নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মিশু মিলন
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • দ্বিতীয়নাম
  • নিঃসঙ্গী
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • মিঠুন বিশ্বাস

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

যে কারণে সরাসরি বলা দরকার



কমিউনিজম মানে মার্কসবাদ না। কমিউনিজম মানে সুন্দর একটি সমাজ ব্যবস্থার সামষ্টিক আকাঙক্ষা এবং তার জন্য যে যে কাজ করা প্রয়োজন, সেসবই সমাজতন্ত্র। সমাজটাকে সুন্দর অবস্থায় পৌঁছে দেয়ার জন্য বিভিন্নভাবে মানুষ কাজ করছে। এগুলো সবই সমাজতন্ত্র। মানুষ ভালো হলে কোনো তন্ত্রমন্ত্র লাগে না।
কেন মানুষ নিজের ভেতর থেকে সেরাটা বের করে আনতে পারছে না, কারণ, সে নিজেকে এক্সপ্লোর করতে পারছে না। তাই মূল বাধাটা চাপিয়ে দেয়ায়।

মানব সমাজে সবচে বেশি চেপে বসে আছে ধর্ম। দুর্বত্তরা খুব কার্যকরভাবে এটা কাজে লাগাচ্ছে। ভালো ধর্ম বলে কিছু নেই—বাতিল জিনিস, অচল জিনিসেরও মূল্য আছে, তবে সেটি ব্যবহারিক মূল্য নয়, সেটি ঐতিহ্যগত মূল্য। তাই জাদুঘরে রাখতে হয় প্রাচীন যা কিছু, লোকালয়ে নয়।
কালকে একটা এলাকায় গিয়েছিলাম। গ্রাম দখলের মহোৎসব চলছে সেখানে। বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতারা কালোটাকা দিয়ে গ্রামের মানুষের জায়গাগুলো ভুলিয়েভালিয়ে কিনছে। অভাবী গ্রামের মানুষ একসাথে অনেক টাকা পেয়ে, কখনো বাধ্য হয়ে জায়গাগুলো বিক্রী করছে। গ্রামটাকে রাখা হয়েছে ভয়ঙ্করভাবে অবহেলিত অবস্থায়, সম্ভবত সমস্ত জায়গা দখলে নেয়ার পর উন্নয়ন শুরু হবে।

ঢাকার এত কাছে হওয়ার পরও কোনো প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা সেখানে নেই। গ্রামের ঢোকার রাস্তাটা পর্যন্ত নেই। সদ্য সিটি কর্পোরেশনের আওতায় গেছে গ্রামটি। তাতেই মনে হয় সবচে বড় সর্বনাশটা এখন হবে। কারণ, কোনো পরিকল্পনার ছাপ নেই কাজে। দেখলাম, একটি বিশেষ বাহিনীর এক কনস্টেবল জায়গা কিনে প্রাচীর দিয়েছে রাস্তার উপর! এরকম অারো অাছে।

চাইলে শহরের পাশে সুন্দর একটি অাদর্শ গ্রাম হতে পারত এটি। শহরের মানুষের হাঁপ ছাড়ার জায়গা হতে পারত। পর্যটন কেন্দ্র হতে পারত। ছোট নদী (বড় খাল) রয়েছে পাশে, ভেতরে ভেতরে জলাশয় রয়েছে। চমৎকার কিছু আয়োজন হতে পারত এসবকে ঘিরে।
হয়নি, হবেও না। দখল হচ্ছে, জগাখিচুরি হচ্ছে। এরচেয়ে বড় যেটা হচ্ছে—সেখানে কিচ্ছু হওয়ার আগেই সুরম্য দুটি উপসনালয় হয়েছে। অর্থাৎ দুর্বত্তরা নিজেদের কাভারআপ করার জন্য, মানুষকে বুঝ দেয়ার জন্য খুব দ্রুত ওটি বানিয়ে ফেলেছে, কারণ, সরকারি অনুদান আছে, লোকের কাছে টাকা চাইলেও এক্ষেত্রে পাওয়া যায়। ফলে কম বিনিয়োগে এবং সবচে কম মাথা খাঠিয়ে মানুষকে তাঁরা ধোকা দেয়ার উপায়টাই কাজে লাগিয়েছে।

কিন্তু মশার কাপড়ে দাঁড়িয়ে থাকা যায় না। জানতে চাইলাম, মশার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা আছে কিনা, নেই। মশার বিরুদ্ধে তো ভালো কোনো ধরনের কোনো নাগরিক সুবিধা সেখানে নেই। সন্ধ্যের পরেই ঘুটঘুটে অন্ধকার হয়ে যায়, রাস্তায় লাইট নেই। খালের পানি ভয়ঙ্কর নোংড়া, সেখান থেকে দুর্গন্ধ ছুটছে সবসময়।
কিন্তু খুব বেমানানভাবে ভারতের সাথে পাল্লা দিয়ে দুটি উপসনালয় বানানো হয়েছে! ওটার দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে সত্যিই কোনো স্বস্তি খোঁজার মতো অবস্থায় অাধুনিক মানুষ অাছে এটা ভাবার কোনো কারণ নেই। কথা বলে বুঝলাম—তাঁরা জাস্ট পেরে ওঠে না।

যেকথা শুরুতে বলছিলাম—মুক্তির পথে মূল বাধাটা কোথায় এটা সরাসরি বলা যায় না, এটা সবচে বড় দুঃখ এদেশে থেকে। এটা গবেষণা করে বুঝিয়ে দেয়া সম্ভব যে কেন সরাসরি বলাটা জরুরি। কারণ, যাদেরকে বলতে হবে শৈল্পিকভাবে বললে তাঁরা বুঝবে না। তাঁদের সরাসরি বলতে হবে, ফলে তাঁরা খেপবে আবার চিন্তাও করবে।

ধর্ম ব্যবসায়ীরা কিন্তু চায় অাপনি যেন সরাসরি না বলেন, কৌশলে বললে তাঁদের কোনো অসুবিধা নেই। কারণ, কৌশলে বললে যাদের কানে পৌঁছাবে তাঁদের বুঝ নিয়ে তাঁরা ভাবিত নয়, যে শ্রেণির মাথায় তাঁরা কাঁঠাল ভাঙে তাঁরা যে সরাসরি না বললে বুঝবে না, এটা তাঁরা জানে।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

দীব্বেন্দু দীপ
দীব্বেন্দু দীপ এর ছবি
Offline
Last seen: 2 months 3 weeks ago
Joined: সোমবার, মার্চ 20, 2017 - 11:34পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর