নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ওয়াহিদা সুলতানা
  • নগরবালক
  • উদয় খান
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • আশিকুর রহমান আসিফ
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • কাঙালী ফকির চাষী

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

ব্লগ, ব্লগিং ও আদর্শ ব্লগারঃ সেকাল একাল



একযুগের বেশি অনলাইন জগতে, বিশেষ করে সোশ্যাল প্লাটফর্ম আর ব্লগিং এ। ২০০৭ থেকে ২০১১-১২ পর্যন্ত নেশার মত ছিল। তখনও ফেসবুকের এমন জয়জয়কার ছিল না। অনলাইনজগত তখনও সেভাবে সবার হাতের মুঠোতে আসে নাই। হাতের মুঠোয় চলে আসা শুরু হয় ২০১১-১২'র পর, স্মার্টফোন সহজলভ্য হতে শুরু করে এসময় থেকে। ১০-১২ হাজার টাকার একটা ডিভাইস এর কয়বছর আগের ডেক্সটপ থেকে শক্তিশালী হয়ে যায়। মোবাইলে বাংলা লেখা শুরু হবার পর ব্লগ প্লাটফর্মগুলো নিঃপ্রাণ হতে শুরু করে। যদিও এখনপর্যন্ত তথ্যসমৃদ্ধ মৌলিক লেখাগুলো রাখবার জন্য ব্লগ প্লাটফর্মগুলোই আদর্শ। আমি নিজে যেমন ব্লগ প্লাটফর্মে সময় নিয়ে লেখা বড় পোস্টগুলো রাখি, কারণ এগুলো সার্চ রেজাল্টে আসে। সকল ভাষার তথ্যের ভান্ডার হওয়া উচিত উন্মুক্ত।

স্মার্টফোনের উন্নতি মৌলিক লেখালেখির জগতে সর্বনাশ ডেকে এনেছিল অনেকটা। মানুষ ঝুঁকে যায় সস্তা জনপ্রিয়তার দিকে। দুই লাইনের স্ট্যাটাস, দুই লাইন লিখে নিজের বিদ্যা জাহির করবার ধারা শুরু হয়, এই ধারাই এখন চলছে। নানারকম মেসেঞ্জার, ফ্রি কলিং এপ, এসব হাবিজাবি জিনিস সময় নিয়ে নিচ্ছে অনেক। বড় লেখা পড়বার ধৈর্য্য আর সময় কারোরই নেই। টু মিনিটস ইন্সট্যান্ট নুডলস এর যুগে এমনভাবে বদলে যাওয়াই হয়ত সময়ের সাপেক্ষে ঠিক। তবে আমাদের দেশে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার অদ্ভুত মিউটেশনের শিকার। অন্যান্য দেশে কী হয় তার একদম সঠিক তথ্য জানি না। যেটুকু জানি, আমাদের দেশের মতো সম্ভবত হয় নি।

আমাদের এই অঞ্চলে যত বেনামি আইডি বা ফেক আইডি তা মনে হয় আর কোথাও এমন আশংকাজনক হারে নেই। আমি এই লেখাটা ফেসবুকে শেয়ার করব যে আইডি থেকে, সে আইডিটাও তো বেনামি, অলমোস্ট ফেক। এটা আমার ব্যক্তিগত জীবন বাদে হালকাপাতলা মতামত লেখালেখি শেয়ারিং এর মাধ্যম। আমি নরমালি দিনে একটা পোস্ট করি। অনেকে প্রতি ঘন্টায় দুই তিনটাও করেন। আসক্তির পরিমাণটা তাতেও আঁচ করা যায়। নিজের আসক্তির মাত্রাই তো আমার কাছে অতিরিক্ত মনে হয়, যদিও নিরুপায়।

লেখাটা ফরমায়েশি ক্যাটাগরির, অন্যকিছু নিয়ে বলার কথা ছিল। লিখবার কথা ছিল ব্লগিং সহ অনলাইনের বিবর্তন কেমন দেখলাম। আমার মত করে যদি বলি, তবে বলব শুরু থেকেই এইদেশের ব্লগিং ছিল অসুস্থ্য ধারার। মুক্তচিন্তা, ন্যায়ের পক্ষে থাকবার অনেক বড় বড় বুলি আমরা দেই। অথচ, ব্লগ প্লাটফর্মগুলো আত্মপ্রকাশের পর থেকে ব্লগিং কখনোই সেভাবে মুক্তচিন্তা নিয়ে এগিয়ে যায় নি। গুটিকয়েক ব্লগার এক্টিভিস্ট বাদে সকলেই বিশেষ রাজনৈতিক মতবাদের প্রচার প্রসারই করেছেন, তারা যা সঠিক মনে করেন পাল্টা যুক্তির তোয়াক্কা না করেই সেটাতেই অটল থেকেছেন। কল্পনার তালগাছটা সবসময় তাদেরই ছিল। সচল, আমু, সামু, প্রথমআলো ব্লগ সহ হাল জমানার কিছুমাত্রায় উঠে আসা ইস্টিশন, সে যে নামের ব্লগই হোক, ব্লগারদের আচরণ মোটামুটি একই ধাঁচে থেকে গেছে। যাদের ব্লগার এক্টিভিস্ট হিসেবে আলাদা করে নামে চিনতে পারি, বেশিরভাগের ক্ষেত্রেই বুঝতে পারি তারা কী নিয়ে লিখবেন, কোন ইস্যু পেলে তারা কেমন রিএক্ট করবেন আর কখন চুপ করে যাবেন। বুকের মধ্যে প্রথমেই কিছু অনড় বিশ্বাস ঢুকিয়ে রেখে তার সাপেক্ষে, সেটাকে জাস্টিফাই করতে নিজের মনমতো লিখে যাওয়া মুক্তচিন্তা নয়।

একশ্রেণির ব্লগার আছেন, তারা বিশেষ করে উন্নত দেশে থাকেন। অন্তরালে থেকে ব্লগিং করেন, বিশাল মাত্রার জ্ঞানী, মুক্তচিন্তক, প্রগতিরপথের এক্টিভিস্ট একেকজন। উনাদের বড় একটা অংশ মনে করেন আমাদের সমাজে ভাল কিছুই নেই। তাদের একশ পোস্ট পড়লে দেশ জাতি ও সমাজ সম্পর্কে একটাও ভাল কথা শোনা যায় না। আবার দেশের নানা অসংগতির তুলনা তারা অনেক অনেক উন্নত দেশের সাপেক্ষে করেন। সেখানে যেমন চলে সবকিছু সেভাবে দেখতে চান। উনারা হয়ত বোঝেন, হয়ত বোঝেন না যে একটা রাষ্ট্রের কোনো পদক্ষেপ নিতে পারা সেই রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সামর্থ্য অনুসারে হয়। ইউরোপ আমেরিকার উন্নত দেশগুলোতে বেকারভাতা দেয়া সম্ভব কেউ যদি কাজ না পায়, বয়স্ক সকল মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যয়ভার রাষ্ট্রের পক্ষে বহন করা সম্ভব, আমাদের দেশে এখনো হয় নি। আবার দেশের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম অসংগতির দিকেও তাদের থাকে বাজপাখির দৃষ্টি, তারা সুসময় সেগুলো নিয়ে সরব। মাঝে মাঝে যদি দুই একটা ভাল কথা বলে ফেলেন, খেয়াল করলে দেখা যায় সেটা তাদের পছন্দের দল, নেতা নেত্রী সম্পর্কিত। আমেরিকার মত দেশে "পৃথিবী প্রকৃতপক্ষে সমতল" এটা প্রমাণে হাজার মানুষের সম্মেলন হয়, এই অদ্ভুত হাস্যকর ঘটণা নিয়ে উনারা হাসি তামাশা করবেন না, এই সম্মেলন যেহেতু বাংলাদেশে হয় নি। কিন্তু দেশে কেউ শিয়ালের মাংস বাতেরব্যথা উপশমের জন্য খাচ্ছে, এটা নিয়ে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি। দেশ তখন যায় রসাতলে, শিয়ালের মাংস খাওয়া শুরু করেছে যেই জাতি তাদের কী হবে? এই প্রজাতি এখন অবশ্য আত্মকেন্দ্রিক হয়ে গেছে। তারা বহুপূর্বের ব্লগিং এর সোনালি দিনের স্মৃতি রোমন্থন করেন। নিজেরা নিজেরা আলোচনা করে মনে করেন দেশ জাতি উদ্ধার করে ফেলছেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, দেশ, জাতির প্রতি তাদের কোনো দায় নাই। তাদের আত্মতুষ্টি নিজেদের আঁতেল, সেইমাত্রায় প্রগতিশীল হিসেবে উপস্থাপনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। আজকের সময়ে তাদের কেউ চেনেও না।

অনেকক্ষণ অতিরিক্ত ভূমিকা দিয়ে ফেলছি। আমার ভূমিকাই চালাই। আমার ব্লগিং সম্পর্কে জানা ২০০৬-৭ সালের দিকে হবে মনে হয়। আমার পরিচিত এক বড়বোন ছিলেন, মেডিকেল পাস করে ফেলেছেন ততদিনে। উনি একটা লিংক পড়তে দিলেন ইয়াহু মেসেঞ্জারে। এর আগে কেবলমাত্র একটা সাহিত্য রিলেটেড সাইটে আড্ডা দিতাম, ২০০১-২ সাল থেকে। সেখানেও সমাজ, রাষ্ট্র, ধর্ম এসব নিয়ে আলোচনা হতো। তবে তা ছিল সীমিত গন্ডিতে। সেসব শেয়ারের উপায় ছিল না। আমিও ছিলাম বয়সে অনেক ছোট। নীরব দর্শকের ভূমিকাই বেশিরভাগ সময় কমফোর্টেবল মনে হতো। ২০০৭-৮ এর দিকে প্রথম ব্লগিং এ আগ্রহ শুরু হয়। ২০০৮-৯ সালের দিকে যখন বাংলা ব্লগের জোয়ার আসে, তখন থেকেই ব্লগারদের মধ্যে বিভক্তি ছিল। জেনুইন মুক্তমনা বা উদারমনা ব্লগার কাউকেই তো তেমন মনে পড়ছে না। সবাইকেই কোনো না কোনো ট্যাগে ফেলা যেতো। নাস্তিকদের গ্রুপ, আওয়ামী গ্রুপ, জাতীয়তাবাদী গ্রুপ, শিবির গ্রুপ সবাই আলাদা আলাদাভাবে নিজের সার্কেলে চলতো কিছুদিন পরেই নিজের সমমনাদের চিনে নিয়ে। নিজেদের মত ও আদর্শের বিরুদ্ধে কিছু দেখলেই শুরু হতো ক্যাচাল। সবচেয়ে খারাপ যে ব্যাপারটা ছিল, তা হচ্ছে প্রতিটা ব্লগের আলাদা আলাদা ট্যাগ ছিল। কোনটা আওয়ামী, কোনটা জামাতি আর কোনটা নাস্তিকমনা ব্লগ সেটা সবাই জানতো। আবার কিছু কিছু ব্লগ নিজেদের এলিটও মনে করতো। সচল যেমন এখনো নিজেদের গন্ডির মানুষের মধ্যেই অল্প যা চলে, আগেই তা তেমনই ছিল।
প্রথম আলো ব্লগের মোটিভ ছিল যুগের হাওয়ায় গা ভাসানো। তাদের কোনো সামাজিক দায় ছিল বলে মনে হয় না। এই ধরি মাছ না ছুঁই পানি গ্রুপটাকে আমার পছন্দ হয় না। প্রথম আলোর এডাপ্ট করে নেবার ক্ষমতা সেইরকম। আমার ধারণা, এইদেশে যদি জামাতও দৈবক্রমে ক্ষমতায় এসে যায়, প্রথম আলো তাদের সাথেও মানিয়ে ফেলবে।

সামহোয়্যার বর্তমানে সাহিত্য ব্লগ। কবিতা, ভ্রমণ লগের বাইরে তাদের ওখানে মূলধারার ব্লগারেরা তেমন পা রাখেন না। ইস্টিশনের বেশিরভাগ পোস্ট ইসলাম ও অন্যান্য ধর্মের অসংগতি নিয়ে। যেহেতু ব্লগের মালিকরা নিজেরা সব পোস্ট লিখেন না, কেবল একটা প্লাটফর্ম তৈরী করে দিয়েছেন লিখবার জন্য, তাই কেমন পোস্ট হচ্ছে, সেই পোস্টের দায় তাদের না। ব্লগাররা বা অনলাইনে যারা ফেসবুকের বাইরে লিখতে পছন্দ করে, তারা নিজেদের পছন্দমত, নিজেরা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, এমন প্লাটফর্ম বেছে নিচ্ছেন।

ব্লগের তুমুল জনপ্রিয়তার সময়েই ব্লগারদের মধ্যে প্রকৃত ভাঙনের শুরু হয়, ব্লগিং এ ভাটাও পড়ে সে কারণে। সরকারের পদক্ষেপে কিছু ব্লগ বন্ধ হয়ে যায়। কিছু ব্লগ ভেজা বেড়াল হয়ে যায় টিকে থাকতে। শাহবাগ মুভমেন্টের পরপর শনির দশা চলে আসে। শাহবাগ আন্দোলনের সূত্রপাতের যুক্তি ছিল খুব সরল। আমাদের মত অনেকে যারা নানা বাধ্যবাধকতার কারনে সক্রিয় হতে পারি নি, কিন্তু নৈতিক সমর্থন ছিল তাদের সমর্থনের আবেগ আর ন্যায়বিচারের প্রশ্নে ছিল সঠিক অবস্থান। কাদের মোল্লার ফাসির রায় হয় নি তখন আদালতের রায়ে। প্রতিবাদের কারণ ছিল, আর কতো অপরাধ করলে সে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ শাস্তির যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারতো। কিছু অভিযোগ প্রমাণ করা যায় নি, তবে যেগুলো প্রমাণিত হয়েছিল, তাই বেশ কয়বার কাদের মোল্লাকে ফাঁসিতে ঝুলাতে যথেষ্ট ছিল। ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট থাকা উচিত নয় নাকি উচিত, সে প্রশ্ন পরে। আমি ব্যক্তিগতভাবে ক্যাপিটাল পানিশমেন্টের পক্ষে না। আমি তারপরও মনে করেছি, রাষ্ট্রের বিদ্যমান আইনেই তো সঠিক বা সর্বোচ্চ সাজা হয় নি।

এরপর শাহবাগ নিয়ে যে কাহিনি, বাপরে বাপ! একেকগ্রুপ একেকভাবে ফায়দা নিতে শুরু করে, একেকভাবে চালাতে চায়। শাহবাগ মুভমেন্টের প্রধান দাবি ছিল দেশের আইন অনুসারে সর্বোচ্চ ও সঠিক শাস্তি। কিন্তু এরমাঝেও ঢুকে যায় ব্লগারদের নানা গ্রুপের স্বার্থ। নাস্তিক আস্তিক ও রাজনীতির আদর্শগত কারণে নানাভাবে নানাজন প্রভাব বিস্তারে উঠেপড়ে লাগে। সেই সময় একটা প্রথমসারির ব্লগে দেখতাম একটা পোস্ট স্টিকি করা। আর একটু খেয়াল করে দেখলাম, যার পোস্ট স্টিকি করা, টানা দুইদিন প্রতিটা ঘন্টায় অন্তত একটা করে কমেন্ট বা কমেন্ট রিপ্লাই সে করে গেছে। একটা মানুষ ঘুম ছাড়া তো একদিনই থাকে না, সেখানে দুইদিন নির্ঘুম? সে মানুষ না রোবট না ছাইয়া? সেই প্রথম ব্লগের প্রতি অভক্তি কিছুটা হলেও দানা বাঁধে। স্বতঃস্ফুর্ত আন্দোলনের জন্য আলাদা মেকানিজম লাগে না, তা মানুষেরই আন্দোলন। বাই দ্য ওয়ে, শাপলা চত্তরে হেফাজতিরা যখন ব্যাপক ধোলাইয়ের মুখে, তখন পাশবিক আনন্দ পাচ্ছিলাম। মানুষ হিসেবে আমি ব্যক্তিগত ঘৃণা, বিতৃষ্ণার উর্ধে না।

ফেসবুকের যারা ছাইয়া নিক বা ছাইয়া ব্লগার কী তা বোঝেন না, তাদের জানাই। ছাইয়া নিক হচ্ছে সেই নিক, যা প্রিটেন্ড করে কোনো একটা চরিত্রের, কিন্তু সে তা নয়। হয়ত সে ছেলে, নিলো মেয়ের নাম, অথবা মেয়ে হয়ে ছেলের নাম ছিল। আবার এমন নিক কয়জন মিলে পরিকল্পনা করে খুলে সবাই মিলেও চালাতে পারে। আবার ধরেন, আপনার নাম টনি ডায়েস, আপনি আবুল হোসেন নামে নিক খুলে ব্লগিং করা শুরু করলেন, ভাব ধরলেন আসলেই আবুল। এটাও একধরণের ছাইয়া বা মাল্টি নিক হবে। বেশিরভাগ ছাইয়া নিক ধরা খেয়ে যেতো তাদের বানান নিরীক্ষা করলেই, বানান বিশ্লেষণ করে কে সেটা চালাচ্ছে তারও আন্দাজ করা যেতো। একাধিক ব্যক্তি সেটা চালালে তাও ধরা খেয়ে যেতো একেকবার একেক বানান ও বাক্যগঠন ব্যবহার করবার কারণে। একটা আদর্শ, শক্তিশালী, সক্ষম ছাইয়া নিক বানাবার জন্য প্রয়োজন নিখুঁত পূর্ব পরিকল্পনা ও বিশেষ ছকের। বাক্য কীভাবে লিখবে, বানানে কী কী বিশেষ ভুল করবে তা আগে থেকেই ঠিক করে রাখা হতো। ভুল করেও নিজের নামের মেইল আইডি বা ফোন নাম্বারের এগেইন্সটে ছাইয়া বা মাল্টি খুলতো না যারা অভিজ্ঞ। তারা ডিসপোজেবল ইমেইল এড্রেস ব্যবহার করতো। সাথে ফেক ফেসবুকও খুলে ফেলতো। এই ফেসবুক আইডিগুলোর মোবাইল ভেরিফিকেশন করতো আবার বিদেশি নাম্বার অথবা অনলাইনে এভেইলেবল ফ্রি মোবাইল নাম্বার দিয়ে যাতে টেক্সট মেসেজ ভেরিফিকেশন করা যেতো। তারপরও ঘাপলা হয়ে যেতো। নিক মালফাংশান করতো, বা সামান্য ভুলের সুযোগে ছাইয়া আইডিও হ্যাক হয়ে যেতো। এই ধরা খাওয়ার ঘটণাগুলোও ছিল ব্যাপক বিনোদনের। আড়াল থেকে যাদের নাম বের হতো, তাদের অনেককেই ভাবা হতো সাধুবাবা, একেবারে সালমান এফ রহমান।

ব্লগে একটা সময় সিন্ডিকেটও সক্রিয় ছিল। কেউ কেউ অলীক হিটের মোহে, কেউ বা বিশেষ উদ্দেশ্যে সিন্ডিকেটে যোগ দিতো। এই সিন্ডিকেট গুলো আবার নানা নামে পরিচিত ছিল। সিপি গ্যাং সহ এমন অনেক নামের সংগবদ্ধ ব্লগারদের গ্রুপ অনলাইনে বাংলাভাষার গালিগালাজকেই কেবল সমৃদ্ধ করেছে। নানা মত ও আদর্শের ব্লগারদের দ্বন্দ ও পারস্পরিক ঘৃণা এত প্রবল ছিল যে তারা ব্যক্তির উপর আক্রমণেই সীমিত থাকতো না, প্রতিপক্ষের কারো পরিচয় জানা থাকলে তাদের পরিবারকেও সেই আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু বানাতো। ছবি এডিট করেন, মা ভাই বাপ বোনের নাম্বার পর্ণ সাইট ও সেক্সগ্রুপে ছড়িয়ে দেয়া সহ হেনস্তা করবার নানা অভিনব উপায় তারা উদ্ভাবন করে ফেলে। একজন দুইজন এরকম কাজ করলে সেটা যতটা না ভয়াবহ হয়, শতশত মানুষ যখন এই ধরণের কাজে লিপ্ত হয়, তখন তার এফেক্ট হয় মারাত্মক। আফসোসের ব্যাপার হচ্ছে, যারা এসব করে বেড়াতো, তাদের অনেকেই উপরে উপরে ছিলেন ব্যাপক সুশীল, হঠাত বৃষ্টির নাওক ফেরদৌসের মত ভদ্রপোলা। এই আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণের কারণে বিভক্তি দিনে দিনে আরও বাড়ে। সাধারণ ব্লগারেরাও অযথা আক্রমণের শিকার হতো। অনেকে দলে দলে ব্লগও ছেড়ে দেয়। ফেসবুকে নিজের জগত বানায়, সেলিব্রিটি বনে যায়। বর্তমান সময়টা ফেসবুক সেলিব্রিটি হবার সময়, তবে স্বস্তির কথা, এখন সেলিব্রিটিদের হিট কমে যাচ্ছে ধীরে ধীরে। বাস্তব জীবনের ভীতুর ডিম কিন্তু অনলাইনের বীর এসব সেলিব্রিটিদের বুলি এখন বেশিরভাগ মানুষ কম গেলে। আর সেলিব্রিটিও এত বেড়ে গেছে, সবাইকে ফলো করা একসময়ের পাড় ভক্তদের পক্ষেও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইদানিং তো চরম বিনোদনের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় সেলিব্রিটি স্ক্যান্ডাল। দেখা গেল উপরে উপরে চরম আদর্শবান, নারীবাদী, মানবতাবাদী ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু হুট করে ফাঁস হয়ে গেল স্ক্রিনশট, এইতো কাম সারছে তার। আর নির্মল বিনোদন হয় দর্শক জনতার।

আমি মধ্যবিত্ত চেতনা লালন করা ব্লগারদের নিয়েও শংকিত। তাদের মুখের প্রগতিশীলতা আর বাস্তবের আচরণ এক ছিল না কখনোই, এখনো নেই। স্তন বা নারীর বুক যৌনাংগ নয়, আমার বুক আমি যখন খুশি যাকে দেখাব, যেভাবে খুশি সেভাবে রাখব টাইপ বুলি প্রকাশ করা কোনো নারীকে আজপর্যন্ত নিজের বক্ষ প্রদর্শন করতে দেখি নাই। আমাদের দেশের রক্ষণশীল ও ডানপন্থী সামাজিক বাস্তবতার কারণে না। তা উনারা দেশেই থাকুক অথবা সুইডেন, পারবেন বলে মনে হয় না। আর তাদের এই অক্ষমতার জন্য আমি দোষ দেই না, সবাই তো মুখে যা বলে তা করে বেড়াতে বাধ্য নয়। কেবল মনে করি, কথার প্রতিফলন কাজেও কিছুটা থাকা দরকার যদি সে সযোগ থাকে। পোষাক নিয়ে আমার ট্যাবু নাই্‌, বাঙালি নারীদের আমার শাড়িতে দেখতে ভাললাগে, কিন্তু একজন মানুষ কীভাবে নিজেকে আচ্ছাদিত করবেন, কেমন পোষাক পরবেন, তা আমি একান্তই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত মনে করি। অবশ্য মানুষ সামাজিক রীতিনীতি, প্রিওমানুষদের পছন্দেরও দাম দেয়। আবার জনসম্মুখে একেবারে নগ্ন থাকাও কাজের কথা না। একেবারে নগ্ন শরীর ছেলে মেয়ে যে কাউকেই উত্তেজিত করতে পারে, প্রকাশ্যে নূন্যতম রাখঢাক ভাল।

মধ্যবিত্তের আসল সংকট সে নিজে কোনটা যে আসলে সঠিক মনে করে আর সেটা নিজে মানতে পারবে নাকি তা বুঝতে না পারবার সংকট। প্রগতিশীল মনোভাব বা ধারণা তারা সবচেয়ে বেশি ধারণ করে, কিন্তু তারাই সবচেয়ে কূপমন্ডুক। উচ্চবিত্ত পরিবারের কোনো মেয়ের ভিডিও ক্লিপ ফাঁস হোক অথবা একটা নিম্নবিত্ত ঘরের তরুণীর, তারা সেটা সামলে যায়, সামনে আগায়। উচ্চবিত্ত এসব গায়ে লাগায় না, তারা তাদের সামর্থ্য ও সমাজের বিশেষ বৈশিষ্ট্যের গুণেই এসব ট্যাবু মুক্ত। নিম্নবিত্ত সারভাইভ করতে গিয়ে অনেককিছু গায়ে লাগায় না। সমাজে বিবাহ বিচ্ছেদ,
নৈতিক অনাচার উচ্চ ও নিম্নবিত্তের মাঝে বেশি। কিন্তু এসব লাইমলাইটে সেভাবে আসে না। আমরা পত্রিকায়, অনলাইনে বেশি পাই মধ্যবিত্তের জীবনের চিত্র, তাদের নানা কাহিনি। আমরা যারা শহুরে, আমরা যারা ভাবি আমরা সচেতন, তাদের বেশিরভাগই এই মধ্যবিত্তের প্রতিনিধি। আমরা আমাদের মধ্যে তাও লালন করি, আমরা যা যুক্তিবুদ্ধি দিয়ে মানএ পারি না। একজন মধ্যবিত্ত উচ্চশিক্ষিতা নারী ধর্ষিতা হলে সে চরম সাইকোলজিকাল রমার মধ্যে দিয়ে যাবে। এই ঘটণার পর নিজেকে আলাদা ভাবতে শুরু করবে। তার পরিবার, বন্ধু, আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে যাদের তার দিকে আরও বেশি মনোযোগ দেবার কথা ছিল, স্বাভাবিক আচরণ করবার কথা ছিল, তারাই সবচেয়ে অস্বাভাবিক কথাবার্তা বলা শুরু করবে, অন্যরকম আচরণ শুরু করবে। এমনকি মেয়েটা নিজেও ভাবা শুরু করবে, সে বিশুদ্ধ নয়। অথচ সেই নিজেই হয়ত আগে বলতো ধর্ষণের লজ্জা ধর্ষকের, ধর্ষিতার নয়। মধ্যবিত্তের মানসিকতা, ধ্যানধারণার পরিবর্তন খুব খুব কঠিন। তারা প্রগতির দিকে পরিবর্তন চায়, কিন্তু তাদের মনেই গেঁথে থাকে ঘোরতর কূপমন্ডুকতার বীজ। সুপ্রীতি ধর টাইপের দ্বিরাচারী চরিত্র কী আমরা পাই নাই? উনি অবশ্য মধ্যবিত্ত হবেন না, উচ্চ মধ্যবিত্তে ফেলতে হবে।

এরচেয়ে যারা অল্পশিক্ষিত নিম্নবিত্ত বা যারা সমাজে অনেকটা উচ্চস্তরে থাকেন যে তাদের কেউ কিছু বলবার সাহস করে না, তারা নিজেদের মধ্যে পরিবর্তন আনতে পারেন খুব দ্রুত। আমার এক অনুগত সহচর কোন কথায় যেন জিজ্ঞেস করছিল সত্য মিথ্যা কীভাবে বুঝবে তা নিয়ে। কোরানের প্রসংগও আসলো। সে বললো, "কোরান তো সত্য। এমন কিছু তো কেউ লিখতে পারবে না।" আমি তাকে বললাম, "তুমি তো মাদ্রাসায় পড়ছো, না? তুমি একটু খুঁজে বের কইরো কোরানে মানুষকে কী দিয়ে বানানো হইছে এইটা নিয়ে কোন জায়গায় কী কী বলছে। তুমি মানুষ একটা, তোমার জন্মদিন হবে একটা, তিনটার কথা বলা থাকলে অন্তত দুইটা কথা অবশ্যই ভুল হবে। এখন তুমিই পড়ো কী কী লিখছে, আর ভেবে আমাকে বইলো এর কোনটা ঠিক আর কোনটা ওইটা ঠিক হইলে ভুল হবে। যদি হয়, তাইলে তো কোরানেও ভুল আছে এইটা প্রমাণ হয়ে যাবে।" শুধু ইসলাম না, অন্য ধর্ম নিয়েও তো এভাবে বলা যায়। আমার আশেপাশে যেহেতু ইসলাম ধর্মের অনুসারী বেশি, আমি তাই হয়ত এই ধর্মের উদাহরণ বেশি টানি। কিন্তু ব্যাপারটা এমন না যে, ইসলামের কোনো রীতি ভাল মনে হইলে সেইটাকে যেভাবেই হোক খারাপ বানাইতে চেষ্টা করব। কোনো ধর্মের সবকিছুই ঢালাও খারাপ বানানো সম্ভব না, যারা প্রচন্ড ধর্মবিদ্বেষ লালন করেন নিজের ভিতর, সেইরকম ব্লগারদের বোঝানো সম্ভব নাও হতে পারে। আমি ইদানিং তাদের সাথে তর্কে যাই না। তালগাছেস আর অল ইওরস তেমন ভাইয়েরা ও বোনেরা আমার।

ব্লগারদের নেগেটিভ দিকই বলে গেলাম কেবল। এরপরেও ব্লগারদের অনেক অবদান আছে। প্রত্যেক ফেসবুকারও আসলে একেকজন ব্লগার, মাইক্রোব্লগিং এ ফেসবুকারদেরও ফেলে দেয়া যায়। তারাও তো নানা সংগতি অসংগতি নিয়ে লিখে থাকেন। তনু হত্যার বিচার আলোর মুখ দেখে নাই, কিন্তু প্রভাবশালী কাউকেও কারাগারে যেতে হয়েছে ফেসবুক, ব্লগ এসবের সম্মিলিত প্রতিবাদের স্রোতে। আমার ধারণা যশোর রোডও বেঁচে যাবে। রামপালের গতি হলো না মনে হয় খালেদা জিয়ার কারণে। খালেদা জিয়া যদি রামপালের বিরুদ্ধে না যেতেন তাহলে রামপাল প্রকল্প বাতিল হতেও পারতো। আমাদের প্রধানমন্ত্রী ব্যাপক জেদী মহিলা, উনি আর যার দাবিই মানেন না কেন, খালেদার দাবির কাছে মাথানত করবেন না। দেশের স্বার্থে আমি খালেদাকে বঙ্গোপসাগরে জেগে ওঠা নতুন কোনো দ্বীপে নির্বাসন দেয়ার দাবী জানাই।

এইবছর ব্লগারদের জন্য গুরুত্বপুর্ণ হবার কথা। তারা যদি যৌক্তিক দাবী উপস্থাপ্নে সক্ষম হন তবে সরকার হয়ত তাদের অনেককিছুই মন দিয়ে শুনবে, সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবে। কোনো সরকারই চায় না জনপ্রিয়তা একেবারে হারাতে, আর নির্বাচন নিয়ে পরিকল্পনা সৎ নিরপেক্ষ হোক বা সূক্ষ্ম কারচুপির দিকেই নজর বেশি থাকুক, তারা অযথা অস্থিরতা, বিতর্ক, ক্যাচাল চাইবেন না, অন্ততঃ এই সময়টায়।

এক যুগ দীর্ঘ একটা সময় ব্লগারদের বিবর্তন পেরিয়ে একটা পরিণত অবস্থানে আসবার জন্য। প্রেজুডিস, এটা সেটার প্রভাবের বাইরে মানুষ হয় না, হওয়া সম্ভব না। শতভাগ উদারমনা, মুক্তমনাও হওয়া সম্ভব না। সকল মানুষের চিন্তাভাবনা তার জানাশোনা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, সমাজ, ধর্ম ইত্যাদি ইত্যাদি দিয়ে প্রভাবিত হয়। পঞ্চম শ্রেণি পাস একজনের যুক্তি আর পিএইচডি করা একজনের যুক্তি, চিন্তাভাবনার মান ভিন্ন হবে, যদিও দুইজনেরই নিজেদের বিশ্বাস ভেঙে নতুন কিছু মেনে নেবার মানসিকতা একইরকম হওয়া সম্ভব। আমার আরবদের অপছন্দ, আপনার হয়ত পাকিদের। এই অপছন্দ অনেকসময় যুক্তির বাইরেও হতে পারে। একজন ব্লগার কিংবা মুক্তমনাকে নিজের প্রাক-ধারণার প্রভাবের বাইরে যাবার চেষ্টা করা উচিত। আরবদের আমার অপছন্দ, তার মানে এই নয় যে সেখানে বোমা হামলায় নিরীহ কেউ মারা গেলে আনন্দ অনুভব করব। যদি দেখি যে ওরকম খবর শুনে খারাপ লাগছে না, বরং মনে মনে খুশী, তাহলে নিজের যুক্তিতে বুঝে নিতে হবে আমার ভিতর পিশাচ রয়ে গেছে। যদি এমন কিছু টের পাই, তা অকপটে স্বীকার করতে পারাটাও মুক্তচিন্তা, একদিনে নিজেকে বদলাতে পারব না, তবে ধীরে ধীরে বদল আসবেই।

রাজনীতিবিদরা একা সমাজ পরিবর্তন করবেন না, সাহিত্যিকদের সর্বগ্রাসী প্রভাব কমে যাচ্ছে। এভাবে একজন ব্লগারও একাই সমাজকে প্রগতির দিকে নিয়ে যেতে পারবেন না। এজন্য দরকার সম্মিলিত প্রয়াস। একজন শিক্ষিত মানুষের পক্ষে অন্যকে প্রভাবিত করা সহজ হয়। একজন শিক্ষিত মানুষের পক্ষে অন্য অনেককে সঠিক পথে আনবার সামর্থ্য থাকে অনেক বেশি। শিক্ষিত তবে দুষ্ট চরিত্রের মানুষদের কাউন্টার করবার সক্ষমতাও শিক্ষিতদের বেশি থাকে। তারা যদি একসাথে কাজ করেন নিজেদের মধ্যে রেশারেশি বাদ দিয়ে, ব্যক্তিস্বার্থ একপাশে রেখে, তাহলে তাদের ক্ষমতা ও প্রভাব হবে ব্যাপক। দলপ্রীতি কিংবা বিশেষ পক্ষপাতের বাইরে থেকে তারা তাদের কথা বলে যাবে। নারীদের ধূমপান নিয়ে এত পোস্ট স্ট্যাটাস মানুষজন কেন দিচ্ছে বুঝতে পারছিলাম না, গতকাল জানলাম কাহিনি কী। এই যে চাপের মুখে দুইজন দোষ স্বীকার করে নিলো, তার থেকেও তো অনেকে শিখবে। সমাজের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম পরিবর্তনের জন্য নিজের অবস্থানে থেকে নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে মতামত জানানোটাও ব্লগিং।

মানবসভ্যতা হাজার হাজার বছরের বিবর্তন পেরিয়ে আজকের অবস্থানে এসেছে। একশ বছর আগের চেয়ে এখনকার পৃথিবী অনেক মানবিক। আজকে আমাদের এই বাংলাদেশে যে সমাজব্যবস্থা, আমাদের সমাজে প্রচলিত যে রীতিনীতি, সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ, তার সবকিছুই খারাপ হতে পারে না। আবার অনেককিছুর পরিবর্তন দরকার। এই পরিবর্তন রাতারাতি আসবে না। সবকিছুর ঢালাও সমালোচনা, পুরো সমাজ নষ্ট এমন বক্তব্যও কাজের কথা না। সমাজের খারাপদিকগুলো নিয়ে কথা হবে, সমান গুরুত্ব না পেলেও কিছুটা গুরুত্ব আমাদের সমাজের ভাল ব্যাপারগুলো পেতে পারে। অনেক কঠিন পথ পেরিয়ে নতুন এই সময় পর্যন্ত টিকে থাকা সকল ব্লগারদের একটা গুণ থাকা অবশ্যই প্রয়োজন। তারা যা লিখছে বা বলছে, তারা নিজেরা তা ন্যায় সংগত ও যোউক্তিক মনে করছে কিনা। তাদের অন্যতম বড় গুণ হওয়া উচিত অন্যের যুক্তি ও মতকে সম্মান দেখানো, নিজে ভুল হলে তা স্বীকার করে নেবার মানসিকতা।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

আমি অথবা অন্য কেউ
আমি অথবা অন্য কেউ এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 2 দিন ago
Joined: শুক্রবার, জুন 17, 2016 - 12:11অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর