নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • শ্মশান বাসী
  • আহমেদ শামীম
  • গোলাপ মাহমুদ

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

নতুন সোশ্যাল মিডিয়া আইন ও কিছু আশঙ্কা


@ সকলকে অনুরোধ এই আইনটি আমাদের সকলের জীবনে প্রভাব ফেলবে তাই নিজেদের একটু মূল্যবান সময় বের করে এই লেখাটি পড়ার বিশেষ অনুরোধ রইল
----------------------------------------------------------
বিভিন্ন সংবাদসূত্র থেকে জানা যাচ্ছে উত্তর চব্বিশ পরগণার বাদুড়িয়া সহ অতীতের কয়েকটি ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে কড়া আইন আনতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।ফেসবুক,হোয়াটস অ্যাপ সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়ালে কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে।সূত্রের খবর,নতুন আইনের খসড়ায় ধর্মীয় উস্কানিমূলক গুজব ছড়ালে এক বছর থেকে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদন্ডের প্রস্তাব রয়েছে।

প্রথমেই একথা বলে নেওয়া ভাল যেহেতু এখন ও পর্যন্ত সরকার এ বিষয়ে কোন কিছুই ঘোষণা করেনি তাই কিছু বলা মুশকিল।তবে সরকার যদি উস্কানিমূলক পোস্ট নিয়ন্ত্রণ করতে চাই সে উদ্যোগ অবশ্যই স্বাগত।তবে প্রশ্ন হল ধর্মীয় উস্কানিমূলক গুজব বলতে কি বোঝানো হয়? তার সংঙ্গা পরিস্কার নয় এবং এই বিষয়টি যারা নিয়ন্ত্রণ করবে তারা সরকারি পক্ষপাতের উর্ধে কি তা পরিস্কার নয়?

এখানে একটি কথা খুবই গুরুত্বপূর্ণ তা হল ধর্মীয় উস্কানিমূলক পোস্ট।এখন প্রশ্ন হল ধর্মীয় উস্কানিমূলক পোস্ট কি?এটা প্রধানত দুই ধরনের হয়।একটি হল-অহেতুক কোন কারণ ছাড়া অন্য সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি ঘৃণা পোষণ করা যা কখনওই সমর্থন যোগ্য নয়।আর অন্য ক্ষেত্রটি হল কোন ধর্মের যৌক্তিক সমলোচনা করলেও সেই ধর্মে বিশ্বাসী মানুষদের কথাটি কটুক্তি বলে মনে হতে পারে এবং তারা এই ধরণের কথাগুলিকে তাদের ধর্মানুভূতিতে আঘাত বা উস্কানিমূলক পোস্ট বলে চালিয়ে দিতে পারে।এক্ষেত্রে সত্য কথা বলার জন্য মুক্তচিন্তার মানুষদের সাজা হতে পারে যা কখনওই কাম্য নয়।

বেশ কিছু স্বনামধন্য বুদ্ধিজীবী পত্রপত্রিকাতে লিখেছেন কারোর ধর্মানুভূতিতে আঘাত করে এমন কোন কাজ করা ঠিক নয় এবং সরকারের এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।তাহলে দেখুন এই সমস্ত বুদ্বিজীবীদের কথাতেই প্রমাণিত তারা মনে করে ধর্মানুভূতিতে আঘাত দেওয়া ঠিক নয়।আসলে উস্কানি ও ধর্মানুভূতির মধ্যে একটি খুবই সূক্ষ কিন্তু শক্তিশালী সম্পর্ক বিদ্যামান।একটি মানুষের কোন কথা,যখন তার ধর্মানুভূতিতে আঘাতদেয় তখন সে হিংস্র হয়ে ওঠে এবং সে উস্কানি ও প্ররোচনামূলক কথা বলতে থাকে।আর একটি সম্প্রদায়ের মানুষ যখন উস্কানিমূলক কথা বলে তখন স্বভাবতই নিউটনের তৃতীয় সূত্র অনুসারে প্রতিপক্ষ ও সমান হারে প্রতিক্রিয়া করে ।অর্থাৎ উস্কানিমূলক কথা থেকে শুরু হয় প্রতিহিংসা যা থেকে দাঙ্গা হাঙ্গামা বেঁধে যায়।

এখন প্রশ্ন হল ধর্মানুভূতি বিষয়টি কি?ধর্মানুভূতি বিষয়টি বড়ই অদ্ভুত।প্রতিটি ধর্মান্ধ মানুষই তাদের ধর্মের পচা রীতিনীতি মেনে চলতে চাই এবং এর বিরুদ্ধে কথা বললেই তাদের ধর্মানুভূতিতে আঘাত লেগে যায়।যেমন-রাজা রামমোহন রায় যখন সতীদাহ প্রথার বিরুদ্ধে কথা বলেছিলেন তখন বহু হিন্দুরই ধর্মানুভূতিতে আঘাত লেগেছিল কিন্তু রামমোহন রায় যদি এই ধর্মানুভূতিতে আঘাত এর ভয়ে চুপ করে বসে থাকত,তাহলে কি সতীদাহ প্রথার মত অমানবিক প্রথা বন্ধ হত?

আবার আদিবাসী সম্প্রদায়ের কিছু কিছু গোত্রে নর বলি প্রচলিত ছিল তাই ব্রিটিশরা যখন এই নরবলি বন্ধ করেছিল তখন আদিবাসী সম্প্রদায়ের ও ধর্মানুভূতিতে নিশ্চয় আঘাত লেগেছিল।এখন কেউ যদি বলে নবী মোহাম্মদ বানুকুরাইজা গোত্রের সাতশো থেকে নয়শো পুরুষদের এক রাত্রে গলা কেটে হত্যা করেছিল (সিরাতে ইবনে হিশাম -225 নং পৃষ্ঠা)।তখন মুমিনভাইদের ধর্মানুভূতিতে আঘাত লেগে যায় তারা বলে এগুলি নবীর নামে কটুক্তি,মিথ্যা,উস্কানি মূলক পোস্ট।

কিন্তু নবী যে বানুকুরাইজা গোত্রের সাতশো থেকে নয়শো পুরুষকে গলা কেটে হত্যা করেছিল তা ইসলামী প্রাচীনতম সোর্স শিরা,হাদিস,কোরান দ্বারা সমর্থিত এখন এই তথ্যকে কেউ ইচ্ছা করলেই উড়িয়ে দিতে পারবে না।ইসলামী সোর্স গুলিই এর অকাট্য প্রমাণ।তাহলে সত্য কথা গুলি বললে কেন ধর্মানুভূতিতে আঘাত লাগবে?

এখন ধর্মানুভূতিতে আঘাতের ভয়ে চুপ করে বসে থাকলে সমাজ পরিবর্তন হবে কি করে? ধর্মানুভূতির সঙ্গে আর একটি বিষয় অঙ্গাঙ্গীকভাবে ভাবে জড়িত তা হল-বাক স্বাধীনতা।রামমোহন বায় যদি বাক স্বাধীনতার অধিকার না পেতেন তাহলে কি জঘন্য সতীদাহের বিপক্ষে তিনি জনমত গড়ে তুলতে পারতেন? বাক স্বাধীনতা মানুষের মৌলিক অধিকার।আর কাদের বাক স্বাধীনতার দরকার হয়?যারা প্রথা বিরোধী,যারা ধর্ম, রাজনৈতিক দলকে বা কোন অন্যায়ের সমালোচনা করে তাদেরই বাক স্বাধীনতার দরকার হয়।ভারতীয় সংবিধানের 19 নং নম্বর ধারায় বাক স্বাধীনতা স্বীকৃত মৌলিক অধিকার।এখন কোন আইন হলে তা হবে বাক স্বাধীনতার উপর নিয়ন্ত্রণ যা মানুষের মৌলিক অধিকারের উপর চরম আঘাত হানবে।

এক বুদ্ধিজীবী লিখেছেন স্যোশাল মিডিয়া ছিল না তা সত্বেও আমরা সতীদাহের মত প্রথা থেকে বের হতে পেরেছি তাই বর্তমান যুগে ফেসবুক বা ফেকবুক এর কোন প্রয়োজন নেই।এই সমস্ত বুদ্বিজীবীদের অত্যন্ত বিনম্রতার সঙ্গে বলতে চাই -আপনারা তো দিনরাত কেন্দ্রীয় সরকার ও হিন্দুত্বের বিরুদ্ধে কথা বলেন,তা সাহস থাকলে ইসলামি মৌলবাদের বিরুদ্ধে কিছু বলে দেখান না?হিন্দুত্ববাদীদের বিরুদ্ধে আপনাদের অবস্থান অবশ্যই প্রশংসনীয়।কিন্তু আপনারাই আবার ইসলামি মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে নিশ্চুপ এই দ্বিচারিতা কেন?

আসলে আপনারা ও খুব ভাল করে জানেন-ইসলামি মৌলবাদীদের সমালোচনা করলে গলা কাটার ভয় থাকে।তাই সোশ্যাল মিডিয়া এই কারণে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিশেষত ইসলামী মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এর অবদান অনন্য।তাই সোশ্যাল মিডিয়া এক শক্তিশালী গণমাধ্যম যার মাধ্যমে ধর্মান্ধ মানুষরা ধর্মের আসাড়তা বুঝতে পারছেন ও মানবিক মানুষ হচ্ছেন।

এখন এই সোশ্যাল মিডিয়ার উপর নিয়ন্ত্রণ আনলে মুক্তচিন্তা বিঘ্নিত হতে পারে।বিশেষত যেখানে সরকারের উপর তোষণের রাজনীতি করার অভিযোগ আছে।এখন ভোটের জন্য মোল্লাদের খুশি করতে এই আইনের অপপ্রয়োগ হবে না এর কি কোন নিশ্চয়তা আছে?পূর্বে ও দেখা গেছে এই ধরণের আইনকে সরকার নিজের স্বার্থে ব্যবহার করে এবং এইরকম আইন বিরুদ্ধমতকে দমন করতে প্রয়োগ করা হয়।এখন কেউ যদি অন্যের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে উত্তেজনা মূলক পোস্ট দেয় সেক্ষেত্রে অ্যাকাউন্ট মলিক সমস্যায় পড়তে পারে।

এই জন্য সুপ্রিম কোর্ট এক রায়ে বলেন-স্যোশ্যল মিডিয়ায় কোন পোস্টকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না,তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন।তাই এই ধরণের কালা আইন বিরোধীদের ও মুক্তচিন্তার মানুষদের কণ্ঠরোধ করবে।সোশ্যাল মিডিয়ার নীতি বিষয়ে প্রতিবেশি দেশ বাংলাদেশ থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে।বাংলাদেশ সরকার সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণের জন্য 57 ধারা চালু করে।এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে বা ধর্মের বিরুদ্ধে কিছু লিখলে পোস্টকারীকে জেলে যেতে হয়।এতে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে।একদিকে মুক্তচিন্তার মানুষরা জেলে যাচ্ছেন অন্যদিকে জঘন্য মোল্লা তোষণের ফলে মৌলবাদীদের হাত শক্ত হচ্ছে যা সুস্থ গনতন্ত্রের পরিপন্থি।

এই মৌলবাদীদের উস্কানিমূলক কথাবার্তাতে অনুপ্রাণিত হয়ে কিছু যুবক ঢাকার গুলশানের হোলি অর্টিজেনে হামলা করে ও মানুষের গলা কাটে,এটাই হল মৌলবাদী শক্তিকে তোষণ করার চরম পরিণতি।অথচ ওই বিপথগামী যুবকদের রক্ষা করতে পারত মুক্তচিন্তার মানুষরাই।এরা ধর্মের গঠনমূলক সমালোচনা করে ধর্মের আসাড়তা তুলে ধরেন ও বহু বিপথগামী মানুষকে সঠিক রাস্তা দেখান,তাদের ধর্মান্ধ থেকে মানবিক মানুষে পরিবর্তিত করেন।যেহেতু মুক্তচিন্তার মানুষদের সঠিক সুযোগ দেওয়া হয়নি,তার জন্য বাংলাদেশকে তার চরম মূল্য দিতে হচ্ছে।

বর্তমান পশ্চিমবঙ্গে ও এই একই জিনিস শুরু হয়েছে।সরকারের তোষণনীতির ফলে মৌলবাদীদের হাত শক্ত হচ্ছে,যার বহিঃপ্রকাশ পাওয়া যাচ্ছে এলাকায় এলাকায় ওয়াজ-মেহফিলে।ওয়াজ-মেহেফিলে 10-15 বছর আগে যেমন বক্তব্য দেওয়া হত বর্তমানে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আগের থেকে অনেক বেশি গরম ও উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়া হয় যা মানুষকে তীব্রভাবে আলোড়িত করে।অথচ সরকার এগুলি দেখতে পায় না।এর পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ হিন্দুরা তাদের অস্তিত্বের সংকটে ভুগছে।তারা ভাবছে নিজবাসভূমে তারা কি আজ পরবাসী? তাই নিজেদের সংস্কৃতি ও নিরাপত্তা রক্ষার্থে সাধারণ হিন্দুরা আজ দলে দলে হিন্দুত্ববাদের প্রতি ঝুঁকছে ও হিন্দুত্ববাদ শক্তিশালী হচ্ছে।

এই সমস্যার আইন করে কোন সমাধান সম্ভব নয়। আইন করে হয়ত,এই সমস্যার সাময়িক কিছুদিন বিলম্বিত করে দেওয়া যেতে পারে কিন্তু অগ্নুৎপাত যে কোন সময়ই ঘটতে পারে।এর থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হল ধর্মের গঠনমূলক সমালোচনা করা এতে ধর্মানুভূতি ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যাবে ও তারা সত্য উপলব্ধি করতে পেরে মানবিক মানুষ হবে।

গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হচ্ছে পাহাড়ে ও অন্যত্র জঙ্গীদের অনুপ্রবেশ ঘটছে।খগড়াগড় কান্ড এর জ্বলন্ত উদাহরণ।তাই সরকার যদি মুক্তচিন্তার মানুষদের স্বাধীনভাবে কথা বলার সুযোগ না দেয় তাহলে কে বলতে পারে আগামী দিনে এ বঙ্গে ও গুলশান হামলার মত কোন হামলা হবে না?তাই সরকারের কাছে অনুরোধ নতুন আইন প্রণয়নের দিকে না গিয়ে পুরানো আইন দিয়েই গুজবকারী পোস্টগুলি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।এতে জনগণ ও সরকারকে সাহয্য করতে সদা প্রস্তুত যা আমরা বারে বারে দেখেছি।তাছাড়া ফেসবুক কতৃপক্ষ বা সোশ্যাল মিডিয়া নিজেরাই এই ধরণের উস্কানি মূলক পোস্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়,পোস্টগুলি ডিলিট বা অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়।তাই এই আইনের উদ্দেশ্য ও প্রয়োগ নিয়ে যথেষ্ট ভয় হয়।

আদতে দেখা যায় গুন্ডা ও দাঙ্গাকারীরা রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রছায়ায় থাকে তাই প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে পারে না।অন্যদিকে সাধারণ মানুষ এই আইনের যাঁতাকলে নিষ্পেষিত হয়।তাই গুজব পোস্ট নিয়ন্ত্রণের নামে এটা কোন চরম কালা আইন হতে যাচ্ছে না তো? এটা এদেশীয় 57 ধারা হতে যাচ্ছে না তো?অতীত কিন্তু এবিষয়ে সুখকর অনুভূতি দেয় না(অম্বিকেশ মহাপাত্র ঘটনা..ইত্যাদি)।সাধারণ মানুষদের উদ্দেশ্যে বলি আপনারা এই নতুন সোশ্যাল মিডিয়া আইন বিষয়ে সচেতন থাকুন।বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় এই রকম কালা আইনগুলি বিরোধী ও মুক্তচিন্তার কণ্ঠরোধ করতে ব্যবহৃত হয় যা সুস্থ গনতন্ত্রের পরিপন্থী।

সরকারের পদক্ষেপ এখন ও স্পষ্ট নয়।তবে জনগণ বাকস্বাধীনতা ও মুক্তচিন্তা প্রসারে বাধা সৃষ্টি হলে আপনারা কি তা মেনে নেবেন?তাই সাদা সচেতন থাকুন।প্রয়োজনে দীর্ঘ আইনি লড়াই ও লড়তে হতে পারে।তাই বাক স্বাধীনতা মৌলিক অধিকার রক্ষার এই লড়ায়ের জন্য আপনারা তৈরী তো?এর উত্তর একমাত্র সময়ের গর্ভেই নিহিত আছে।

(বিদ্রঃ-বাদুড়িয়া পরবর্তী উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকারের সোশ্যাল মিডিয়া আইন প্রণয়নের পরিপ্রেক্ষিতে লেখা। সরকারের এই ধরণের সুপ্ত মনোষ্কামনা এখন ও লক্ষ্য করা যায় তাই নাগরিক সমাজের সচেতনতাই বাঞ্ছনীয়। তাই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ও লেখাটি যথেষ্ট প্রসঙ্গিক। )

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

রক্তিম বিপ্লবী
রক্তিম বিপ্লবী এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 4 দিন ago
Joined: মঙ্গলবার, আগস্ট 29, 2017 - 3:02অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর