নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মুফতি মাসুদ
  • সংশপ্তক শুভ
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

জাহান্নাম তুমি কার?


আল্লাহ বা ঈশ্বর আছে বা নেই এই নিয়ে তো বিতর্কের শেষ নেই।যেদিন থেকে ঈশ্বর বা আল্লাহ নামক কন্সেপ্টের উদ্ভব হয়েছে সেদিন থেকে এই বিতর্ক চলে আসছে। সবাই যে যার পক্ষে যুক্তি দেখাচ্ছে। এটা চলতে থাকবে সেই দিন পর্যন্ত যেদিন না ঈশ্বরের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যায় কিংবা সবাই সর্বসম্মতিক্রমে ঈশ্বরকে মেনে নেয়। কিন্তু সমস্যা টা এই জায়াগাতেই। কারণ যারা ঈশ্বরবাদী তারা তাদের অবস্থানে অটল তারা কোনভাবেই যুক্তি বা বিজ্ঞানকে মানতেই পারে না। তারা গোজামিল দিয়ে হলেও বোঝানোর চেষ্টা করে ঈশ্বর বিরাজমান।এই পৃথিবীতে হাজারের ও অধিক ঈশ্বর আছেন আর লক্ষের ও বেশী ঈশ্বরের অবতার বা পয়গাম্বর আছেন। যেহেতু ইসলাম বর্তমান সময়ের আলোচিত এবং সমালোচিত একটা ধর্ম তাই এটাকেই রেফারেন্স হিসেবে ধরছি।

আল্লাহ কিন্তু সরাসরি পৃথিবীতে আসেন নি। তিনি জিব্রাইলের মাধ্যমে ওহি (বার্তা) পাঠাতেন তার প্রতিনিধির কাছে। তার সেই প্রতিনিধি আবার মানুষের কাছে সেই বার্তা পৌছে দিতেন।মুলত আল্লাহ আর তার প্রতিনিধি মানে তার প্রেরিত নবী রাসুলদের মাঝে এভাবেই যোগাযোগ হতো। এখন ধরুন আপনি একটা বার্তা পোঁছাতে চান আপনার কোন এক বন্ধুর নিকট কিন্তু সেই বন্ধু লিখতে বা পড়তে পাড়ে নি। কি করবেন আপনি? না না মোবাইল বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করা যাবে না।কারো মাধ্যমে পাঠাবেন তাইতো। কিন্তু এক কান থেকে আরেক কানে যখন কথা যায় তখন কিছুটা পরিবর্তিত না হলেও তো কিছু শব্দ অপ্রকাশিত থেকে যাবে তাই নয়কি? কিন্তু জিব্রাইলের বেলায় এটা হবে না কারণ জিব্রাইল তো আল্লাহর মনোনিত বার্তাবাহক। তার নিশ্চয় এমন কোন
বিশেষ ক্ষমতা দিয়ে রাখছেন আল্লাহ।কারণ আল্লাহ তো সর্ব শক্তিমান।আল্লাহ তো মহান তিনি পারেন না এমন কোন কিছু নাই।এখন কথা হচ্ছে যিনি এই মহাবিশ্ব বানালেন তিনি কি প্রযুক্তির সাহায্য নিতে পারতেন না? তার প্রযুক্তি তো সর্ব শ্রেষ্ট। ওহী নিয়ে একটা হাদিস আছে।

আয়শা হতে বর্নিত, হারেছ ইবনে হেশাম হুযুরকে জিজ্ঞেস করিয়াছিলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! আপনার নিকট ওহী আসে কিভাবে ? তিনি বলিলেন, প্রতিটি ওহীর সময় ফিরিস্তাই আগমন করে। কখনও কখনও ঘন্টার মত শব্দ করিয়া আসে। যখন ওহী সমাপ্ত হয় তখন ফিরিস্তা যা বলিল, আমি তাহা মুখস্ত করিয়া লই। এই ঘন্টার শব্দের মত ওহীটিই আমার কাছে অত্যন্ত কঠিন অনুভুত হয়। আর কখনও কখনও ফিরিস্তা মানবরূপে আগমন করে, আমার সাথে কথা বলে। সে যাহা বলে, আমি তাহা মুখস্ত করিয়া লই। সহী বুখারী, বই-৫৪, হাদিস-৪৩৮

ব্যাপারটা কিন্তু অন্যরকম। অনেকটা রাজকীয় ব্যাপার সাপার।এটাও মানলাম। আল্লাহ তো এমনটাই তো হবার কথা ছিল। কিন্তু ব্যাপারগুলো অন্যরকম হতে পারতো না? আল্লাহ তার প্রিয় বন্ধুকে তার সর্বশ্রেষ্ট প্রযুক্তি যন্ত্র দিয়ে যোগাযোগ করতে পারতেন। আল্লাহর নবী তলোয়ার হাতে না নিয়ে এমন একটা ডিভাইস হাতে নিতেন যেটার মাধ্যমে সারা দুনিয়াতে তার বানী পৌছে দিতে পারতেন।আমার মতো অবিশাসী তখন প্রশ্ন তুলতো না। দিকে দিকে ইসলামের জয়গান ছড়িয়ে পড়ত।মানুষে মানুষে লড়াই করতো না। বোমা মারত না। গলা কাটতো না। ডকিন্সের মতো বিজ্ঞানীকে ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে হতো না।

আরে ভাই থামেন কি বলেন এগুলা অনেক হইছে।আপনার আগেও অনেকে এসব নিয়ে কথা বলে গেছে। আপনারা বুঝেন না ক্যান আল্লাহ মহান উনি যাই করেছেন তার নিশ্চয় কোন উদ্দেশ্য আছে। উনি কি আপনার আর আমার মতো সাধারণ মানুষ যে এতো সাধারণ চিন্তা করবেন। কোথাকার কে আসছে আল্লাহ কে নিয়ে কথা বলছে। আপনি জাহান্নামে যাবেন বুঝলেন। এসব কথা বলেন না আর আল্লাহর রাস্তায় আসেন তওবা করেন।আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করবেন কারণ আল্লাহ পরম দয়ালু।

হ্যাঁ আল্লাহ দয়ালু । তার দয়ার নমুনা তো দেখতেই পাচ্ছি।জানেন কতো মানুষ প্রতিদিন না খেয়ে মরছে। হিসেব রাখেন? কতশিশু জটিল ও কঠিন রোগে মারা যাচ্ছে কোন খবর রাখেন? কোথায় থাকে আপনার আল্লাহ তখন? আরে ভাই আমি বলি শুনেন আল্লাহ যদি সত্যি থাকতো না তাইলে এই মানুষগুলার এতো দুর্দশা হতো না। কারণ তিনি তো পরম দয়ালু। তিনি সবাইকে সমান অধিকার দিয়ে জন্ম গ্রহন করাইতেন।এতো ভাগ হতো না মানুষের মাঝে।

আরে রাখেন মিয়া আপনার প্যাচাল। এসব আল্লাহর পরিক্ষা। এর মাঝে যারা উত্তীর্ণ হবেন তারা পাবেন সর্ব সুখ। তাদের জন্য আল্লাহ উত্তম পুরষ্কার রেখেছেন।

একটু আগে ভয় দেখালেন এখন আবার লোভ।এভাবে কি কিছু হয় বলেন।কোন কিছুই মেলে না ভাই। কখনো আল্লাহ ভয় দেখান কখনো লোভ। পরীক্ষার কথা বললেন না? আচ্ছা আমরা যখন কোন পরীক্ষায় বসি সেটা এসএসসি হোক বা এইচএসসি কিংবা বিএসসি সেখানে তো সবার এক প্রশ্নে পরীক্ষা হয় তাই না?কোন এমপি বা মিনিষ্টারের ছেলের জন্য কিংবা কোন ভিখারির ছেলের জন্য তো আলাদা প্রশ্নপত্র হয় না।আল্লাহ কেন আমাদের এই পরীক্ষায় আলাদা আলাদা প্রশ্নের সেট রেখেছেন? সোমালিয়ায় জন্ম নেওয়া ঐ শিশুটার জন্মই কি আজন্ম পাপ? বা আফ্রিকার জংগলে যারা বাস করে যেখানে এখনো মানুষের পদধূলি পৌছায় নি তাদেরই বা অপরাধ কি? ইসলাম না সাম্যের কথা বলে? কোথায় ভাই আল্লাহ তো সিষ্টেমেই ভুল করে রাখছে। শুধু কি সিষ্টেমে? তার মাষ্টারপ্লান কিতাবে কি বলেছেন জানেন আপনি? আচ্ছা আগে বলেন তো কোরান তো আল্লাহর লেখা তাই না? যদি আল্লাহর লেখা মানে উনার বানী হয় তবে উনি কি বলছেন দ্যাখেন।

এতে সন্দেহ নেই যে যারা আমার নিদর্শন সমূহের প্রতি যে সব লোক অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করবে, আমি তাদেরকে আগুনে নিক্ষেপ করব। তাদের চামড়াগুলো যখন জ্বলে পুড়ে যাবে, তখন আমি আবার তা পাল্টে দেব অন্য চামড়া দিয়ে যাতে তারা আযাব আস্বাদন করতে থাকে। নিশ্চয়ই আল্লাহ মহা পরাক্রমশালী ও হেকমত কারী। ০৪:৫৬

অতএব, তোমার পালনকর্তার কসম, সে লোক ইমানদার হবে না যতক্ষন না তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদে তোমাকে ন্যয়বিচারক বলে মনে না করে। ০৪:৬৫

পাঠ করুন, আপনার পালন কর্তার নামে ।৯৬:০১

নিশ্চয়ই আল্লাহ মহা পরাক্রমশালী ও হেকমত কারী- এ টুকুকে কি আল্লাহর বানী মনে হয়? আল্লাহ বললে তো বলতেন নিশ্চয় আমি মহা পরাক্রমশালী ও হেকমতকারী। আরেকটা আয়াতে দেখা যাচ্ছে আল্লাহ নিজেই নিজের নামে কসম কাটেন। এটা কেমন কথা ভাই আল্লাহ যে তার কথা বিশ্বাস করাতে তাকেই কসম কাটতে হয় ?

ভাই আপনি তো কাফের হয়ে গেছেন। আপনার সাথে বেশী আলাপ করা যাবে না।এখন বুঝতেছেন না আপনি মারা গেলে বুঝবেন আপনার জন্য জাহান্নাম অপেক্ষা করছে।

হ্যাঁ এটাও আপনার আল্লাহর মাষ্টারপ্লান। এখানেও সিষ্টেমে ত্রুটি আছে। উনি কেন বললেন যে

নিশ্চিতই যারা কাফের হয়েছে তাদেরকে আপনি ভয় প্রদর্শন করুন আর নাই করুন তাতে কিছুই আসে যায় না, তারা ঈমান আনবে না।আল্লাহ তাদের অন্তকরণ এবং তাদের কানসমূহ বন্ধ করে দিয়েছেন, আর তাদের চোখসমূহ পর্দায় ঢেকে দিয়েছেন। আর তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি। সূরা বাকারা-০২:৬-৭


উনি যখন নিজেই সবকিছু করে রেখেছেন তাইলে এই জাহান্নাম কার জন্য? মানুষের না স্বয়ং আল্লাহর??

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মিথুন
মিথুন এর ছবি
Offline
Last seen: 7 ঘন্টা 32 min ago
Joined: বুধবার, অক্টোবর 7, 2015 - 8:46অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর