নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • দ্বিতীয়নাম
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • মিশু মিলন

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

প্রসঙ্গ : নিঝুম মঝুমদার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যা।


নিঝুম মঝুমদার নামে ভদ্র লোকটা লন্ডনে বসে পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা নিয়ে ফাঁকা মাঠে একের পর এক গোল দিয়ে যাচ্ছেন , ফাঁকা মাঠ বলছি এজন্য যে,উনার পোস্টের কমেন্ট অপশন উন্মুক্ত না রেখে একের পর এক পোস্ট প্রসব করে যাচ্ছেন।কমেন্ট অপশন সবার জন্য উন্মুক্ত না করে পাহাড়ি জনগোষ্টীর ওপর সন্ত্রাসী, রাজাকার,বিচ্ছিন্তাবাদী বিভিন্ন বিভ্রান্তিমূলকের ট্যাগ লাগিয়ে দিয়ে বাঙালি জাতীয়ত্ববাদকে উস্কে দেওয়া কতটুকু সততার মধ্য পড়ে তা নিঝুম সাহেব বুঝবেন নিশ্চয়।আমার চাবানোর দাঁত আর খাওয়ার দাঁত আলাদা না ,তাই আমি স্পষ্ট করে বলছি- পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৌতিক সমস্যা নিয়ে নিঝুম মঝুমদারের প্রতিটি লেখায় অসততা আছে। উনার লেখায় রেফারেন্স টানতে গিয়ে দেখায় সেটেলার আর সেনাবাহিনীদের পরিচালিত অনলাইন পত্রিকা পার্বত্যনিউজ.কমের কলামগুলো। পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা নিয়ে উনার মতো বিজ্ঞ মানুষের দুর্বল গবেষণা দেখলে চরম হাসি পায়।হি ইজ ভেরি ইন্টারেস্টিং ম্যান!

এই ভদ্র লোকটা , সেনাবাহিনী কতৃক ধর্ষণ ও নিপীড়নের শিকার দুই মারমা কিশোরীর ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে এবং সেনাবাহিনীদের ধোয়াতুলশী পাতা বানাতে গিয়ে নতুন পুরাতনের কেচ্ছাকাহিনী টেনে এনেছে তার প্রথম লেখায় ,যেগুলোর কোনো ভিত্ত নেই । ভদ্র লোকটা একজন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক ও লেখক হয়েও বুঝে উঠতে পারেন নি, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি জেনারালরা কি যৌনতাড়িত নরপশু হয়ে ধর্ষণ করেছিল এদেশের মা-বোনদের ওপরে? নাকি বাঙালি জাতিসত্তার বীজ ধ্বংস করার জন্য এথনিক ক্লিজনিংয়ের অপারেশন চালিয়েছিল?

রাষ্ট্রীয় আইনের বাহিনীর দ্বারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যখন কোন সম্প্রদায়ের ওপর অত্যাচার,নিপীড়ন,ধর্ষণ হয়,তখন সেটা হয়ে উঠে একটা সম্প্রদায়ের প্রতি তীব্র ঘৃণা ,সম্প্রদায়ের নিরীহ গোষ্ঠীর ওপর রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করা। পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনী দ্বারা দুই মারমা কিশোরীর বোনের ঘটনাটা প্রথম নয়, এরকম আরো বহু ধর্ষণ ও যৌনঅত্যাচারের ঘটনা ঘটিয়েছে এদেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীরা,যা কোনটার সুবিচার পাওয়া যায়নি এমনকি সুস্থ তদন্ত পর্যন্ত হয়ে উঠেনি । কাজেই পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জনগোষ্টীদের ওপর ধর্ষণগুলো কামের সীমানা পেরিয়ে রাজনৈতিক পীড়নের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি জেনারালরা যে কায়দায় এথনিক ক্লীজনিং করতে চেয়েছিলেন বাঙালি জাতিসত্তাকে ,একি কায়দায় স্বাধীন বাংলাদেশের সেনাবাহিনীরা এথনিক ক্লীজনিং করে যাচ্ছেন পাহাড়ি জাতিসত্তাগুলোকে ।

নিঝুম সাহেব তার প্রথম লেখায় পাহাড়িদের ওপর যেসব অভিযোগগুলো দাঁড় করিয়েছেন ,সেখান থেকে কয়কটি গুরুতর অভিযোগগুলো নিম্নে লিখে জবাব দেওয়ার চেষ্টা করছি ।

* পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে ইউ পিডি এফ ,শান্তিবাহিনী কিংবা যেসব বিচ্ছিন্ন দল সন্ত্রাসীরা খোদ পাহাড়ের বিভিন্ন যুবকদের জোর করে বাধ্য করে তাঁদের দলে ভিড়িয়ে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করার জন্য।

- নিঝুম সাহেবকে বলব,পাহাড়ি যুবকদের জোর করে যদি দলে ভেড়ানো যেত, তাহলে অধিকার আদায়ের আন্দোলনটা আর জোরদার হতো,দ্রুত সুফল পেতো পার্বত্যবাসিরা ।পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক দলগুলো সেরকম জোর জবরদস্তি করে দলে ভেড়ায় না, যার ইচ্ছা সে ঢুকবে,যার ইচ্ছা নেই সে ঢুকবে না। উল্টো, আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলোর এটাই ব্যর্থতা যে পাহাড়ি যুবক-যুবতীদের রাজনৈতিক ,অর্থনৈতিক,সামাজিক এবং সাংস্কৃতিকভাবে সচেতন করতে পারছে না। আমি জানি না,নিঝুম সাহেব এধরনের মিথ্যা বানোয়াটের খবরগুলো কো-থেকে সংগ্রহ করে।
* আরেকটি মারাত্নক অভিযোগ এনেছেন নিঝুম সাহেব, পাহাড়িরা নাকি নিজস্ব অর্থ মুদ্রণ এবং আলাদা সেনাবাহিনী বানিয়েছেন। এইসব সন্ত্রাসীদের হাতে অসংখ্য সেনাবাহিনীর অফিসার খুন হয়েছেন, নির্যাতিত হয়েছেন, পঙ্গু হয়েছেন। সেখানে অসংখ্য বাঙালীদের হত্যা করা হয় এবং এইসব সন্ত্রাসী বিচ্ছিন্নতাবাদীরা নিরবিচ্ছন্নভাবে মুক্তিযুদ্ধের কিছুকাল পর থেকে তা জারি রেখেছে। আমি এসবের শত শত ফিরিস্তি, প্রমাণ দিতে পারব।

- এর জবাব আমার দিতে ইচ্ছা করছে না, তবু দিচ্ছি নিঝুম সাহেব আপনাকে । আপনার মনের ক্ষুধাকে শান্ত করার জন্য। দেখুন, নিঝুম সাহেব অর্থ মুদ্রণের ব্যবস্থার মতন অদ্ভুদ অভিযোগ কোথায় থেকে আবিষ্কার করেন তা আমার জানা নেই। কিন্তু আপনি যখন দাবী করছেন,আপনার কাছে শত শত ফিরিস্তি আছে প্রমাণ দেবার জন্য ,তাই বলছি -প্রমাণগুলো উপস্থাপন করার জন্য আপনার পরবর্তী লেখায়। পুরো দেশবাসী জানুক ,কোথায়,কীভাবে পার্বত্যবাসীরা নিজস্ব মুদ্রণের ব্যবস্থা করে রেখেছে।

নিঝুম সাহেব, আপনি পার্বত্য চট্টগ্রামের বিদ্রোহী সেনাদের বারে বারে সন্ত্রাসী বলে আখ্যায়িত করে আসছেন। আপনি আইনের লোক হয়েও বুঝে উঠতে পারেন নি সন্ত্রাসী বাহিনী আর বিদ্রোহী বাহিনীর মধ্য তফাৎ আছে, সেই যাই হোক আপনার কথার অনুসারে এইসব সন্ত্রাসীদের হাতে অসংখ্য সেনাবাহিনী অফিসার খুন হয়েছেন ,নির্যাতিত হয়েছেন,পঙ্গু হয়েছেন । আমি আপনার এই অভিযোগের কোন দ্বিমত করছি না। আপনি সঠিক বলেছেন ,অনেক সেনা অফিসার নিহত হয়েছেন। কিন্তু আপনার শুধু সেনা অফিসারে নিহত সংখ্যার কথা মনে আছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে ১৩ টির মতন গণহত্যার কথা মনে পড়লো না ,যেগুলোতে সেনাবাহিনীরা প্রত্যক্ষ্য এবং পরোক্ষভাবে সরাসরি জড়িত ছিল । এছাড়া অগণিত গ্রাম পুড়ে দিয়ে লুটপাটের পেছনে সেনাবাহিনীদের মদদ ছিল। পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যাটা বুঝতে চাইলে আপনাকে সেই মুগল সাম্রাজ্য থেকে শুরু করে ব্রিটিশ,পাকিস্তান এরপর স্বাধীন বাংলাদেশ হওয়ার পর পার্বত্য চট্টগ্রামে কী ঘটেছিল সেগুলোর ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করা উচিত। স্বাধীনতার পর কীজন্য পার্বত্য চট্টগ্রামে বিদ্রোহী সংগঠন গঠন করতে হয়েছিল পাহাড়িদের সেগুলোর ইতিহাস নিয়ে ঘাটাঘাটি করার উচিত ছিল। ইতিহাসকে তো চাইলে উল্টিয়ে পাতিহাঁস বানানো যায় না।

পার্বত্য চট্টগ্রামে যেহেতু সংঘাতময় রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল স্বাধীনতার পর থেকে ,কাজেই সেই সংঘাতে সেনা অফিসার ,সেনা সদস্য নিহত হবে স্বাভাবিক । তাহলে আপনার অভিযোগের খাতিরে বলতে হয় ,পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীদের পাঠানো হয়েছিল শুধু পাহাড়ি সশস্ত্র বাহিনীদের মারবে,আর সশস্ত্র বাহিনীরা সেনাবাহিনীদের দেশী মুরগির মাংস দিয়ে নেমন্তন্ন করবে মার খাবার জন্য ।

এসমস্ত সংঘাত বন্ধ করার জন্য ,পার্বত্য চট্টগ্রামে সুস্থ পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার জন্য। পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়িদের জীবন স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসার জন্য সারাদেশের মানুষের কাঙ্কিত ৯৭ সালের ২ রা ডিসেম্বরে "পার্বত্য চুক্তি" সম্পাদিত হয় । এখন আপনি চুক্তির আগে কে কয়টা সেনাবাহিনী সদস্য মেরেছে, কয়টা বাঙালিকে হত্যা করা হয়েছে এধরনের লেইম লজিক তুলে এনে বাঙালি জাতীয়তাবাদকে চরমভাবে উস্কে দেবার সারা আর কিছুই নয়,এর থেকে বোঝা যায় আপনি অন্ধ জাতীয়তাবাদে ডুবে আছেন।

* নিঝুম সাহেবের আরেকটি ভয়ানক অভিযোগ। আমার দেশ, আমার মাটি অথচ আমার নাম সেটেলার? এই দুঃসাহস হয় কি করে? কিভাবে এটি সহ্য করব?জুম্মল্যান্ড নাম দিয়ে সেটির পতাকা করে ফেলা হয়েছে পার্বত্য চট্রগ্রামে, আলাদা মুদ্রা ব্যবস্থা রয়েছে, আলাদা বিচার ব্যবস্থা করেছে।

- এরকম অভিযোগগুলো দেখলে বুঝতে একবিন্দুও অসুবিধা হয় না যে, ভদ্র লোকটা ৯৭ সালের "পার্বত চুক্তি" পত্রটি একটি বারের জন্য হলেও নড়াচড়া করেন নি। হয়ত আজো পড়া হয়ে উঠেনি ভদ্র লোকটির। চুক্তির যে ,৭২ টি ধারা আছে সেখানে স্পষ্ট উল্লেখ আছে আমরা সেটেলার বলতে কাদেরকে চিহ্নিত করি।আমরা সেটেলার কাদের বলি সেটা আমার বন্ধু Priyangshu Chakma উনার লেখায় জবাব দিয়েছেন আপনাকে ,কি বলেছেন একটু মন দিয়ে শুনেন- " সেটলাদের কেন সেটলার বলা হয় এই প্রশ্নের উত্তর অনেকটা "সারারাত রামায়ণ পড়ে সকালে সীতা কার বাপ" জিজ্ঞেস করার মতো। সেটলার কাদের বলা হয়, কেন বলা হয়, ডেমোগ্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে কখন এদের পুশইন করা হয়েছে এসব জানার আগ্রহ না থাকলে আসলে এ নিয়ে প্রশ্ন তোলাটা খুব স্বাভাবিক। তাই এ বিষয়ে একটু ব্যাপকভাবে পড়ার পরামর্শ দিচ্ছি।"

আর আলাদা মুদ্রা ব্যবস্থা, জুম্মল্যান্ড নাম দিয়ে পতাকা তৈরি করে ফেলা এরকম প্রোপাগান্ডা ছড়ানো নিউজগুলো দিয়ে ফেইসবুকে স্ট্যাটাস প্রসব করতে দেখলে ,তখন বোঝা মুশকিল হয়ে পড়ে ইনি কি সেই মুক্তিযুদ্ধের বিষয়ক গবেষক ব্যরিস্টার নিঝুম মঝুমদার !

নিঝুম সাহেব, আপনাকে অনুরোধ করব, 'পার্বত্য চুক্তি' পত্রটি একবার পড়ে দেখবার। সেই চুক্তিপত্রে যদি দেখিয়ে দিতে পারেন আলাদা মুদ্রার ব্যবস্থা, জুম্মল্যান্ড নামক পৃথক রাষ্ট্র গঠন, তাহলে আপনার গুরুতর সমস্ত অভিযোগগুলো মাথা পেতে নেব।

* চাকমা রাজা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন। বলছেন ,কিসের রাজা দেবাশীষ রায়? হু ইজ হি? একটা পাড় রাজাকার, পাকিস্তানের মহা দালাল ত্রিদিব রায়ের ছেলে দেবাশীষ। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ত্রিদিব বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কাজ করে গেছে।একজন গরীব কৃষক হাড় পানি করে ফসল ফলান। সেই ফসলের ৪২ পয়সা যায় রাজাকার ত্রিদিবের সন্তান দেবাশীষের ঘরে। আর এই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সে কিসের রাজা? কোথাকার রাজা সে?

- এখনও এক ত্রিদিব রাজা নিয়ে পড়ে আছেন, এক ত্রিদিব রাজা পাকিস্তান সমর্থন করেছিল বলে গোটা পাহাড়ি আদিবাসী জনগোষ্টীকে রাজাকার বলতে কার্পন্য বোধ করেন না । আপনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নিয়ে বই লিখেন,গবেষনা করেন, এতো কিছু করেন তারপরেও পাহাড়ি আদিবাসীদের মুক্তিযুদ্ধের অংশগ্রহণের ইতিহাস চোখে পড়লো না। আপনি চাকমা রাজাকে বলেছেন রাজাকারের ছেলে , কিন্তু এটাকি ভুলে গেছেন আওয়ামী লীগার গ্রুপ আপনার বিরুদ্ধে সব সময় লিখে আসছে এবং কথায় কথায় "ফ্রিডম পার্টির জামাই" বলে গালি দিচ্ছে । আপনি কেন ভুলে যান ,আপনার শ্বশুরও একজন কুখ্যাত ফ্রিডম পার্টির ডাকসাইটে নেতা ছিলেন? পুরনো গু উল্টালে বেশি গন্ধ ছড়ায় এটা বুঝি জানা নেই আপনার!

আপনি বলেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামে রাজার শাসন চলে, যদি রাজার শাসন চলে থাকে তাহলে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী এমপি, জেলা প্রশাসক, ইউএনও, পুলিশ সুপার, পার্বত্য জেলা পরিষদগুলো হাওয়া খাওয়ার জন্য বসে আছে!
আপনি বলেছেন হু ইজ দেবাশীষ?হু ইজ হি? হু ইজ রানী,হু ইজ ছি ?

এখন প্রতিউত্তরে যদি পাহাড়িরা বলে হু ইজ নিঝুম মঝুমদার? হু ইজ হি ? লন্ডনে বসে কোথাকার হাওয়ার এক নিঝুম মঝুমদার আমাদের জাতিগত মুক্তি আন্দোলনকে জাস্টিফাই করতে আসে?
এর জবাব দেবার কি মুখ থাকবে তখন ।

যাক,এখন আর নয়। আমার পরবর্তী লেখায় আলোচনা হবে উনার দ্বিতীয় পোস্টের অন্যান্য অভিযোগগুলো নিয়ে।

বিভাগ: 

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

বিশ্ব চাকমা
বিশ্ব চাকমা এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 3 দিন ago
Joined: বুধবার, নভেম্বর 1, 2017 - 6:24অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর