নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

শিডিউল

ওয়েটিং রুম

এখন 0 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

নতুন যাত্রী

  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান
  • নিলয় নীল অভি

আপনি এখানে

ইসলাম ধর্মের ঈসা নবী বা খ্রিস্টান ধর্মের যীশুর কিছু ক্ষমতা।



ঐতিহাসিকভাবে খ্রিস্টান ও ইসলাম ধর্মের ঐশরিক কিতাব বলে পরিচিত গ্রন্থ গুলির বাইরে যীশু বা ঈসা নামের একজন ব্যাক্তির সন্ধান পাওয়া যায়। খ্রিস্টীয় ঐতিহ্যের বাইরে যীশুর অস্তিত্বের সবচেয়ে প্রাচীন রেফারেন্স হচ্ছে ইহুদিদের পুরাতাত্ত্বিক ঐতিহ্য গুলি। “জোসেফাস” নামের একজন জিউস স্কোলারের লেখাতে উল্লেখ পাওয়া যায় এই যীশু চরিত্রটির যা (খ্রিস্টপূর্ব 37 খ্রিস্টাব্দের) বলে ধারনা করা হয়। সেই হিসাবে খ্রিস্টান ধর্মের বাইবেল আর ইসলাম ধর্মের কোরান মতে এই যীশুর জন্ম খৃস্টপুর্বাব্দ ৫-৭ এর সাথে মিল পাওয়া যায়। ইসলাম ধর্মে এই ব্যাক্তির নামে যা রচিত আছে সেটা থেকেও খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারিদের মধ্যে আরো বেশি অলৌকিক ও রুপকথার ন্যায় গল্প পাওয়া যায়। যেমন, এই ব্যাক্তি মৃত মানুষ জীবিত করতে পারতো, অন্ধকে দৃষ্টি শক্তি দিতে পারতো, বধির এর শোনার ক্ষমতা দিতে পারতো এবং পঙ্গু ব্যাক্তি যে হাটাচলা করতে পারে না তাকে হাটাচলার ক্ষমতা দিতে পারতো বলে বিশ্বাস করে থাকে। যেহেতু সেই সময় এই যীশু খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে একজন ঈশ্বরের পুত্র হিসেবে বিবেচিত হতো এবং যীশুর অনেক সম্মান ছিলো তাই ইসলাম ধর্মের আবির্ভাবের পরে তাকে ইসলাম ধর্মের সাথে জুড়ে দেওয়া হয়েছে বলে অনেকেই মনে করেন।

ইসলাম ধর্মে ঈশ্বরপুত্র যীশুকে ভালো সম্মান দেওয়া হয়েছে তবে খ্রিস্টান ধর্মে তাকে ঈশ্বরের পুত্র মানা হলেও ইসলাম ধর্মে তা মানা হয় না। তবে একজন নবী হিসেবে ইসলাম ধর্ম অনুসারিরা তাকে স্বীকৃতি দিয়ে থাকেন। ইসলাম ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ আল-কোরান মতে ঈসা নবী বা যীশু এখনও জীবিত আছে স্বর্গে বা বেহেশত নামক স্থানে। সে একটা সময় আবার এই পৃথিবীতে আসবে এবং সমস্ত পৃথিবী সে রাজত্ব করবে। ইসলাম ধর্মে ঈসাকে যীশু নামে ডাকা হয়না তার নাম “ঈসা মশীহ” বা “ঈসা ইবনে মারিয়াম” যিনি খ্রিস্টান ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ বাইবেলে যীশু নামেই পরিচিত। ঈসা ইবনে মারিয়াম এর অর্থ “মারিয়ামের পুত্র ঈসা”। ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী তিনিও ইসলাম ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা নবী মুহাম্মদ এর মতো একজন আল্লাহর দূত বা পয়গম্বর। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে তিনি নবী মুহাম্মদ এর জন্মের প্রায় ৫০০ বছর আগে জন্ম নিয়েছিলো এবং ইসলাম ধর্ম প্রচার না করে সে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচার করেছিলো এবং বর্তমানে এই একই চরিত্র দুই নামে দুইটি ধর্মের প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত থাকায় অনেকের মাঝেই বিভ্রান্তির কারণ হয়ে যায় আসলে কে এই যীশু আর কে এই ঈসা। আবার এই চরিত্রটি নিয়ে দুইটি ধর্মে দুইটি গল্প প্রচলিত আছে যেমন খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারিরা বিশ্বাস করেন এই যীশু বা ঈসাকে ক্রুশে বিদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছিলো আর ইসলাম ধর্মের অনুসারিরা বিশ্বাস করেন যাকে ক্রুশে বিদ্ধ করা হয়েছিলো সে ঈসা বা যীশু কেউই ছিলো না।

ইসলাম ধর্ম মতে বলা হয় যে, ক্রুশবিদ্ধ করার জন্য যখন বাহক যীশু বা ঈসা নবীকে নিতে তার ঘরে প্রবেশ করে তখনই আল্লাহ তাকে উপরে তুলে নেন এবং বাহকের চেহারাকে ঈসা-এর চেহারার অনুরুপ করে দেন। ফলে ঈসা মনে করে ঐ বাহককে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়| এবং ইসলাম ধর্ম মতে ঈসা নবী বর্তমানে জীবিত অবস্থায় জান্নাতে অবস্থান করছেন| ইসলামিক ধারনা অনুযায়ী কেয়ামতের পূর্বে মসীহ দাজ্জালের আবির্ভাবের পর ঈসা নবী মুহাম্মদ (সঃ) এর একজন উম্মত বা অনুসারী হিসেবে পুনরায় পৃথিবীতে অবতরণ করবেন এবং দাজ্জালকে হত্যা করবেন| এরপর সমস্ত পৃথিবীর শাসনভার গ্রহণ করবেন এবং পৃথিবীতে শান্তি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করবেন| সবশেষে তিনি একজন রাজা হিসেবে মৃত্যূবরণ করবেন এবং মুহাম্মদ-এর কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হবে। যে কারণে মদীনায় নবী মুহাম্মদ (সঃ) এর কবরের পাশে তাকে কবর দেয়ার জায়গা প্রস্তুত করে রাখা হয়েছিল যা এখনও বহাল আছে| ইসলামে যীশুকে মশিহ বলেও মনে করা হয়। মশিহ অর্থ আল্লাহ তাকে নির্বাচন করেছে যে শেষ কালে তিনি দুনিয়ায় মানে পৃথিবীতে ফিরে আসবেন এবং পৃথিবীতে তিনি সর্ব শান্তি আনবেন ও সব ধর্ম একান্ত করে ইসলামের মধ্যে আনবে।

এই সম্পর্কে ইসলাম ধর্মের আল-কোরানে বলা আছে (সূরা নিসার ১৫৭ ও ১৫৮ নাম্বার আয়াতে) যেমন, “وَقَوْلِهِمْ إِنَّا قَتَلْنَا الْمَسِيحَ عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ رَسُولَ اللّهِ وَمَا قَتَلُوهُ وَمَا صَلَبُوهُ وَلَـكِن شُبِّهَ لَهُمْ وَإِنَّ الَّذِينَ اخْتَلَفُواْ فِيهِ لَفِي شَكٍّ مِّنْهُ مَا لَهُم بِهِ مِنْ عِلْمٍ إِلاَّ اتِّبَاعَ الظَّنِّ وَمَا قَتَلُوهُ يَقِينًا” যার অর্থঃ “আর তাদের একথা বলার কারণে যে, আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসা মসীহকে হত্যা করেছি যিনি ছিলেন আল্লাহর রসূল। অথচ তারা না তাঁকে হত্যা করেছে, আর না শুলীতে চড়িয়েছে, বরং তারা এরূপ ধাঁধায় পতিত হয়েছিল। বস্তুতঃ তারা এ ব্যাপারে নানা রকম কথা বলে, তারা এক্ষেত্রে সন্দেহের মাঝে পড়ে আছে, শুধুমাত্র অনুমান করা ছাড়া তারা এ বিষয়ে কোন খবরই রাখে না। আর নিশ্চয়ই তাঁকে তারা হত্যা করেনি” (সূরা নিসা, আয়াত-১৫৭) এর পর “بَل رَّفَعَهُ اللّهُ إِلَيْهِ وَكَانَ اللّهُ عَزِيزًا حَكِيمًا” অর্থঃ “বরং তাঁকে উঠিয়ে নিয়েছেন আল্লাহ তা’আলা নিজের কাছে। আর আল্লাহ হচ্ছেন মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়” (সূরা নিসা, আয়াত-১৫৮)

এবার দেখুন খ্রিস্টান ধর্ম মতে এই একই ব্যাক্তি বা চরিত্রটির সম্মন্ধে আমরা কি জানতে পারি। খ্রিস্টান ধর্মের বেশ কিছু শাখার মধ্যে তাদের অধিকাংশ শাখার খ্রিস্টান ধর্ম অনুসারীরা মনে করে এবং বিশ্বাস করে এই যীশু বা ঈসা হচ্ছে ঈশ্বরের পুত্র এবং সেও সয়ং একজন ঈশ্বর। এই খ্রিস্টান ধর্ম অনুসারিরা ইসলাম ধর্ম সৃষ্টি হবার আগে থেকেই বিশ্বাস করতো এই যীশু বা ঈসা মশীহের পুনরুথানকে। তারা এটাও বিশ্বাস করে এই যীশু যখন আবার এই পৃথিবীতে আসবেন তখন মানব জাতির জন্য হবে অত্যান্ত গুরুত্বপুর্ণ একটি বিষয়। তারা আরো বিশ্বাস করেন এই যীশুর বলিদানের ভেতরে অনন্ত জীবনের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। খৃস্টান ধর্ম মতে এই যীশু বা ঈসার গর্ভধারিনী মা যিনি ছিলেন মরিয়ম তিনি কোন প্রকারের যৌন ক্রিয়া ছাড়াই যীশু বা ঈসার জন্ম দিয়েছিলেন। এই ধর্মের অনুসারিদের মতে মরিয়মের গর্ভাবস্থার জন্য পবিত্র আত্মা (খ্রিস্টীয় পবিত্র ত্রিত্বের তিনজনের একজন) দায়ী ছিলেন যে কারনেই তাকে ঈশ্বরের পুত্র মনে করা হয় এবং তাকেও তারা ঈশ্বরের কাছাকাছি মনে করে থাকেন। ঈসা বা যীশুর মাতা মরিয়ম বা মেরীর কুমারী অবস্থা খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারিরা বিভিন্ন ধর্মীয় ঐতিহ্য ও অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পালন করে থাকে।

খ্রিস্টান ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ বাইবেল এর ওল্ড টেস্টামেন্ট বা পুরাতন সংস্করন অনুযায়ী আমরা এই ঈসা বা যীশুর অনেক ঐশরিক ক্ষমতা দেখতে পায় যা একেবারেই অলৌকিক বা ঐশরিক যার কোন ভালো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়না এটা তখনকার সময়ে কিভাবে সম্ভব হয়েছিলো। তবে খ্রিস্টান ধর্ম অনুসারিরা এই সব অলৌকিক ঘটনাগুলিকে অন্যান্য ধর্মের অনুসারিদের মতোই গভীর ভাবে বিশ্বাস করে থাকে। যেমন বাইবেলের “লূক” (Luck) এর (৭,১৮-২৩) এ যীশু সম্পর্কে বলা আছে অর্থঃ “(১৮) বাপ্তিস্মদাতা য়োহনের অনুগামীরা এই সব ঘটনার কথা য়োহনকে জানাল। তখন য়োহন তাঁর দুজন অনুগামীকে ডেকে।(১৯) প্রভুর কাছে জিজ্ঞেস করে পাঠালেন য়ে, ‘য়াঁর আগমণের কথা আছে আপনিই কি সেই, না আমরা অন্য কারোর জন্য অপেক্ষা করব?’ (২০) সেই লোকেরা যীশুর কাছে এসে বলল, ‘বাপ্তিস্মদাতা য়োহন আপনার কাছে আমাদের জিজ্ঞেস করতে পাঠিয়েছেন। ‘য়াঁর আসবার কথা আপনিই কি সেই ব্যক্তি, না আমরা অন্য কারো অপেক্ষায় থাকব?” (২১) সেই সময় যীশু অনেক লোককে বিভিন্ন রোগ ও ব্যাধি থেকে সুস্থ করছিলেন, অশুচি আত্মায় পাওযা লোকদের ভাল করছিলেন, আর অনেক অন্ধ লোককে দৃষ্টি শক্তি দান করছিলেন। (২২) তখন তিনি তাদের প্রশ্নের জবাবে বললেন, ‘তোমরা যা দেখলে ও শুনলে তা গিয়ে য়োহনকে বল। অন্ধেরা দেখতে পাচ্ছে, খোঁড়ারা হাঁটছে, কুষ্ঠ রোগীরা সুস্থ হচ্ছে, বধিরেরা শুনছে, মরা মানুষ বেঁচে উঠছে;আর দরিদ্ররা সুসমাচার শুনতে পাচ্ছে। (২৩) ধন্য সেই লোক, য়ে আমাকে গ্রহণ করার জন্য মনে কোন দ্বিধা বোধ করে না”। এর মানে এরকম দাঁড়ায় যীশু অনেক ক্ষমতার অধিকারী একজন মানুষ ছিলো যে অন্ধ, বোবা, বধির, এবং পঙ্গু মানুষদের সুস্থ করে দিতে পারতো।

এই যীশু বা ঈসার আরো কিছু অলৌকিক বা অবিশ্বাস ঘটনার উল্লেখ পাওয়া যায় এই খ্রিস্টান ধর্মে। তার মধ্যে আবারও বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্টের “ঈসা” (Isha) (২৯,১৮-১৯) এ এই যীশু বা ইসা নবী সম্পর্কে বলা আছে অর্থঃ (১৮) বধির শুনতে পাবে, বই থেকে পড়ে শোনানো কথাগুলি, অন্ধ কুযাশা ও অন্ধকারের মধ্যেও দেখতে পাবে। (১৯) প্রভু গরীব মানুষদের সুখী করবেন। ইস্রায়েলে গরীব লোকরা ইস্রায়েলের সেই পবিত্র এক জনের নামে আনন্দ করবে” এবং “ঈসা” (Isha) (৩৫,৫-৬) এ বলা আছে “(৫) তখন অন্ধ মানুষরা চোখে দেখতে পারবে। তাদের চোখ খুলে যাবে। তখন বধিররা শুনতে পাবে। তাদের কান খুলে যাবে। (৬) পঙ্গু মানুষরা হরিণের মতো নেচে উঠবে এবং যারা এখন কথা বলতে পারে না তারা গেযে উঠবে সুখের সঙ্গীত। বসন্তের জল যখন মরুভূমিতে প্রবাহিত হবে তখনই এসব ঘটবে। বসন্ত নেমে আসবে শুষ্ক জমিতে” আরো দেখুন বাইবেলের “ঈসা” (Isha) (৬১,১) এখানেও বলা আছে, যীশু বলছেন “(১) প্রভুর দাস বলেন, “প্রভু, আমার সদাপ্রভু, তাঁর আত্মা আমার মধ্যে দিয়েছেন।’ গরীবদের সঙ্গে কথা বলবার জন্য, তাদের ভগ্নহৃদয়ের ক্ষতে বন্ধনী জড়াবার জন্য এবং দুঃখীকে আরাম দেবার জন্য প্রভু আমাকে মনোনীত করেছেন। ঈশ্বর আমাকে পাঠিয়েছেন নির্য়াতিতদের ও বন্দীদের জানাতে যে, তারা মুক্ত হচ্ছে” এই কথার মাধ্যমে যীশু তৎকালীন সাধারণ মানুষদের বোঝাবার চেষ্টা করেছিলেন সে ঈশ্বরের প্রেরিত একজন দূত। শুধু এসবই নই আরো অনেক কিছুই বলা আছে খ্রিস্টান ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ বাইবেলে যীশু বা ইসলাম ধর্মের নবী ঈসা সম্পর্কে যার সবই আজ পর্যন্ত এই ধর্মের অনুসারিরা খুব ভক্তির সাথে বিশ্বাস করে থাকে।

---------- মৃত কালপুরুষ
২২/১২/২০১৭

Comments

তরুলতা এর ছবি
 

ক্রিস্টমাস উপলক্ষে এমন একটি লেখা আশা করছিলাম। ধন্যবাদ

 
মৃত কালপুরুষ এর ছবি
 

হ্যা, দেখলাম ক্রিস্টমাসের হাওয়া বয়ে যাচ্ছে তাই খ্রিস্টান ধর্মের ক্ষমতাও একটু পরখ করে দেখা দরকার।

-------- মৃত কালপুরুষ

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মৃত কালপুরুষ
মৃত কালপুরুষ এর ছবি
Offline
Last seen: 4 দিন 6 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, আগস্ট 18, 2017 - 4:38অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর