নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • দ্বিতীয়নাম
  • নিঃসঙ্গী
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • মিঠুন বিশ্বাস

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

সফিউল আলম প্রধান'রা এখনো আছে ছাত্রলীগে।


অনুপ্রবেশাতংকে আওয়ামীলীগ নিজ দলের ভিতরে অণুবীক্ষণ যন্ত্র লাগিয়ে বসে আছে, কিন্তু তারা জানছেই না প্রদীপের নিচেরটা অন্ধকার করে দলের ভিতরেই নিয়তই তৈরী হচ্ছে সফিউল আলম প্রধান'রা! বড্ড ভুলো মন এই আওয়ামীলীগ দলটার! যেই দলে অসংখ্য নব্য সফিউল আলম প্রধান রয়েছে, সেই দলে শিবিরের অনুপ্রবেশ আর কতটাই বা ক্ষতি করতে পারে! কতই বা তাদের ক্ষমতা!

দলের সভানেত্রী কি ভুলে গেছেন সফিউল আলম প্রধান কোন অনুপ্রবেশকারী ছিলো না? বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে গড়া সফিউল আলম প্রধান পরবর্তী রাজনীতিক জীবনে মুল পুঁজি ছিলো বঙ্গবন্ধুর বিষাদাগার! আজকের যে ছাত্রলীগারদের কারণে আওয়ামীলীগ দিন দিন এক আতংকের নামে পরিণত হচ্ছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তৈরী থাকুন, দলের আসন্ন দুর্দিনে এদের কাউকেই আপনি পাশে পাবেন না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ কর্তৃক সংগঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারন ছাত্র-ছাত্রীদের উপর নির্মম নির্যাতনের সুষ্ঠ তদন্তপূর্বক বিচার করুন। যদি তদন্তে বের হয়ে আসে ছাত্রলীগ সত্যিই দোষি, তবে মনে রাখুন এরা কেউ বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জিবিত ছাত্রলীগ নয়, বরং ভয়ংকর সুবিধাবাদী প্রধান'দের উত্তরসুরী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন মহসিন হলে সংগঠিত ঐতিহাসিক সেভেন মার্ডার এবং এই নারকীয় হত্যাযজ্ঞের প্রধান অভিযুক্ত সফিউল আলম প্রধানের বিচার প্রক্রিয়া বঙ্গবন্ধুর আমলেই শুরু হয়েছিলো। শফিউল আলম প্রধানকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয় বিচারে। কিন্তু পঁচাত্তরের বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতে পারেনি। জিয়া'র সামরিক সরকার আমলে তাকে বিএনপিতে যোগদানের শর্তে ক্ষমা ঘোষণা করে মুক্তি দেওয়া হয়। সেই থেকে এক সময়কার ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক জিয়ার প্রতি তার জীবন রক্ষার কৃতজ্ঞতায় সব সময় আওয়ামী বিরোধী রাজনীতি করেছে। কট্টর ভারত বিরোধিতাও ছিল তার বক্তৃতার অন্যতম উপজীব্য।

পঁচাত্তরে প্রাণদণ্ড না হওয়াতে আরও ৪২ বছর এক্সটেনশন লাইফ পাওয়ার পরবর্তী রাজনৈতিক জীবনে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য, শেখ হাসিনাকে ঘষেটি বেগম বলা এই সফিউল কোন অনুপ্রবেশকারী নয়, এক সময়কার ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক। যাকে প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়েছিলো বঙ্গবন্ধুও। অথচ এদের অঞ্জলী দিতে গিয়ে কত ত্যাগীদের বিসর্জন দিয়েছিলো স্বয়ং বঙ্গবন্ধুই! আওয়ামীলীগ কতটা দিতে পেরেছিলো বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানকে 'জাতির জনক' উপাধি দেয়া এবং প্রথম স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলনকারী আ স ম আব্দুর রব, স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করা শাহাজাহান সিরাজদের?

ইতিহাসের সব থেকে বড় শিক্ষা হচ্ছে 'ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না'। আওয়ামীলীগের বেলায় এই কথাটি আরো বেশি সত্য! খতিয়ে দেখলে বুঝা যাবে, আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন ইউনিটের যুদ্ধেংদেহী ছাত্রলীগ (সব ছাত্রলীগ নয়) যাদের জন্য কাটগড়ায় আওয়ামীলীগ তাদের জায়গা দিতে গিয়ে কত ত্যাগী মুজিব আদর্শের মানুষ অভিমানে আড়ালে চলে গেছে। কিন্তু পরিতাপের বিষয় এই যুদ্ধেংদেহী ছাত্রলীগ কর্মকালে ভেগে যাবে। অথবা ব্যক্তি স্বার্থে টান পরলেই এরা অবতির্ন হবে ঐতিহাসি বেঈমান সফিউল আলম প্রধান'দের ভূমিকায়।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

রহমান বর্ণিল
রহমান বর্ণিল এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 4 দিন ago
Joined: রবিবার, অক্টোবর 22, 2017 - 9:43অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর