নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মিশু মিলন
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

ভিন গ্রহের প্রানী “ওন্ডজ্বীনা” (wandjina)



অস্ট্রেলিয়ার উওর পশ্চিমাঞ্চলের একেবারে উত্তরে অবস্থিত ৪২৩,৫১৭ বর্গকিমিঃ আয়তনের একটি অঞ্চল হচ্ছে ‘কিমবার্লি’ যা আমাদের বাংলাদেশের দ্বিগুন আয়তনের বলা চলে। এই অঞ্চলটির বিভিন্ন স্থান অনেক আগে থেকেই অনেকের কাছেই একটি রহস্যজনক স্থান হয়ে ছিলো নানা কারণে। সেই সাথে অস্ট্রেলিয়ার কিমবার্লি নামক অঞ্চলটির অনেক স্থানই মানুষের কাছে এখনও রহস্যজনক হয়ে আছে কিছু প্রাকৃতিক কারনেই। এখানে কিছু পাহাড় আছে যার সাথে পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলের পাহাড়ের কোন মিল পাওয়া যায়না। এটার অন্য কোন কারণ নেই বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে এটা প্রাকৃতিক ভাবেই এরকম আলাদা হয়ে আছে অন্যান্য অঞ্চল থেকে। তবে এই সমস্ত পাহাড় গুলির পাথরের মূল উপাদন সবই এক। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এসব পাহাড়ের নাটকীয় প্রকৃতি বিজ্ঞানীদের চিন্তার কারণ হয়ে যায়। আধা শুকনো এসব পাহাড়ের মধ্যে অস্বাভাবিক কিছু গুহা দেখে মনে হবে এগুলো প্রকৃতিক ভাবে সম্ভব নয়।

কিমবার্লি মূলত মরু অঞ্চল বলেই পরিচিত যেখানে মানুষের বসবাস করা খুব কঠিন বলে মনে হয়। এতো বড় একটা স্টেটের লোকসংখ্যার কথা শুনলেও অনেকেই অবাক হবে মাত্র ৫০ হাজারের মতো ২০১১ সালের হিসাবে। এতেই বোঝা যায় অস্ট্রেলিয়ার উওরাঞ্চলের উওরে অবস্থিত এই অঞ্চলটি আসলে মানুষের বসবাসের জন্য নয়। এখানে বেশিরভাগই হচ্ছে বিচ্ছিন্ন কিছু উপকূলভুমি দারা আলাদা আলাদা করা যার সুনির্দিষ্ট কোন বসবাসযোগ্য স্থান নেই বলা চলে। এই বিস্তৃত অঞ্চলের অনেক যায়গায় আছে যা আজো মানুষের পদচারনার বাইরে বলা যায়। এই অঞ্চলে একটি বিশাল এলাকাকে “জর্জ পার্ক” বলা হয়ে থাকে যার আয়োতন প্রায় ৬৬০ বর্গকিমিঃ এর মতো। এই যায়গাটিতে মানুষের বসবাস আছে এবং অনেক গবেষকরা এখানেই গবেষনা করে থাকে। জর্জ ন্যাশনাল পার্ক বলে পরিচিত যায়গাটিতে প্রচুর পরিমানে চুনা পাথর, ও ক্লিফ পাওয়া যায়।

এই এলাকাতে “এভরিগ্যানিয়ল” নামের একটি জাতি বা গোষ্ঠী আজ থেকে প্রায় ৪০০০ বছর আগে সেখানে বসবাস করতো যাদের একটি ধর্ম ছিলো যার নামও ছিলো “এভরিগ্যানিয়ল”। এই “এভরিগ্যানিয়ল” ধর্মের যে মূল গ্রন্থ ছিলো সেই গ্রন্থে একটি অপ্রচলিত চরিত্রের কথা পাওয়া যায় যা ইসলাম ধর্মের “জ্বীন জাতি” বা এরকম কিছু মনুষ্য সৃষ্ট কল্পিত চরিত্রের মতো একটি চরিত্র বলেই বিজ্ঞানীরা আগে ধারণা করেছিলো। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান এই চরিত্রটি নিয়ে নানান গবেষনা করে ধারনা করেছে এই চরিত্রের ধারনা আসলে “এভরিগ্যানিয়ল” জাতি পেয়েছিলো ভীন গ্রহের মানুষের কাছ থেকে যাকে আমরা “এলিয়েন” বলে থাকি। এই এলিয়েনদেরকে এই “এভরিগ্যানিয়ল” জাতিরা “ওন্ডজ্বীনা” নামেই চিনতো। বিভিন্ন আর্কিওলজিস্ট এই এলাকাতে তাদের গবেষনা করতে গিয়ে বিভিন্ন পাহাড়ের গুহাতে প্রায় কয়েক হাজার প্রমাণ পেয়েছে যা এই “ওন্ডজ্বীনা” বা ভীন গ্রহের প্রানী এলিয়েনের অস্ত্বিতের বলে তারা দাবী করে থাকে।

“ওন্ডজ্বীনা” যে ভিন গ্রহের কোন প্রানী ছিলো এবং তারা দেখতে কেমন ছিলো তার অনেক নমূনা গবেষকেরা এই সমস্ত পাহাড়ের গুহা থেকে পেয়েছে যার সবই ৪০০০ থেকে ৩৮০০ বছর আগে “এভরিগ্যানিয়ল” জাতি এসব গুহার ভেতরে একেছিলো যা কার্বন ডেটিং এর মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছে। পাহাড়ের গুহায় তাদের আঁকা ছবিতে যে চরিত্রটির দেখা পাওয়া যায় তা বর্তমান সময়ের অনেক বিজ্ঞানীদের ধারনা করা বা কল্পিত এলিয়েনের সাথে মিলে যায়। বিজ্ঞানীদের ধারনা “ওন্ডজ্বীনা” সেই সময়ে “এভরিগ্যানিয়ল” জাতিদেরকে বিভিন্ন সময়ে দেখা দিত এবং তাদের কাছাকাছিই থাকতো যার কারনে “এভরিগ্যানিয়ল”রা এই “ওন্ডজ্বীনা”দের খুব স্বচ্ছ গঠনের (শারীরিক গঠন) ছবি আঁকতে পে্রেছিলো। অনেকেই ধারনা করে থাকেন এই “ওন্ডজ্বীনা”দের “এভরিগ্যানিয়ল” জাতিরা দেবতা মনে করতো এবং পূজা করতো তাই এরা এদের ছবি গুহার দেওয়ালে একেছিলো। এতো কিছু থাকতে এই “এভরিগ্যানিয়ল” জাতি কেন এই ধরনের একটি কাল্পনিক চরিত্রের ছবি আঁকতে যাবে সেই প্রশ্নের জবাব খুজতে গিয়ে আজকের বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছে এগুলা কোন কাল্পনিক চরিত্র ছিলোনা এগুলা ছিলো ভীন গ্রহের প্রানী বা এলিয়েন যার অনেক অস্তিত্ব পৃথিবীর মানুষ এর আগেও পেয়েছে।

এলিয়েন বা ভিন গ্রহের প্রানী নিয়ে অতীতে ১৯৬৮ সালে সুইডিশ একজন বিখ্যাত লেখক “এরিক ভন দানিকেন” একটি বই লিখেছিলো যার নাম ছিলো “Chariots of the Gods” যে বইতে দানিকেন দাবী করেছিলো প্রাচীন মিশরের সভ্যতায় এলিয়েন বা ভীন গ্রহের প্রানীর সন্ধান পাওয়া যায়। এমনকি সেই সময়ে মানুষের মধ্যে পিরামিড আর মানব দেহ মমি করে রাখার মতো আরো অনেক ধারনায় তারা পেয়েছিলো এই সমস্ত এলিয়েনদের কাছ থেকে। কিন্তু দানিকেন এই বই লেখার পরে অনেক সমালোচনার শিকার হয় এবং একটা সময় তার দাবী অযৌক্তিক আর অবৈজ্ঞানিক বলে অনেকেই ভুল দাবী করে প্রমান দিতে থাকে। তবে এপর্যন্ত কেউ দাবী করতে পারেনি যে এলিয়েন বা ভীন গ্রহে কোন প্রানীর অস্তিত্ব নেই বা মানুষের মতো বা কিছুটা আলাদা বা এই “ওন্ডজ্বীনা”দের মত কোন প্রানী আমাদের সৌরজগৎ বা সৌরজৎ এর বাইরে আরো বিলিয়ন বিলিয়ন সৌরজগৎতের মধ্যে কোন একটি গ্রহতে এরা নেই সেই দাবী।

---------- মৃত কালপুরুষ
৩০/১২/২০১৭

Comments

কিন্তু এর ছবি
 

বাহ পড়ে ভালো লেগেছে

মানবতাই ধর্ম

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মৃত কালপুরুষ
মৃত কালপুরুষ এর ছবি
Offline
Last seen: 3 weeks 2 দিন ago
Joined: শুক্রবার, আগস্ট 18, 2017 - 4:38অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর