নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

শিডিউল

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • মিঠুন বিশ্বাস

নতুন যাত্রী

  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ
  • শহিদুল নাঈম

আপনি এখানে

কত রঙ্গ জানো যে মাওলা, কত রঙ্গ জানো। তুমি সর্প হইয়া দংশন করো আবার ওজা হইয়া ঝারো


কত রঙ্গ জানো যে মাওলা, কত রঙ্গ জানো।
তুমি সর্প হইয়া দংশন করো আবার ওজা হইয়া ঝারো

১৯৯২ হতে আজ অবধি (বিএনপি-জামাত জোট কিংবা আওয়ামীলীগের শাসনামল) - সব সময় হিন্দু বাড়ীঘর আক্রমন, ভাংচুর, জমি দখল কিংবা নেহাত গ্রাম্য শালিশ বিচারের রায়ের ক্ষেত্রে হিন্দুদের বিপক্ষে আওয়ামী, বিএনপি কিংবা জামাত সবাই একজোট থাকে। এমন কোথাও নেই, সব জায়গায় "হেন্দু মালু বনাম মুসলিম" এবং এক্ষেত্রে যেখানে আ্লীগ নেতৃত্বে ছিলো, সেখানে বিএনপি ও জামাইত্যারা সহযোগী-সহকারীর ভূমিকায় আবার যেখানে বিএনপি-জামাইত্যার নেতৃত্বে ছিলো সেখানে আলীগরা সহযোগী। মূল কথা মালুদের বিরুদ্ধে সকলে একাকার।

বিএনপি-জামাত তো সরাসরি হিন্দু নিপীড়ক, ওদের মজ্জার মধ্যে সাম্প্রদাযিকতা। কিন্তু মহান মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী জাতির জনকের রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগ - সে তো হিন্দু নিযাতন করছে আর এর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বক্তব্য বিবৃতিও দিচ্ছে। এযে এক অঙ্গে বহু রং। রীতিমত সর্প হয়ে দংশন করা আবার ওজা হয়ে ঝাড়ার মতো ব্যাপার। একারণ গ্রামে গঞ্জে আওয়ামী সমর্থক হিন্দুদের দেখে বিএনপি-জামাইত্যা ক্যাডারা টিপ্পনি কাটে। হিন্দু হলো "দ্যা সোল্ড আইটেম" অর্থা যেটি আওয়ামীলীগের কাছে বিক্রিত ভোট। একারণে গ্রামের হিন্দুদেরকে নিজের সম্পত্তি মনে করার কারণে ভোগ দখল করে তৃনমূলের আলীগ কর্মীরা, অন্যদিকে বিএনপি-জামাইত্যার করে হিন্দুরা আওয়ামীলীগের সম্পত্তি বলে। সুতরাং শত্রুর সম্পত্তি নষ্ট করার মধ্যে একটা আনন্দ আছে, সে আনন্দেই মূলত বিএনপি-জামাত জোট হিন্দুর উপর জুলুম-অত্যাচারটা করতে আগ্রহী হয়।

মাননীয় যোগাযোগ মন্ত্রী খুব ভাল ভাল ডায়ালগ দিয়ে থাকেন - তিনি ১৯৯২ বাবরী মসজিদ ঘটনায় তার বর্তমান নির্বাচনী এলাকায় হামলার শিকার হিন্দুদের নিয়ে সে সময়ে বাংলারবানী পত্রিকায় দু কলাম লিখেছিলেন। ঐ সময়ে বিএনপি ক্ষমতায় ছিলো, কিন্তু তার নির্বাচনী এলাকায় কার নেতৃত্বে ঘটনা গুলো ঘটেছিল এবং বড় অংকের হিন্দু মাইগ্রেন হয়েছিল সেটা তিনি জানতে। কৈ ক্ষমতা আসার পর এবং সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে অবস্হান করার পরও তিনি কোন হিন্দু নির্যাতকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্হা নিয়ে কোন দৃষ্টান্ত স্হাপন করতে পেরেছেন? বোধ হয় না।

সুতরাং ক্ষমতার বাইরে থাকার সময় হিন্দু নির্যাতন ও হামলার ফলে যে ফলাফল আসে সেটি আলীগের সুফল হিসাবে মাননীয় যোগাযোগ মন্ত্রীর সমর্থকরাই উপভোগ করেন, আবার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থেকেও একই রকম ঘটনার সুফল উপভোগ করবেন - আর রাজনৈতিক বক্তব্য দেবেন। মাননীয় মন্ত্রী মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালনকারীদের নিকট আপনার এধরনের অকার্যকর বক্তব্যে মাধ্যমে আপনি তামাশার পাত্র ব্যতীত আর কিছু হবেন বলে মনে হয় না। মাননীয় মন্ত্রী প্রকাশ্যে হয়তো আপনাদেরকে কেহ কিছু বলবে না, কিন্তু হিন্দু নির্যাতন নিয়ে আওয়ামীলীগের যে কোন বক্তব্য একজন সাধারণ মানুষের কাছে হাসির খোরাক হবে এবং মনে মনে আপনাদের নিয়ে তামাশা করবে - এমনকি আপনাকে নিয়েও- এটা নিশ্চিত বলতে পারি। (চিত্রগুপ্ত)

বিভাগ: 

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

চিত্রগুপ্ত
চিত্রগুপ্ত এর ছবি
Offline
Last seen: 1 month 1 week ago
Joined: মঙ্গলবার, মে 2, 2017 - 1:00অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর