নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • দ্বিতীয়নাম
  • নিঃসঙ্গী
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • মিঠুন বিশ্বাস

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

বইমেলার স্টলে পর্ণতারকাদের নাম, রাষ্ট্রীয় ইচ্ছারই প্রতিফলন।


ঘটনার সূত্রপাত কিছুই না। একটা দোকানের নাম নিয়ে, যেই-সেই নাম নয়, সকলের অতিপরিচিত দুটো নাম “জনি সিন্স, মিয়া খলিফা” এই দুটো নাম ব্যবহার করে টাঙ্গাইলের বইমেলায় এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী ৩জন ছাত্র একটি দোকান খুলেছিলো। পরবর্তীতে ওই স্টলের ব্যানারের ছবি ফেইসবুকে ভাইরাল হয় ও দোকানের মালিক তিন কিশোর গ্রেফতার হয়। এবং মা-বাবা জিম্মায় মুচলেকা দিয়ে আপতত মুক্তি প্রদান করা হয় তিন কিশোরকে, আপতত লিখলাম এই জন্য যে তাদের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার কথা বিবেচনা করে তাদের এই মুক্তি দেয়া হয়েছে। (বিবিসি বাংলা) বলছে “একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, যারা পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখবে”। এখন আমার প্রশ্ন হলো কি খতিয়ে দেখবে, দেখার আছেটা কি এখানে? এটা কি বাংলাদেশের কোনো আইনকে লঙ্ঘন করেছে? যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ? তাহলে এই তিন কিশোর গ্রেফতার-ই-বা হলো কেন?

০১.
প্রাসঙ্গিক ভাবে প্রথমে যে প্রশ্নটি আসে তাহলো এই নামে একটা দোকানের ব্যানার যখন ঝোলানো হয় তখন মেলা কতৃর্পক্ষ, ক্রেতা ও পার্শ্ববর্তী দোকানের লোকজন কোথায় ছিলো? কেন এই ছবি অনলাইনে ভাইরাল হবার পরে স্টল মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হলো? মেলা কতৃর্পক্ষ অবশ্য জানিয়ে ছিলেন তারা এই নামে দোকানের বরাদ্দ নেননি। কিন্তু দোকানের ব্যানারে এইনাম ব্যবহার করেছেন। এখন প্রশ্ন আসে তাহলে এই ব্যানার ঝোলানোর পরেও কেন মেলা কতৃর্পক্ষ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহন করেন নি। করলে নিশ্চয় জল এতোদূর গড়াতো না?

বাংলাদেশে তো সেই দুইজন মানুষ যাদের নাম ওই ব্যানারে ব্যবহার করা হয়েছিলো ব্যানারে, তারা নিষিদ্ধ কেউ নয়। এবং তাদের বেশ পরিচিতও আছে। তো সেই দৃষ্টি ভঙ্গির বিবেচনায় কাঁচা (অথবা পাকা) মাথার তিনজন টিনেজার মনে করেছে, যদি এমন একটি নাম দোকানে ব্যবহার করা যায়, তবে ক্রেতাকে সহজেই আর্কষণ করা যাবে। তো এখানে আসলে ভুলটা কি? কেউ কি আমাকে একটু বুঝিয়ে বলেন? অপরাধটা ঠিক কোথায় ঘটেছে? বলতে পারেন বাংলাদেশী আইনে পর্ণ নিষিদ্ধ, কিন্তু জ্ঞাতার্থে বলছি পর্ণ নিষিদ্ধ ঠিকই কিন্তু পর্ণ তারকা তো নিষিদ্ধ নয়! তাহলে এখানে এই দোকানের ব্যানার নিয়ে কি সমস্যা হলো!

০২.
হ্যাঁ সমস্যা তো কিছু একটা হয়েছেই, তা না হলে কি আর বাংলাদেশ পুলিশের মতো পুলিশ গিয়ে ঘটনায় মাথা ঘামায়! সমস্যা হয়েছে বাংলাদেশের সামাজিক মূল্যবোধের। কোনো আন্দোলন না করে, কোনো প্রতিবাদ না করে, কোনো অন্যায় না করে, নিজেদের জান্তে অথবা অজান্তে এই তিন কিশোর সরাসরি জুতা মারলো দ্বিমুখী সামাজিক মূল্যবোধের মুখে (চপেটাঘাত টাইপের এতো ভদ্র শব্দে আমার আবার পোষায় না)। কিভাবে জুতা মারলো ধরতে পেরেছেন কি? আর সমাজই বা কিভাবে দ্বিমুখী তাও কি বুঝতে পেরেছেন?

চলুন একটু বোঝার চেষ্টা করি। জনি সিন্স ও মিয়া খলিফা এরা কারা? এটা তো এদেশের মানুষের জানবারই কথা নয়। আমি যদি বর্তমান সময়ের পাশ্চাত্যের দশজন তারকার নাম বাংলাদেশের মানুষের কাছে জানতে চাই আমি হলফ করে বলতে পারে সবাই মুহুর্ত্বের মাঝে দশজন তারকার নাম কখনোই বলতে পারবেন না। কিন্তু আমি যদি জানতে চাই আপনি কি জনি সিন্স ও মিয়া খলিফাকে চিনেন? তখন কিছু মানুষ লজ্জ সুলভ হাসি দিয়ে বলবে না, যদি আমি তাদের পরিচিত না হই তো। আর যদি আমি তাদের পরিচিত কেউ হই তবে তো বলবেই কি চিনে, কিভাবে চিনে, তাদের অভিনিত কতটা পর্ণ তারা উপভোগ করেছে ইত্যাদি ইত্যাদি। তাহলে ব্যপারটা কি দাঁড়ালো? আমরা সাধারণ দশজন তারকাকে চিনি আর না চিনি। পর্ণতারকাকে আমরা খুউব ভালো করেই চিনি। পাশ্চাত্যের সব কিছু আমাদের কাছে গণহারে সামাজিক ভাবে অসূচি হলেও, ব্যক্তিগত পছন্দের তালিকায় যে ওই পাশ্চাত্যের জিনিসই মিশে আছে, তা নিশ্চয় ব্যাখ্যা করার অবকাশ থাকে না।

০৩.
কিছুদিন আগে ফেইসবুকের বিভিন্ন পেইজের কল্যানে একটি নাটকার অংশ বিশেষ নিশ্চয় আপনারা সবাই দেখে থাকবেন। সেখানে দেখা যাচ্ছিলো এক পিতা তার সন্তানের রুমে ঢুকে, দেয়ালে জনি সিন্স ও মিয়া খলিফার ছবি দেখে ছেলের কাছে জানতে চাইছিলো এরা কারা...., তো এ নিয়ে ওই নাট্যাংশে একটি রম্য অংশ দেখানো হলো। কিন্তু কই তখন তো দেখলাম না কারো মুখে কোনো “রা” ? ওই নাটকে অভিনিত অভিনেতারা কি কোনো প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছে? নাটকের নির্মাতা, প্রযোজক কেউ কি কোনো আপত্তির সম্মুখীন হয়েছে? ওই নাট্যাংশ ভাইরাল হয়েছে ঠিকই কিন্তু ওখানে তাদের সবাই বাহ্-বাহ্ দিয়েছে। কিন্তু এবেলায় কেন সবার এতো দুয়োধ্বনি?

কারনটা এটা যে, ওটা একটা নাটকের অংশ, আর এটা একটা বইয়ের দোকানের নাম? তা বইয়ের দোকানের নামতো এমন হওয়াতে আমি ভুলের কিছু দেখছি না। কেন ভুলের কিছু দেখছি না তা আমি যুক্তিসহ উল্লেখ্য করবো লেখার একদম শেষাংশে। এখন দেখুন আমরা আসলে কেন দ্বিমুখী, দ্বিমুখীতার কয়েটা সামান্য উদাহরণ লিখছি।

ক.
একটু আগে যে নাট্যাংশের কথা বললাম, সেখানে কিন্তু পরোক্ষভাবে পর্ণতারকাদের কে প্রমোট করা হয়েছে, পর্ন কেও। এবং এটা নিয়ে নাটকের সাথে জড়িত কোনো পক্ষই কিন্তু কোনো প্রকার প্রশ্নের সম্মুখীন হয়নি। কিন্তু গত কোরবানীর ঈদে, আর টিভিতে “রংধনু” নামক একটা নাটক প্রচারিত হয়েছিলো, যেখানে সমকামীতা বিষয়ক একটি দিক ছিলো। ওই নাটক সম্প্রচার হবার পরে বাংলাদেশের আম-মুমিন, তৌহিদী-মুসলিম জনতা হায়হায় ধ্বনি তুললো, গেলো গেলো বাংলাদেশ গেল, ননস্টপ আরটিভি, গ্রামীনফোন, নাটকের পরিচালক, অভিনেত্রী তিশা, জনকে নানা ভাবে আক্রমন করা শুরু করলো। কিরে ভাই পর্ণতারকাদের ছবি যখন নাটকে খোলামেলা ভাবে দেখানো হয়, তখন তোমাদের ধর্ম যায় না? তখন কোনো সমস্যা হয় না? আর সমকামীতার মতো এটা প্রমানিত সত্যকে যখন তোমাদের দেখানো হয় তখন তোমাদের ধর্ম গাছে ওঠে? এমন দ্বিমুখী নীতিতে ধর্মপালন করার কথা বুঝি ধর্মে বলা আছে?

খ.
আবার নাটকে ফিরি, নাটকে যখন দেখলাম জনি সিন্সের ছবি আর মিয়া খলিফার ছবি তখন তো কোনো সমস্যাই হয় নাই, তবে বইমেলার স্টলে নামের ব্যানারে তাদের নাম দেখে সমস্যা কোথায় হচ্ছে? মূল্যবোধে আঘাত লাগছে? অনেকটা এমন যে আরবী লেখা হলেই সম্মান করতে হবে আর অন্য লেখা হইলে পায়ের নিচে থাকলেও তেমন কোনো সমস্যা নাই। বইমেলা খুউব আদর্শের জায়গা আমাদের হ্যা? অনেকটা আরবী হরফের মতো? জনি সিন্স, মিয়া খলিফা থাকবে কম্পিউটারে হইড ফোল্ডারে, সংরক্ষিত পেনড্রাইভে বা কোনো ওয়েব সাইডে। কিন্তু তাদের নাম ব্যানারে দেখলেই জাত যায় আমাদের। এটা কোন যুক্তি? আমি যদি এখন কোনো স্টলের নাম “শাবানা-আলমগীর” বা “শাকিব খান-অপু বিশ্বাস” দেই তাহলে তো এতো বিতর্ক হবে না। এদের ভিডিও তো আমরা দেখছি আর জনি সিন্স-মিয়া খলিফার ভিডিও তো আমরা দেখছি। হ্যা হয়তো বলতে পারেন যে শাকিব-অপু বা শাবানা-আলমগীরের ভিডিও আমরা ওপেনে দেখছি কিন্তু জনি সিন্স-মিয়া খলিফার ভিডিও আমরা গোপনে দেখছি, তবে দু-ধরনের ভিডিও-ই আমরাই দেখছি এবং তা আমাদের চাহিদা আছে বলেই দেখছি। কিন্তু এখানে এদের নাম ব্যবহার করাতে বিতর্কের জন্ম দিয়ে আমরা কি দ্বিমুখি আচরণ করছি না?

০৪.
এবারে আসি কিভাবে ওই তিন কিশোর কাজটি সঠিক করেছে তার ব্যাখ্যায়। জেনে থাকবেন এবারে বইমেলা শুরুর ২/৩ আগেই ডি.এম.পি থেকে সংবাদ সম্মেলন করে বলা হয়েছিলো বইমেলা হবে ধর্মীয়, সামাজিক ও জাতীয় মূল্যবোধের ভিত্তিতে। তো এই বিতর্কিত ব্যানার একবার ভালো করে দেখুন তো, এখানে কিন্তু আমাদের ধর্মীয়, সামাজিক ও জাতীয় মূল্যবোধের মাঝে সব গুলোই তারা আক্ষরিক অর্থে পূরণ করেছে।

ক.
ব্যানারের শুরুতেই লক্ষ্য করুন “বিসমিল্লাহির রাহ্‌মানির রাহীম” কথাটি লিখা হয়েছে। এটা আমাদের বিশাল বড় ধর্মীয় মূল্যবোধ যার প্রশ্নে আমরা আপোষহীন, ৭২-এর সংবিধান যেখানে বলেছিলো, রাষ্ট্র কোনো বিশেষ ধর্মকে বহন করবে না, রাষ্ট্র হবে ধর্মী নিরপেক্ষ সেখানে নানা কাটাছিঁড়া করে এখন ওই সংবিধান ওই ধর্মনিরপেক্ষতাকে অক্ষুন্ন রেখেও কিন্তু রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে “ইসলাম” স্বীকৃতি দিয়েছে এবং “বিসমিল্লাহির রাহ্‌মানির রাহীম” বানীটিকে অক্ষুন্ন রেখেছে নিজের স্ববিরোধীতা করে। তাহলেই ভাবুন, হলো কিনা এই বইমেলায় ধর্মী মূল্যবোধের রক্ষা?

খ.
এরপরই আসে সামাজিক মূল্যবোধ, আমরা হুজুগে বাঙালী এই কথা এক বাক্য সাধারণ মানুষের মেনে নিবেন। হুজুগে ফেলে আমাদের দিয়ে যে কোনো কিছুই করানো যায়, যে মূলা আমাদের সামনে ঝুলানো হয় আমরা সেই মূলার দিকে চোখ দিয়ে আমাদের সকল আলোচনা-সমালোচনার দায়িত্ব শেষ করি। এবং এটাই আমাদের সামাজিক মূল্যবোধ। তো সেই বিবেচনায় এই “হুজুগের” থিওরিকে কাজে লাগিয়ে তিন কিশোর অত্যন্ত আদর্শিক ভাবেই এই নাম বেছে নিয়েছে। তাতে করে তাদের বিক্রি-বাট্টা ভালো চলবে এই আশায়। এবং নামের জায়গায় এসেই আমার মনে হলো এখানে পরিপূর্ণ ভাবে সামাজিক মূল্যবোধের আক্ষরিক প্রয়োগ করা হয়েছে।

গ.
বাকী থাকে জাতীয় মূল্যবোধ। আমাদের জাতীয় মূল্যবোধ কি? আমি না এই প্রশ্নের উত্তর এখনো পাইনি। বুঝিও না। যাক যতটুকু আবছা আবছা বুঝি তার আলোকে বিশ্লেষণ করি। আমাদের দেশে সেক্স-এডুকেশন কে সরকার পারছে-ই-না প্রতিষ্ঠা করতে নানাবিধ কারণে, কিন্তু সেই নানা-বিধ যৌক্তিক কারণ যে কি, তা যদি জানতে চাই, শিক্ষমন্ত্রী সহ সবাই মুখে নেকাব পরে বসে থাকবে কারন সেক্স-এডুকেশনকে আমরা আনতে পারছিনা উপরে উল্লেখ্যিত দুইটি মূল্যবোধের জন্য এক হলো ধর্মীমূল্যবোধ, আরেক হলো সামাজিকমূল্যবোধ। তো যে দেশের শিশু-কিশোররা স্বাভাবিক ভাবে যথাযথ সেক্স-এডুকেশন পাবে না। তাদের জন্য সেক্সুয়াল একটিভিটিস গুলো একপ্রকার অন্ধকার ও অপরাধময় হবে এটাই স্বাভাবিক। এবং তার দায় কোনো ভাবেই রাষ্ট্র এড়াতে পারে না। আমাদের দেশে সেক্স-এডুকেশন যথাযথভাবে প্রদান করা হয় না বলে কেউ যৌণতা বিষয়ক জ্ঞানার্জন করে না এমনতো নয়, এই জৈবিক বিষয়টি আমরা যথাযথ ভাবে না পেলেও, অন্যভাবে ঠিকই পাবো। আর সেই অন্যভাবের পাওয়ার প্রতিফলনই হচ্ছে এই দুটি মানুষের নাম “জনি সিন্স-মিয়া খলিফা”। আমাদের দেশে এই পর্ণ তারকাদের নিয়ে যত মাতামাতি হয়, যত পরিচিত ও আলোচিত এই পর্ণতারকারা, ততটা আদৌ ওই পাশ্চাত্যের দেশে আছে কিনা একটু দেখুন তো খতিয়ে। আমাদের জাতীয় মূল্যবোধের গোড়াতে গলদ ও জাতীয় মূল্যবোধই আমাদের শিশু-কিশোর কে অনৈতিক হতে সাহায্য করছে বলেই এই নামগুলো আজ বইমেলার স্টলের নামের ব্যানারে উঠে এসেছে।

০৫.
লেখা অনেক বড় হয়ে গেলো, আমি জানি আমার এই লেখা নিয়ে, অনেকেরই আপত্তি থাকবে। কিন্তু তর্কের খাতিরে তর্কে না জড়িয়ে বিবেক খুলে দেখুন। বই মেলার স্টলের এই নাম কিন্তু আজ শুধু ওই তিন কিশোরের ব্যার্থতা নয়, আমাদের জাতীয় ব্যার্থতা এটি। এটা শুধু ওই তিন কিশোরের নৈতিক অবক্ষয় নয়, বরং এই ব্যানারটি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো, আমরা কতটা দ্বিমুখী, কতটা মূল্যবোধহীন, কতটা মূল্যবোধের বিপর্যয় ঘটলে “অমর একুশে গ্রন্থমেলার” বইয়ের দোকানের নামে দেখা যায় দুজন পাশ্চাত্যের পর্ণ তারকার নাম।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

নগরবালক
নগরবালক এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 15 ঘন্টা ago
Joined: সোমবার, ডিসেম্বর 11, 2017 - 11:50পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর