নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

শিডিউল

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • মিঠুন বিশ্বাস

নতুন যাত্রী

  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ
  • শহিদুল নাঈম

আপনি এখানে

মুসলিম বিশ্বে ভাস্কর্য ও হেফাজতের রাজনীতি


সস্প্রতি উদ্বোধিত হওয়া সৌদি বাদশাহ সালমানের প্রতিকৃতিই বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতিকৃতি।সারা বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোতে দেখা যায় বড় বড় সব মসজিদের নাম কোনো বড় রাস্ট্রনায়কের নামে(যেমন-কিং ফয়সাল মসজিদ)।এসব মসজিদের সামনে দেখা যায় বিখ্যাত কোনো বীরের/ঘোড়া,উটের ভাস্কর্য।মসজিদে ঢোকার আগে মুসল্লিরা এসব ভাষ্কর্য দেখতে বাধ্য হয়।তাতে কোনো আপত্তি করে না কেউ। কিন্তু সাংবিধানিকভাবে ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশে কয়েক বছর আগে এয়ারপোর্টে মাত্র শ খানেক উগ্রপন্থী লোকের আন্দোলনে পাখির ভাস্কর্য অপসারণ করা হয়। এছাড়া সম্প্রতি হেফাজতের আন্দোলনে আদালত প্রাঙ্গন থেকে বিধর্মী দেবী থেমিসের ভাস্কর্য অপসারণ নিয়ে কি কাণ্ডই না ঘটে গেলো।
সৌদি,ইরান,ইন্দোনেশিয়ার মত মুসলিম শাসিত ও কঠোর ধর্মীয় বিধিবিধানের দেশসমূহে এসব ভাস্কর্য নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই বরং তারা এগুলোর মাধ্যমেই পৃথিবীর মানুষকে তাদের দেশের ইতিহাস,ঐতিহ্যের, বীরত্বের গল্প বলে।অথচ বাংলাদেশে হেফাজতের মত ভুঁইফোড় একটা সংগঠনের আন্দোলনে ভাস্কর্য অপসারিত হয়।

ভাবুন তো,এদেশের কোনো মসজিদের সামনে যদি বঙ্গবন্ধু বা স্বাধীনতা যুদ্ধের কোনো মহাবীরের ভাস্কর্য স্থাপনের চেষ্টা করা হয়,তাহলে কী হবে? রীতিমত দাঙ্গা লেগে যাবে।
জুম্মার নামাজ পড়া হয়,এই অজুহাতে থেমিসের ভাস্কর্য অপসারণের আন্দোলনে নেমেছিলো হেফাজতে ইসলাম।অথচ, ছবিগুলোতে কী দেখছেন?
আচ্ছা ধরে নিলাম,যেখানে নামাজ পড়া হয়,তার আশেপাশে গ্রীক দেবীর ভাস্কর্য অগ্রহণীয়। কিন্তু এই ভাস্কর্য নিয়ে হেফাজতের মাথাব্যাথার কারণ কিন্তু জুম্মার নামাজের জায়গা নয়।

লক্ষ্য করুন,হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবির ৭ নং দাবি হলো,
"মসজিদের নগর ঢাকাকে মূর্তির নগরে রূপান্তর এবং দেশব্যাপী রাস্তার মোড়ে ও কলেজ-ভার্সিটিতে ভাস্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপন বন্ধ করা।"

এবার কী বলবেন?হেফাজত আসলে দেশ থেকে সকল ভাস্কর্য অপসারণ করব এক তালেবান রাস্ট্র কায়েম করতে চায়।তাদের অধিকাংশ নেতাই তো আফগান ফেরত জিহাদি।

আগামী নির্বাচনের আগেই আওয়ামীলীগ সরকারকে হেফাজতের ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে।এরা যতই অরাজনৈতিক সংগঠন বলে দাবি করুক না কেন,সুযোগ পেলেই সরকার উৎখাতের আন্দোলনে নামতে দ্বিধা করে না, শাপলা চত্বরের আন্দোলন তার প্রমাণ।
হেফাজত প্রধাণ আল্লামা শফি আফগানিস্তান থেকে ফিরে এসে একটা বই লিখেছিলেন।তাতে তিনি ফতোয়া দিয়ে মৌদুদির জামায়াতে ইসলামকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন।আর লিখেছেন,শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণেই জামায়াতে ইসলামের সাথে মেশা যাবে।তাছাড়া তাদের সাথে যুক্ত হওয়া হারাম।

শাপলা চত্বরের তাণ্ডবের দিন আমরা দেখেছি,হেফাজত,জামায়াত-শিবির একত্রিত হয়ে সরকার উৎখাতে নেমেছিল।
আল্লাম শফির ফতোয়া আরেকবার পড়ুন।

তারপরেও কি বলবেন,হেফাজতে ইসলাম অরাজনৈতিক সংগঠন?

সরকার যদি হেফাজতে ইসলামের ব্যাপারে সতর্ক না হয়ে তাদের তোষণ করা অব্যাহত রাখে, তাহলে আওয়ামীলীগ সরকারকে সবচেয়ে বড় ছোবলটা দিবে হেফাজতে ইসলাম নামক উগ্রপন্থী সংগঠন।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

উলুল আমর অন্তর
উলুল আমর অন্তর এর ছবি
Offline
Last seen: 2 months 2 দিন ago
Joined: বুধবার, ফেব্রুয়ারী 15, 2017 - 1:09পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর