নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • গোলাম রব্বানী
  • বিকাশ দাস বাপ্পী
  • অনন্য আজাদ
  • নুর নবী দুলাল
  • আব্দুল্লাহ্ আল আসিফ
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • মিশু মিলন
  • সত্যর সাথে সর্বদা

নতুন যাত্রী

  • ফারজানা কাজী
  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান

আপনি এখানে

কুরআন অনলি: (১৩) আত্ম-সনদ ও আত্মপ্রশংসা আর অজুহাত!


স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) যে তার 'আল্লাহর নামে' নিজে নিজেরই বাণী প্রচার করে চলেছেন, এ বিষয়ে অবিশ্বাসীরা ছিলেন নিঃসন্দেহ!কী কারণে তাঁরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিলেন; তাঁদের যুক্তি ও চ্যালেঞ্জর মোকাবিলায় মুহাম্মদ তাঁদের কী জবাব দিয়েছিলেন; কী কারণে 'আইয়্যামে জাহিলিয়াত' তত্বটি ইসলামের ইতিহাসের হাজারও মিথ্যাচারের একটি; ইত্যাদি বিষয়ের আলোচনা গত পর্বে করা হয়েছে।মুহাম্মদের জবানবন্দি কুরআনের আলোকে আমরা আরও জানতে পারি, অবিশ্বাসীদের যুক্তি ও চ্যালেঞ্জের মোকাবেলায় মুহাম্মদ তার 'আল্লাহর' নামে নিজেই নিজের সাফাই গেয়েছিলেন! যেমন, "তিনি পাগল নন, তার বাণী শয়তানের উক্তি নয়, তিনি অতীন্দ্রিয়বাদী নন," ইত্যাদি। মুহাম্মদের ভাষায়: [1] [2]

৮১:২২-২৫ (সূরা আত-তাকভীর) - "তোমাদের সাথী পাগল নন। তিনি সেই ফেরেশতাকে প্রকাশ্য দিগন্তে দেখেছেন। তিনি অদৃশ্য বিষয় বলতে কৃপণতা করেন না। এটা বিতাড়িত শয়তানের উক্তি নয়।"

৫২:২৯-৩০ (সূরা আত্ব তূর) - "অতএব, আপনি উপদেশ দান করুন। আপনার পালনকর্তার কৃপায় আপনি অতীন্দ্রিয়বাদী নন এবং উম্মাদও নন। তারা কি বলতে চায়: সে একজন কবি আমরা তার মৃত্যু-দুর্ঘটনার প্রতীক্ষা করছি।"

৬৮:২-৩ (সূরা আল কলম) - "আপনার পালনকর্তার অনুগ্রহে আপনি উম্মাদ নন। আপনার জন্যে অবশ্যই রয়েছে অশেষ পুরস্কার।"

অতঃপর মুহাম্মদ তার আল্লাহর নামে করেছেন নিজেই নিজের ভূয়সী প্রশংসা! যেমন, “তিনি অবশ্যই মহান চরিত্রের অধিকারী, বিশ্ববাসীর রহমত, সমগ্র মানবজাতির জন্য সুসংবাদ দাতা, উজ্জ্বল প্রদীপ;" ইত্যাদি, ইত্যাদি। মুহাম্মদের ভাষায়:

৬৮:৪ - "আপনি অবশ্যই মহান চরিত্রের অধিকারী।"

২১:১০৭ (সূরা আম্বিয়া) - "আমি আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্যে রহমত স্বরূপই প্রেরণ করেছি।"

৩৩:৪৫-৪৬ (সূরা আল-আহযাব) - "হে নবী! আমি আপনাকে সাক্ষী, সুসংবাদ দাতা ও সতর্ককারীরূপে প্রেরণ করেছি। এবং আল্লাহর আদেশক্রমে তাঁর দিকে আহবায়করূপে এবং উজ্জ্বল প্রদীপরূপে।"

৩৪:২৮ (সূরা সাবা) - "আমি আপনাকে সমগ্র মানবজাতির জন্যে সুসংবাদাতা ও সতর্ককারী রূপে পাঠিয়েছি; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না।"

৮১:১৯-২১ (সূরা আত-তাকভীর)– “নিশ্চয় কোরআন সম্মানিত রসূলের আনীত বাণী, যিনি শক্তিশালী, আরশের মালিকের নিকট মর্যাদাশালী, সবার মান্যবর, সেখানকার বিশ্বাসভাজন।”

সর্বোপরি মুহাম্মদের 'সেই বিখ্যাত' দাবী:

৩৩:৫৬ - "আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন।"

>> আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান ও চিকিৎসা শাস্ত্রের উন্নতির এই স্বর্ণযুগের আধুনিক চিকিৎসকরা মুহাম্মদের মত এহেন Special দাবীদারদের "উন্মাদ" আখ্যায়িত করে, পরিপার্শ্বের মানুষদের নিরাপত্তার খাতিরে এই সমস্ত রোগীদের জরুরী ভিত্তিতে মানসিক হাসপাতালের তালাবন্ধ কক্ষে ভর্তি করেন।

অত:পর, যথারীতি মুহাম্মদের হুমকি ও প্রলোভন:

৮৪:২০-২৫ (সূরা আল-ইনশিক্বাক্ব) - “অতএব, তাদের কি হল যে, তারা ঈমান আনে না? যখন তাদের কাছে কোরআন পাঠ করা হয়, তখন সেজদা করে না। বরং কাফেররা এর প্রতি মিথ্যারোপ করে। তারা যা সংরক্ষণ করে, আল্লাহ তা জানেন। অতএব, তাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দিন। কিন্তু যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্য রয়েছে অফুরন্ত পুরস্কার।"

বলা বাহুল্য, ওপরে বর্ণিত মুহাম্মদের অজুহাতগুলো একেবারেই কু-যুক্তি, সদুত্তর নয়! কোনও ব্যক্তির নিজে নিজের সার্টিফিকেট প্রদান ও আত্ম-প্রশংসা কোনোক্রমেই সেই ব্যক্তির সত্যবাদিতার প্রমাণ হতে পারে না। অবিশ্বাসীরা মুহাম্মদের এহেন জবাবে স্বাভাবিকভাবেই কোনও বিশ্বাসযোগ্যতা খুঁজে পাননি। তাঁরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন যে, মুহাম্মদ নিজে বা অন্যের সাহায্যে বানিয়ে বানিয়ে 'আল্লাহর নামে' তার নিজেরই বাণী প্রচার করে চলেছেন।

প্রবক্তা মুহাম্মদ তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আর যে অজুহাতগুলো দিয়েছেন তা হলো:

১৬:১০১ (সূরা নাহল) – “এবং যখন আমি এক আয়াতের স্থলে অন্য আয়াত উপস্থিত করি এবং আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেন তিনিই সে সম্পর্কে ভাল জানেন; তখন তারা বলেঃ আপনি তো মনগড়া উক্তি করেন; বরং তাদের অধিকাংশ লোকই জানে না।"

২:১০৬ (সূরা আল বাক্বারাহ) – “আমি কোন আয়াত রহিত করলে অথবা বিস্মৃত করিয়ে দিলে তদপেক্ষা উত্তম অথবা তার সমপর্যায়ের আয়াত আনয়ন করি।"

>> এ দু'টি আয়াতের বর্ণনায় যে বিষয়টি সুস্পষ্ট তা হলো, মুহাম্মদ অনেক সময়ই পরস্পরবিরোধী বাণী প্রচার করতেন। যে কোন মুক্ত-চিন্তার বুদ্ধিদীপ্ত মানুষের মত অবিশ্বাসীরাও জানতেন যে সৃষ্টি-কর্তার বানী কখনোই পরস্পরবিরোধী হতে পারে না। সে কারণে অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবেই তাঁরা মুহাম্মদকে বলতেন, "আপনি তো মনগড়া উক্তি করেন।” অবিশ্বাসীরা যখন মুহাম্মদের পূর্বের প্রচারিত বানী (মক্কায় অবতীর্ণ) ও পরের প্রচারিত বাণীগুলোর (মদিনায় অবতীর্ণ) মধ্যে অসামঞ্জস্য ও বৈপরীত্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন, তীক্ষ্ণ-বুদ্ধির মুহাম্মদ তখন এই অজুহাতগুলো হাজির করেছিলেন। ইসলাম নামক মতবাদে ‘আল-নাসিক ওয়া আল-মানসুক (Al-Nasikh wa al-Mansukh)’ নামের যে নিয়মটি অন্তর্ভুক্ত আছে তার ভিত্তি হলো এই,

“আমি কোন আয়াত রহিত করলে অথবা বিস্মৃত করিয়ে দিলে তদপেক্ষা উত্তম অথবা তার সমপর্যায়ের আয়াত আনয়ন করি।”

মুহাম্মদ এখানে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে "এক আয়াতের পরিবর্তে অন্য আয়াত” উপস্থিত করার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। পূর্ববর্তী নবীদের গ্রন্থের বিধানের সাথে তার কুরআনের বিধানের পার্থক্য বোঝাতে এই বাক্য দু'টির অবতারণা করা হয়েছে, এমন আভাস এ দু'টি বাক্যের (১৬:১০১ ও ২:১০৬) কোথাও উল্লেখিত হয় নাই। ২:১০৬-আয়াতে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, কোন আয়াত “বিস্মৃত করিয়ে দিলে--!” নিশ্চিতরূপেই এখানে মুহাম্মদের 'বিস্মৃত' হওয়ার বিষয়টিই উল্লেখিত হয়েছে। পূর্ববর্তী নবীদের গ্রন্থ-বিধানের বিষয়ে নয়। তথাপি কিছু তফসীরকার, এই সুস্পষ্ট আয়াত দু'টির ব্যাখ্যা প্রদান কালে দাবী করেন যে, ‘আল-নাসিক ওয়া আল-মানসুক' হলো পূর্ববর্তী নবীদের জারিকৃত বিধান ('আগের আয়াত') বাতিল করে মুহাম্মদের জারীকৃত বিধান ('পরের আয়াত') বলবত করার বিধান! কেন তারা এমনটি দাবী করেন ও তাঁদের এই দাবীর সমস্যাটি কোথায়, সে বিষয়ের বিস্তারিত আলোচনা 'জিহাদ' অধ্যায়ে করা হবে।

অবিশ্বাসীদের যৌক্তিক দাবী, যুক্তি ও চ্যালেঞ্জের পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহর মুখোশে মুহাম্মদ আর যে অজুহাত-টি হাজির করেছিলেন, তা ছিল এই:

৬৯:৪৩-৪৭ (সূরা আল হাক্বক্বাহ):
মুহাম্মদের দাবী:
"এটা বিশ্বপালনকর্তার কাছ থেকে অবতীর্ণ।"

প্রমাণ? 'সৃষ্টিকর্তা' তাকে জানিয়েছেন:
"সে যদি আমার নামে কোন কথা রচনা করত, তবে আমি তার দক্ষিণ হস্ত ধরে ফেলতাম, অতঃপর কেটে দিতাম তার গ্রীবা (Aorta)। তোমাদের কেউ তাকে রক্ষা করতে পারতে না।"

>> অর্থাৎ, মুহাম্মদ দাবী করছেন যে তার প্রচারিত এই কিচ্ছা-কাহিনী, হুমকি-শাসানী, ভীতি-প্রদর্শন সম্বলিত বানীগুলো তার নিজের বানী নয়, এগুলো " সৃষ্টিকর্তার বানী!" কারণ, সৃষ্টিকর্তা তাকে জানিয়েছেন যে তিনি যদি সৃষ্টিকর্তার নামে এই বানীগুলো রচনা করতেন, তবে সৃষ্টিকর্তা তার গ্রীবা কেটে দিতো! যেহেতু সৃষ্টিকর্তা তার গ্রীবা কেটে দেয় নাই, তাই এই 'কুরআন' তার নিজের বা অন্য কারও সাহায্যে রচিত গ্রন্থ নয়! মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তাকে (যদি থাকে) নিয়ে কী করুণ তামাশা!

মুহাম্মদ নিশ্চিতরূপেই জানতেন না, সৃষ্টিকর্তাকে নিয়ে তার এই পরিহাস তার জীবনে একদিন সত্য বলে প্রমাণিত হবে! তার কথিত সেই সৃষ্টিকর্তা তাকে অনুরূপ শাস্তির আস্বাদন করিয়ে তিলে তিলে তার মৃত্যু ঘটাবেন! আদি উৎসের মুসলিম ঐতিহাসিকদের 'সিরাত ও হাদিস' গ্রন্থের প্রাণবন্ত বর্ণনায় আমরা নিশ্চিতরূপে জানি, মৃত্যুকালে মুহাম্মদ যে অসহ্য যন্ত্রণা ভোগ করেছিলে তাকে তিনি "তার গ্রীবা (Aorta) কেটে দেয়ার" সাথে তুলনা করেছিলেন; যা আমরা জানতে পারি ইমাম বুখারীর বর্ণনায় [3]:

‘---আয়েশা হইতে বর্ণিত: আল্লাহর নবী তাঁর মৃত্যুকালীন অসুস্থতার সময় যা বলতেন, তা হালো, "হে আয়েশা! খায়বারে যে খাবারটি আমি খেয়েছিলাম তার সৃষ্ট ব্যথা আমি এখনও অনুভব করি, এবং এই মুহূর্তে আমি যা অনুভব করছি, তা হলো এমন যে, সেই বিষের প্রতিক্রিয়া যেন আমার গ্রীবাটি (Aorta) কেটে ফেলেছে।"’

মুহাম্মদের অমানুষিক নৃশংস কর্মকাণ্ডের পরিণতি ও তার ভাগ্যের এ ছিল এক অতি নির্মম পরিহাস! যা তিনি 'সৃষ্টিকর্তার' নামে কামনা করেছিলেন, মৃত্যুকালে তার অনুরূপই ভোগ করেছিলেন! আমি আমার "ইসলামের অজানা অধ্যায় (চতুর্থ খণ্ড) বইটির 'মুহাম্মদকে হত্যা চেষ্টা (পর্ব-১৪৫)” পর্বে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। [4]

(চলবে)

তথ্যসূত্র ও পাদটীকা:
[1] কুরআনেরই উদ্ধৃতি ফাহাদ বিন আবদুল আজিজ কর্তৃক বিতরণকৃত তরজমা থেকে নেয়া। অনুবাদে ত্রুটি-বিচ্যুতির দায় অনুবাদকারীর।
http://www.quraanshareef.org/
[2] কুরানের ছয়জন বিশিষ্ট ইংরেজি অনুবাদকারীর ও চৌত্রিশ-টি ভাষায় পাশাপাশি অনুবাদ: https://quran.com/
[3] সহি বুখারী: ভলুম ৫, বই ৫৯, হাদিস নম্বর ৭১৩:
http://hadithcollection.com/sahihbukhari/92--sp-608/5199-sahih-bukhari-v...

[4] ‘ইসলামের অজানা অধ্যায় (চতুর্থ খণ্ড)’ - ডাউনলোড লিঙ্ক:
https://drive.google.com/file/d/0BwbIXqxRzoBOUVBOUnlRUXkxX0E/view

Comments

TTSG এর ছবি
 

জাকির নায়েকের মত ডিগবাজী না দিলে: কোরাণ ৮১:১৯ মতে "নিশ্চয় কোরআন সম্মানিত রসূলের বাণী," কিন্তু ডিকবাজ দিলে হয় "আনীত বাণী"
Pickthall
That this is in truth the word of an honoured messenger,
Yusuf Ali
Verily this is the word of a most honourable Messenger,
Bangla
নিশ্চয় কোরআন সম্মানিত রসূলের আনীত বাণী,

একই কথা আছে কোরান: ৬৯:৪০ এও:
Sahih International
[That] indeed, the Qur'an is the word of a noble Messenger.
Pickthall
That it is indeed the speech of an illustrious messenger.
Yusuf Ali
That this is verily the word of an honoured messenger;
Bangla
নিশ্চয়ই এই কোরআন একজন সম্মানিত রসূলের আনীত।

কেমনে কি?

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

গোলাপ মাহমুদ
গোলাপ মাহমুদ এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 4 দিন ago
Joined: রবিবার, সেপ্টেম্বর 17, 2017 - 5:04পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর