নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মুফতি মাসুদ
  • নুর নবী দুলাল
  • আবীর নীল
  • নরসুন্দর মানুষ

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

বাংলাদেশে ইসলামী জলসাকেন্দ্রিক আন্তঃগোষ্ঠীয় ঘৃণা ও বিভেদের চর্চা।


অন্তঃকলহের প্রেক্ষাপট:
সিলেটের জৈন্তাপুরে গত সোমবার ৪৫টি বাড়ি পুড়িয়ে দেয়া কোন হঠাত ঘটে যাওয়া ঘটনা নয়। সেখানে ধর্মীয় জলসা চলাকালে বক্তা গোষ্ঠিভিত্তিক ঘৃণা ছড়াচ্ছিলেন। স্থানীয় মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এই ঘৃণা মানতে না পেরে জলসার উপর চড়াও হয় এবং মারামারির এক পর্যায়ে এক কিশোর নিহত হয়। আহত হয় পঞ্চাশ জনের উপর মানুষ। সিলেট থেকে র্যাব গিয়ে ঘটনা নিয়ন্ত্রনে আনে। স্থানীয় এবং জাতীয় দৈনিকে এই খবর প্রকাশিত হয়। এরকম ঘটনা প্রায় দেড়শো বছর থেকে ঘটে আসছে। শীতকাল বা রোজা এলে মুসলিম পাড়াগুলোতে বিশাল জলসার আয়োজন করা হতো। জলসা না করতে পারলে পাড়ার লোক হাটে-বাজারে মুখ দেখাতে পারতো না, এখনো পারে না। এসব জলসাগুলো মুসলমানদের ভিতরেই বিভিন্ন আন্তঃগোত্র নির্ভর। এই গোত্রগুলির ভিতরে বিভক্তিও চরমে প্রাচীনকাল থেকেই। বিস্তারিত জানতে পাকিস্তান আমলে লিখিত আবুল মনসুর আহমেদের ‘আয়না’ তে চোখ বুলিয়ে নিতে পারেন। অসহযোগ আন্দোলন, খেলাফত আন্দোলন এসবের ভিতর ধর্মীয় উন্মাদনার উপাদান ছিলো বলেই পাকিস্তান তৈরি হয়েছিল। ইংরেজদের দোষ দিয়ে লাভ নেই। আয়নায় নিজের চেহারায় দেখা যায়। বাঙালি মুসলমানদের চেহারা।

দৈনন্দিন জীবনেও মুসলমান এই গোত্রগুলো একে অপরকে শত্রুজ্ঞান করে। আহলে হাদীসদের মসজিদে হানাফিরা খুব ঠেকায় না পড়লে নামাজ পড়ে না। ঠিক তেমনি হানাফিদের মসজিদে আহলে হাদীসের কেউ পারতপক্ষে নামাজ পড়ে না। একে অপরের নামাজ পড়ার ধরন নিয়ে হাসি-তামাসা করে। একে অপরের কাছে অজ্ঞ, অমুসলিম এবং ইসলামের শত্রু। এমনকি আহলে হাদিসদের ভিতরেই যেসব আলাদা আলাদা দল আছে তাঁরা এক মসজিদে নামাজ পড়া নিয়ে, কে ঈমাম হবেন, কার পেছনে নামাজ পড়লে গ্রহণযোগ্য হবে বা হবে না, এসব নিয়ে ঝগড়া, মারামারি, খুনখারাবি করে আসছেন সেই ওহাবি আন্দলনের সময় থেকে। তখন বাঙালি-মুসলমানরা আলিগড় বা দেওবন্ধে গিয়ে পড়াশুনা শুরু করছে কেবল। ফিরে এসে নিরীহ কৃষকদের ভিতর অনায়েসে ঘৃণা আর বিভেদ উষ্কে দিয়েছে। শুক্রবারে দুপুর জুম্মা নামাজ এবং ইসলামি ধর্মসভাকে (যাকে ইসলামি জলসা বলা হয়), কেন্দ্র করে সবথেকে বেশী ঘৃণা এবং বিভেদের বিষ ছড়ানো হয়ে থাকে। এখানে শুধু ইসলামি জলসাকেন্দ্রিক কৌশলটি নিয়ে আলোচনা করা হবে।

ইসলামিক জলসার আদ্যপান্ত:
একশো বছর পরে আজ অবস্থা আরো জটিল হয়েছে। হিন্দু-মুসলমান বিভেদ এবং ঘৃণার রাজনীতি বাঙালির হিন্দু-মুসলমান সম্প্রীতির বুনোন ধ্বংস করে বিষবৃক্ষের জঙ্গলে পরিনত করেছে। তারই সামান্য উদাহরণ হচ্ছে হলি আর্টিজান, হেফাজত, বাংলাভাই, জঙ্গী ধরপাকাড় এবং গত পরশু ঘটে যাওয়া সিলেটের জৈন্তাপুরের ইসলামিক জলসায় মারামারি এবং খুনের ঘটনা। এর সমাধান করতে গেলে আগে ইসলামিক জলসা ব্যপারটি বুঝতে হবে।

জলসার মাস দুয়েক আগে কোন এক শুক্রবারে জুম্মার নামাজর পরে মসজিদ কমিটির লোকেরা জলসার জন্য দিন নির্ধারণ করে বাস্তবায়নের জন্য আলাদা কমিটি করে। তাঁরা উপস্থিত মুসল্লীদের কাছ থেকে কে কত চাঁদা দেবে তা জনসম্মুখে জিজ্ঞেস করে। একটা পাল্লাপাল্লি শুরু হয়। সবাই যথাসম্ভব টাকা, ঘরের ধান, গাছ বিক্রির জমানো টাকা এসব দিয়ে দু’জাহানের অশেষ নেকী হাসিল করে। আসলে তাঁরা কে কতটুকু ধনী, এবং ধর্মের প্রতি কার কত আনুগত্য তা প্রমাণ করার চেষ্টা করে। রসুল (সাঃ) যুদ্ধে যাবার আগে একই উপায়ে যুদ্ধাস্ত্র, ঘোড়া, পোষাক, খাদ্য কেনার জন্য অর্থ জোগাড় করতেন। উল্লেখ্য: জলসার সময় হানাফি অথবা আহলে হাদীসের অনুসারীরা শুধুমাত্র নিজেদের অনুসারী কাউকেই আমন্ত্রন জানিয়ে থাকেন।
টাকার যোগাড় হতে হতে আলোচনা শুরু হয় কাকে আনা হবে প্রধান বক্তা হিসাবে। বক্তা নির্বাচনের ক্ষেত্রে যেসব যোগ্যতাকে প্রাধাণ্য দেয়া হয় তা হলো: কে বেশী বিখ্যাত। কার গলায় কত সুর। কত্ত জোরে মাইকে ওয়াজ করতে পারে। কার পোষাক-আশাক সৌদি আরবের পোষাকের সাথে বেশী মিল। এসবের মিলিয়ে নির্ধারণ করা হয় কাকে কাকে আনবেন, কতজনকে আনবেন। চাঁদার টাকায় কম পড়লে পাড়ার ধনীদেরকে আবারো জিজ্ঞেস করা হয়, এবং আত্মসম্মানবোধের তাড়নায় বাকী টাকা দিতে তাঁরা বাধ্য হন। জোরপূর্বক এসব চাঁদা আদায়ের সময় কুরআন এবং হাদীসে উল্লিখিত বিভিন্ন সাহাবী যুদ্ধপূর্ব সংগ্রহে কে কতটা দান করতেন তার উদাহরণ তুলে ধরা হয়।

হুজুরদেরকে নির্ধারিত দিনের জন্য বায়না করা হয়। তাঁদের জন্য পাড়ার ধনী লোকটার বাড়িতে প্রত্যেকের জন্য আলাদা থাকার ব্যবস্থা করা হয়। হুজুরদের থাকবার জায়গা বিশেষভাবে প্রস্তুত করতে হয়। জমজমাট খাবার দাবারের আয়োজন করতে হয়। আলাদা সময়ে প্রত্যেকের পছন্দমতো আলাদা খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা করা হয়। দশবিশ গ্রাম মাইকিং করে দওয়াত জানানো হয়। ইদানিং মাইকিংএর পাশাপাশি পোস্টার ছাপানো হয়, মোবাইলে টেক্সট মেসেজ, ফেসবুকে ইভেন্ট খুলে দাওয়াত দেয়া হয়। স্থানীয় কেবল টিভিতেও এডভার্টাইস করা হয়। দূর গ্রাম থেকে সমগোত্রের অনুসারীরা জলসায় যোগ দিতে আসেন। মেলার মতো অস্থায়ী পসরা নিয়ে আসে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। ঈদের মতো সাজসাজ রব পড়ে যায় সপ্তাহখানেক আগে থেকে।

বিখ্যাত ডেকরেটর ভাড়া করে তাঁদের নিপুন হাতে জলসার দিন মাঠে প্যান্ডেল করা হয়। জাঁকজমক স্টেজ তৈরি করে ডেকরেটরদের কাছ থেকে সিংহাসনের ব্যবস্থা করা হয়। টাকা উঠলে শীতের সময় সারা মাঠ জুড়ে চেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়। মেয়েদের জন্য আলাদা বসবার জায়গা করা হয়। জলসার দিন বিকেলের আগে সব কাজ শেষ করে সন্ধ্যার জন্য অপেক্ষার পালা আর শেষ হয় না। ছোটদের কুরআন থেকে আবৃত্তি দিয়ে শুরু হয়। স্থানীয় আওয়ামিলীগ, বিএনপি’র এমপি, চেয়ারম্যান, মেম্বাররা বক্তব্য রাখেন। এশার নামাজের পরে শুরু হয় আমন্ত্রিত বক্তাদের ওয়াজ। গলা ফুলিয়ে, ঘাড় দুলিয়ে, সুরে সুরে সেই জলসা চলে মাঝ রাত অবধি।

এসব জলসায় যে বক্তৃতা (ওয়াজ) দেয়া হয় তার বিষয়বস্তুগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত যেসব বিষয় প্রাধাণ্য পায় তার ভিতরে থাকে: হাসিনা, আমেরিকা, ইন্ডিয়া, মুক্তিযুদ্ধ, তসলিমা নাসরিন ইত্যাদি। এদের সবাইকে হিন্দু, কাফের, জাহান্নামী বলে তুলোধুনা করা হয়। বিষয় হিসাবে আসে বেহেস্তে নারীদের রগরগে শারিরীক বর্ণনা। থাকে বাড়ির বৌ-মেয়েদেরকে শাসন করার বিভিন্ন ইসলামিক কারন ও উপায়। ভাব নিরাপদ বুঝলে শুরু হয় জিহাদের ডাক। জিহাদের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। যুবক, বৃদ্ধ, নারী সবাই জিহাদের শপথ করিয়ে নেন। প্রত্যেক আমন্ত্রিত অতিথি ওয়াজের শেষে হাত তুলে মোনাযাত করেন। মোনাযাতে আল্লার কাছে শুধুমাত্র মুসলমানদের নিরাপত্তা, উন্নতি চাওয়া হয়। অন্য সবাই ইসলামের শত্রু। তাদের ধ্বংসের জন্য আল্লাহকে অনুরোধ করা হয়। যুদ্ধাপরাধী জামায়েত ইসলামী নেতাদের মুক্তি, জালিম সরকারের পতন চেয়ে দোয়া করা হয়। বক্তৃতার প্রত্যেক বিষয়বস্তুকে কুরআন এবং হাদিসের রেফারেন্স দিয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয়। বক্তদের ভিতরে কমপক্ষে এক দুই জন অন্যান্য মাজহাবের অনুসারীগন যে অমুসলিম, ভুল পথে আছে তা তুলে ধরেন। তাঁরা যে দোযখে যাবেন তার কারণ কুরআন হাদিস দিয়ে প্রমান করেন। দুর্বল ভিন্ন গোত্রের লোক পেলে তাঁদেরকে তওবা করিয়ে অগনিত মানুষের সামনে নিজেদের গোত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তাঁকে দেওয়া হয় সম্মান, পুরষ্কার। তাঁর শুভবোধ উদয়ের জন্য বিশেষ মোনাযাতের ব্যবস্থা করা হয়। প্রত্যেক আমন্ত্রিত অতিথী মোনাযাতের এক পর্যায়ে টাকা চাওয়া শুরু করেন। জলসার খরচের জন্য, মসজিদের উন্নতির জন্য, এতিম খানার জন্য এসব চাওয়া হয়। অবশ্য আমন্ত্রিত অতিথীদের ‘হাদিয়া’ বা পারিশ্রমিক শোধ করতেই চলে যায় এসব অধিকাংশ টাকা। এদেরকে আলাদা আলাদা গাড়ি এমনকি হেলিকপ্টারে করে আনতে হয় এবং বাড়ি পৌঁছে দিতে হয়।

ইসলামিক গোষ্ঠীগুলোর অন্তঃদ্বন্দ্বের স্বরূপ:

জৈন্তাপুরের ঘটনা বিশ্লেষণ করতে গেলে বাংলাদেশের আনাচে কানাচে এই মাজহাবগুলো কীভাবে কাজ করে তা জানা জরুরী। ইসলামিক গ্রুপগুলো কীভাবে একে অপরের আদর্শকে ঘৃণা বা সমর্থন করে তা না জানলে সামনে এরকম দুর্ঘটনা ঘটতেই থাকবে। আর পুলিশ, গোয়েন্দা, রাজনীতিক, সাংবাদিক ‘তদন্দ কমিটি’ গঠন করেই যাবে। সমাধান আসবে না।

হানাফি আর আহলে হাদিস অনুসারীদের ভিতরে সম্পর্ক সাপে-নেউলে। তা ছাড়া আহলে হাদিসদের ভিতরেও আছে কয়েক ডজন দল। শুব্বান, যুবসংঘ, জমিয়ত এরকম নাম তাঁদের। ঢাকা, রাজশাহী বা এরকম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাধারণত ইসলামের ইতিহাস বা ইসলামী শিক্ষায় পড়ে স্কুল বা কলেজের শিক্ষক হয়ে তাঁরা স্থানীয় পর্যায়ে এসব ইসলামিক দলগুলোর নেতৃত্ব দিয়ে থাকে। কওমী মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকেরা এসব দলের তেতৃত্বে কম দেখা যায়। হানাফিরা চার মাজহাবের এক মাজহাব। আহলে হাদিসরা চার মাজহাবের কাউকে মানে না। এদের উভয়েই জেনে না জেনে সহজেই ওহাবিজম উদ্ভুত উগ্রবাদী আদর্শে ভীড়ে যায়।

কওমী মাদ্রাসার ছাত্ররা মসজিদের ঈমাম মুয়াজ্জিন হয় অধিকাংশ। আর যাঁরা ভালো আরবীতে পারদর্শী হয়, তাঁরা সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক দাতা সংস্থাগুলো যেসব এনজিও বা মাদ্রাসা চালায়, সে সব জায়গায় নেতৃত্ব দেয়। এরা কেও কেও পীরভক্ত হয়ে থাকে। পীরের আস্তানা বা পীরকেন্দ্রিক মাদ্রাসাগুলোতে শিক্ষকতা করে থাকে। পীরভক্ত না হয়েও শুধু হানাফি মাজহাবকে শ্রদ্ধা করে বাংলাদেশের শফি হুজুরের হাটহাজারি মাদ্রাসার মতো অনেক বড় বড় মাদ্রাসা গড়ে উঠেছে। এদের সাথে পীরদের ভালো-খারাপ উভয় সম্পর্ক আছে।

অন্তঃদ্বন্দ্ব সমাধানের নির্দেশনা:
ধর্ম মন্ত্রনালয় উগ্রপন্থা ঠেকাতে হাদীস সংকলনের যে ব্যবস্থা নিয়েছিল তা মুখ থুবড়ে পড়েছে এই আন্তঃদ্বন্দ্ব সম্পর্কে অজ্ঞতার কারনেই। ইসলামিক দলগুলোর আন্তঃসম্পর্ককে বুঝে শুনে পা বাড়াতে আওয়ামিলীগ সরকার হিমশিম খাচ্ছে। ফলে নাইজেরিয়ার বোকো হারামের উত্থানের মতো বাংলাদেশের উগ্রবাদী উত্থানকে প্রশাসনের অজ্ঞতার ফসল বলার সময় ঘনিয়ে আসছে।

এর আরেকটা উদাহরণ হচ্ছে: প্রতি শুক্রবারে মসজিদে খুতবার বিষয়বস্তু কী হবে তার কেন্দ্রীয় নির্দেশনা বাস্তবায়না করতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। মসজিদ কমিটির লোকজন এটাকে মানছেন না, বরং অপমানজনক মনে করছেন। জৈন্তাপুরের মতো ঘটনা প্রতি বছর ডজন ডজন হতে থাকলে এক সময় হয়তো ধর্ম মন্ত্রনালয় ইসলামিক জলসার উপর নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠা করতে চাইবে। কাজটি করার আগে একটা ভালো গবেষণা কমিটি করা দরকার। কমিটির কাজ হবে- ইসলামিক দলগুলোর কাছে গ্রহনযোগ্য হবে, আবার সরকারের নিয়ন্ত্রনও প্রতিষ্ঠিত হবে এমন স্ট্রাটেজিক কৌশল খুঁজে বের করা। তারপর সতর্কতার সাথে ধর্মীয় জলসার উপর নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠা করা। তাহলে জঙ্গী দমনে সরকারের প্রচেষ্টা সফালতার মুখ দেখতেও পারে। অনেক দেরী হয়ে যাচ্ছে। গতকাল রাতে আমেরিকা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ এই দলগুলোকে আলকায়েদা, আইএস সমর্থিত জঙ্গী বলে ঘোষণা দিয়েছ। বাংলাদেশ সরকার যা-ই বলুক না কেন আচীরেই এটা সরকার মেনে নিতে বাধ্য হবে। এবং পরবর্তী অবস্থা মোকাবেলার জন্য পাকিস্তানের পথ অনুসরণ করা ছাড়া উপায় থাকবে না।

Comments

গোলাম রব্বানী এর ছবি
 

আয়নার একটা গল্প পেতে পারেন এখানেঃ https://blog.mukto-mona.com/2010/11/30/11868/

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

গোলাম রব্বানী
গোলাম রব্বানী এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 2 দিন ago
Joined: মঙ্গলবার, জুলাই 7, 2015 - 7:43অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর