নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মৃত কালপুরুষ
  • নুর নবী দুলাল
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী

নতুন যাত্রী

  • রবিউল আলম ডিলার
  • আল হাসিম
  • মাহের ইসলাম
  • এহসান মুরাদ
  • ফাহিম ফয়সাল
  • সানভী সালেহীন
  • সাঞ্জানা প্রমী
  • অতৃপ্ত আত্বা
  • মনিকা দাস
  • আব্দুল্লাহ আল ম...

আপনি এখানে

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ঃ কী কালো, কী সাদা?



এইদেশে সবচেয়ে বেশিবার উচ্চারিত সংখ্যার একটি হচ্ছে ৩২। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের কথা জানেন না এমন সামান্য শিক্ষিত মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন ব্যাপার। অনেক বিখ্যাত এই ৩২। স্বনামে, সুনামে, ইতিহাসের অংশ হিসেবে বিখ্যাত। ইদানিং ৩২ / বত্রিশ আবার আলোচিত, কিন্তু এই ৩২ সেই বিখ্যাত ৩২ না। এই বত্রিশ পাস হবার আগেই আলোচিত / সমালোচিত / বিতর্কিত ৩২।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন - ২০১৮ মন্ত্রিপরিষদে প্রায় ফাইনাল, সংসদেও হয়ত পাস হয়ে যাবে। এই প্রকৃতপক্ষে সংশোধিত ও প্রস্তাবিত আইনের মধ্যে এখন আলোচনার মধ্যমণি ৩২ নং ধারা। অবশ্য এই খসড়া আইনের ১৭ থেকে ৩৮ ধারায় আরও নানারকম অপরাধ ও তার শাস্তির বিষয়াদির কথা বলা আছে।

এই আইনে "ডিজিটাল" শব্দের সংজ্ঞা নাকি দেয়া হয়েছে। ভাল করে পড়ে দেখতে হবে আমাদের দেশে এই সংজ্ঞাটা আসলে কী রূপ পেলো। কম্পিউটার সায়েন্সের ছাত্র হিসেবে ডিজিটাল মানেই আমার সামনে শূন্য আর এক ভাসছে। তাদের কাছে আসলে কী? সেই সংজ্ঞা নিয়ে পরে ত্যানাপ্যাচানোর ইচ্ছা আছে, আপাতত কম জানি বলে বাকি থাক। এই আইনে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবের কথা ও ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম গঠনের কথা বলা হয়েছে। এই সময়ে এসব জরুরী, শুভ উদ্যোগ। এর বাইরে ডিজিটাল নিরাপত্তা কাউন্সিল গঠনের কথা বলা হয়েছে যার প্রধান হবেন প্রধানমন্ত্রী। এক প্রধানমন্ত্রী এইদেশে কতকিছুর প্রধান থাকবেন? উনিও তো মানুষ, নাকি? তবু ভাল, যদি উনি সময় করে দেখেন এসব। উনার সরাসরি নিয়ন্ত্রণে তথ্যপ্রযুক্তি কিংবা ইলেক্ট্রনিক্সে দক্ষ, সাথে বিশ্ব ও সমাজ নিয়ে মোটামুটি জ্ঞান রাখেন এমন কেউ এর দায়িত্বে থাকলেই ভাল হবে, সময় দিতে পারবেন।

এই আইনে "ডিজিটাল" মাধ্যম ব্যবহার করে কেউ মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কোনও ধরনের প্রপাগান্ডা চালান, তাহলে ১৪ বছরের জেল ও এক কোটি টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড দেয়া সম্ভব। চেতনা, ইতিহাস কিংবা বিশেষ ব্যক্তির সম্মান রক্ষা তো আইন করে দেয়া সম্ভব না। বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতির ব্যাপারে বলা আছেঃ

"যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিল -জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে।"

এই মূলনীতি কি সুনির্দিষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত? "সেই সকল আদর্শ" কি সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে? মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন লক্ষ লক্ষ মানুষ, সমর্থন যুগিয়েছেন দেশের অধিকাংশ সাধারণ মানুষ। তারা সবাই কি একই আদর্শে, একই বাস্তবতায়, একই চেতনায় মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন? মুক্তিযুদ্ধের চেতনাও তো একেক ব্যক্তির কাছে একেকরকম হওয়া সম্ভব। এসব ব্যাপারে প্রপাগান্ডা মানে মিথ্যা অপপ্রচার, এই তো? তা কেবল এসব ব্যাপারেই সীমাবদ্ধ থাকবার কথা না, কোনো ব্যক্তির, গোষ্ঠীর কিংবা সর্বস্বীকৃত ইতিহাস বিকৃতি এমনিতেই সাধারণ আইনের আওতায় পরে। এসব কথাও বাদ দেই। এইদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম আর একদম শুরুতেই বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ঢুকে গেছে। ধর্ম ও ধর্মের বিশেষকিছু ঢুকে যাওয়া কি সংবিধানের মূলনীতির পরিপন্থী নয়। সংবিধানের মূলনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার যে ধারণা সংবিধানে দেয়া হয়েছে এই সংযোজন তো তারও পরিপন্থী। যারা এসব ঢুকালো, তাদের বিচার এই আইনে করা যাবে? যাওয়া উচিত, কিন্তু আমাদের দেশের বাস্তবতায় এসব সংবিধান থেকে বাদ দেবার কথা কোনো দলই চিন্তা করবে না এখন। "ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়", তা তো বঙ্গবন্ধুই বলে গেছেন। এখন অপর কেউ যদি এই বক্তব্যের সাথে ভিন্নমত প্রকাশ করেন, তাহলে সেই ভিন্নমত প্রকাশকারী অবশ্যই ভুল, যুক্তিতর্ক এখানে নিঃপ্রয়োজন। আমি নিশ্চিত, বঙ্গবন্ধুর সময় সংবিধানে ওসব ঢুকে না গেলেও তিনি যে একসময় না একসময় ঢুকাবার কথা চিন্তা করতেন, তা কোনো না কোনো কাবিল পাবলিক "ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়" - এই বক্তব্যের সাপেক্ষে প্রমাণ করে দিতে পারবেন। তবে ঢুকিয়ে গেছে তো দুই জেনারেল, এই যুক্তিতে বাদ দেয়া যায় না? এসবও থাক, রাজনৈতিক আলোচনা হয়ে যাবে, আমজনতার মত করে ভাবাই মঙ্গল।

এই প্রস্তাবিত আইনের ২৮ ধারাতে আছে, "কেউ যদি ধর্মীয় বোধ ও অনুভূতিতে আঘাত করে, তাহলে ১০ বছরের জেল ও ২০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ডে দন্ডিত হতে পারেন।" সেইরকম একটা ধারা। ভালই তো, মসজিদে যদি এখন অয়াজ মাহফিল বয়ানের সময় ইহুদি নাসারা কাফির ইত্যাদি ইত্যাদি বলা বন্ধ হয়। ওইসব বক্তব্য রেকর্ড করার জন্য তো অফিস আদালত কিংবা কোনো সংস্থ্যার ভিতর ঢুকবার দরকার নাই, মাইকেই প্রচারিত হয়। কাফির মানে অভিশপ্ত, অন্য ধর্মের মানুষদের কাফির বা অভিশপ্ত বলে, এবং এরচেয়ে ভয়াবহ অনেক উস্কানিমূলক, ঘৃণাবিদ্বেষমূলক কথা বলে সবচেয়ে বেশি বক্তব্য শোনা যাবে কোথায় তা কমবেশি সকলেই জানেন। এসব বক্তব্য কি ধর্মীয় বোধ ও অনুভূতিতে আঘাত হানার মতো না? অবশ্যই আঘাত হানার মতো। এই আইন পাসের পর যদি এই আঘাত হানাহানি কিছুটা কমে।

এই আইনের ২৯ ধারাতে আছে, "কেউ মানহানিকর কোনো তথ্য দিলে তিন বছরের জেল ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ডে দন্ডিত হতে পারেন।" এই ধারাটা ভাল। উলটাপালটা কথা বলা যদি কিছু কমে মানুষের। তবে সামান কারণে মানুষকে হুরানির সুযোগ বেড়ে গেল আরকি। আর অভিযোগ আনবার পর তা নন বেইলেবল না হলেই হয়। একদম গুরুতর কোনো অপরাধ বাদে সকল অভিযোগের ক্ষেত্রে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা যাচাই অবশ্যই প্রয়োজন।

৩১ ধারায় বলা হয়েছে, "ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে কেউ অরাজকতা সৃষ্টি করলে সাত বছরের জেল ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।" এই ধারার অরাজকতার সংজ্ঞা বোঝা গেল না। এক দলের জন্য যা সত্য প্রচার, বিপক্ষ দলের কাছে তাই হতে পারে অরাজকতা তৈরির জন্য অপপ্রচার। যেমনঃ আজকের প্রথম আলো নিউজ পাবলিশ করেছে, "বিএনপিকে বড় জমায়েত করতে দেবে না সরকার"। এই নিউজের মাঝে লেখা আছেঃ

"খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলার রায়ের দিন ঢাকায় বিএনপিকে বড় জমায়েত করতে দেবে না সরকার। সে জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি বৃদ্ধি, গণপরিবহনে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি এবং মামলা-গ্রেপ্তারের মাধ্যমে ভয়ভীতি দেখানোর পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি রয়েছে।"

এই নিউজ তো বলে সরকার কূট পরিকল্পনা করছে। কৃত্রিম সংকট, মামলা-গ্রেপ্তার, এসব কি খারাপ কাজ হবে না? এই নিউজ পড়ে যদি বিএনপি সমর্থকেদের কেউ ক্ষেপে গিয়ে ভাংচুর শুরু করে সেটা কি অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করবে না? সেই অকাট্য প্রমাণটা কোথায় যে সরকার এসব পরিকল্পণা করেছে? যদি প্রমাণ উপস্থাপন না করতে পারে তাহলে তো এই ধারাতে তারা অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করতে প্ররোচনা দেবার জন্য শাস্তিযোগ্য হবে, আর প্রমাণ করতে পারলে সরকারের কারো না কারো আদালতে বিচার হবার কথা। সরকার কি এই আইন পাসের পরেও এমন অভিযোগের ক্ষেত্রে মামলা করবে না? না, করবে না। নিউজমিডিয়া "বিশ্বস্ত" সূত্রের কথা বলে, "নানা" সূত্রের কথা বলে, "গোপন" সূত্রের কথা বলেই থাকে, এসব সরকার ও বিরোধীদল সবসময় মেনে আসছে। নিজেদের ভাবধারার পত্রিকাও থাকে। তবে এক্ষেত্রে যা হবে, সরকার হাতে অস্ত্র পাবে। যখন যে সরকার ক্ষমতায় থাকবে ব্যবহার করতে পারবে। সাংবাদিকেরা কেউ ধোঁয়া তুলসিপাতা না, হলুদ রঙ তাদের অনেকেরই অনেক প্রিয়। তবু তারমধ্যেও যাতে কেউ না কেউ সাহসের সাথে সত্যটা বলে সে পথটা খোলা রাখা দরকার। এমন আইনের পক্ষেও কিছু না কিছু যুক্তি থাকবে, কিন্তু বাক-স্বাধীনতা ও মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা বর্তমান সময়ে খুব গুরুত্বপুর্ণ ব্যাপার। আমরা উত্তর কোরিয়া হতে চাই না, সৌদি আরবও না। এমন ধারাগুলোর ফ্লেক্সিবিলিটি দরকার, পরিমার্জন দরকার অনেক ক্ষেত্রে।

এবার সবচেয়ে আলোচিত ধারায় আসি, ইতিমধ্যে বিখ্যাত ৩২ নং ধারাতে আছে, "সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কেউ যদি বেআইনিভাবে প্রবেশ করে কোনো ধরনের তথ্য উপাত্ত, যেকোনো ধরনের ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতি দিয়ে গোপনে রেকর্ড করে, তাহলে সেটা গুপ্তচরবৃত্তির অপরাধ হবে এবং এ অপরাধে ১৪ বছর কারাদণ্ড ও ২০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডর বিধান রাখা হয়েছে।" প্রথমেই প্রশ্ন আসলো বেআইনিভাবে প্রবেশ মানে কী হবে? অনুমতি ছাড়া স্বশরীরে প্রবেশ? নাকি নেটওয়ার্ক দিয়ে ঢুকে কাম তামাম করবার ব্যাপারস্যাপার? ধরে নেই দুটাই এর আওতায়, যেহেতু এখনো এই বেআইনিভাবে প্রবেশের বিস্তারিত জানি না। অফিশিয়াল সিক্রেসি এক্ট এদেশে কার্যকর ছিল ব্রিটিশ আমল থেকেই। এই প্রস্তাবিত ধারার ধারেকাছেই কিছু একটা। এই ধারাটা ভাল আদর্শ পরিবেশের জন্য। যেখানে আপনি ধরে নেবেন, সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে কোনো অনিয়ম হয় না, সবাই টোটো লেভেলে সৎ ও আদর্শবান। এমনভাবে চালিত হলে সেখানে সবকাজ ভালই হবার কথা এবং সেখানকার কার্যক্রমের সব তথ্যই বিশেষ সুরক্ষার আওতায় আসতে পারে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, এদেশে কিংবা বিশ্বের কোথাও তো এমন অবস্থা নেই কমবেশি অনিয়ম, দুর্নীতি এসব সব জায়গায় আছে। এখন অনিয়ম, দূর্নীতি এসব যদি থাকে, আর সেটা যদি কোনোভাবেই প্রকাশ না করা যায়, তাহলে তো আপনি সকল কাজের জন্য এমনেস্টি ডিক্লেয়ার করে দিলেন। এই ধারাকে কিছুটা বর্ধিত করা যেত হয়ত। বলা যেত, "যদি কেউ একদম বিনা কারণে, অসৎ উদ্দেশ্যে ও রাষ্ট্রবিরোধী কাজের জন্য প্রবেশ ও রেকর্ড করেছে বলে 'প্রমাণিত' হয় তবে শাস্তিযোগ্য বলে বিবেচিত হবে" এবং "জনগুরুত্বপূর্ণ, সত্য উন্মোচন ও ন্যায়প্রতিষ্ঠার স্বার্থে প্রবেশ করেছিল বলে 'প্রমাণ উপস্থাপন করলে শাস্তিযোগ্য হবে না"। কাছাকাছি এমনকিছু ক্লজ কিংবা মতামত নিয়ে অন্যকিছু যোগ করলেও চলতো।

এই প্রস্তাবিত আইনে আরো বলা হযেছে, "কেউ যদি বেআইনিভাবে কারো ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে, তাহলে তাকে সাত বছরের জেল ও ২৫ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া হবে। বেআইনিভাবে অন্য সাইটে প্রবেশ করার পর যদি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হন, তবে ১৪ বছরের জেল ও এক কোটি টাকা জরিমানা বা উভয়দন্ড পেতে পারেন। আবার কেউ যদি বেআইনিভাবে কারও ডিভাইসে প্রবেশ করে তাহলে এক বছরের জেল ও তিন লাখ টাকা জরিমানা বা উভয়দন্ডে দন্ডত হতে পারেন। কেউ যদি কারও ডিভাইসে প্রবেশে সহায়তা করে, তাহলে তিন বছরের জেল ও তিন লাখ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ডে দন্ডিত হতে পারেন।" আইনের এই অংশ নিয়ে আমার দ্বিমত নেই। ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা ও ব্যক্তির একদম ব্যক্তিগত বিষয়গুলোর সুরক্ষার ব্যবস্থা এই ধারা দেবে। তবে আরোকিছু যোগ করা যেতো সম্ভবত।

১৭ ধারাতে আছে, "ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে কেউ যদি জনগণকে ভয়ভীতি দেখায় এবং রাষ্ট্রের ক্ষতি করে, তাহলে ১৪ বছরের জেল ও এক কোটি টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।"

২৫ ধারাতে আছে, "কেউ যদি ওয়েবসাইট বা ডিজিটাল মাধ্যমে আক্রমণাত্মক ভয়ভীতি দেখায়, তাহলে তাকে তিন বছরের জেল ও তিন লাখ টাকা জরিমানাসহ উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।"

৩০ ধারাতে আছে, "না জানিয়ে কেউ যদি কোনও ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার করে ব্যাংক-বীমায় ই-ট্রানজেকশন করে, তাহলে পাঁচ বছরের জেল ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।"

১৭, ২৫, ৩০ নং ধারা বেশ ভাল ধারা, নেগেটিভ মন্তব্য নেই এ ব্যাপারে।

আর কথা নাই। একটু পড়ে এসব আমার ব্যক্তিগত মতামত। আমি কেবল চাই নতুন যেকোনো আইন প্রনয়নের সময় দেশের মানুষের কথা সবার আগে বিবেচ্য হোক। দলের স্বার্থ, ব্যক্তিস্বার্থ কিংবা কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য যেন আইনগুলো তৈরি করা না হয়, চাপিয়ে না দেয়া হয়।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

আমি অথবা অন্য কেউ
আমি অথবা অন্য কেউ এর ছবি
Offline
Last seen: 2 দিন 8 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, জুন 17, 2016 - 12:11অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর