নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মিশু মিলন
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • দ্বিতীয়নাম
  • নিঃসঙ্গী
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • মিঠুন বিশ্বাস

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

তুষারে চাদরে ঢাকা আমার ভালবাসার দিনগুলি।


ছুটির দিনে বেশ বেলা করেই ঘুম ভাঙ্গে, ততক্ষণে দুপুরের সূর্যের আলো জানালা ভেদ করে ঘরের মেঝেতে লুটোপুটি খাচ্ছে, পনেরো ফুট বাই পনেরো ফুট ঘর পুরোটাই আজ সোনালী সূর্যালোকের দখলে চলে গেছে। বাইরে ঠাণ্ডার প্রকোপ তেমন কমেনি জানালা দিয়ে বাইরে তাকাতেই সাদা বরফে ঢাকা পৃথিবীটার উপর সোনালী সূর্যের আলো এক অপরূপ সুন্দর অনুভূতিতে মনটাকে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, একটা বিশেষ কারণ তো অবশ্যই আছে কারণ একজন বান্ধবীর সাথে বেশ কিছুদিন যাবত দেখা সাক্ষাত হচ্ছে বটে দুপুরে একসাথে একটা পার্কের লেকে রাজহাঁসের সাতার কাটা দেখতে যাবো, রাজ হাসের সাতার কাটা দেখতে যাওয়াতে যে একটা রোমাঞ্চকর কিছু থাকতে পারে তা আমার মত গর্ধভের মাথায় ঢোকার কথা কি?

তবে ভালো লাগা থেকে ভালোবাসা বাসিতে পৌছতে আমার দিন যেন কাটতেই চায় না, ভালবাসা বিষয়টা আসলই খুবই জটিল, ইউরোপে আগে পছন্দ তারপর ভালো লাগা, এ ভাবেই চলতে থাকে, ধারণা ছিল মেয়েদের মন নাকি বিধাতাও বুঝতে পারেন না । তবে বরফের দেশে এসে কথাটা আসলেই বিশ্বাস করতে হচ্ছে কারণ ঐ পছন্দের প্রথম পর্বটা আমাদের এখনো শেষ হয়নি, মানে আমার দিক থেকে শেষ করতে চাইলেও বান্ধবীর দিক থেকে কোন গ্রিন সিগন্যাল এখনও পাচ্ছি না। দুর্ভাগ্যটা হয়তো আমারই, বাংলাদেশের সংকীর্ণমনা সমাজ থেকে উন্নত ও আধুনিক একটা সমাজ ব্যবস্থায় এসে আমার অবস্থা অনেকটা কুয়োর ব্যাঙের ঝপাস করে নদীর অতলে ডুবে যাওয়া, ভালো লাগা ভালবাসা তার পর হাড়ি পাতিল যোগার করে একসাথে চড়াই ভাতির মত এক সাথে প্রেমের সাগরে সাতার কাটার স্বপ্নে আমিও বিভোর থাকলেও পশ্চিমা দেশের একজন শেতাংগীনি যে আমারই মত করে ভাববে তা সঠিক করে বলা যায় না। পরিবেশ ও পারিপার্শ্বিকতার হরফের কত বিচিত্র এই পৃথিবী। বিয়ে বিষয়টা এদেশে নেহায়েত একটা আনুষ্ঠানিকতা মাত্র, সামাজিক রীতিনীতিতে বিয়ে বিষয়টা এদেশে খুব একটা গুরুত্বের সাথে দেখা হয়না। কিন্তু একজন বাঙালি ছেলে হিশেবে অনিচ্ছা সত্যেও এই সমাজের রীতিটা মেনে নিতে হচ্ছে। কাজেই বিয়ের স্বপ্নটা আপাতত শিকেয় তুলে রাখছি।

আমাদের উপমহাদেশে আধুনিক সমাজ গঠনে রাজা রাম মোহনের নাম হয়তো অনেকেই জানি কিন্তু সাংবাদিক হরিশ চন্দ্র মিত্র এই ঢাকাতেই সমাজ-সংস্কারের লক্ষ্যে বিধবা বিবাহ প্রবর্তনের পক্ষে এবং বহুবিবাহ, পণপ্রথা ও যৌতুক প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলে ছিলেন তা হয়তো অনেকেই ভুলে গিয়েছি। তিনি তাঁর লেখায়, নাটকে, কবিতায় সামাজিক অগ্রগতির দিক-চিহ্ন নির্দেশ করে গেছেন। উপমহাদেশে সামাজিক চিত্রটা যে এখন পর্যন্ত কুসংস্কার পূর্ণ ধর্মীয় রীতিনীতি থেকে মুক্ত হতে পারেনি তা অনুধাবন করতে আমাদের আমাদের রকেট সাইন্টিস্ট হবার প্রয়োজন পরে না। বাঙালি হিন্দুদের বিবাহ-সংক্রান্ত নিজস্ব প্রথা ও রীতিনীতি, উচ্চবর্ণীয় হিন্দু সমাজের বিবাহে প্রধানত দুইটি আচার-গত বিভাগ পরিলক্ষিত হয়, যথা, বৈদিক ও লৌকিক। এই প্রথাগুলো যে কতটা ধর্মীয় কুসংস্কার পূর্ণ তা বিশদ ভাবে ব্যাখ্যা প্রদান করার প্রয়োজন হয় কি ? ঠিক তদ্রূপ ইসলামে নারী পুরুষ মিলিত হওয়ার একটি ইসলামিক পারিভাষিক অর্থে নিকা বা বিবাহ বলা হয়। ইসলামী শরীয়াহ আইন অনুযায়ী, বিবাহ হল একজন নারী ও একজন পুরুষের মধ্যে নিষ্পন্ন বৈধ বন্ধন ও সামাজিক চুক্তি, আধুনিক সমাজে এই প্রথাগুলো যে কতটা কুসংস্কার পূর্ণ সেটার বিশদ ব্যাখ্যা দিতে গেলে গল্পটা অন্য দিকে ধাবিত হবে, আমিতো স্মৃতি চারণ করতে এসেছি ।

“একজন সুযোগ্য পাত্রের হাতে কন্যা দান,” বহুল প্রচলিত কথাটি আমাদের সমাজে শত বছর আগে থেকেই গ্রহণযোগ্যতা পেয়ে এসেছে, এক্ষেত্রে দ্বিমত করার কোনই সুযোগ নেই যে যোগ্য পত্র হিশেবে আর্থিক ভাবে সচ্ছল পাত্রটি হচ্ছে কন্যা দায়গ্রস্ত পিতা মাতার জন্যে আকাশের চাঁদ, বলার অপেক্ষা রাখে না যে, পত্রের সামাজিক ও পারিবারিক অবস্থানটি আসছে দ্বিতীয় ধাপে। পাত্রীর প্রাথমিক যোগ্যতা সে ভালো রাঁধে, সংসারী, নম্র ভদ্র ও ধার্মিক, যে বিষয়টি খুব সতর্কতার সাথে পত্র পক্ষকে জানিয়ে দেয়া হয়, সেটা হচ্ছে পাত্রী কুমারী, সতী বা অক্ষতযোনির অধিকারিণী। পাত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা বিষয়টি আসে তৃতীয় ধাপে যেমন পাত্রী যদি পড়তে জানে ও কিঞ্চিত সাক্ষর জ্ঞানের অধিকারিণী হয়ে থাকে তবে সেটাকে অতিরিক্ত গুন হিসাবেই ধরা হয়ে থাকে। বাঙালি মুসলিম পরিবারে বিবাহের আয়োজন মুসলিম আচার কানুনের মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকে আর তাই কাবিননামা বা বিবাহের নথি ভূক্ত করণ ও দেন মোহর ধার্য করণ। হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে এ আচার-রীতি খানিক ভিন্ন হলেও আমাদের উপমহাদেশে প্রতিটি বিবাহেই ঘটক শব্দটির গুরুত্ব অনেক, এই ঘটকদের কাজ হচ্ছে যোগ্য পাত্রের জন্যে একজন সুনয়না সুন্দরী লতাময়ী শারীরিক গঠনের পাত্রী খুঁজে বের করা, এক্ষেত্রে ঘটক পরিবারের বাইরের কেউ হলে নির্দিষ্ট সম্মানীর বিনিময়ে উক্ত কর্মটি সম্পাদন করে সমাজের মহতী কর্মে আয় রোজগার ভালই করেন।
ঘটকদের কাছে জমিদার বাড়ির মদ্যপ বড় ছেলেটি বা গ্রামের চ্যায়ারমেনের লম্পট ছোট ছেলেটি কন্যা দায়গ্রস্ত মফিজের বাবার জন্যে সব চাইতে সুযোগ্য পত্র বটে, বড় বাড়ির সুযোগ্য পাত্রদের একটু আধটু পেয়াজ খাবার প্রবণতা থাকলেই বা দোষ কোথায় ! বর্তমান কালে গুলশান ও বনানীতে আর্থিক ভাবে সচ্ছল এইসব বড়লোকদের সুসন্তানদের অনেক ধর্ষণ নামক কুকর্মের সংবাদ বিভিন্ন সময়ে পত্র পত্রিকাতে আমরা পড়ে থাকি, টাকার জোরে আইনের ফাঁক ফোকর দিয়ে তারা বেড়িয়ে গেলেও কন্যা দায়গ্রস্ত মফিজের বাবাদের কোনই মুক্তি নাই।
পরবর্তীতে আমাদের উপমহাদেশে অনেকেই এই ঘটকালি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পসরা সাজিয়ে বসেছেন। বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনলাইন জগতে প্রচুর পরিমাণে ঘটকালির ওয়েব সাইটের সন্ধান পাওয়া যাবে।
ইদানীং কালে শহর ভিত্তিক আর্থিক সচ্ছল ও সামাজিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত বা সচ্ছল ও শিক্ষিত সমাজে ছেলে মেয়েরা তাদের নিজেদের পছন্দমত সঙ্গী বেছে নিলেও বিবাহের প্রাক্কালে দুই পরিবারের সমঝোতার মাধ্যমেই সামাজিক গ্রহণ যোগ্যতার খাতিরে বিবাহের কার্যক্রম সম্পাদিত হয়, যদিও এ ধরনের বিবাহ এখন পর্যন্ত একটি সীমিত পরিসরেই সীমাবদ্ধ, তাই স্বল্প পরিসরের চিত্রটাকে সার্বজনীন হিসাবে স্বীকৃতি দেবার কোনই প্রয়োজন নেই যেখানে আশি ভাগ মানুষ সেই শত বছরের বিবাহের নিয়মের মাঝেই আটকে আছে, আমিই বা তার ব্যতিক্রম কিসে।
বৈবাহিক সনদ হল স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাহ সম্পন্ন হওয়ার প্রমাণ স্বরূপ একটি দাপ্তরিক দলিল। অধিকাংশ আইন ব্যবস্থায়, স্থানীয় সরকার কর্তৃক বৈবাহিক সনদ প্রদান করা হয়, বিবাহের দেওয়ানী চুক্তিপত্র নিবন্ধনের পর কিন্তু অলিখিত যে চুক্তিপত্রটি সরকারী পর্যায়ে নিবন্ধিত হয়না সেটা হচ্ছে যৌতুকের চুক্তি ও দেনমোহরের চুক্তিনামা, আর এই চুক্তিটাই হল আমাদের সমাজে কন্যাদায়গ্রস্ত পিতামাতার গলার কাটা, যেখানে একজন মেয়ে কর্ম ক্ষেত্রে, শিক্ষা দীক্ষায় ও আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী নয় সেখানে লোভী পাত্র বা তার পরিবারের একটি স্বীকৃত চাহিদার নাম হচ্ছে যৌতুকের টাকা পরিশোধ বা সেটার সমতুল্য কিছু। আজ পর্যন্ত কুসংস্কার পূর্ণ অন্ধকারের এই বিবাহ প্রথা থেকে সমাজের অনেক মেয়ে মুক্তির রাস্তা খুঁজে না পেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।

আসিলেই কত বিচিত্র এই পৃথিবী, সেদিন বিকেলে লাইব্রেরিতে ষাট ঊর্ধ্ব এক বয়স্কা মহিলার সাথে দেখা হল, তিনি প্রায় সমবয়সী একজন পরুষ সঙ্গীকে নিয়ে লাইব্রেরির বারান্দায় বসে কফি নিয়ে বসেছেন আমাকে দেখেই পাশে ডেকে বসালেন ভদ্রতার সাথেই ধন্যবাদ দিয়ে বললাম-“তোমাদের স্বামী স্ত্রী দুজনকেই ধন্যবাদ”, তারা দুজনাতেই বেশ জোরেই হেসে উঠে বয়স্কা মহিলাটি উত্তর দিলেন - আসলে আমরা আজ চল্লিশ বছর একসাথেই আছি তবে এখনো বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেই নি, তবে আগামী বছর আমরা হনুলুলু হওয়াইতে গিয়ে বিয়ের পাটটা চুকিয়ে ফেলবো বিয়েটা দারুন রোমাঞ্চকর।” আমার বেশী কিছু ভাববার সময় কোথায়, মনে হচ্ছে বিধাতা আসলেই এদের মগজে আর ঘিলুতে কিছুই দিল না, বিয়ে না করে একইসাথে স্বামী স্ত্রীর মত জীবন পার করে দিচ্ছে, তারপর আবার বিয়ে ? আমি মনে মনে ভাবছি গল্পের ক্লাস এখন শেষ হলেই বাঁচি, বান্ধবীকে জানিয়ে দিতে হবে বিয়ে থা না করে চল্লিশটা বছর এক সাথে পার করে দেয়া আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না, আমি রাজহাঁসের সাতার কাটা দেখতে যাওয়াতে কোনই রোমাঞ্চ খুঁজে পাই না, তুমি বরং তোমার দেশীয় কোন একটা গর্দভকে খুঁজে নিও। বাঙালি ছেলেরা বিয়ে ছাড়া চল্লিশ বছর এক সাথে সংসার করতে গেলে রাস্তার মোরে পর্যন্ত হেটে যাবার জো থাকবে না, পারা প্রতিবেশীরা মাথায় ঘোল ঢেলে দেবে, আত্মীয় স্বজন মা বাবা তাদের কথা না হয় বাদই দিলাম।

দুরের রাস্তার দিকে ছুটন্ত গাড়িগুলোর দিকে তাকিয়ে ভাবছি এদেশের গাড়িগুলোও কি এদের আধুনিক চিন্তা ভাবনার মত এত দ্রুত গতিতে ছুটে বেড়ায় ?
আমার মনটা রবি ঠাকুরের প্রতি শ্রদ্ধায় আবারও নত হয়ে এলো, কি করে তিনি আমার মনের কথাটা জেনে গিয়ে ছিলেন - “সখী, ভাবনা কাহারে বলে। সখী, যাতনা কাহারে বলে ।। তোমরা যে বলো দিবস-রজনী ‘ভালোবাসা’ ‘ভালোবাসা’—
সখী, ভালোবাসা কারে কয় !
সে কি কেবলই যাতনাময় ।।
তারা কেবলই হাসে, কেবলই গায়,
হাসিয়া খেলিয়া মরিতে চায়—
না জানে বেদন, না জানে রোদন,
না জানে সাধের যাতনা যত ।।"
ষাটঊর্ধ এই যুগলের সাথে আড্ডাটা বেশ জমেছে, বিচিত্র সব গল্প শুনতে শুনেতে বেশ ভালই লাগছিল, হঠাত্ পেছন থেকে ঘাড়ের উপর হাত পড়তেই মুখ ফিরয়ে তাকিয়ে দেখি বান্ধবী ক্লাস শেষে আমাকেই খুঁজে বেড়াচ্ছে - তুমি এখানে বসে আর আমি তোমাকে পুরো লাইব্রেরিটা খুঁজে বেড়াচ্ছি ?” মুখে একটু হাসি টেনেই উত্তর দিলাম যাক তা হলে অন্য কোথাও যাওয়া যাক, ষাটঊর্ধ এই যুগলের কাছ থকে বিদায় নিয়ে স্টেশনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, বান্ধবী বলে বসলো -আগামী কাল বেশ ঠাণ্ডা পড়বে সেই সাথে ভীষণ তুষার পাত, বিশাল এক লেকের উপর হাটতে যাওয়াটা বেশ রোমান্টিক হবে, প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় লেকের পানি জমে বরফ হয়ে যায় আর তার উপর দিয়ে হেটে যাওয়াটা নাকি বেশ রোমান্টিক! মনে মনে ভাবছি এ জীবনে অনেক রোমান্টিক রোমাঞ্চের গল্প পড়েছি বটে তবে এই ভীষণ ঠাণ্ডায় বরফ জমানো লেকের উপর দিয়ে তুষার পাতের সময় হেটে যাওয়াটা যে রোমাঞ্চকর হতে পারে এমন উদ্ভট রোমাঞ্চের কথা আমার চোদ্দ গুষ্টিও শোনেনি। আমি খুব আস্তে আস্তে প্রশ্ন করলাম তোমার কাছে একটা এস্পারিন হবে ? মাথাটা বেশ ধরেছে। আমার অবস্থা দেখে বান্ধবী খুব জোরে হেসেই বললো আরে গায়ে ভারী গরম কাপড় পড়ে নিলেই তো হলো, ভয় কি ? কিন্তু আমি তাকে কি করে বোঝাই যে ছোট বেলা শীতকালে নানার বাড়িতে খাটের নীচে মাটির হাড়িতে কয়লা জালিয়ে ঘর গরম করে এই আমি লেপের নীচে গুটিসুটি হয়ে ঘুমাতে যেতাম, আর আজ কিনা এই বিকট ঠাণ্ডার দেশে বরফ জমানো লেকের উপর হেটে যাওয়াটা আমার জন্যে মোটেই রোমাঞ্চকর মনে হচ্ছে না, পাগল কি গাছে ধরে। বান্ধবীকে বললাম আমার সব বেসুরো গান আজ সুর খুঁজে পেয়েছে শুধু তোমায় ভালোবেসে, আমার হারিয়ে যাওয়া মনটা আজ থমকে গেছে শুধু তোমার কাছে এসে। বান্ধবী খুব উল্লাসের সাথে আমাকে জড়িয়ে ধরে বললো – “উফ্ফ তুমি যে কি অসাধারণ রোমান্টিক।”
আগামী কাল আমাদের ভালোবাসার হেটে যাওয়ার রাস্তা বরফে ঢাকা, তাপমাত্রা শূন্যের নীচে পনেরোর কোঠায়, ভালবাসতে গেলে ভয় পাওয়া চলে কি।
(নারী স্বাধীনতা)
--- মাহবুব আরিফ কিন্তু।

বিভাগ: 

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কিন্তু
কিন্তু এর ছবি
Offline
Last seen: 1 month 12 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 5:41অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর