নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • দ্বিতীয়নাম
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

পার্বত্য চট্টগ্রামে উন্নয়নের জোয়ারে পিষ্ট হচ্ছে পাহাড়ের আদিবাসীরা;এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদ আগ্রাসী হয়ে উঠেছে ফ্যাসিবাদের ন্যায়।


(১) বাংলাদেশের সেনাবাহিনীদের পক্ষে সাফাই গাওয়ারা যুক্তি দেখায় পার্বত্য অঞ্চলে প্রযুক্তির আলো দেখিয়েছে সেনাবাহিনীরা ,শিক্ষার জায়গা প্রশস্ত করে দিয়েছে ,রাস্তাঘাট তৈরি করে দিয়েছে যোগাযোগের সুবিধার্থে ইত্যাদি ইত্যাদি। সরকার বিভিন্ন কোটার সুবিধা দিচ্ছে পাহাড়িদের,তারপরেও পাহাড়িরা অসন্তুষ্ট। এবিষয়ে আলোচনার আগে বলে রাখি- বাঙালি জাতীয়তাবাদ খুব ভয়ঙ্কর রূপ ধারন করছে, সংখ্যাগরিস্টতা জোরে আগ্রাসী হয়ে উঠছে । এমন আগ্রাসী হয়ে উঠেছে এদেশে যে অন্য জাতিসত্তার বাস আছে সে বাস্তবতাটা ভুলে যাচ্ছে,এবং ভুলে যায় ব'লে সংখ্যালঘুদের তাঁদের সমান মর্যাদায় এবং সমান অধিকারে অন্তর্ভুক্ত করতে চায় না। সংখ্যাগরিস্টতার জোরে সংখ্যালগুদের ওপর খবরদারিত্ব দিন দিন প্রকাশ পাচ্ছে। তাই বাঙালি জাতীয়তাবাদ হয়ে উঠছে ফ্যাসিবাদের ন্যায়। ফ্যাসিবাদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে রাষ্ট্রকে ,এবং বাংলাদেশের সেনাবাহিনীরা হচ্ছে বাঙালি জাতির ফ্যাসিবাদের প্রতীক স্বরূপ। দেশের প্রধানসারির দৈনিক পত্রিকাগুলো দিয়ে একটা প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হয় যে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর প্রয়োজন সেখানে তথা সারাদেশে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য। আদতে পার্বত্য অঞ্চলের শান্তির পরিস্থিতিকে অশান্ততে পরিণত করছে সেনাবাহিনীরা। সেনাবাহিনীদের ভয়ে পাহাড়িরা সবসময় ভয়ের মধ্য বসবাস করে আসছে।

সম্প্রতি ঘটে যাওয়া দুই মারমা বোনের ওপর সেনাবাহিনী কতৃক ধর্ষন ও যৌনঅত্যাচারের ঘটনাটা দিয়ে স্পষ্ট হয়েছে রাষ্ট্র সেনাবাহিনীদের দিয়ে কীরকম ফ্যাসিবাদের আচরণ করে যাচ্ছে পাহাড়ি জাতিসত্তাগুলোর ওপর। কেউ যদি অপরাধ করে তাঁর বিচার চাওয়াটা ভিক্টিমের পক্ষে অধিকার আছে, অপরাধী যতবড় সংগঠনই হোক না কেন,তার পক্ষে হয়ে আমরা কথা বলতে পারি না , বরং আমাদের নৈতিক দায়িত্ব হচ্ছে ভিটিকমের পাশে দাঁড়ানো । কিন্তু সেনাবাহিনীর সংগঠন, মিডিয়ার শক্তি , রাষ্ট্রের সকল শক্তি দিয়ে পাহাড়ি জাতিসত্তাদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে যে , সেনাবাহিনীদের বিরুদ্ধে কিছুই বলা যাবে না , সেনাবাহিনীরা এদেশের গর্ব এবং রাষ্ট্রের অহংকার।
সেনাবাহিনীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের বিচার চাইতে গিয়ে কিছু ভারাটে উগ্র বাঙালি জাতীয়তাবাদীদের কাছ থেকে পাহাড়িদের শুনতে হল একটা গণতান্ত্রিক দেশে কীভাবে "রাজা" থাকতে পারে ।
বাংলাদেশে যে সমাজ কাঠামো প্রচলিত হয়ে আসছে তাতে আদিবাসীরা অলিখিতভাবে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক। "রাজার" কথা যদি বলি, পৃথিবীর বিভিন্ন গণতান্ত্রিক দেশের ট্রাইবেও রাজা আছে ।যেমন নিউজিল্যান্ডের মাওরি ট্রাইবদেরও রাজা আছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ট্রাইবদের এরকম রাজার ব্যবস্থার চল আছে,এসমস্ত স্বশাসন ব্যবস্থাগুলো মূলত আভ্যন্তরীণ জাতিগুলোর মধ্য সীমাবদ্ধ ,যা রাষ্ট্রের সংবিধানকে আঘাত করে না,বা এসমস্ত প্রথাগত শাসনগুলো সংবিধান বিরোধী নয়।
পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসীদের আভ্যন্তরিন রাজার শাসন প্রধান দন্ধ নয় , মূল দন্ধ হচ্ছে পাহাড়ে রাষ্ট্রীয় আগ্রাসন, রাষ্ট্রের আগ্রাসনে দিনের পর দিন অত্যাচার,ভুমি দখল, ধর্ষণ ,ঘুম,-হত্যা হয়ে আসছে পাহাড়ে। তাই পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসীরা তাঁদের সংস্কৃতিতে রাজাকে রাখবে না রাখবে এটা তাঁদের ব্যাপার ।রাজাতো আর সমগ্র বাংলাদেশ থেকে খাজনা নিচ্ছে না ! এই নিয়ে সংখ্যাগরিস্টদের মাথা ব্যাথা দেখানো হচ্ছে উগ্র জাতীয়তাবাদের পরিচয় দেয়া।

(২) এবার আছি মূল আলোচনায় , পাহাড়িদের প্রায়ই শুনতে হয় পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়িদের জন্য যোগাযোগের সুবিধার্থে দুর্গম পাহাড়ে বড় বড় রাস্তাঘাট, উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মেডিক্যাল কলেজ,প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে দেওয়া হয়েছে সরকারের মাধ্যমে, এছাড়াও সেনাবাহিনীদের গড়া পর্যটন প্রকল্প পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়িদের অর্থনৈতিক পথ এনে দিচ্ছে। তারপরেও এরা সন্তুষ্ট নয়, বিছিন্নতাবাদী ইত্যাদি ইত্যাদি ব'লে খেপিয়ে তুলে বাঙালি জাতীয়তাবাদকে।
দেখুন, পাহাড়িরা উন্নয়নের বিরোধী নয়। কিন্তু প্রথমে জানতে হবে পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণ কী চায় এই মুহুর্তে। ১৯৯৭ সালের ২ রা ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ,তাই জুম জনগণ চায় এসবের উন্নয়ন চুক্তি মোতাবেক হোক। যেমন পার্বত্য জেলা পরিষদের নিকট রাস্তাঘাটসহ সকল প্রকার উন্নয়ন এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার সকল ক্ষমতা হস্তান্তর হোক। শিক্ষা ও সকল ক্ষেত্রে যথাযথ উন্নয়নের জন্য তিন পার্বত্য জেলা পরিষদে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্টা করা হোক। বাংলাদেশের সংবিধান ,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মূল স্পিরিট ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অন্যতম একটি স্তম্ভ 'গণতন্ত্র' ও গণতান্ত্রিক নীটি। কিন্তু সরকার চুক্তির ২০ বছর পরেও 'পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি'কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন পার্বত্য জেলা পরিষদকে নির্বাচনে না দিয়ে মনোনীত ব্যক্তিদের দিয়ে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদকে পরিচালনা করে যাচ্ছেন।
পাহাড়ি চায় -জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী পরিষদই পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করুক। পাহাড়িরা উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,মেডিকেল কলেজ,প্রযুক্তির বিশ্ববিদ্যালয়ের আগে চায় - প্রাথমিক, মাধ্যমিক, ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার শক্ত বুনিয়াদ প্রতিষ্টা পাক,এরপরেই প্রতিষ্টা করা হোক মেডিকেল কলে,প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ইত্যাদি ইত্যাদি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। নইলে উন্নয়নের সুফল পাহাড়িরা পাবে না, বরং তা পাহাড়িদের জন্য 'কাপ্তাই বাঁধ ' -এর মতন আরেক মরণ ফাঁদ হয়ে দেখা দেবে। পার্বত্য চট্টগ্রামে যেখানে সমস্ত আদিবাসী গ্রামে সরকারি প্রাইমারী স্কুল প্রতিষ্টা করা সম্ভব হয়নি,যেখানে বেশিরভাগ প্রাইমারী স্কুল অচল কিংবা মানসম্মত শিক্ষা দানে সম্ভব হয়ে উঠেনি ,যেখানে মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক -শিক্ষিকাসহ নানাবিধ সংকট ,এমনকি সরকারি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক সংকটসহ বিভন্ন সমস্যার কারণে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না ,সেখানে রাঙামাটিতে বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্টা করা ' গাছের গড়ায় পানি না দিয়ে আগায় পানি দেয়াড় সামিল।
পার্বত্য চুক্তির মোতাবেক - পার্বত্য চট্টগ্রামের সাধারণ প্রশাসন ,আইন-শৃঙ্খলা, ভূমি ও ভূমি ব্যবস্থাপনা,শিক্ষার উন্নয়ন, কৃষি, স্বাস্থ্য, শিল্প, সংস্কৃতি উন্নয়ন ইত্যাদি তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ ও আঞ্চলিক পরিষদের বিষয় । এসব উন্নয়ন বিষয়ে কি করা হবে,না হবে তা নির্ধারন করবে এসব প্রতিষ্টান।
এখন কথা হচ্ছে ,সরকার বর্তমানে তথাকথিত যেসব উন্নয়নগুলো পার্বত্য চট্টগ্রামে করে যাচ্ছে,সেগুলো পাহাড়িরা চায় না, কারণ বর্তমানের এসব উন্নয়ন পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিবেশ,সংস্কৃতি ও জনগণের জন্য ক্ষতিকর। তাই যারা এসব উন্নয়নের কথা তুলে সরকার তথা সেনাবাহিনীদের পক্ষে সাফাই গাই তাঁদের উচিত 'পার্বত্য চুক্তি'র দিকে একটু নজর দেওয়া ।

(৩)'কোটা' নিয়ে প্রতিটি আদিবাসী বা সংখ্যালগুদেরকে খোটা খেতে হয় সংখ্যাগরিস্টদের কাছ থেকে। কোটা সিস্টেমটা এখন খোটার অলংকার হয়ে দাঁড়িয়েছে । একটি রাষ্ট্রে কোটা সিস্টেমটা রাখতে হয়। বিশ্বের প্রতিটি রাষ্ট্রে কোটার চালু আছে । বিশ্বজুড়ে আধুনিক রাষ্ট্রের ব্যবস্থাটা যখন উন্নয়ন করে ,তখন কিন্তু রাষ্ট্রের ফিলসফিটা ছিলো হোমোজেনাইজেইশন ,তখন রাষ্ট্রের মুল পলিসি ছিল হোমোজেনাজেইশনকরণ ,হোমোজেনাইসড করতে হবে । তাঁরা মনে করত রাষ্ট্রের সংহতি তৈরির জন্য সবাইকে এক করতে হবে। কিন্তু এই চিন্তাটা ভুল ছিল ,এই চিন্তাটা ভুল থাকার কারনে পৃথিবীতে অনেক সমস্যা ,অনেক সংঘাত তৈরি হয়েছে। আজকের পৃথিবী বুঝেছে যে, হোমোজেনাজেইশন নয়,বরং ডাইভার্সিটির স্বীকৃতি দিতে হবে,এবং সেই ডাইভার্সিটির স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে 'ঐক্য'র যে সুত্রগুলো আছে সেগুলোকে লালন করতে হবে ,অর্থাৎ বহুত্ববাদকে । বহুত্ববাদ নিয়ে রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিতে হবে। আমাদের সমাজে,আমাদের রাষ্ট্রকেও বহুত্ববাদের স্বীকৃতি দিতে হবে, এবং লালন করতে হবে। পৃথিবীতে এমন কোন দেশ নেই,যে দেশে শুধুমাত্র এক জাতির ,এক ধর্মের বাস। সব রাষ্ট্র এখন বহু জাতির ,বহু ধর্মের,বহু সংস্কৃতির রাষ্ট্র । কাজেই সেখানে সকলের সমানাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। এবং যারা হিস্টোরিক্যালি বঞ্চিত হয়েছেন, এই যে সংখ্যালগু জাতিসত্তাগুলো তাদেরকে যেন এগিয়ে থাকা জাতগুলোর সাথে সমানতালে আনা যায় ,সেজন্য তাঁদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে । এজন্যই কোটা দরকার হয়। না হলে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্টিগুলো আরো পিছিয়ে পড়বে। দেশের ভিতর একটা জাতি পিছিয়ে পড়ে থাকা মানে পৃথিবীর অন্যান্য দেশ থেকে পিছিয়ে যাচ্ছে।
তাই যারা এই কোটার বিরোধিতা করে, তাঁরা আসলে চায় না পিছিয়ে পড়া জনগোষ্টীগুলো তাঁদের সমানতালে আসুক, তাঁরা রাষ্ট্রের মঙ্গল চায় না, তাঁরা তখন ফ্যাসিবাদের চর্চায় মত্ত থাকে। এদেশের বাঙালি জাতীয়তাবাদও চরমভাবে ফ্যাসিবাদ চর্চা করে আসছে অন্য জাতিসত্তাগুলো উপর। তাই কোটা নিয়ে সবসময় খোটা দিতে থাকে বিভিন্ন কর্মস্থলে বা শিক্ষা প্রতিষ্টানে।

আমার কথা হচ্ছে- চুক্তির বহির্ভুত সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামে কীরকম উন্নয়ন করেছে সেটার মূল্যায়ন না করে ,বরং মূল্য দেওয়া উচিত পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি আদিবাসীরা কী চায়, তাঁরা কোন ধরনের উন্নয়ন চায়। পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘ ২৪-২৫ বছরের সংঘাতকে থামানো গিয়েছিল ৯৭-এর 'পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি'র মধ্য দিয়ে। পাহাড়িরা কীচায় সেসব চুক্তিতে উল্লেখিত ছিল ,এবং সরকার সবকিছু দেখেশুনে চুক্তি সম্পাদন করেছিল। কিন্তু সরকার দীর্ঘ ২০ বছরের পরেও চুক্তিকে পূর্নভাবে বাস্তবায়ন করছে না।যার জন্য পাহাড়ে এখনো সংঘাতময় পরিস্থিতি চলছে । এদেশের সংখ্যাগরিস্টরা কী চায়, আবারো সেই পুরনো পার্বত্য চট্টগ্রামে ফিরে যাক ,আবার শুরু হোক সংঘাত! যদি তা না চান,তাহলে আমাদের উচিত সম্মিলিতভাবে চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে চাপ দেওয়া ।

বিভাগ: 

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

বিশ্ব চাকমা
বিশ্ব চাকমা এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 3 দিন ago
Joined: বুধবার, নভেম্বর 1, 2017 - 6:24অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর