নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • রহমান বর্ণিল

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

নবীর অমর প্রেম কথা (পুরানো সেই দিনের কথা...) ১ :


উম্মে হানীকে ও নবীকে নিয়ে বিভিন্ন ব্লগে, ফেসবুকে, আমরা ট্রল দেখে অভ্যস্ত ! ট্রলের বাইরেও যে একটা গর্হিত সত্য লুকিয়ে আছে সেটা আমরা অনেকেই জানার চেষ্টা করিনা । এই জানার চেষ্টা থেকেই এই লেখার প্রেরণা । উম্মে হানীর সাথে যে নবী আজীবন পরকীয়া প্রেম করে গেছে অগুনতি স্ত্রী ও যৌন দাসী থাকা সত্যেও, সে বিষয়ে আলোকপাত করা অত্যন্ত জটিল এবং বিপদজনক। ইসলামী পণ্ডিতেরা কোন কিছুই তেমনভাবে জানাতে চায় না, কারণ নবীর জীবনের এই অধ্যায়টা খুব একটা সাচ্ছন্দকর নয়। উম্মে হানী ছিল মুহাম্মদের প্রথম এবং আজীবন প্রেম । মুহাম্মদের এই পরকীয়া প্রেমের অনেক প্রশ্নের উত্তর পাঠক প্রাচীন জীবনীকারদের থেকে জানা তথ্য অনুযায়ী পাবেন । ইসলামি জঙ্গিদের কাছে নবীর জীবনের এই গোপন ব্যাপারটা খুবই স্পর্শকাতর। যেই এব্যাপারে লিখবে সেই ইসলামী জঙ্গিদের রোষানলে পরবে জেনেও, লেখাটা শুরু করলাম । ইসলাম ধর্মের চরিত্রগুলো পৃথিবীর বুকে একসময় বাস করত, ইতিহাস তার সাক্ষী, আর তাই এটা নিয়ে পড়ার একটা মানে আছে । পড়ে পড়ে জানছি আর লিখছি । কল্পকথার ধর্ম নিয়ে পড়া সময়ের অপচয় । তাহলে এই লেখার মূলে আসা যাক ।

আমরা এই উম্মে হানী কে ছিল, তা একটু প্রথমে জেনে নি । বাবা আবদুল্লাহ ও ছয় বছর বয়সে মা আমিনাকে হারানোর পর মুহাম্মদকে আট বছর বয়স পর্যন্ত লালন পালন করে নবীর ঠাকুরদা আবদুল মুত্তালিব। আবদুল মুত্তালিবের মৃত্যুর পর মুহাম্মদের ভরণ পোষণ চলে যায় চাচা আবু তালেবের উপর। আবু তালেব নবীকে নিজের সন্তানের মতই আমৃত্যু দেখেছিল । (ইবনে ইসহাক)। আবু তালেবের আসল নাম আব্‌দ মানাফ যার বড় ছেলে তালেব । ইসলামের ইতিহাস ঘেঁটে আবু তালেবের দুজন স্ত্রীয়ের নাম পাওয়া যায় ,এরা হলো: ফাতেমা বিন্‌ত আসাদ আর ইল্লাহ বা এলাহ । ফাতেমা বিন্‌ত আসাদের গর্ভে জন্ম নেওয়া কন্যা সন্তান হলো উম্মে হানী ।(ইবনে সাদ ) ।

উম্মে হানীর অর্থ হচ্ছে হানীর জননী বা মা। উম্মে হানীর আসল নাম নিয়ে মতবিরোধ আছে । ইবনে ইসহাক লিখেছেন তার নাম ছিল হিন্দ এবং ইবনে সাদও তাই বলে কিন্তু মার্টিন লিঙ্গস্‌ লিখেছেন তার নাম ছিল ফাকিতাহ । মার্টিন লিঙ্গস্‌ লিখেছেন তালেব এবং নবী প্রায় একই বয়সের ছিল । উম্মে হানী ছিল আবু তালেবের জ্যৈষ্ঠ কন্যা তাই অনুমান করা যায় উম্মে হানীর বয়স নবীর বয়সের কাছাকাছি অথবা কিছু অল্প ছিল। আবু তালেব অর্থাৎ আব্‌দ মানাফের আরো সন্তান ছিল যাদের সাথে মুহাম্মদের সখ্যতা ছিল যেমন আকিল আর জাফরে সাথে যারা তখন ১৩ ও ৪ বছর বয়সি যথাক্রমে । সেই সময় মুহাম্মদ ১২ বছর বয়সি । মার্টিন লিঙ্গসের লেখনী অনুযায়ী আনুমানিক ১২ বছর বয়স থেকেই নবী মুহাম্মদ চাচাতো বোন উম্মে হানীর সাথে প্রেমে জড়িয়েছিল ।

উম্মে হানীর প্রতি মুহাম্মদের প্রেম একতরফা ছিল নাকি উম্মে হানীরও কিছু সাড়া ছিল ? দেখব আমরা । উম্মে হানীর প্রভাব মুহাম্মদের জীবনে অপরিসীম ছিল এবং বাল্য বয়সের সেই প্রেমের উচ্ছ্বাস নবী কোন দিনই দমিয়ে রাখতে পারেনি ! মুহাম্মদের জীবনী রচয়িতারা উম্মে হানীর সাথে মুহাম্মদের প্রেমের ব্যাপারটা এড়িয়ে যেতে চায় আর যার ফলে নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য এবং প্রচুর আজগুবি কাহিনী প্রচার করে। হাজার হোক মুহাম্মদ রক্ত মাংসের মানুষ ছিল। অনেক ইসলামী পণ্ডিতেরা ব্যাপারটা ধামা চাপা দিতে বলে, মুহাম্মদ উম্মে হানীকে নিজের বোনের চোখে দেখত ! কিছু ঘটনা থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় যে মুহাম্মদ খাদিজাকে বিয়ে করার আগে উম্মে হানীকে নিজের স্ত্রী বানাতে চেয়েছিল ।

মুহাম্মদের জীবনী লেখক রডিন্সন লিখেছেন :
'মুহাম্মদের সময় কেউ বেশী বয়স পর্যন্ত অবিবাহিত থাকত না। সেই অনুযায়ী মনে হয় মুহাম্মদের বিবাহের বয়স অনেক পেরিয়ে গিয়েছিল। এর কারণ হয়ত দরিদ্রতা। অনেকে বলেন মুহাম্মদ আবু তালেবের কাছে উম্মে হানীকে বিবাহের প্রস্তাব করলেন। বেদুঈন সমাজে চাচাত, মামাত খালাত, ফুফাতো ভাই অথবা বোনদের সাথে বিবাহ প্রচলিত ছিল। কিন্তু আবু তালেব এই প্রস্তাব নাকচ করে দিলেন। এর কারণ হতে পারে যে আবু তালেব চাইছিলেন আরও যোগ্য পাত্রের হাতে কন্যার হাত সমর্পণ করতে। এর বেশ কিছুদিন পরে উম্মে হানী বিধবা হয়ে যান। তখন হয়ত উম্মে হানী চেয়েছিলেন মুহাম্মদ আবার তাঁকে বিবাহের প্রস্তাব দেন। কিন্তু মুহাম্মদ এই ব্যাপারে আর আগ্রহী ছিলেন না। তা সত্ত্বেও তাঁদের মধ্যে ভাল সম্পর্ক থেকে যায়। যে রাত্রে উনি স্বর্গ ভ্রমণে যান সেই রাত্রে উনি উম্মে হানীর গৃহে ঘুমিয়ে ছিলেন ।'

এই ভাল সম্পর্কটা কি ? রডিন্সন লিখেছেন:
'আরবদের যৌন ক্ষুধা অতিশয় প্রবল। তলমুদ আইনজ্ঞ নাথন বলেছেন আরবদের মাঝে যৌন সম্ভোগের যে প্রবণতা আছে বিশ্বের আর কোন জাতির মাঝে তা নাই। পারস্যের যে বিশাল ক্ষমতার আধার, আর রোমানদের যেই বিশাল বিত্ত অথবা মিশরের যে মায়া ইন্দ্রজাল, আরবদের মাঝে সেই রকম হচ্ছে তাদের যৌন ক্ষুধা। এই আইনজ্ঞ আরও বলেছেন যে বিশ্বের যৌন ক্ষুধাকে দশ ভাগ করলে তার নয় ভাগ পড়বে আরবদের পাল্লায় আর এক ভাগ থাকবে বিশ্বের বাকী জাতিদের মাঝে।'
তাহলে মুহাম্মদ কি আরবদের মাঝে ব্যতিক্রম ? এদিকে ইসলামের বিশিষ্ট ঐতিহাসিক তাবারি লিখেছেন :
'মুহাম্মদ উম্মে হানীকে বিবাহের প্রস্তাব দেন, কিন্তু উম্মে হানী তা গ্রহণ করলেন না, কারণ উম্মে হানীর সাথে তাঁর শিশু ছিল । ' (খণ্ড ৯, পৃঃ ১৪০)।

মানেটা দাঁড়ায় মুহাম্মদের বয়স অল্প ছিল, কুড়ি কিম্বা বাইশ। সে দ্বিতীয় বার উম্মে হানীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল আবু তালেবের মৃত্যুর পর, উম্মে হানীর স্বামী যখন নিখোঁজ হয়ে যায় (রডিন্সন লিখেছেন মারা যান) অথবা প্রথম স্ত্রী খাদিজার মৃত্যুর পর । মুহাম্মদ নিজেকে নবী ঘোষণা করেছিল, যার ফলে কুরাইশরা তার উপর ক্ষেপেছিল । তখন মুহাম্মদ ৫০ অথবা ৫১ হবে। খাদিজা এবং আবু তালেব মারা যাবার কিছু দিনের মধ্যেই মুহাম্মদ বিধবা সওদাকে বিয়ে করেছিল আর আাবু বকরকে তার মেয়ে আয়েশাকে বিবাহ করার প্রস্তাব দিয়েছিল । কয়েকদিন পরেই মুহাম্মদ ছয় বছরের শিশু আয়েশাকে বিয়ে করে। মুহাম্মদের এই দুই বিয়ের কথা উম্মে হানী জানত আর তাই বিয়ের প্রস্তাব দিলে উম্মে হানী আর একটা সতীন হতে চায়নি ! উম্মে হানী স্বামীহীন এক সন্তানের মা হয়ে থেকে মুহাম্মদের সাথে সম্পর্ক চালিয়ে যেতে পিছপা হয়নি ।

(চলবে................)

Comments

কাজি দীন মোহাম্মাদ এর ছবি
 

উম্মে হানির সাথে মুহাম্মদের অনৈতিক কোন সম্পর্ক ছিল এমনটা আপনার লেখা থেকে মোটেই প্রমাণিত হয় নি। আপনি কেবল নিজের গল্পই নিজের মত রচনা করেছেন। যেকয়টি বইয়ের কথা উল্লেখ করেছেন, সেগুলো এপর্যন্ত আপনার "গল্প" প্রমাণ করে নি। এভাবে অভিযোগ রচনা যে কেউই করতে পারে। এই স্থানটিতে এসে যখন বললেন, “মার্টিন লিঙ্গসের লেখনী অনুযায়ী আনুমানিক ১২ বছর বয়স থেকেই নবী মুহাম্মদ চাচাতো বোন উম্মে হানীর সাথে প্রেমে জড়িয়েছিল”, তখন মার্টিন লিঙ্গসের বইয়ের পৃষ্ঠা ও উদ্ধৃতি জরুরি ছিল। এতে বুঝা যেত সেই সম্পর্কটি কেমন ছিল। রেফারেন্সটি কি এখনো দেয়া যেতে পারে?

 
রাজর্ষি ব্যনার্জী এর ছবি
 

মার্টিন লিঙ্গস্‌ পৃঃ ৩৩ | আরো দেখতে পারেন রডিন্সন, পৃঃ ৪৯ |

..........
রাজর্ষি

 
কাজি দীন মোহাম্মদ এর ছবি
 

আমি বইগুলো চেক করলাম। “মার্টিন লিঙ্গসের লেখনী অনুযায়ী আনুমানিক ১২ বছর বয়স থেকেই নবী মুহাম্মদ চাচাতো বোন উম্মে হানীর সাথে প্রেমে জড়িয়েছিল” -এমন কোন কথা লিঙ্গসের বইয়ের ৩৩ পৃষ্ঠায় নেই, এবং রডিন্সনের বইয়ের ৪৯ পৃষ্ঠায়ও নেই। তাহলে? এভাবেই চলছে ইসলাম বিদ্বেষী প্রোপাগান্ডা গল্প রচনা। কিন্তু ঘটনা এটা নয়। পরিচিত লেখকদের নাম করে এমন অসৎ কথা বলা চরম অনৈতিক, বেআইনি তো বটে।

 
রাজর্ষি ব্যনার্জী এর ছবি
 

আপনার দেখা পাতা গুলোতে কি আছে একটু উধ্হৃত করুন| আমিও মিলিয়ে দেখি |

..........
রাজর্ষি

 
রাজর্ষি ব্যনার্জী এর ছবি
 

https://www.kalamullah.com/Martin%20Lings/muhammad_martin_Lings.pdf পাতার উপরের কোনায় ইংরাজিতে লেখা ৩৩ এ চলে যাবেন| আর মডারেট মুসলমানের তো ফ্যাশন টিভিও চাই আবার কোরানের শাসনও চাই!! তাই আপনাদের নিয়ে ভাবার সময় নেই !! আর পারলে একটু কোথা থেকে রদিন্সনের লেখাটা পেয়েছেন লিংক দেবেন !!

..........
রাজর্ষি

 
কাজি দীন মোহাম্মদ এর ছবি
 

এবারে বকাবকিও শুরু হল। আপনি যেসব অভিযোগ রচনা করেছেন, আর রেফারেন্স হিসেবে যাদের নাম উল্লেখ করেছেন, তাদের লেখা আপনার অভিযোগগুলো সমর্থন করছে না। মুহাম্মদের “লুকিয়ে থাকা গর্হিত সত্য”, “উম্মে হানীর সাথে যে নবী আজীবন পরকীয়া প্রেম”, “উম্মে হানী ছিল মুহাম্মদের প্রথম এবং আজীবন প্রেম” –এসব মিথ্যাচারের কোনটিও আপনার উৎসে প্রমাণিত নয় –বানোয়াট। যে গর্হিত প্রেম/পরকীয়া মিথ্যাচারের ধারায় ...১২ বছর বয়স থেকেই নবী মুহাম্মদ চাচাতো বোন উম্মে হানীর সাথে প্রেমে জড়িয়েছিল... এমনটি লিঙ্গস বলেননি (পৃ. ৩৩), রডিনসনের লেখাতেও তা নেই (পৃ.৪৯)। এই নিন রডিনসনের লিঙ্ক: https://thecharnelhouse.org/wp-content/uploads/2015/11/maxime-rodinson-m...
মার্টিন লিঙ্গস একজন ডিভোটেট মুসলমান ছিলেন, তার লেখায় আপনার ঘৃণ্য মানসিকতা নেই। মুহাম্মদের সাথে তার আত্মীয়জনের স্নেহশীল, প্রীতিপূর্ণ সম্পর্ক ছিল, কিন্তু এসব মন্দ অর্থের কিছু নয়। চাচাত ভাই জাফরের সাথে এবং অন্যদের সাথে সেই সম্পর্ক ছিল। চাচাত বোনদের সাথেও। কিন্তু উল্লেখিত উৎস দিয়ে আপনার গর্হিত উপন্যাস হয় না। আপনি তিলকে তাল করছেন: ‘ক’ অক্ষরকে করিমগঞ্জের কলাহাটি বানাচ্ছেন। কোন বিষয়ে বিচারিক সত্য বিচারিকভাবে সমর্থিত হতে হয়। একজন বিচারক দলিল-প্রমাণকে যেভাবে প্রামাণিকতায় বিবেচনা করেন সেভাবে। কোন এক ব্যক্তি মদের দোকানের পাশ দিয়ে গেলেই তা মদ্য-পানের প্রমাণ হয় না, এমনকি কেউ কাউকে মদের দোকান থেকে বেরিয়ে আসতে দেখলেও না: মদ খাচ্ছে দেখতে হবে, এবং তা যে মদ ছিল তাও প্রমাণ করতে হবে।
এখানে “মডারেট মুসলমানের তো ফ্যাশন টিভিও চাই আবার কোরানের শাসনও চাই!!” এমন বকাবকির কি প্রয়োজন পড়লো? আপনার দলিল যদি আপনার অভিযোগগুলো সমর্থ করে যায়, তাহলে সেগুলো দেখিয়ে দিলেই হয়। আপনি আমাকে নিয়ে “ভাবার” দরকারই বা কি? যা লিখছেন তা বস্তুনিষ্ঠ হচ্ছে কি না সেটা নিয়ে ভাবুন, যে অভিযোগ আনবেন সেটিকে দলিল প্রমাণ সমর্থন করে কিনা সেটি নিয়ে ভাবুন। তারপর যাদেরকে আপনার সত্যের ‘উৎস’ হিসেবে গ্রহণ করেন, পারলে, তাদের কাছ থেকে ভদ্র ভাষায় লিখার নিয়ম আত্মস্থ করতে পারলে তাও ভাল –কোরানের শাসন, ফ্যাশ্ন টিভি, মডারেট মুসলমান –এসব বাদ দেন।

 
রাজর্ষি ব্যনার্জী এর ছবি
 

আপনি লেখায় কি পেলেন তার কোনই উধৃতি নেই, তাই যুক্তি খাড়া করতে পারছেন না | পৃষ্ঠা ৩৩ এ কি পেলেন সেটা তো লিখুন তারপর নাহয় আপনার বুকনি শুনব !

..........
রাজর্ষি

 
রাজর্ষি ব্যনার্জী এর ছবি
 

লেখাটা এখনো অনেক বাকি, আর আপনার শিহরনের আরও অনেক আছে, তাই আপনি কি লিখলেন আর কি বকলেন, কিচ্ছু যায় আসেনা | আপনি আপনার শুকনো মন্তব্য করতে থাকুন আর আমি লিখতে থাকি !

..........
রাজর্ষি

 
কাজি দীন মোহাম্মদ এর ছবি
 

যুক্তিও যে মূর্খ হয় আপনার মন্তব্যে সেটাই প্রকাশ পাচ্ছে। আপনি মিথ্যাচার করে ধরা খেয়েছেন; এখন বলছেন ৩৩ পৃষ্ঠায় কি পেলেন? আমি স্পষ্ট করে দিয়েছি: “মুহাম্মদের লুকিয়ে থাকা গর্হিত সত্য”, “উম্মে হানীর সাথে যে নবী আজীবন পরকীয়া প্রেম”, “উম্মে হানী ছিল মুহাম্মদের প্রথম এবং আজীবন প্রেম”, “বাল্য বয়সের সেই প্রেমের উচ্ছ্বাস নবী কোন দিনই দমিয়ে রাখতে পারেনি”–এসব মিথ্যাচারের কোনটিও আপনার উৎসে প্রমাণিত নয় –বানোয়াট। যে গর্হিত প্রেম/পরকীয়া মিথ্যাচারের ধারায় ...১২ বছর বয়স থেকেই নবী মুহাম্মদ চাচাতো বোন উম্মে হানীর সাথে প্রেমে জড়িয়েছিল... এমনটি লিঙ্গস বলেননি (পৃ. ৩৩), রডিনসনের লেখাতেও তা নেই (পৃ.৪৯)।” আপনার মিথ্যা, “রসাল” গল্পের অবতারণায় ধরা খেয়ে “শিহরণ” উঠেছিল। পাগলামি বকাবকিও করেছেন। যে লেখকদের নামে আপনি মিথ্যাচার করেছেন, আমি তাদের পাবলিশারদেরকে এই মর্মে অবগত করব। আপনি লিখে যান।

 
রাজর্ষি ব্যনার্জী এর ছবি
 

কাজটা একটু তাড়াতাড়ি করবেন প্লিস! অপেক্ষায় রইলাম |

..........
রাজর্ষি

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

রাজর্ষি ব্যনার্জী
রাজর্ষি ব্যনার্জী এর ছবি
Online
Last seen: 39 min 33 sec ago
Joined: সোমবার, অক্টোবর 17, 2016 - 1:03অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর