নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সংশপ্তক শুভ
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • রহমান বর্ণিল

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

একজন ভ্লাদিমির পুতিনঃ বিশ্বের জন্য ভালো? বিশ্বের জন্য ভালো না?


ভ্লাদিমির পুতিন! নামটা বিশ্বের নানা দেশের নানা মানুষ যতই অপছন্দ করুক, রাশিয়ানদের কাছে পুতিন এখন ঈশ্বরের মত। একবার একটা রাশিয়ান টিমের সাথে ছিলাম, ভাঙা ইংরেজীতে আড্ডা দিতাম। রাশিয়া তখন একটা রিসেশনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। রুবলের দাম পড়ে যাচ্ছিলো দ্রুত, বাজেটে বিশাল ঘাটতি। আমার প্রশ্ন ছিল, ওরা কি সৌভিয়েত রাশিয়াকেই এখন ভাল মনে করছে নাকি নতুন রাশিয়াতে আশাবাদী। কথায় কথায় মনে হলো গর্ভাচেভ তাদের কাছে ভিলেন ছাড়া আর কিছুই নয়। গর্ভাচেভকে তারা পশ্চিমা চর এবং রাশিয়ার বর্তমান দূর্ভোগের কারণ মনে করে। রিফর্মের নামে গর্ভাচেভ যা করেছিলেন তা গোটা সৌভিয়েত ইউনিয়ের অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে দিয়েছিল, বহবছর পরেও রাশিয়া তার ফল ভোগ করছিল।

গণতন্ত্র সৌভিয়েত ইউনিয়ন পরবর্তী রাশিয়ার জন্য ভাল হতে পারতো। তবে রাশিয়া শুরুতেই ধাক্কা খায়, কারণ, রাশিয়ার চালকের আসনে বসেন বরিস ইয়েলেতসিন। উনি নিজে ছিলেন দূর্নীতিপরায়ণ এবং প্রশাসন চালনায় অদক্ষ। উনার শাসনামলের শেষদিকে দ্রুত উত্থান ঘটতে থাকে পুতিনের। প্রথমে জনপ্রিয় মেয়র ছিলেন, এরপর দ্রুতই প্রধানমন্ত্রী হয়ে যান। পুতিন ছিলেন কেজিবির এজেন্ট, উনি জানতেন ম্যানিপুলেশন কিভাবে করতে হয়, কিভাবে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নিতে হয়, আর কোনটা মোক্ষম সুযোগ। বরিস ইয়েলেতসিন যখন পুতিনের হাতে দায়িত্ব দিয়ে ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়াবার ঘোষণা দেন, তা ছিল অপ্রত্যাশিত। তবে সকল প্রমাণ পাওয়া যায় যে উনাকে বাধ্য করেছিলেন ভ্লাদিমির পুতিন। ঝামেলা ছাড়াই সরে যাবার বিনিময়ে ইয়েলেতসিনকে নিয়ে অন্য কোনো খেলা হয় নি।

বিপুল জনপ্রিয়তা নিয়ে পুতিন ক্ষমতায় আসেন। তবে শুরুতেই পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন কুরস্ক ডুবে যাওয়া সহ কিছু ঘটণা উনার জন্য বিব্রতকর হয়। তবে সুচনার সেই দিনগুলো থেকে উনি শিক্ষা নিয়েছেন। রাশিয়ায় এখনো জনতা কমবেশি নিয়ন্ত্রিত, উনি সেটাকে গ্রহণযোগ্য মাত্রায় রেখেছেন। মানুষের সাথে প্রচুর কথা বলেন এবং উনার আশেপাশে যারা আছেন, সবাইকে একান্ত অনুগত বলেই মনে করা হয়। এর অন্যতম উদাহরণ মাঝখানের প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ। রাশিয়ায় সংবিধান অনুসারে পরপর তিনবার প্রেসিডেন্ট হওয়া যায় না। তিনি দু'বার প্রেসিডেন্ট থাকবার পর প্রেসিডেন্ট করেন দিমিত্রি মেদভেদেভকে। তবে সকলেই জানতো কে চালকের আসনে। মেদভেদেভ মেয়াদ পার করবার পর পুতিন এখন আবার প্রেসিডেন্ট এবং এবার আজীবনই থাকবেন। মাঝে সমস্যা চলছিল, পশ্চিমা ইন্ধন ছিল। আরব বসন্তের ছোঁয়া রাশিয়াতেও লেগেছিল এমন মনে হচ্ছিলো। যারা সে সময়ের ঘটণাপ্রবাহ নজরে রেখেছিএন তারা জানবেন, কেমন দক্ষতায় সব আন্দোলন মুছে দিয়েছিলেন তিনি, মনে হচ্ছিলো ব্যাপক জন সমর্থনে পালটা অভ্যুত্থান হচ্ছে। কেজিবি স্টাইলে গুপ্তহত্যার কিছু প্রমাণ অবশ্য পাওয়া যায়। সৌভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সময়টাতে বা বার্লিন ওয়াল ভাঙবার সময়টাতে উনি ছিলেন জার্মানীর ড্রেসডেনে কেজিবির হেডকোয়ার্টারে। শোনা যায় উনি হাতে তেমন শক্তি না থাকবার পরেও কেবল মানসিক দুর্বলতাকে পুঁজি করে বিক্ষুব্ধ জনতাকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। কেজিবির হাজার হাজার নথি পুড়িয়ে নষ্ট করেছিলেন। গণজাগরণকে উনি ভাল চোখে দেখেন এমন মনে করবার কারণ নেই। তবে উনি জানেন কিভাবে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নিতে হয়।

যাইহোক, বর্তমান রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর মানুষ। এমনি আমেরিকান প্রেসিডেন্টও উনার মত ক্ষমতাধর নন। আমেরিকার প্রেসিডেন্টের একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নানা বাঁধা রয়েছে। নিজদলে বিরোধীতার মুখে পড়তে হয় তাদের, জনতার কেউও কোনো পদক্ষেপ বে-আইনী মনে করলে আদালতের আশ্রয় নিতে পারেন। কিন্তু রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট পুতিনের সিদ্ধান্তে বাঁধা দেবার কেউ নেই। পুরো দেশ চলে উনার একক সিদ্ধান্তে। আর নানা ক্ষেত্রে এই একক ক্ষমতা কার্যকরী হিসেবেও দেখা যায়। প্রশাসন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নানা বিষয়ে গতি আনে। মাঝের একটা সময়ের খারাপ সময় কাটিয়ে পুতিন আবার রাশিয়ানদের কাছে ঈশ্বরের মত। জনপ্রিয়তা নিয়ে সন্দেহ নেই। বর্তমান জরিপে তা ৮০% এর উপরে। নিরপেক্ষ যেকোনো জরিপেই হিসাবটা এর আশেপাশেই থাকবে।

২০১৫ সালেও এক কলিগ রাশিয়া থেকে ফিরলে আলাপ করছিলাম। উনি বলছিলেন, সেবারও হুট করে রুবলের দাম কমে যাওয়ায় কেনাকাটার ধুম পরে গিয়েছিল। রুবলের দাম কমেছিল, কিন্তু দোকানে দোকানে জিনিসপত্রের দাম বাড়ে নি একটুও। সবকিছুতে সরকার ভর্তুকি দিয়ে যাচ্ছিলো। রাশিয়ানরা নাকি এই সময়ে বলতো, "পুতিন আছেন, কিছু একটা করবেন।"

রাশিয়া এখনো অনেকটাই তেলগ্যাস নির্ভর। এত বিশাল একটা দেশ রাশিয়া, তারমাঝে রুশদের বাদ দিলেও অনেক অনেক জাতিসত্ত্বা আছে। তাদের একত্রে ধরে রাখাও সমস্যার ব্যাপার। আর এত বড় রাষ্ট্র যদি কেবল তেলগ্যাস নির্ভর হয়, তবে সে রাষ্ট্র যেকোনো সময়েই নাজুক অবস্থায় উপনীত হতে পারে। রাশিয়া সেই তেল ও গ্যাসনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসছে। এটা সম্ভব হয়েছে দীর্ঘদিন একজনের ক্ষমতায় থাকবার জন্য, যিনি দক্ষ, শান্ত ও মানসিকভাবে শক্তিশালী। রাশিয়ার ক্রিমিয়া দখল নাজী জার্মানীর পোল্যান্ড দখলের মতই ঘটণা ছিল। বিশ্বের নানা দেশ প্রতিবাদ জানিয়েছে। তবে সাধারণ রাশিয়ানরা এতে খুশী হয়েছে। তারা মনে করেছে আবার এমন একজন তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যিনি রাশিয়ার পুর্ব গৌরব ফিরিয়ে আনবেন। ক্রিমিয়ার দখল নেবার মাধ্যমে উনি পশ্চিমাদের এই বার্তা দিয়েছেন যে, রাশিয়া এখনো ভীষণভাবে বর্তমান ও শক্তিশালী।

পুতিনের কূটনীতি ও কৌশলে দক্ষতার প্রমাণ পাওয়া যায় সিরিয়ার ব্যাপারে। সিরিয়া নিয়ে আমেরিকা, ইউকে, ইসরায়েল, তুরস্ক ও সৌদি ব্লক যে খেলা শুরু করেছিল আসাদ সরকারকে সরাবার নাম করে, তা নানা জাতিগোত্রে বিভক্ত সিরিয়াকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলো। এখন সিরিয়া বলতে গেলে ধ্বংসস্তুপই। তবে আমেরিকানদের যুক্তিতেই সামরিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে পশ্চিমাশকিগুলো সহ সকলের পরিকল্পনা নষ্ট করে দিয়েছেন। একবিংশ শতকে প্রক্সি ওয়ারের আদর্শ উদাহরণ সিরিয়ান সিভিল ওয়ার। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে বাশার আল আসাদ ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাবেন। বাশার আল আসাদ ধোয়া তুলসীপাতা নন, তবে উনার চেয়ে ভাল বিকল্প আপাতত সিরিয়ার জন্য নেই। যেই দেশের নানা জাতিগোত্রে বিভক্তি চরমমাত্রার, সেইদেশের জন্য দরকার নির্দয় স্বৈরশাসক। মানবাধিকারের বুলি সেখানে অকার্যকর।

আমেরিকার নির্বাচনে রাশিয়া হস্তক্ষেপ করেছে এটা নিয়ে বিতর্ক চলছেই, সম্ভবত করেছিলোও। হিলারীর সাথে পুতিনের সম্পর্ক অনেক আগে থেকেই খারাপ। হিলারী বলেছিলেন, পুতিন কেজিবি এজেন্ট, উনার মধ্যে মানুষের সত্ত্বা থাকতে পারে না। পুতিনও জবাব দিয়েছিলেন। আর তার সকল জবাব ছিল রসবোধের পরিচায়ক এবং অখণ্ডনীয়। ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন জানাবার পর আমেরিকান এক মুসলিম সাংবাদিক (নাম ভুলে গেছি, সামথিং জাকারিয়া হবে হয়ত) উনাকে প্রশ্ন করেছিলেন, ট্রাম্পের মত একজন মানুষকে আপনি সমর্থন করছেন কোন যুক্তিতে? পুতিন উত্তর দিয়েছিলেন, "ট্রাম্প বলছেন রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন করবেন। বিশ্বের শক্তিধর প্রধান দুইরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক ভাল করতে চাওয়া তো ভাল ব্যাপার। আপনি চান না সম্পর্ক ভাল হোক?" অথবা রাশিয়ায় গণতন্ত্র নেই এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উনি বলেছিলেন, "তুমি এমন দেশের মানুষ, যে দেশের গণতন্ত্রে সবচেয়ে বেশি ভোট পাওয়া প্রার্থী নির্বাচিত হয় না। সুপার ডেলিগেট নামের সামন্তবাদীদের দাপটে প্রার্থী বিজয়ী হয়। এটা কেমন গণতন্ত্র? আবার তোমাদের গণতন্ত্র এমন যে তোমরাই অভিযোগ করো অন্য দেশ সেই গণতন্ত্রে প্রভাব বিস্তার করতে পারে। তোমাদের গণতন্ত্র তাহলে কেমন?"

ছোটবেলা থেকেই রাশিয়া আমার কাছে একটা রহস্যময় দেশ। এই দেশের মানুষগুলো আলাদা। তাদের প্রযুক্তি, কার করবার ধরণ আলাদা। আমি যখন কাজ করতে গিয়ে কোনো আমেরিকান বা ইউরোপিয়ান সার্কিট দেখি, তখন দেখি তার সাথে রাশিয়ান ইলেক্ট্রনিক সার্কিটের তেমন মিল নেই। একই জিনিস তারা করছে সম্পূর্ণ আলাদাভাবে। আবার চাইনিজ সার্কিটবোর্ড দেখলে কিছুই বোঝা যায় না। তারা কোনো কনভেনশন মানে না। নিজেদের বানানো কোনোকিছু ডকুমেন্ট হারিয়ে গেলে নিজেরাই বুঝবে নাকি সে ব্যাপারে আমার সন্দেহ আছে। তাদের শক্তি তাদের বিশাল জনসংখ্যা, আভ্যন্তরীণ বাজার। আর রাশিয়ানদের সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে তারা জানে তারা আলাদা। যুদ্ধ, বানিজ্য সহ সকল ব্যাপারে তাদের ধ্যানধারণা অনেক প্রথার একটু হলেও বাইরে।

প্রশ্ন হচ্ছে, একজন পুতিন কি বিশ্বের জন্য ভালো? এর সরাসরি কোনো উত্তর নেই। পুতিন একজন চতুর ও নির্দয় মানুষ। পিশাচও বলা যেতে পারে। তবে উনি রাশিয়ানদের আরও অনেক ভালো অবস্থানে দেখতে চান, রাশিয়ার মঙ্গলের জন্য কাজ করছেন তাও বলা যায়। বিশ্বের নানাদেশে রাশিয়ার বর্তমান হস্তক্ষেপের ভালো খারাপ দুটা দিকই আছে। উত্তর কোরিয়াকে সাপোর্ট করা নৈতিকতাবিরুদ্ধ, তবে কোনো শক্তিধর রাষ্ট্রই চায় না তাদের সীমানায় আরেক পরাশক্তির উপস্থিতি। উত্তর কোরিয়ার প্রতি অন্ধ সমর্থন মূলত সেই কারণে। সিরিয়াতে তাদের সমর সক্ষমতার প্রদর্শনীর একটা কারণ অস্ত্রেরবাজারে নিজেদের প্রভাব আবারো ফিরে পাবার লক্ষ্য। যেকোনো পরাশক্তি আসলে তাদের স্বার্থের জন্যই কাজ করে। মানবতার খাতিরে কাজ করেছে এমন উদাহরণ তেমন নেই। ইরাকে সাদ্দাম হোসেনকে অপসারণ, লিবিয়াতে গাদ্দাফির অপসারণ, এসবই জনতাকে সহায়তার জন্য করা হয় নি, হয়েছে পশ্চিমাদের ভূ-রাজনোইতিক স্বার্থে। নইলে একই কারণে হোসনী মুবারকের পতনের পর বছরখানেকের পালাবদল শেষে আবারো জেনারেল সিসির ক্ষমতায় আসবার কথা নয়, সমর্থকও পরাশক্তিগুলোই। রাশিয়ার স্খলনকে তাই সরাসরি দোষ না বলে পরাশক্তি হবার বৈশিষ্ট্য বলা যেতে পারে।

কোন রাষ্ট্রের একক নিয়ন্ত্রণে থাকা বিশ্বের জন্য ভালো নয়। বিশ্বের জন্য দরকার ক্ষমতার ভারসাম্য। রাশিয়া ও চীনের ধীরে ধীরে সক্ষম পরাশক্তি হিসেবে উত্থান বৈশ্বিক ভারসাম্যের জন্য ভাল হবে। তবে তারা যে পথ অনুসরণ করছে তা মানবজাতির জন্য আদর্শ নয়। চীন একদিন প্রভাবে অবশ্যই আমেরিকা রাশিয়াকে ছাড়িয়ে যাবে। তখন বিশ্বে নতুন দূর্দিনের সূচনা হবে। সমাজতন্ত্রের লেবাসধারী হলেও বর্তমানবিশ্বে পুঁজিবাদ সবচেয়ে প্রকট চীনাদের মধ্যেই। পশ্চিমারা এতদিন তৃতীয়বিশ্বের দূর্নীতি ঢুকিয়ে দিয়ে প্রভাব বজায় রেখেছে, সংঘাত জিইয়ে রেখেছে। আর চীনারা তৃতীয়বিশ্বের দেশেদেশে ব্যুরোক্রেসীতে পচন ধরাচ্ছে। তাদের রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান নীতি তৃতীয়বিশ্ব সহ অনেক রাষ্ট্রের নীতিহীন মানুষদের সুবিধাপ্রদানের মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ উদ্ধার।

একজন পুতিন বৈশ্বিক ভারসাম্যের জন্য ভাল, রাশিয়ানদের জন্য অবশ্যই ভাল। তবে রাশিয়ার জন্য পরবর্তীতে সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে পুতিনের প্রতি একক নির্ভরশীলতা। একদিন পুতিন থাকবেন না, তখন রাশিয়া পড়বে শূন্যতায়। যতদূর দেখা যায়, রাশিয়ায় কোন নেতাকে পুতিনের উত্তরসূরী ভাবা সম্ভব না। পুতিন এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো প্রতিপক্ষ, প্রতিদ্বন্দী বা শূন্যতা পূরণে সক্ষম সহায়ক নেতৃত্ব রাখেন নি। পুতিন পরবর্তী বিশ্বের ভবিষ্যত গতিবিধি অনিশ্চিত হবে যদি রাশিয়া সক্ষম নেতা না পায়, বিশ্ব নিজগতিতে চলবে কেউ না আসলেও। তবে পুতিন পরবর্তী রাশিয়া কীভাবে চলবে সেটা রাশিয়ানরাও সম্ভবত জানে না।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

আমি অথবা অন্য কেউ
আমি অথবা অন্য কেউ এর ছবি
Offline
Last seen: 5 ঘন্টা 33 min ago
Joined: শুক্রবার, জুন 17, 2016 - 12:11অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর