছিলো ধর্মকারীতে, “ইসলামরে অজানা অধ্যায়” সেটার ৫ম খন্ড কবে আসবে? তাছাড়া সেই সিরিজে কি নবীর মৃত্যু পর্যন্তই থাকবে নাকি সাহাবাদের সময় বা তার পরের ব্যাপার গুলিও আসবে? দয়া করে জানাবেন। ধন্যবাদ।

 
গোলাপ মাহমুদ এর ছবি
 

ভাই জাহিদ হাসান,
লেখাটি পড়া ও মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। “ইসলামের অজানা অধ্যায়” বইটির ই-বুক নির্মাতা ভাই নরসুন্দর মানুষ আমাকে জানিয়েছেন যে তিনি এই "কুরআন অনলি কুইক রেফারেন্স" সিরিজটির ও ই-বুক তৈরি করবেন। এটির আরও অনেক পর্ব হবে।

“ইসলামের অজানা অধ্যায়” পঞ্চম খণ্ডের প্রথম ১৬ পর্বের (পর্ব: ১৬০-১৭৫) লিস্ট এখানে।” ধর্মকারী বন্ধ থাকার কারণে ঐ সিরিজটির কার্যক্রম আপাতত: স্থগিত আছে। এই সিরিজটি শেষ করার পর ঐ সিরিজটি আবার চালু করবো। পেশাগত কারণে সময়ের স্বল্পতায় দুটো সিরিজ এক সাথে চালানো সম্ভব হচ্ছে না। হ্যাঁ ভাই, “ইসলামের অজানা অধ্যায়” সম্পূর্ণ বইটিতে মূলত: নবীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটনা প্রবাহগুলো থাকবে বিস্তারিত। তবে, আপনি হয়তো খেয়াল করেছেন এই বইটির বিভিন্ন অংশে যেমন নবীর মৃত্যু পরবর্তী প্রাসঙ্গিক বিভিন্ন ঘটনার বর্ণনা আলোচনা করা হয়েছে: তৃতীয় খণ্ডের পর্ব-৮২ ['আলী ইবনে আবু তালিবের নৃশংসতা!'] ও চতুর্থ খণ্ডের পর্ব: ১৫৪-১৫৮ (ফাদাক আগ্রাসন,গণিমত ও তার পরিণতি); তেমন আলোচনা থাকবে। আর, বইটির শেষে মুহাম্মদের মৃত্যু পরবর্তী খুলাফায়ে রাশেদিনের ২৯ বছরের শাসন আমলের (৬৩২-৬৬১ সাল) ২২টি যুদ্ধ ও খুলাফায়ে রাশেদিন পরবর্তী ৩০ বছরের (৬৬২-৬৯২ সাল) উমাইয়া শাসন আমলের ৩৫টি যুদ্ধের লিস্ট উল্লেখ থাকবে।

https://drive.google.com/file/d/0BwbIXqxRzoBOT3l5NmpOR3VwWEE/view

https://drive.google.com/file/d/0BwbIXqxRzoBOUVBOUnlRUXkxX0E/view

ভাল থাকুন।

গোলাপ মাহমুদ

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

গোলাপ মাহমুদ
গোলাপ মাহমুদ এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 1 দিন ago
Joined: রবিবার, সেপ্টেম্বর 17, 2017 - 5:04পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর