নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

শিডিউল

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান
  • নিলয় নীল অভি

আপনি এখানে

কেন এই ইসলাম?


আমি আজ আপনাদের এমন এক ব্যক্তির সাথে পরিচয় করিয়ে দিব যিনি একবিংশ শতাব্দীর একটা নহত্র, যার তুলনা বর্তমানের বিখ্যাত ব্যক্তি কারো সাথে করা যায়না,অথচ আমরা বিল গেটস, জুকার বারগের নাম জানি তার নাম জানিনা। যিনি ৩০টি বছর সব কিছু ত্যাগ করে মানুষকে সত্য পথ দেখিয়েছে। আমরা কি কিছুক্ষণ সময় দিতে পারবো না।আসুন এই বিখ্যাত ব্যক্তি সম্পর্কে জানি ধৈর্যের সাথে পড়ি, শিয়ার ও করি ।
কিছুদিন পূর্বে যখন apple-এর প্রতিষ্ঠা স্টিভ জবস মারা(১৯৫৫-২০১১) গেলেন,মুসলিম অমুসলিম নির্বিশেষ এমন কেউ ছিল না যারা ছিল এই ব্যাপারে অজ্ঞাত। যাই হোক, এই সময়ে মুহম্মদ (স) এর উম্মাহ এর আরেকজন মৃত্যু বরণ করেছেন।একজন মানুষ যাকে আমরা যুক্তিসংগত ভাবেই একবিংশ শতাব্দীর কিংবদন্তী উপাধি দিতে পারি।তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন স্টিভ জবস এর কাছাকাছি সময়ে(২০১৩)।কিন্তু যখন তিনি মারা যান অল্প সংখ্যক লোকই তার খুজ করেন।আজ আমি এমন একজনের কথা বলছি,যাকে আমরা তার যথাযথ মর্যাদা দিতে পারিনি।আমার আশা ও শান্তনা এই যে, তিনি তার যথাযথ প্রতিদান আল্লাহ্ তায়ালার কাছ থেকেই পাবেন।আজকে আমি ডাঃ আব্দুর রহমান আস সুমাইত রহিমাহুল্লাহ এর সম্পর্কে কথা বলবো।একজন প্রোথিতযশা কুয়েতি মেডিসিন এবং সার্জারি বিশেষজ্ঞ।যিনি বাগদাদ ইউনিভারসিটি তে পড়াশোনা করেন অন্যান্য ছাত্রদের মত।এরপর তিনি লিভারপুল ইউনিভারসিটিতে(১৯৭৪) ডিপ্লোমা করেন।এর magil university থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করেন। বিশেষ করে পরিপাক তন্ত্রের ওপর। ডাঃ আব্দুর রহমান আমার,আপনার আর সকল ছাত্রদের মত কাজ করেছিল, সঞ্চয় করেছিল এবং বিয়ে করেছিল উম্মু সুহাইব নামক এক ভদ্র মহিলাকে।তিনি ছিলেন আবু সুহাইব তার স্ত্রী ছিল উম্মু সুহাইব।একদিন এই পবিত্র, ধার্মিক মহিলা তার স্বামীকে বলেন, আবু সুহাইব, আপনি আর আমি সাধারণ জীবন কাটাতে চাইনা। দশজন সাধারণ গ্র্যাজুয়েটদের মত হতে চাইনা।আমাদের আরো বড় উদ্দেশ্য নিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছিল আমাদের অন্য কিছু করতে হবে।তিনি(আব্দুর রহমান) বলেন, হ্যা আমার স্ত্রী তোমার কি ইচ্ছা? তিনি(উম্মে সুহাইব) বলেন, আমার বিশ্বাস আমাদের আল্লাহর পথে মানুষদের দাওয়াত দেওয়া উচিত। আপনার কি মনে হয়?তিনি(আব্দুর রহমান) বলেন, আমার ও তাই মনে হয়। আমাদেরকে মানুষদের আল্লাহর পথে ডাকা উচিত।তিনি(উম্মে সুহাইব) বলেন, চমৎকার, তাহলে আমরা কেন পূর্ব এশিয়া যাচ্ছি না?এবং আমরা আমাদের জীবনের বাকী সময় সেখানেই উৎসর্গ করি।আমি একজন শিক্ষিকা হিসেবে কাজ করতে পারবো। আল্লাহর পথে মানুষকে ডাকবো। তুমি ও ডাক্তার হিসেবে কাজ করে যাবে এবং ইসলামের দাওয়াত দিবে। আর অকৃত্তিমতা দেখেছিলেন, তাদের সেই সুযোগ ও এসে যাই কারণ, যেহেতু আমরা আশা করি আল্লাহতালা তাদের অন্তরে সত্যবাদিতা। আল্লাহতালা বলেন,যদি আল্লাহ তোমাদের অন্তরসমূহে কোনো কল্যাণ আছে বলে জানেন,তাহলে তোমাদের উত্তম কিছু দিবেন,,,(কুরান ৮:৭০)। একজন কুয়েতি প্রাক্তন আমীরের স্ত্রী আমির জাবির,সেই সময় আব্দুর রহমানের সাথে দেখা করেছিল।তিনি তাকে (আব্দুর রহমান) বলেন আমার কিছু অর্থ আছে। আপনি আফ্রিকা গিয়ে আমার নামে একটি মসজিদ বানাবেন, নিজ তদারকিতে।তাই তিনি অর্থ নিলেন এবং আফ্রিকা মসজিদ স্থাপনার মনোবাসনা নিয়ে যাত্রা শুরু করেন।তিনি আফ্রিকার মালিতে পৌঁছালেন এবং মসজিদের কাজ শুরু করেন। এর তিনি আফ্রিকার অলিগলিতে ঘুরতে শুরু করেন।তিনি এমন কিছু দেখলেন যা চিন্তা ও করতে পারেন নি। তিনি বিস্মিত ও হতভম্ব হয়ে গেলেন। এতদিন তিনি যা পাঠ্যবইয়ে পড়েছেন তা নিজের চোখে দেখতে পেলেন। তিনি কিছু মুসলিমদের দেখলেন যারা সূরা ফাতিহা জানে না!! যারা ইসলানের ৫টি ভিত্তি সম্পর্কে জানে না।সালাহ সম্পর্কে জানেনা সিয়াম,যাকাত, হাজ্জ তো দূরের কথা। ইসলাম সম্পর্কে একেবারেই অজ্ঞ। তিনি (আব্দুর রহমান) বলেন, আমি কিছু মসজিদের ইমামদের দেখেছিলাম যারা মসজিদের ভিতরে জিনায় লিপ্ত হত। কারণ তারা জানে না এটা হারাম। আর অমুসলিমদের ক্ষেত্রে অবস্থা ছিল আরো খারাপ।তিনি দেখতে পেলেন মূরতি পূজা সরবোচ্চ শিখরে। চরম পর্যায়ের পুত্তলিকতার। মানুষ, তারা চাঁদ, গাছ এমনকি একে অপরকে পূজা করছে।তাদের মধ্যে থেকে আল্লাহর ধারণা একেবারে চলে গিয়েছিল।আফ্রিকায় খ্রিস্টান মিশনারি গুলির প্রভাব তিনি লক্ষ করেছিল। তিনি এমন ও দেখেছেন যে, পুরো এলাকাবাসী শুধু মাত্র খাবার পানি, খাদ্যের জন্য ইসলাম ছেড়ে খ্রিস্টবাদ গ্রহন করেছে। তিনি এসব দেখেছিলেন তানজানিয়া মালাবি,মাদাগাস্কার, দক্ষিণ সুদান ও নাইজেরিয়া। তিনি কুয়েতে ফিরে এলেন।এবং উম্মে সুহাইবকে সব খুলে বলেন। এতোদিন আমি যা দেখেছি শুনো।এবং তিনি সব বলতে থাকেন যা ছিল তার ব্যথাতুর হৃদয়ের রক্তক্ষরণ। তিনি (আব্দুর রহমান) তাকে(স্ত্রীকে) বলেন, আমাদের অবশ্য কিছু করতে হবে।তিনি(উম্মে সুহাইব) বলেন, আমরা এখন কি করতে পারি? এই দিনটির পর আফ্রিকায় আল্লাহর পথে উৎসর্গ করে দিলেন সম্পদ, সব কিছু।এবং তিনি তখন থেকেই তার মিশন শুরু করেন।শাইখ, ডঃমুসা আল শরীফের সাক্ষাতকারে ডঃআব্দুর রহমান বলেন, কিছু গ্রাম ছিল যেখানে দীনের দাওয়াত পৌছে দেওয়া জরুরী ছিল। কিন্তু আমাদের ও সেই গ্রামের মাঝখানে বড় জলাশয় ছিল। তিনি বলেন বদ্ধ ডোবা যেখানে পচা আবর্জনার কারণে পানি কাল হয়ে গিয়েছিল।একটি জলাশয় যেখানে ছিল জীবাণু ও সরীসৃপে ভরপুর। আমাদের তা পায়ে হেটে পাড় হওয়া ছাড়া কোনো উপায় ছিল না। হেটেই পারি দিয়েছিলাম পানি গলা পর্যন্ত হয়েছিল। সাক্ষাতকার গ্রহণকারী জিজ্ঞেস করেছিল, আপনারা জলাশয় পাড় হওয়ার জন্য কতক্ষণ হেটেছিলেন?তিনি উত্তর দিলেন চার ঘন্টা।তিনি একজন তিনি ময়লা পানিতে নামার ক্ষতিকর দিক সম্পকে সব জানেন। ডক্টর আব্দুর রহমান আরো বলেন, আমাদের আফ্রিকার কাচাপথে২০০ থেকে ৩০০ কি মি হেটে যেতে হত শুধু মাত্র ইসলামের দাওয়াতের জন্য।তিনি আরো বলেন, তিন অতিবাহিত হয়েছে তবুও আমরা খাবার পানি পাইনি। এবং তিনি বলেন আমার এখনো মনে আছে এক সময় আমি একটা পুকুরের কাছে পৌঁছাই যেখানে মল মূত্র,আবর্জনা ভরা ছিল। এবং আমি হাত দিতে আবর্জনা সরাতে চেষ্টা করেছিলাম একটু পরিষ্কার পানির আশায় যাতে গলা ভেজানো যায়।তিনি কিনিয়ায়, কুযাম্বিক ও মালাবিতে তিন বার বিষাক্ত কোবরা সাপের মুখামুখি হয়েছিল।প্রতিবারি আল্লাহ তায়ালা তাকে অলৌকিক ভাবে বাঁচিয়েছে।তিনি দুই বার জেল বন্দি হয়েছেন এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। আফ্রিকায় তিনি বিভিন্ন রোগের আক্রান্ত হওয়ার কথা বলেন।তাকে একবার কোনো এক গ্রামে যেতে হয়েছিল।তিনি লরি তে করে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন লরিটি আফ্রিকার কাচারাস্তায় এমন ভাবে জাকুনি খাচ্ছিলেন যে লরির এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে গিয়ে পড়েছিলেন, গ্রামের পৌছার আগ পর্যন্ত।
কিন্তু কেন?
কারণ তিনি তার আত্মা আল্লাহতালার উদ্দেশ্যে বিক্রি করে দিয়েছেন।এবং তিনি ইসলামের কাছে নিজেকে সস্তা ভাবতে পারেন নি।
এই জন্য আল্লাহ প্রকৃত মানুষ সম্পর্কে বলেন,"আর মানুষের মধ্যে এমন লোকও আছে যে আল্লাহুর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্য নিজেকে বিকিয়ে দেয়" (কুরান ২:২০৭)। ডঃ আব্দুর রহমান বলেন, আমরা একবার প্রবল খড়া আক্রান্ত এক গ্রামে পৌছালাম। গ্রামের সরদার আমাদের গ্রামে প্রবেশ করতে বাধা দিলেন। আমরা অনুরোধ করলাম। সরদার বললেন, না তোমরা গ্রামে আসবে না, যদি না তোমাদের প্রভুকে বৃষ্টি দিতে সুপারিশ না কর। তিনি তাকে বলেন দয়া করে আমাকে এমন করতে বলবেন না। এটা(বৃষ্টিপাত) আমার বা তোমার কারো হাতে নেই। তারপর নেতা বলে, তাহলে তোমরা চলে যাও। তিনি(আব্দুর রহমান) বলেন আমাদের এক বার সুযোগ দিন।তারপর নেতা বললো, তাহলে তোমার প্রভুকে বৃষ্টিপাত ঘটাতে বল। তিনি বলেন, এতে আমার ক্ষমতা নেই। তারপর নেতা জুড়াজুড়ি শুরু করেন। ডক্তর আব্দুর রহমান সে আমাকে একটা বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দিয়েছিল, এতে আমি কতটুকু কষ্ট পেয়েছিলাম তা একমাত্র আল্লাহ তায়ালাই জানেন। আমরা সঙ্গি সাথীরা একজন আরেকজনের দিকে তাকাচ্ছিলাম এবং ভাবছিলাম কি করা যায়।আমার এ ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না।তিনি(আব্দুর রহমান) বলেন, আমি আমার দুই হাত উপরে তুললাম। এবং আমি প্রার্থনা শুরু করলাম, তাকে (আল্লাহ) ডাকতে শুরু করলাম।এবং তিনি (ডঃ আব্দুর রহমান) বললেন, আমি ক্রমাগত কাঁদতে লাগলাম,কাঁদতে লাগলাম,কাঁদতে লাগলাম। আর দুয়া করলাম, ইয়া রব, হে প্রভু।"আমার গুনাহ আর অক্ষমতাসমূহকে আপনি আপনার প্রতি ইমান আনার পথে বাধা হতে দিবেন না"।তিনি বলেন, যখন আমি কাঁদছিলাম, আকাশের দিকে তাকালাম। আকাশে মেঘ জমতে শুরু করেছে এবং চারদিক অন্ধকার হয়ে আসছে।ঝড় এবং বজ্রপাত সহ ভারি বৃষ্টিপাত হতে শুরু করলো, আল্লাহু আঁকবার। এমন ভাবে বৃষ্টিপাত হয়েছিল যা আফ্রিকার এই অঞ্চলে কখনো এই ভাবে বৃষ্টিপাত হয়নি। গ্রামের নেতা ইসলাম গ্রহণ করার সাথে সাথে বাকী সবাই ও ইসলাম গ্রহণ করলো। ডাঃ আব্দুর রহমান আস সুমাইত এর একজন নাতনি ছিল। যে কুয়েতে পড়াশোনায় অসাধারণ রেজাল্ট করেন।তাই তিনি (আব্দুর রহমান) তাকে(নাতনি) পুরষ্কৃত করলেন। কোনো সিনেমার টিকেট নই, কোনো পুতুল নই, সরাসরি দিলেন আফ্রিকার টিকেট। এসো আফ্রিকা আল্লার রাস্তার দাওয়ার দাও এটি তোমার বড় পুরষ্কার। ১৩ বছরের মেয়ে আফ্রিকায় চলে আসলো এবং স্বজনদের সাথে দেখা করল।এবং সেখানে সে কয়েক সাপ্তাহ অবস্থান করেছিল। এবং আলহামদুলিল্লাহ, ২৭ জন লোক তার মাধ্যমে শাহাদাহ নিয়ে ছিল। তিনি( আব্দুর রহমান) এমন একজন ছিলেন যিনি তার পরবর্তী প্রজন্মকেও ইমানের শিক্ষাদান করে গিয়েছিল। ডঃ আব্দুর রহমান বলেন, আমি এই সময়ের কথা কখনো ভুলব না। যখন আমি আর আমার স্ত্রী, মাদাগাস্কারের ছোট জীর্ণ কুটীরে বসে ছিলাম। মধ্যরাতে আমরা উঠানে বসে ছিলাম। আমি তার মুখের দিকে তাকালাম এবং তার বেদনা ও ক্লান্তির ছাপ দেখতে পেলাম। তাকে জিজ্ঞেস করলাম, উম্মে সুহাইব তোমাকে ক্লান্ত দেখাচ্ছে, তুমি কি আশা ছেড়ে দিয়েছো? তিনি বললেন আবু সুহাইব আমি এই মুহূর্তে যা ভাবছি তা কি তোমায় বলবো? তিনি বলেন, যদি মহান আল্লাহতালা আমাদের জান্নাতে প্রবেশ করান, আমরা কি এতোটা সুখী হবো যতটা সুখী আজ রয়েছি?কথায় আছে প্রতিটি মহান পুরুষের পেছনে(অনুপ্রেরণায়) একজন নারী থাকে এবং এর চাইতে ভালো উদাহরণ হতে পারে না। ডাঃ আব্দুর রহমান ৩০ বছর ব্যয় করেছে আফ্রিকা মহাদেশে। সকল কিছুই বিলিয়ে দিয়েছিলেন এই দ্বীনের খাতিরে। তার কিছু অর্জন তাক লাগিয়ে দেওয়ার মত।আমি আপনে বলছি আল্লাহর শপথ করে যে, বিলিয়ন ডলার যার থাকে সে ও এই রকম অর্জন করতে পারে না ডঃ আব্দুর রহমান আস সুবাইত( আবু সুহাইব) যা পেড়েছিল আল্লাহর ইচ্ছায়। ৩০ বছর শেষে তিনি নির্মান করেছিলেন ৫,৫০০ মসজিদ। এবং তিনি ৫০,০০০ এর বেশী এতিমকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছিলেন। যাদের অনেকেই বড় হয়ে ডাক্তার, আইনজীবী,আল্লাহু আঁকবার। ডঃ আব্দুর রহমান এর এই ৩০ বছরে বিতরণ করেছেন প্রায় ৭ মিলিয়ন কুরানের কপি ( তার সঙ্গিরা এমনটাই বলেছেন)। তিনি আরো প্রতিষ্ঠা করেছেন ৮৪০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। নার্সারি থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত । এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলি ছিল অধ মিলিয়ন আফ্রিকান শিক্ষার্থীর আবাস্থল সরূপ। ডঃ আব্দুর রহমান ১২০০০ মত পানির কুপ খনন করেন নিজ তত্ত্বাবধানে।এবং ৯০ টির মত হাসপাতাল ও ফার্মেসী প্রতিষ্ঠা করেন। তার মাধ্যমে যারা ইসলামে প্রবেশ করেন। শুধু মাত্র আল্লাহ তায়ালা ই ভাল জানেন তার সংখ্যা কত!! যাই হোক তার সঙ্গি সাথীরা যা বলেছেন ১১ মিলিয়ন লোক তার মাধ্যে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেন।আর তার অর্জন এমনি এমনি আসেনি। এই অর্জন এসেছে তার অজস্র অশ্রুর মাধ্যামে। এসেছে অসংখ্যা বিনিদ্র রজনী যাপনের মাধ্যমে।এসেছে তার স্বপ্ন গুলি উৎসর্গের মাধ্যমে যা ছিল পার্থিব স্বপ্ন। এসেছে তার স্বাস্থ্যের মাধ্যমে। প্রতি রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে তাকে ২০টি টেবলেট সেবন করতে হত। বিবিধ রোগের কারণে তার স্বাস্থ্যের অবনতি হতে থাকে।এবং তার মৃত্যুর নিকটবর্তী সময়গুলিতে তিনি দেশের পর দেশে ভ্রমণ করতে থাকে একজন চিকিৎসা সহকারীর খোঁজে, কারণ তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছিল। তার নিজের প্রতি মনোযোগ দেওয়ার সময় হয়ে এসেছিল। যা তিনি ভুলে গিয়েছিলেন। তিনি আফ্রিকা থেকে কুয়েতে আসলেন তারপর জার্মানিতে গেলেন। অবশেষে এই মহান ব্যক্তি ২০১৩ সালের অগাস্টে ঘোষণা করা হল ডঃ আব্দুর রহমান আস সুবাইত( আবু সুহাইব) পরলোক গমন করেন। আমরা আমাদের এই অভিভাবকের জন্য দোয়া করি তাকে যেন মহান আল্লাহতালা নবী রাসূলগনদের সহিত সাক্ষাৎ করিয়ে দেন, আমিন...

এই ব্যক্তির সম্মান,টাকা,পয়সা,ডিগ্রী কি কম ছিল? তবুও কেন তার জীবন এই পথে বিলিয়ে দিলেন? আপনারা জানি তাকে মূর্খও বলতে পারবেন না। আপনাদের কাছে এই প্রশ্নের কোনো উত্তর নেই

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মুহম্মদ কবীর সরকার
মুহম্মদ কবীর সরকার এর ছবি
Offline
Last seen: 4 দিন 2 ঘন্টা ago
Joined: বৃহস্পতিবার, মে 18, 2017 - 11:50পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর