নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সৈকত সমুদ্র
  • জিসান রাহমান
  • নরসুন্দর মানুষ
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • আকিব মেহেদী

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

নারীমুক্তি নাকি যৌনমুক্তি ! --- ? ২য় পর্ব


ট্যাবু ভেঙেও বেরতে হবে। ট্যাবু ভেঙে বেরতে না-পারলে দাসত্ব মানতেই হবে, পুরুষকে ও নারীকেও। মুক্তি শুধু নারীই প্রয়োজন নেই, মুক্তির প্রয়োজন নারী-পুরুষ উভয়রেই। পুরুষতন্ত্রই যেহেতু নারীর শোষক, তাই সামাজিক বিপ্লবের ফলে পুরুষ কিছুটা মুক্তি পেলেও, নারী কিছুই পায় না। মার্কসীয় ধারণায় – পুঁজিবাদ এবং পুরুষতন্ত্র অবিচ্ছেদ্য। একটি আর-একটিকে শক্তিশালী করে। ব্যক্তি মালিকানার বিলুপ্তির দ্বারাই নারী-শোষণ বন্ধ করা সম্ভব। শোষণের সমাজকাঠামো পালটে মানুষের সাম্য প্রতিষ্ঠিত হলেই সম্ভব নারী-পুরুষের সাম্য। সমাজ কাঠামো পালটালে নারীমুক্তি এমনিই আসবে। মার্কসীয় নারীবাদে পরিবার সংগঠনটির মৌলিক পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। পরিবারের সমস্ত রকম আর্থিক দায়-দায়িত্ব বহনের ভার রাষ্ট্রের। ফলে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক মালিক ও দাসীর হবে না। সাম্যবাদে এক স্বামী-স্ত্রীর পরিবার থাকবে। তবে তা থাকবে সামাজিক একক হিসাবে। সাম্যবাদের বিবাহে থাকবে না কোনো আর্থিক চুক্তি,না-থাকবে কোনো ভরণ পোষণের দায়িত্ব নেওয়ার চুক্তি। মোদ্দা কথা হল, নারীকে মুক্ত হতে হলে সমাজের সবরকম কর্তৃত্বে নির্দ্বিধায় অংশ নিতে হবে। গভীর আত্মপ্রকাশের মধ্য দিয়েই আসবে স্বাধীনতা।

কোন এক বিদেশি পাইলট নাকি ব্যঙ্গ করে বলেছিল : “বাংলাদেশে সবচাইতে সস্তা হল মেয়ে মানুষ। মাত্র 10$ এর বিনিময়ে সারা রাত একটা মেয়েকে ভোগ করা যায়”। বাংলাদেশের মেয়ে হোক কিংবা ভারত, পাকিস্তান হোক কিংবা আমেরিকার মেয়ে – তাতে কী ফারাক পড়ে ! নারী বাঙালি নাকি জার্মানি – তাতেই-বা কী এসে যায় ! ১০ ডলার,নাকি ১০০ ডলার – তাতেই-বা কী এসে যায় ! চিত্রটা কি খুব বদলায় ! নারী নিজেকে বিক্রি করে,নারী বিক্রিত হয়। বিনিময় ছাড়া একজন পুরুষও নারীসঙ্গ পেতে পারে না (আজকাল অবশ্য কিছু নারী নিজের গাঁটের কড়ি খরচা করে পুরুষ-সঙ্গ প্রাপ্ত হচ্ছে।)।

অবচেতন মনে নারী কবেই নিজেকে পণ্য বানিয়ে ফেলেছে, তা নারীরা নিজেই জানে না। তাই নারী‘মানুষ’ হতে পারছে না। নারী পণ্য হতে পেরেছে। অজ্ঞানতায় অথবা সজ্ঞানতায় নারী নিজেকে‘খাদ্য’ ছাড়া কিছুই নির্মাণ করে উঠতে পারেনি। শরীর সর্বস্বই নারীর অস্তিত্ব। তাই নারীর বেশিরভাগ কাজের জগৎ নারীর শরীরকে ঘিরে। প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে। প্রয়োজনে (?) নারীকে শরীর খুলে দিতে হবে – এই শর্তে অনেক সিনেমা-সিরিয়ালে চুক্তি-সই করতে হয়। প্রেমে শরীর সমর্পণ এক কথা, বিনিময়ে শরীর সমর্পণ নারীকে মানুষ হতে বাধা দেয়। নারীর শরীর বিক্রি হয়, সেই শরীর বিক্রির চড়া বাজারও হয়। সেদিন একটি পুলিশের ফাইল পড়ছিলাম – সেখানে দেখা যাচ্ছে সিনেমা-সিরিয়ালে অভিনেত্রী হওয়ার জন্য ডিরেক্টরের বিছানায় নিজের শরীর ঢেলে দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বহু নারী। শুধু একটা চান্স ! আমার এক পরিচিত মডেল ফোটোগ্রাফার, তাঁর মুখ থেকে শুনেছি – “মাঝরাতে মেয়েরা আমার হোটেল ঘরে কড়া নাড়ায়, উদ্দেশ্য তাঁর ছবিগুলি যেন মাস্টারপিস হয়। সেই কারণে তাঁর ‘চর্চিত’ শরীর ভেট দিতেও প্রস্তুত। শরীর মেলে ধরে ফোটোগ্রাফারকে বশ করতে চায়।”

স্খলিত পুরুষ বধ হয়, বিনিময়ে সে নারীর স্বপ্নপূরণ করার ব্রতী হন। নারীর অস্তিত্ব কি কেবল শরীরেই ! যোগ্যতা-গুণ থাকতে শরীর কেন ? সিঁড়ি অতিক্রম করতে নারীশরীর কেন ব্যবহৃত হবে ? মিডিয়ার কর্পোরেট হাউসগুলি বিজ্ঞাপন সংগ্রহের মতো পেশায় মেয়েদের নিয়োগ করা হয় এই কথা মাথায় রেখেই। বহু বেসরকারি ড্রিল হয়ে যায় মেয়েদের শরীরকে ব্যবহার করেই। নারী ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় বিক্রি হয়ে যায়। বাজারে নারী মাংসের চাহিদার জোগান দেন নারীরাই। নারীর মর্যাদাহানি হয়। নারীমুক্তি মানে কি শুধুই যৌনমুক্তি !

নারী শরীরকে যে পুরুষরা ব্যবহার করছে, সেটা নারী বোঝে না ? নারী কেন পণ্য হয় ? তাই কি নারীকে পণ্যের মতো নিজেকে সাজিয়ে-গুছিয়ে রাখতে হয় ? সঙ সাজতে হয় ? নারীর রুমাল ক্ষুদ্র হয়, নারীর ছাতা ক্ষুদ্র এবং ডিজাইন করা হয়, নারীর জুতো পর্যন্ত পলকা, নারীর পোশাক ক্ষুদ্র হতে থাকে। নারী আরও মোহময়ী হয়। যে যার সাধ্যমতো কসমেটিক ঘসে ঘসে মোহময়ী হয়ে উঠতে চায় প্রতিদিন। নারীর কোনো নিজস্বতা নেই। নারী নকল ও কৃত্রিমতায় অভ্যস্ত। নারী জানে, নারী সব জানে। সঙ সাজার সংস্কার থেকে নারী বেরতে পারে না, বেরতে চায় না। কে যেন বলেছিল নারীর চাইতে পুরুষ প্রকৃতিভাবে সুন্দর। পুরুষকে সাজতে হয় না, নারীকে সাজতে হয়। সাজতেই হয়। নারী এত রং মাখে কেন !

নারী প্রসঙ্গে দুটো কথা প্রচলন আছে এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজে। একটি শ্রদ্ধার, নারী মায়ের জাত। আর-একটি অনুকম্পার, নারী পরের ভাগ্যে খায়। দেশভেদে তারতম্য থাকলেও পুরুষদের ধারণা দেওয়া হয় যে, তারা নারীদের ঊর্ধ্বতন এবং নারী তাদের অধস্তন ব্যক্তি। বিলীয়মান সামান্য কিছু মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ছাড়া পৃথিবীর প্রায় সর্বত্রই এই পুরুষতন্ত্র বিরাজমান হয়ে আছে। যেখানে নারী নিজের ভাগ্যে খায় আর পুরুষ নারীর ভাগ্যে বা তার অর্জনে খায় সেখানে কেবল পুরুষতন্ত্রের মহিমায় কোনো পুরুষ কি ঊর্ধ্বতন মর্যাদা দাবি করতে পারবে ? ধর্ম নারীকে পিষে মেরেছে। পুরুষ শাস্ত্রকারদের চিরন্তন অধস্তনতার বিধানে নারী আমৃত্যু পিতা, স্বামী ও পুত্রের অধীন-অভিভাবকত্বে থাকবে। এমন অবস্থা শুধু হিন্দু সমাজে নয়,পৃথিবীর প্রায় সকল পিতৃতান্ত্রিক সমাজে প্রচলিত ছিল। “বাল্যে পিতুর্বশে তিষ্ঠেৎ পাণিগ্রাহস্য যৌবনে।/পুত্রাণাং ভর্তরি প্রেতে ন ভজেৎ স্ত্রী স্বতন্ত্রতাম্” ।। স্ত্রীলোক বাল্যাবস্থায় পিতার অধীনে থাকবে, যৌবনকালে পাণিগ্রহীতার অর্থাৎ স্বামীর অধীনে থাকবে এবং স্বামীর মৃত্যু হলে পুত্রদের অধীনে থাকবে। (পুত্র না থাকলে স্বামীর সপিণ্ড,স্বামীর সপিণ্ড না-থাকলে পিতার সপিণ্ড এবং পিতার সপিণ্ড না থাকলে রাজার বশে থাকবে),কিন্তু কোনও অবস্থাতেই স্ত্রীলোক স্বাধীনতা লাভ করতে পারবে না। (৫/১৪৮)। কেন এই প্রহরা ? কীসের প্রহরা ? নারীর, না নারীর শরীরের ? পুরুষ-কেন্দ্রিকতায় নারীর প্রতি এই সম্পত্তি-ধারণা থেকেই হয়তো পুরুষের নারীসংরক্ষণের দৃষ্টিভঙ্গি উদ্ভূত। অসতর্ক হলেই এ সম্পত্তি নষ্ট বা হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে। তাই মনুশাস্ত্রে উক্ত হয় :“অস্বতন্ত্রাঃ স্ত্রিয়ঃ কার্যাঃ পুরুষৈ স্বৈর্দিবানিশম্।/বিষয়েষু চ সজ্জন্তঃ সংস্থাপ্যা আত্মনো বশে”।।স্ত্রীলোকদের আত্মীয় পুরুষগণের (অর্থাৎ পিতা,স্বামী, পুত্র প্রভৃতি যে সব পুরুষ স্ত্রীলোককে রক্ষা করার অধিকারী, তাদের) উচিত হবে না, দিন ও রাত্রির মধ্যে কোনও সময়ে স্ত্রীলোককে স্বাতন্ত্র্য অবলম্বন করতে দেওয়া (অর্থাৎ স্ত্রীলোকেরা যে নিজেদের ইচ্ছামতো ধর্ম, অর্থ ও কামে প্রবৃত্ত হবে তা হতে দেবে না)। স্ত্রীলোকেরা গান-বাজনা প্রভৃতি বিষয়ে আসক্ত হতে থাকলে তা থেকে তাদের নিবৃত্ত করে নিজের বশে রাখতে হবে। (৯/২)। ইসলাম ধর্মের পুরুষরা নারীকে এমন কিছু অধিকার দিয়েছিলেন, যেগুলি হিন্দু, খ্রিস্ট-ইহুদি ধর্মে দেয়নি। আবার নারীকে দাসী বানানোর প্রশ্নে পৃথিবীর সব ধর্মরেই এক না।

“পুরুষ নারীর কর্তা, কারণ আল্লাহ তাদের এককে অপরের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন…….স্ত্রীদের মধ্যে যাদের অবাধ্যতার আশঙ্কা করো তাদের সদুপদেশ দাও, তারপর তাদের শয্যা ত্যাগ করো এবং তাদের প্রহার করো।”(সুরা নিসা : ৩৪)“তোমাদের স্ত্রী তোমাদের শস্যক্ষেত্র, তাই তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যেভাবে খুশি প্রবেশ করতে পারো।” (সুরা নিসা : ২২৩) “বিয়ে করবে নারীদের মধ্যে যাদের ভালো লাগে দুই, তিন অথবা চার।”(সুরা নিসা : ৪) একদা বহুবিবাহ সব ধর্মেই ছিল। ১৯৫২ সালে হিন্দু ম্যারেজ অ্যাক্ট চালু করার আগে হিন্দু পুরুষরা একাধিক নারীকে বিয়ে করতে পারত। তার জন্য পূর্বের স্ত্রীর কোনো অনুমতি লাগত না। কৌশল্যা, কৈকেয়ী, সুমিত্রা – এই তিন নারী দশরথের স্ত্রী ছিলেন। দ্রৌপদ রাজার একমাত্র কন্যা দ্রৌপদী, কৌরব্যনাগের কন্যা উলুপী (ইনি পূর্ব-বিবাহিতা ছিলেন), মণিপুররাজ চিত্রবাহনের কন্যা চিত্রাঙ্গদা এবং কৃষ্ণ ভগিনী সুভদ্রা – এই চার নারী অর্জুনের স্ত্রী ছিলেন। কৃষ্ণের স্ত্রী তথা মহিষীদের মধ্যে আটজন ছিলেন প্রধান, যাদের‘অষ্টভার্যা’ নামে অভিহিত করা হয়। এঁরা হলেন রুক্মিণী, সত্যভামা, জাম্ববতী, কালিন্দি, মিত্রবৃন্দা,নগ্নাজিতি, ভদ্রা এবং লক্ষণা। এছাড়া কথিত আছে,কৃষ্ণ ১৬১০০ নারীকে নরকাসুর নামক অসুরের কারাগার থেকে উদ্ধার করে তাদের সম্মান রক্ষার্থে তাদের বিবাহ করেন। কুন্তির নির্দেশে ভীম স্ত্রী দ্রৌপদী থাকা সত্ত্বেও হিড়িম্ব রাক্ষসকে হত্যা করে রাক্ষসী হিড়িম্বাকে বিয়ে করেন। অবশ্য মহাভারত-রামায়ণের যুগে পুরুষরা যেমন একাধিক নারীকে স্ত্রী হিসাবে গ্রহণ করতে পারতেন, তেমনি নারীরাও একাধিক পুরুষকে বিবাহ করতে পারতেন। নিদেনপক্ষে একাধিক পুরুষের সঙ্গে দেহসম্ভোগ করতে পারতেন তারা। কুন্তি এমনই এক আদর্শ নারী, যিনি বিয়ে না-করেও একাধিক পুরুষের সঙ্গে দেহসম্ভোগে লিপ্ত হয়েছেন। সূর্যের ঔরসে কানীন কুন্তির গর্ভে কর্ণের জন্ম হয়, ধর্মের ঔরসে যুধিষ্ঠিরের জন্ম হয়, বায়ুর ঔরসে ভীম এবং ইন্দ্রের ঔরসে অর্জুনের জন্ম হয়। সতীন মাদ্রী কুন্তীর এমন সিদ্ধান্তে উৎসাহিত হয়ে পড়ল। স্বামী পাণ্ডুর যৌন-অক্ষমতার কারণে মাদ্রীও সে সুযোগ ছাড়লেন না। তিনিও অশ্বিনীর বীর্য শরীরে ধারণ করে দুই পুত্র সহদেব ও নকুলকে জন্ম দেন। দিলীপের স্ত্রী সুদক্ষিণাও ঋষির বাড়িতে গিয়ে গর্ভধারণ করে রাজাকে পুত্রসন্তান উপহার দেন। রামায়ণ-মহাভারতের যুগ শেষ হয়ে গেল মনুসংহিতার যুগে এসে। মনু নারীকে ‘দেবী’, ‘সম্রাজ্ঞী’, ‘মা-বোনের জাত’ বলে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে চার দেয়ালের মধ্যে ঢুকিয়ে দারজায় তালা ঝুলিয়ে দিলেন। রামায়ণ-মহাভারতের মানুষ-নারী মনুযুগে এসে দাসী-নারীতে রূপান্তরিত হল। “স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রী ফলমূলের স্বল্পাহার দ্বারা দেহ ক্ষয় করবে,তবু পরপুরুষের নাম করবে না।”(মনুসংহিতা – ৫ : ১৫৭) “স্ত্রীর মৃত্যু হলে দাহ ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শেষে স্বামী পুনরায় বিয়ে করবে।”(মনুসংহিতা – ৫ : ১৬৮) “লাঠি দিয়ে মেরে নারীকে দুর্বল করা উচিত,যাতে নিজের দেহ বা সম্পত্তির উপরে আর কোনো অধিকার না থাকে।”(বৃহদারণ্যক উপনিষদ – ১ : ৯ : ২ : ১৪) নারী তো শুধু দাসীই নয়, ভয়ংকরীও বটে!

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

বিকাশ দাস বাপ্পী
বিকাশ দাস বাপ্পী এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 19 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, মার্চ 17, 2017 - 1:00পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর