নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

শিডিউল

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান
  • নিলয় নীল অভি

আপনি এখানে

৫৭ ধারা বাতিল কর


মানুষ সামাজিক জীব।
সমাজের রীতিনীতি ও নিয়মের প্রতি তাকে অনুগত থাকতে হয়। এই অনুগত্যই সুশৃঙ্খল জীবন নিশ্চিত করে। সামাজ মানুষেরই সৃষ্ট রাজনৈতিক সংগঠন হচ্ছে রাষ্ট্র।
রাষ্ট্রীয় জীবনে উন্নতি ও সুশৃঙ্খল নিশ্চিত করার জন্য নিয়ম-কানুন, বিধি-বিধান প্রণীত হয়। সৃষ্ট হয় আইন। আইন বলতে নিয়ম-কানুন, বিধি বিধানকে বুঝায়। সাধারন ভাবে সমাজে যে বিধি-বিধান মানুষ মেনে চলে তা হল সামাজিক আইন। আর সমাজের মানুষের আচার-আচরনকে নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার যে সকল বিধি বিধান চালু করে সেগুলোকে বলে রাষ্ট্রীয় আইন। আইন মানুষের বাহ্যিক আচরন নিয়ন্ত্রণ করে। প্রতিটি আইন রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত ও স্বীকৃত।
আইন সর্বজনীন।
আইন সকলের ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য।
আইন মেনে চলতে হয়। আইন ভঙ্গকারীকে শাস্তি পেতে হয়। কিন্তু রাষ্ট্রকর্তৃক সব আইন যে জন সাধারনের জন্য যে মঙ্গল হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিছু কিছু আইন সাধারন জনগনের চলার অধিকার, মত প্রকাশের অধিকার, সুন্দর ভাবে বাঁচার অধিকার কেড়ে নেয়। এরকম একটা আইন যা ভয়ংকর রুপ ধারন করেছে।
এটাকে কালো আইন ৫৭ ধারা বলা যায়।
এই আইন সার্বিক ভাবে একটি বাজে আইন।

এই আইসিটি আইনে বলা আছে:-
২০০৬ (সংশোধনী)২০১৫ প্রানীত।
ওয়েব সাইট বা অন্য কোন ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার কোন কার্যকালাপের উপর কঠোর নিয়ন্ত্রন আরোপ করেছে।
৫৭/১)কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃত ভাবে ওয়েব সাইট বা অন্য ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ করলে বা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অথবা বিবেচনা করে কেউ পড়লে দেখলে শুনলে নীতিভষ্ট্র বা অসৎ অথবা কারো দ্বারা মানহানী হতে পারে বা কারো ধর্মাভূতিতে আঘাত দিতে পারে।
রাষ্ট্রীয় বিরোধীতা করে ......
তাহলে সেই ব্যক্তির এই কার্যটা একটি অপরাধ।
//
কিন্তু এটি যে একটা চরম হাস্যকর আইন আর জঘন্য ভয়ংকর আইন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এই আইনের মাধ্যমে যে কাউকে ফাঁসানো যাবে ইচ্ছা মত। এই ধরুন এই ঈদে যে সব মুসলিম কুরবানি করার পর কোন জবাই কৃত গরুর ছবি দেয় এটা দেখে হিন্দুধর্মের মানুষদের ধর্মানুভূতিতে আঘাত লাগবে কারন গরু হিন্দুদের গো-মাতা। আর কোন হিন্দু এটা সহ্য করবে না তার দেবতাকে এভাবে জবাই কৃত ছবি দেখে।
তেমনি ভাবে কোন হিন্দু যদি মুর্তিপুজা করার পর সেটার প্রচার করে তাহলে মুসলিম দের ধর্মানুভূতিতে আঘাত লাগবে। কারন মূর্তিপুজা ইসলামে হারাম।আবার কোন খ্রীষ্টান যদি কোন শুকুরের ছবি দেয় এটাতেও মুসলিমদের ধর্মানুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে। কারন শুকুর ইসলামের দৃষ্টিতে জঘন্য প্রানী। সব মিলিয়ে বলতে গেলে একজন ব্যাক্তি যা কিছু বলবে লিখবে এটা পড়ে অন্য ব্যাক্তির মানহানি হতেই পারে। ধর্ষনের বিরুদ্ধে লিখলে, শিশুকামীদের বিরুদ্ধে লিখলে, যুদ্ধকামীদের বিরুদ্ধে লিখলে এদেরও অনুভুতি তথা মানহানি হবে।
ঘুষখোর অন্যায় কারী, যুদ্ধপরাধীদের বিরুদ্ধে লিখলে এদেরও অনুভুতিতেও আঘাত লাগবে মানহানি ঘটবে।
কোথায় যাবেন?

কেউ যদি একটা প্রেম নিয়ে লেখে ফুলের ছবি দেয় তাতেও অনুভুতি আঘাত হবে।
কারন কেউ ফুল, প্রেম পছন্দ করতে নাও পারে।
আমরা আইন পড়ে জানতে পারি আইন সবার জন্য সমান।
কিন্তু তা কি হচ্ছে?
রাষ্ট্র কি সবার জন্য সমান ভাবে আইন প্রয়োগ করছে?
এই কালো আইন যে কতটা ভয়ংকর এটা মোহন কুমার মন্ডলকে,আসাদ নুর,এবং অসংখ্য নাম কাজা অনেকেই গ্রেপ্তার করেই বুঝা গেল।
আমরা নাকি স্বাধীনতা পেয়েছি! এটা কিসের স্বাধীনতা যেখানে আমরা আমাদের মত প্রকাশ করলেই ৫৭ ধারাই গ্রেপ্তার হচ্ছি। আইন যখন দুর্বীসহ হয়ে যায় তখন আইন পরিবর্তন অথবা বাদ দেয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
এই বিষয়ে ফেসবুকে একটা ইভেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।
লিকং https://www.facebook.com/events/381440398976673/?ti=cl

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

শহিদুজ্জামান সরকার
শহিদুজ্জামান সরকার এর ছবি
Offline
Last seen: 6 দিন 12 ঘন্টা ago
Joined: রবিবার, মার্চ 1, 2015 - 1:49অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর