নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • শাম্মী হক
  • সলিম সাহা
  • নুর নবী দুলাল
  • মারুফুর রহমান খান
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

VPN ব্যবহার করে ব্লক করা ওয়য়েবসাইট কিভাবে ব্যবহার করবেন।


বাংলাদেশ থেকে নানা কারণে বিভিন্ন সময়ে অনেকেই অনেক গুরুত্বপুর্ণ ওয়েবসাইট ও অনেক নিউজ পোর্টাল ব্রাউজ করতে পারেন না বা সেটা ভিসিট করতে পারেন না। অনেক সময় দেখা যায় খুব জনপ্রিয় কিছু সোস্যাল মিডিয়া নির্দিষ্ট কিছু দেশের সরকার কর্তৃক বন্ধ করে রাখা হয় যার কারণে অনেকেই তা স্বাভাবিক বা প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারেনা। ২০১৫ সালে এরকম একটি ঘটনা বাংলাদেশেও ঘটেছিলো আমার মনে আছে। কয়েকদিনের জন্য বাংলাদেশ সরকার জনপ্রিয় সোস্যাল মিডিয়া ফেসবুক ব্যবহার করা বন্ধ করে রেখেছিলো। তার কিছুদিন আগে ইউটিউব বন্ধ করে রাখা হয়েছিলো। বর্তমানেও এরকম অনেক নিউজ পোর্টাল ও কিছু ওয়েবসাইট মাঝে মধ্যেই আমরা বন্ধ পেয়ে থাকি। যাদের মধ্যে অন্যতম এবং বর্তমানে বাংলাভাষী জ্ঞান-পিপাশু সাধারণ পাঠকদের কাছে সব থেকে জনপ্রিয় ওয়েবসাইট “ইস্টিশন” আছে সবার প্রথমে। এছাড়াও জনপ্রিয়তার তালিকায় থাকা বাংলা ব্লগ সাইট “সামহয়্যার ইন ব্লগ” (সামু), সচলায়তন, আমার ব্লগ, এর মতো কয়েকটি সাইটে মাঝে মধ্যে ব্রাউজ ভিত্তিক সমস্যা দেখা গেলেও তা ক্ষনস্থায়ী। তবে ইস্টিশন ব্লগ সাইট ব্যবহার করতে গিয়ে আমি নিজেও এই সমস্যায় পড়ে থাকি যা আমার ধারণা অনেকেই একই সমস্যায় পড়েন। প্রায় এই ব্লগ সাইটটির ফেসবুক পেজে দেখা যায় পাঠকদের মতামত তারা এই সাইট ব্রাউজ করতে পারছেন না।

একটি ওয়য়েবসাইট কি কি কারনে সাধারণ ভিউয়ার্সরা ব্যবহার করতে পারেনা বা ভিসিট করতে পারেনা তার অনেক ব্যাখ্যা আছে। তবে এর একটি অন্যতম কারণ হচ্ছে নির্দিষ্ট কিছু দেশের সরকার কর্তৃক সেই সাইটের পাবলিসিটি বন্ধ করে রাখা। যেহেতু বাংলাদেশ থেকে (বিটিআরসি) এই বিষয় সমূহ নিয়ন্ত্রন করে থাকে তাই হতে পারে (বিটিআরসি) থেকেই এটা বন্ধ করে রাখার কারণে আমরা অনেক সময় এই জাতীয় সাইট গুলি আর ১০টা ওয়েবসাইটের মতো স্বাভাবিক ভাবে ব্রাউজ করতে পারিনা। তাহলে কি আমরা সরকার কর্তৃক বন্ধ করে রাখা সাইট গুলো স্বাভাবিক ভাবে ভিসিট করতে পারবো না ? অবশ্যয় আমরা এগুলা ভিসিট করতে পারবো, তবে স্বাভাবিক নিয়মে নয়। এর জন্য আমাদেরকে কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। আমি সেই পদ্ধতি কি এবং কিভাবে সেটা ব্যবহার করা যায় সেই উদ্দেশ্যেই এই লেখাটি লিখছি। এই সমস্যার সম্মুক্ষিন হলে আমাদেরকে VPN (ভিপিএন) ব্যবহার করতে হবে। আমার মনে হয় যারা মোটামুটি একটু পুরাতন ও মধ্যম মানের ইন্টারনেট ইউসার তারা এই বিষয়টি সম্পর্কে সবাই অবগত। তবে যারা এখনও জানেন না এই VPN (ভিপিএন) কি এবং এটা কিভাবে ব্যবহার করতে হয় আর এটা ব্যবহার করে আমরা কিভাবে এই বন্ধ করে রাখা “ইস্টিশন” ব্লগের মতো সাইট গুলো ভিসিট করতে পারবো তাদের জন্য কিছু তথ্য রইলো।

প্রথমত VPN শব্দটার সাথে আমরা সবাই কম-বেশি পরিচিত। তবে অনেকেই শুধু নামের সাথেই পরিচিত, কিন্তু এটা যে কি জিনিস তা অধিকাংশ মানুষই জানে না তাই এসমস্ত বিষয় সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করবো। VPN এর পূর্ণ রূপ হল- Virtual Private Network. (ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক) এটাকে আমরা একটি সুড়ঙ্গের সাথে তুলনা করবো। সোজা বাংলায় এর সংজ্ঞা দাড়ায়, VPN হল একটা কাল্পনিক ‘Tunnel’ যার মাধ্যমে নিরাপদে তথ্য আদান প্রদান করা যায়। এই ‘Tunnel’ বা সুড়ঙ্গের বাস্তবে কোন অস্তিত্ব নেই, কারণ এটা ভার্চুয়াল জগতে কেউ খুজে বের করতে পারবে না। এটি দিয়ে মূলত কাল্পনিক একটা প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বোঝানো হচ্ছে যেটি দিয়ে ইন্টারনেটে নিরাপদে তথ্য আদান প্রদান করা যায়। আমরা এখন ‘নিরাপদ’ keyword টির উপর ফোকাস করবো। ইন্টারনেট মূলত উন্মুক্ত তথ্য আদান প্রদানের জায়গা। যেহেতু এটি পাবলিক নেটওয়ার্ক অর্থাৎ, পৃথিবীর সবাই সংযুক্ত তাই এখানে সরাসরি তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে তথ্যের গোপনীয়তা ফাঁস হয়ে যাবার একটা ঝুঁকি আছে। এই ঝুঁকি এড়ানোর জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করে নিজের ব্যক্তিগত বা প্রাইভেট নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হওয়ার নিরাপদ পদ্ধতিই হল VPN। এই পদ্ধতিতে ব্যবহারকারী এবং প্রাইভেট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার জন্য ইন্টারনেটে একটি কাল্পনিক সুড়ঙ্গ তৈরী হয়। যেমন ধরুন আমি বর্তমানে বাংলাদেশের ঢাকাতে অবস্থান করছি কিন্তু একটি VPN (ভিপিএন) সার্ভিস ইউস করে আমি বাংলাদেশ থেকে সরাসরি ইউরোপের “ফ্রান্স” এর একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার এর আইপি এড্রেস ব্যবহার করে ইন্টারনেট ব্যবহার করছি বা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করছি। তার মানে আমি বাংলাদেশে আছি কিন্তু ভিপিএন ব্যবহার করার কারণে ফ্রন্সের একটি আইপি এড্রেসের সাথে আমার কানেকশন এর একটি সুড়ংঙ্গ তৈরি করা হয়েছে তাই এখন আমি যা করছি তা ফ্রান্স থেকেই করছি।

তার মানে বাংলাদেশ থেকে যদি (বিটিআরসি) কোন সাইট ভিসিট করা বন্ধ করে রাখে বাংলাদশি ইন্টারনেট ইউসারদের জন্য তারা এই সুড়ঙ্গ ব্যবহার করে বিশ্বের যে কোন দেশের যে কোন আইপি এড্রেস ব্যবহার করে সেই সাইট বাংলাদেশে বসেই ভিসিট করতে পারবে। এহাড়াও VPN ব্যবহার করার আরো কিছু সুবিধা আছে তা হচ্ছে -
১। VPN ব্যবহার করার অর্থ হল আপনি ডাটা নিরাপদে আদান প্রদান করতে পারছেন।
২। VPN ব্যবহার করলে আপনার অবস্থান কেউ ট্র্যাক করতে পারবে না।
৩। IP address (Internet Protocol address) হাইড করে রাখে। অর্থাৎ, হ্যাকারদের কবলে পড়ার সম্ভাবনা নাই।
৪। আপনার ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী আইপিএস থেকে নেটের ফুল স্পিড পাবেন।
৫। VPN দিয়ে আপনি আইএসপি তে ব্লক করা সাইট ভিজিট করতে পারবেন। যেমন ধরেন, যদি ইউটিউব বা ফেসবুক আমাদের দেশে বন্ধ করে দেয়া হয়, তাহলেও আপনি VPN ব্যবহার করে এগুলাতে ঢুকতে পারবেন।
৬। এটি নিরাপদ যোগাযোগ এবং ডাটা encrypt করার একটি পদ্ধতি হিসেবে কাজে লাগে। মানে VPN আপনার মেশিনকে একটি ভার্চুয়াল নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত করতে পারে এবং আপনার পাঠানো সব data দ্রুততার সঙ্গে encrypt করে ফেলে অর্থাৎ public domain থেকে লুকিয়ে রাখে এবং এটা আপনার browsing history-র কোনো ট্র্যাক রাখে না। কাজেই আপনি অনলাইনে পুরোপুরি নিরাপদ।

VPN ব্যবহার করার সুবিধা আছে পাশাপাশি ব্যবহার করতে গেলে কিছু অসুবিধাও আছে, আর তা হচ্ছে বর্তমানে মোবাইল আর পিসির জন্য অনেক VPN সার্ভিস প্রভাইডার আছে যারা এটা বিনামূল্যে ব্যবহার করতে দেয়। তবে যারা এখনও এই সার্ভিসটি বিনামূল্যে ব্যবহার করতে দেয় তাদের মধ্যে ৭০% আছে যাদের সার্ভিস ব্যবহার করলে আপনার ইন্টারনেটের স্পীড একটু কমে যাবে বা প্রথমবার কানেক্ট হতে বেশ কিছু সময় নেবে। তবে এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন এর জন্য খুব সহজ পদ্ধতির কিছু VPN এপ আছে গুগল প্লে স্টোরে যা ব্যবহার করলে স্পীড খুব একটা কমে না এবং এগুলো একদম ফ্রী। এই এপস গুলো শুধু গুগল প্লে স্টোর থেকে ইন্সটল করে নিলেই হবে আর কিছুই করা লাগবে না। ইন্সটল করার পরে সেই এপস গুলা ওপেন করলেই একটি কানেক্ট অপশন পাবেন সেটাতে টাস করে কানেক্ট করে দিলেই আপনার কানেকশন একটি VPN সার্ভিসের মাধ্যমে কানেক্ট হয়ে যাবে এর পরে আপনি খুব সহজেই ব্লক করে রাখা সাইট গুলো ভিসিট করতে পারবেন আপনার ব্রাউসার দিয়ে বা যে কোন এপস দিয়ে। এতে আপনার আইপি এড্রেস প্রকাশ পাবেনা আপনি কোথা থেকে ব্রাউজ করছেন। যেহেতু যারা এন্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করেন তাদের জন্য আমি এখানে কোন লিঙ্ক দিচ্ছি না। কারণ সবাই গুগল প্লে স্টোর এর সাথে অবশ্যয় পরিচিত আছেন। আপনাদের শুধু গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে নাম সার্চ করলেই হবে তাই আমি এখানে কিছু ভালো VPN এপস এর নাম দিয়ে দিচ্ছি, যেমন প্রথম সারিতে থাকা এপস এর মধ্যে আছে Turbo VPN, Hola Free VPN, VPN Proxy Master-Free, Super VPN Free, VPN Master Free, Super VPN Free VPN Client, Flash VPN Free VPN Proxy, Yoga VPN Free Unlimited, Secure VPN Free, Tunnel Bear VPN আপাতত এই ১০টি সহজ VPN এপস এর যেকোন একটি ব্যবহার করে আপনি আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইল থেকে VPN সার্ভিস খুব সহজেই ইউস করে ব্লক করে রাখা “ইস্টিশন” এর মতো সকল সাইট ভিসিট করতে পারেন।

এবার আসি যারা পিসি (ডেস্কটপ ও ল্যাপটপ) ব্যবহার করে ইন্টারনেট ইউস করেন কিন্তু এই জাতীয় ব্লক করা সাইট ব্যবহার করতে পারছেন না বা ভিসিট করতে পারছেন না। পিসির জন্য উইন্ডোস ৭ থেকে শুরু করে বর্তমানে উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমে সাপোর্ট করে এরকম বেশ কিছু সফটও্য়ার আছে কিন্তু সমস্যা হচ্ছে তার প্রায় সবই পেইড সফটয়ার যা ফ্রী বা বিনামুল্যে ব্যবহার করা যায় না। তবে কিছু ফ্রি সফটওয়ার আছে যা ব্যবহার করে VPN নেটওয়ার্কের সাথে কানেক্ট হওয়া যায়। এই লিঙ্কে গেলে আপনি ১০টি এরকম সফটওয়ার পাবেন। আর এখানে Hide Me নামের একটি সফটওয়ার পাবেন সেটাও ডাউনলোড করে ইন্সটল করতে পারেন লিংক এখানে দেখুন এছাড়াও আপনি যদি আপনার পিসি দিয়ে Mozilla Firefox ব্রাউসার ব্যবহার করে থাকেন তাহলে এই লিংক থেকে আপনার ব্রাউসারের জন্য এই এক্সটেনশন বা এডঅন টি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিতে পারেন। আর যদি আপনি ক্রোম ব্রাউসার ব্যবহার করে থাকেন তাহলে এই লিংক থেকে আপনার ক্রোম ব্রাউসারের জন্য এড অন বা এক্সটেনশন ডাউনলোড করে VPN এর সাথে কানেক্ট হতে পারেন। আর আপনি যদি অপেরা ব্রাউসার ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আপনাকে এসব কিছুই করা লাগবে না। কারণ অপেরা ব্রাউসার এর সাথেই একটি এক্সটেনশন থাকে যা শুধু অন করে নিলেই হবে আমি আপনাদের সেই সিস্টেমটাও বলে দিচ্ছি।

প্রথমে আপনার অপেরা ব্রাউসার ওপেন করলে একদম উপরে বাম পাশের ঠিক কর্নারে যে অপেরার লোগো দেখতে পারবেন সেটাতে ক্লিক করলে অপেরা ব্রাউসার এর সেটিংস অপশন এর পেজ ওপেন হবে। তখন আপনি সেই পেজের ড্রপ ডাউন মেনু থেকে Privacy & Security মেন্যুতে ক্লিক করলে যে পেজটি ওপেন হবে শেখানে দেখতে পারবেন VPN বলে একটি অপশন আছে। সেই VPN লেখা অপশনটিতে আপনাকে Enable VPN লেখা যায়গাতে বাম পাশের ছোট্ট বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে দিতে হবে তাহলেই আপনার অপেরা ব্রাউসারের VPN অন হয়ে যাবে এবং আপনি সেই ব্রাউসার দিয়ে সব ব্লক সাইড ব্রাউস করতে পারবেন অনায়াশে। এছাড়াও আরো কিছু সহজ মাধ্যমে আপনি VPN সার্ভিস আপনার যেকোন ব্রাউসার দিয়ে ব্যবহার করতে পারেন যেমন Kproxy নামের এই VPN সার্ভিসটি ব্যবহার করতে আপনাকে কোন সফটওয়ার ডাউনলোডও করা লাগবে না বা ইন্সটলও করা লাগবে না। আপনাকে যেটা করতে হবে শুধু এই লিংকে গিয়ে যে পেজটি আসবে সেটাতে যে এড্রেসবার আছে শেখানে আপনি যেই সাইটটি ব্রাউজ করতে চাচ্ছেন বা ভিসিট করতে চাচ্ছেন সেটার এড্রেস লিখে ডান পাশের সার্ফ (Surf ) বাটনে ক্লিক করলেই আপনি VPN এর মাধ্যমে সেই নির্দিষ্ট সাইট ভিসিট করে দেখতে পারবেন।

যেমন আপনি যদি “ইস্টিশন” ব্লগের ওয়েবসাইট এই Kproxoy দিয়ে ব্রাউজ করতে চান তাহলে আপনাকে সেই এড্রেসবারে লিখতে হবে www.istishon.com এবং Surf বাটনে ক্লিক করতে হবে তাহলে আপনি আপনার দেশ থেকে যদি “ইস্টিশন” ব্লগ বন্ধ করা থাকে বা ব্লক করে রাখা থাকে তারপরও আপনি এই সাইট ব্যবহার করতে পারবেন। অন্যান্য সাইটের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম। আর যদি কোন জিজ্ঞাসা থাকে তাহলে তো আমি আছিই কমেন্টস করে জানাতে পারেন আপনার সমস্যা। আমি না হলেও যারা এই বিষয়ে আমার থেকে বেশি এক্সপার্ট আছে তারা নিশ্চয় আপনার উওর দিবে।

---------- মৃত কালপুরুষ
২০/১২/২০১৭

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মৃত কালপুরুষ
মৃত কালপুরুষ এর ছবি
Offline
Last seen: 3 weeks 3 দিন ago
Joined: শুক্রবার, আগস্ট 18, 2017 - 4:38অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর