নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • নগরবালক
  • শ্মশান বাসী
  • মৃত কালপুরুষ
  • গোলাপ মাহমুদ

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর দাদা আব্দুল মুত্তালিব এর বিবাহ সম্পর্কিত প্রশ্ন।



বাংলাভাষী যেসমস্ত মুক্তচিন্তার চর্চাকারী আছে তাদের জন্য একটি অসাধারণ প্লাটফর্ম হচ্ছে ইস্টিশন প্লাটফর্ম। এখানে সবাই মুক্তভাবে আলোচনা করতে পারে তাদের চিন্তা-ভাবনা ও অভিমত। এবং এখানে যারা আছেন তারাও একজন আরেকজনের মনোভাব ও দৃষ্টিভঙ্গীকে মুল্যায়ন করে থাকে। ডিসেম্বর থেকে নিষিক্তের লাইভ নামে একটি লাইভ প্রগ্রামের ঘোষণা দিয়েছিলো ইস্টিশন যা ১০০ পর্বের একটি লাইভ হবে বলে জানানো হয়েছিলো এবং এপর্যন্ত তার তিনটি পর্ব আমরা দেখতে পেয়েছি। প্রথম পর্বটিতে আমি উপস্থিত ছিলাম, দ্বিতীয় পর্বটিতে আমি লাইভে না থাকতে পারলেও পরে দেখেছিলাম এবং গত পরশুদিন তৃতীয় পর্বটিতেও আমি লাইভ এ অংশগ্রহন করি। ইসলাম ধর্ম সম্পর্কিত এধরনের তথ্যপূর্ণ লাইভ বাংলাদেশে কখনও হয়েছে বলে আমার চোখে এখনও পড়েনি। অত্যন্ত সহজ ও সাবলীল ভাষায় প্রতিটি বিষয়ের তথ্য সহ ব্যাখ্যা ও সুত্র পাশাপাশি কিছু ভিডিও সহ এই লাইভ প্রগ্রামটিকে অবশ্যয় সাধুবাদ জানাতে হবে। তৃতীয় পর্বে “নিষিক্ত” কিছু তথ্য দিয়েছিলো নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর পিতা আবুদুল্লাহ ও তার পিতা আব্দুল মুত্তালিব এর বিবাহ সম্পর্কিত। আমরা এতোদিন বিভিন্ন ইসলামের ইতিহাস থেকে যা জানতে পেরেছিলাম তা ভুল বলে দাবী করা হলো এই পর্বটিতে।

নিষিক্ত তার লাইভে আমাদের জানিয়েছে তার এই দাবীর পক্ষে সে আমাদের তথ্য উপাত্ত দিবে আগামী ভিডিও গুলিতে। তবে আমরা এতোদিন যা জেনেছিলাম সেটাও শক্ত দলিল হিসাবেই এখনও গ্রহনযোগ্য। তার এই দাবীর পরেই আমি আমার কৌতুহল থেকে আবারও সেই সুত্র খুজতে শুরু করি এবং “সীরাতে ইবনে হিশাম” সহ আরো কয়েকটা প্রচলিত হাদীস দেখি। নিষিক্তের দীর্ঘ লাইভটির বিষয় হচ্ছে “৬৩ বছর একজন নবীর জীবন” অর্থাৎ এখানে যা কিছু আলোচনা করা হবে তা সবই ইসলাম ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর সাথে সম্পৃক্ত আর এই পর্বটি ছিলো দাদা, চাচা, পিতা মাতা সম্পর্কিত। আমরা যারা বাংলাভাষী আছি তাদের জন্য সহজে এই নবীর জীবনি সম্পর্কে জানার ব্যাবস্থা করেছেন বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার। তারা সাইয়িদুল মুরসালীনের প্রাচীনতম জীবনীগ্রন্থ “সীরাতে ইবনে হিশাম” যার মূল লেখক ইবনে হিশাম এবং বাংলা অনুবাদক আকরাম ফারুকের সীরাতে ইবনে হিশাম বইটি বাংলাতে প্রকাশ করেছেন যা ISBN রেজিস্টার্ড একটি বই তাই ধরে নেওয়া যায় এটা একটা অথেন্টিক সোর্স। কিন্তু সেখানে আমি এই সম্পর্কিত কোন তথ্যই খুজে পাইনি। নিষিক্ত আমাদের বলেছে নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর পিতা আবুদুল্লাহ এবং তার দাদা আব্দুল মুত্তালিবের বিবাহ একই সময়ে হয়নি এর মাঝে প্রায় ২ বছরের ব্যবধান আছে। আমরা এর পুর্বে জানতাম পিতা পুত্রের একইদিনে বিবাহ হয়েছিলো। কিন্তু এখানে বলা হচ্ছে আবদুল্লাহ আর আমিনার বিবাহের ২ বছর আগে পিতা আব্দুল মুত্তালিব হালাকে বিবাহ করেছিলেন জিনি সম্পর্কে নবীর দাদী হন। তবে একই দিনে পিতা পুত্রের বিবাহের স্বপক্ষে অনেক শক্ত দলিল আছে এখন পর্যন্ত।

আমরা জানি নবী মুহাম্মদের জন্মদাতা আবদুল্লাহ এবং মাতা আমিনার বিয়ে হয়েছিলো। মুহাম্মদের মাতা আমিনা ছিলেন বানু জুহরা গোত্রের। তার বাবার নাম ছিল ওয়াহাব ইবনে আবদমানাফ (মানাফের দাস) । এবং মায়ের নাম ছিল, বারাহ বিনতে আবদুল উজ্জা। আবদ- মানে হচ্ছে দাস। আবদ আল উজ্জা মানে হচ্ছে উজ্জার দাস। মানাফ এবং উজ্জা ছিলো তখনকার সময়ের মক্কার দেবতা আর তারা সেই দেবতার পূজা করতো তাই নিজেদের নামও রাখতো সেই দেবতাদের দাস হিসাবে। নবী মুহাম্মদের পিতা আব্দুল্লাহকে তার দাদা আব্দুল মুত্তালিব কোরবানি দেবার শপথ করেছিলো দেবতা হুবালের কাছে। কিন্তু একজন জ্যোতিষের কথামতো সে হুবালের কাছে তার বদলে উট কোরবানি দেবার প্রার্থনা করেন এবং একটি সময় ১০০ উটের পরিবর্তে আব্দুল্লাহকে কোরবানী দেওয়া থেকে বিরত রাখা হয়। আর এই কারনে নবীর দাদা আব্দুল মুত্তালিব চিন্তা করেন ছেলেকে দ্রুত বিয়ে দিয়ে দিবেন। তাই আমিনার সাথে তার বিয়ে দেওয়া হয়। ঠিক একই সময়ে দাদা আব্দুল মুত্তালিব আমিনার চাচাতো বোন হালাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন এবং বিয়েও করেন। কিন্তু এখানে দাবী করা হচ্ছে আব্দুল মুত্তালিব আমিনার চাচাতো বোনকে বিয়ে করেছিলো আব্দুল্লাহ আর আমিনার বিবাহের ২ বছর পুর্বে।

আবদুল্লাহ আর আমিনার সন্তান নবী মুহাম্মদের জন্ম আর দাদা আব্দুল মুত্তালিব আর হালার সন্তান হামজার জন্ম তাহলে একই সময়ে হবার কথা ছিলো। কিন্তু এখানে ইবন সাদ লিখেছেন, উহুদের যুদ্ধে যখন হামজা মারা যায় তখন তার বয়স ছিলো ৫৯ বছর । এবং ওই সময় মুহাম্মদের বয়স ছিলো ৫৫ বছর । সূত্রঃ Muhammad ibn Saad. Kitab al-Tabaqat al-Kabair vol. 3. Translated by Bewley, A. (2013). The Companions of Badr. London: Ta-Ha Publishers. সেই হিসাবে হামজা নবীর ৪ বছরের বড় হচ্ছেন। আর যদি ৪ বছরের বড় হয় তাহলে হামযার পিতা আব্দুল মুত্তালিব আর মাতা হালার বিবাহ আরো একবছর আগে হবার কথা ছিলো। এখানেও কয়েক বছরের ব্যবধান দেখা যায় যা চিন্তা করার জন্য যথেষ্ট হবার কথা। এপর্যন্ত ছিলো আমার একটি প্রশ্ন। এখন আরেকটি বিষয় হচ্ছে কিছু কিছু যায়গায় বিভিন্ন হাদীসে প্রায় বলতে শোনা যায় নবী মুহাম্মদ (সাঃ) আব্দুল মুত্তালিবের পুত্র সেটার সমাধান কি হবে ? এখানে আমি মাত্র দুইটি হাদীস উল্লেখ করলাম যেখানে এমন কথা উল্লেখ আছে। এরকম আরো কিছু হাদীস আছে যেখানে একই কথা বলা আছে কিন্তু দীর্ঘতার কারণে আমি এখানে উল্লেখ করছিনা। আর এই লেখাটা লাইভ দেখার পরেই লেখার ইচ্ছা ছিলো কিন্তু সীরাতে ইবনে হিশাম পড়তে গিয়ে দেরি হয়েছে। উল্লেখ্য এই বইটির শুরুতেই লেখা আছে নবী মুহাম্মদের জীবনী নিয়ে এই বই লেখা হলেও অনেক অপ্রিতিকর ঘটনা এখানে বাদ দেওয়া হয়েছে। পুর্বে পড়া থাকার পরেও তাই আবারও একবার পড়ে দেখলাম এই বিষয়ে কিছু লেখা আছে কিনা কিন্তু আমি এমন কিছুই খুজে পাইনি এই বইতে।

এই হচ্ছে সেই হাদীস যেখানে নবী মুহাম্মদ আব্দুল মুত্তালিবের সন্তান দাবী করা হচ্ছে। ৫৬। বারা’ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তাকে এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, হে আবূ উমারা! হুনায়নের দিন আপনারা কি পলায়ন করেছিলেন? তিনি বললেন, না, আল্লাহ্র কসম, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পলায়ন করেননি। বরং তাঁর কিছু সংখ্যক নওজোয়ান সাহাবী হাতিয়ার ছাড়াই অগ্রসর হয়ে গিয়েছিলেন। তারা বানূ হাওয়াযিন ও বানূ নাসর গোত্রের সুদক্ষ তীরন্দাজদের সম্মুখীন হন। তাদের কোন তীরই লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়নি। তারা এদের প্রতি এমনভাবে তীর বর্ষণ করল যে, তাদের কোন তীরই ব্যর্থ হয়নি। সেখান থেকে তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে উপস্থিত হলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন তাঁর সাদা খচ্চরটির পিঠে ছিলেন এবং তাঁর চাচাতো ভাই আবূ সুফ্ইয়ান ইব্নু হারিস ইব্নু ‘আবদুল মুত্তালিব তাঁর লাগাম ধরে ছিলেন। তখন তিনি নামেন এবং আল্লাহ্র সাহায্য প্রার্থনা করেন। অতঃপর তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), এই কথা মিথ্যা নয়। আমি ‘আবদুল মুত্তালিবের পুত্র। অতঃপর তিনি সাহাবীদের সারিবদ্ধ করেন। (বুখারী পর্ব ৫৬ অধ্যায় ৯৭ হাদীস নং ২৯৩০; মুসলিম ৩২/২৮ হাঃ ১৭৭৬)

এবং আরেকটি হাদীসেও প্রায় একই কথা বলে হচ্ছে। ৬২। আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ একবার আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে মসজিদে বসা ছিলাম। তখন এক ব্যাক্তি সওয়ার অবস্থায় ঢুকল। মসজিদে (প্রাঙ্গণে) সে তার উটটি বসিয়ে বেঁধে রাখল। এরপর সাহাবীদের লক্ষ্য করে বলল, ‘তোমাদের মধ্যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে?’ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন তার সামনেই হেলান দিয়ে বসা ছিলেন। আমরা বললাম, ‘এই হেলান দিয়ে বসা ফর্সা রঙের ব্যাক্তই হলেন তিনি। ’ তারপর লোকটি তাঁকে লক্ষ্য করে বলল, ‘হে আবদুল মুত্তালিবের পুত্র!’ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ ‘আমি তোমার জওয়াব দিচ্ছি। (সহী বুখারী পর্ব ৪৮ অধ্যায় ৩ হাদীস নং ৬২, হাদীসের মান সহী)। আশা করি এই বিষয় গুলি আমাদেরকে পরিষ্কার করা হবে। ইস্টিশনের নিষিক্ত লাইভ বাদেও যদি এমন কোন হাফেজ বা মাওলানা থেকে থাকেন যারা এই বিষয়ে যথেষ্ট জ্ঞান রাখেন তারাও আমাদের মতো সাধারণ পাঠকদের এই জাতীয় প্রশ্নের উত্তর দিবেন আশা করি।

---------- মৃত কালপুরুষ
২৮/০১/২০১৮

Comments

পার্থিব এর ছবি
 

এখন আরেকটি বিষয় হচ্ছে কিছু কিছু যায়গায় বিভিন্ন হাদীসে প্রায় বলতে শোনা যায় নবী মুহাম্মদ (সাঃ) আব্দুল মুত্তালিবের পুত্র সেটার সমাধান কি হবে ?

আসলে আপনাদের জ্ঞান-বুদ্ধির যে ক্রম অধঃপতন হচ্ছে সেটি আপনারা টের পান কিনা জানিনা।
হাদীসে আব্দুল মুত্তালিবকে পিতা হিসেবে উল্লেখ করার মানে জন্মদাতা পিতা নয়। আরব সংস্কৃতিতে দাদাকে প্রায়ই পিতা বলে উল্লেখ করা হয় তার বংশের পরস্পরা আর পরিচয় হিসেবে, জন্মদাতা হিসেবে নয়। যেমন মুহাম্মদ সা এর পুরা নাম হচ্ছে-আবু আল-কাশিম মুহাম্মাদ ইবনে ʿআবদুল্লাহ ইবনে ʿআবদুল মুত্তালিব ইবনে হাশিম (সূত্র)
আশা করি ব্যাপারটা মাথায় ঢুকেছে।

বী মুহাম্মদের পিতা আব্দুল্লাহকে তার দাদা আব্দুল মুত্তালিব কোরবানি দেবার শপথ করেছিলো দেবতা হুবালের কাছে। কিন্তু একজন জ্যোতিষের কথামতো সে হুবালের কাছে তার বদলে উট কোরবানি দেবার প্রার্থনা করেন এবং একটি সময় ১০০ উটের পরিবর্তে আব্দুল্লাহকে কোরবানী দেওয়া থেকে বিরত রাখা হয়।

আব্দুল্লাহকে দেবতা হুবালের কাছে কোরবানি নয় বরং নবী ইব্রাহীমের (আ) এর অনুসরনে কোরবানি দিতে চেয়েছিলেন। এ বিষয়ে নেটে অনেক লিখাই আছে।
লিংক

এরপর থেকে আশা করি তথ্যসূত্র সহকারে লিখা দিবেন। তথ্যসূত্র না থাকলে লিখা অথেনটিক হয় না। গ্রহনযোগ্যতা হারায়।

 
নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

আব্দুল্লাহকে দেবতা হুবালের কাছে কোরবানি নয় বরং নবী ইব্রাহীমের (আ) এর অনুসরনে কোরবানি দিতে চেয়েছিলেন।

আবদুল মোত্তালিব ও তার বংশ প্যাগান ধর্মের অনুসারী ছিলেন। মক্কায় প্যাগানদের নেতা ও বহু ইশ্বরবাদী ধর্মের ঘর কাবার অন্যতম দায়িত্বশীল ছিলেন। আপনি কোথা থেকে এই তথ্য আবিষ্কার করলেন মুত্তালিব একেশ্বরবাদী ইব্রাহিমের অনুসারী ছিলেন এবং ইব্রাহিমের নির্দেশিত নিয়ম অনুযায়ী কোরবানী দিয়েছিলেন। সেই সময় ইসলাম ধর্মের আবিস্কারই হয়নি এবং ইব্রাহিম ছিলেন একেশ্বরবাদী ধর্ম ইহুদী ও খ্রিস্টান ধর্মের নবী। উল্লেখিত কোরবানী সম্পর্কে আপনি তথ্যসূত্র দেন।

 
পার্থিব এর ছবি
 

আবদুল মোত্তালিব ও তার বংশ প্যাগান ধর্মের অনুসারী ছিলেন। মক্কায় প্যাগানদের নেতা ও বহু ইশ্বরবাদী ধর্মের ঘর কাবার অন্যতম দায়িত্বশীল ছিলেন।

হা হা আপনি যদি মনে করে থাকেন মুহাম্মদ সা এর পুর্বপুরুষদের প্যাগান ধর্মের অনুসরন করা বা মুর্তি পূজা করা ইসলাম ধর্ম বা নবী মুহাম্মদ সা এর জন্য ডিসক্রেডিট, তবে নিতান্ত মুর্খের জগতে বসবাস করছেন। বরং মুহাম্মাদ সা এর সবচেয়ে বড় সফলতা হচ্ছে নিজের বাবা-দাদার ধর্মের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে এক আল্লাহর একত্ববাদ ভিত্তিক ইব্রাহীমের আ এর ধর্মকে পুনঃ প্রতিষ্ঠা করতে পারা। তাই তো আজ কাবা ঘরে মুর্তি পূজা নয়, বরং এক আল্লাহর এবাদত হতে পারছে।

 
মুহাম্মদ মোত্তালিব এর ছবি
 

ইব্রাহিম ছিলেন একেশ্বরবাদী ধর্ম ইহুদী ও খ্রিস্টান ধর্মের নবী এবং সেই সময় ইসলাম ধর্মের আবিস্কারই হয়নি।

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মৃত কালপুরুষ
মৃত কালপুরুষ এর ছবি
Online
Last seen: 1 ঘন্টা 19 min ago
Joined: শুক্রবার, আগস্ট 18, 2017 - 4:38অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর