নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

শিডিউল

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান
  • নিলয় নীল অভি

আপনি এখানে

ধর্ষণ; কে দায়ী? সমাধান কার হাতে?


মোটামুটি সব পশুরই(পুরুষ ব্যতিরেকে) প্রজননকালীন একটা সময় থাকলেও 'পুরুষ' সবসময় 'প্রি-কয়টাল'। নারীর ও(মানবজাতি) একটা সময় যায় যে যৌন সম্পর্ক দূরের কথা, সঙ্গী শরীর স্পর্শ করলেও যৌনাঙ্গে ব্যথা অনুভূত হয়। পুরুষের সে সমস্যা একেবারেই নেই। তার বীর্য যেন সবসময় মাথাতেই এসে থাকে। তাই যে কোন সময় সেক্সুয়াল সম্পর্ক গড়তে, নারীর ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়, হোক সে কাজ থেকে ফেরবার বা যাবার পথে, বাস-ট্রাক-চলন্ত-অচলন্ত, ক্ষেত খামার, পরিত্যক্ত বাড়ি, নর্দমা, অলি-গলি, জঙ্গল, যে কোন অবস্থায়, হোক সারাদিন গাড়ি চালিয়ে ক্লান্ত, ক্ষেতে কাজ করে ঘর্মাক্ত, ভাড়া কেটে ভারাক্রান্ত, বসের ঝারি শুনে বিরক্ত, এমন কী অপ্রাপ্ত হতে প্রাপ্তবয়স্ক, পিরিয়ড শুরু না হওয়া থেকে মেনোপজাল, যে কোন নারীর সাথে তার যৌন সংসর্গে জড়াতে কোন বাছ-বিচার নাই।

পৌরুষত্ব আর পশুত্ব শব্দ দুটো খুব কাছাকাছি। আমরা সবাই পশু, অস্বীকার করার কিছু নাই। কিন্তু সামাজিক আচার-বিচার-সংস্কার বলে কিছু জিনিস মেনে চলায় পশুত্ব সামান্য চাপা অবস্থায় থাকে আর কী। পশুদের সাথে আমাদের একান্তমাত্র পার্থক্য পোশাক-আশাকে। তারা পোশাক পরিধান করে না, আমরা করি। এই ব্যতীত পশুদের সাথে আমাদের মৌলিক পার্থক্যের জায়গা খুব কম। কিন্তু সেক্সের সময় যেহেতু আমাদেরও পোশাক পরিত্যাগ করতে হয়, তখন হয়ত পশু আর আমাদের মাঝে কোন পার্থক্য থাকে না। পশুত্বের গন্ধটা মনুষ্যত্ব দ্বারা সামান্য ঢাকা পড়ে। নারীরা মাতৃজাতি হওয়ায়, মনুষ্যত্বের সাথে অক্ষরে মিল থাকায় তাদের মাঝে হয়তবা তার প্রভাব বেশি। আর অন্যদিকে পুরুষ আর পশুর অক্ষরে মিল থাকায় হয়ত পশুত্বের প্রভাব বেশি। বা হয়ত পুরুষতান্ত্রিকতার জন্য পুরুষের পশুত্ব দৃষ্টমান। নারীতান্ত্রিক হলে হয়ত উলটো হত, নাও হতে পারত।

পুরুষরা তাদের এই শ্রেষ্ঠত্ব বা তান্ত্রিকতা প্রশ্নমুক্ত রাখতে, প্রকারান্তরে পশুত্ব মনুষ্যত্বের উপর প্রভাব বিস্তার করে রাখায় তারা ধর্ষণ এর দোষে দোষী হওয়ার পরও ধর্ষিতার দোষ খঁুজে বেড়ায়। ওড়না পড়লো না কেন, রিভিলিং ড্রেস পড়লো কেন, বোরকা পড়ে না কেন, হিজাব কই, রাতে বাইরে যাবে কেন, পরপুরুষের সাথে ঘুরবে কেন, হাত-পা-নাক-কান-মুখ-গলা-চুল ইত্যাদি দেখা গেল কেন, সিনেমাতে উলঙ্গ হলো কেন, টিভিসিতে বিকিনি পড়লো কেন ইত্যাদি ইত্যাদি যত্তসব খোঁড়া যুক্তি পুরুষ কাম পশুরা দেয়, ধর্ষণ এর পক্ষে সাফাই গাইতে, তাদের মাথায় রাখা উচিত বক্তব্যগুলো আসছে তার পশুত্বের অংশ হতে, মনুষ্যত্বের অংশ হতে নয়। পশুত্ব মনুষ্যত্বের উপর প্রভাব বিস্তার করায় চিন্তাগুলো স্বচ্ছ হচ্ছে না। বীর্য মাথায় এসেই থাকায় চিন্তা ঘোলাটে হয়ে যাচ্ছে।
..
অপরদিকে, ধর্ষণ এর সংগায় আমরা বলি যে, নারী কোন পুরুষের সাথে সেক্সুয়াল রিলেশন স্থাপনের ইচ্ছা পোষণ করে রুমে প্রবেশ করার পর, বেসবল এর টার্ম এ বললে, সেকেন্ড বেস এ যাওয়ার পর পুরুষ যখন হোমরান দিতে প্রস্তুত, তখন যদি নারী প্রেগনেন্সির ভয়ে বা অন্য যে কোন কারণে, পেনেট্রেট করতে বাধা দেয়, এবং সেই অবস্থায় পুরুষ যদি জোরপূর্বক পেনেট্রেট করত: হোমরান এর দৌড় শুরু করে, সেটাও ধর্ষণ। বিবাহিত নারীরাও এই ক্লজে ধর্ষিত হতে পারেন।
এই প্রসঙ্গে, নারী, আপনার উচিত নয়, প্রথমত এমন কারও সাথে রুমডেট এ যাওয়া যে আপনার ইচ্ছার প্রাধান্য দেবে না। আন্ডারস্ট্যান্ডিং ওমন পর্যায়ে পৌঁছানোর পরই রুমডেট এ যেতে পারেন। আর যদি আপনি পশ্চিমা চিন্তাধারায় বিশ্বাসী হয়ে থাকেন, যে সেক্স আন্ডারস্ট্যান্ডিং এর একটা অংশ, সে ক্ষেত্রে সেক্স করার ইচ্ছা পোষণ করে পুরুষটির সাথে রুমে যাওয়ার পর যদি আপনি মত পালটে ফেলেন, সেই অবস্থায়, যখন পুরুষটি এক্সাইটমেন্ট এর পিক লেভেলে চলে গেছেন, সেই এক্সাইটমেন্ট রিলিভ করা আপনারই দায়িত্ব, হোক সে ব্লো-জব বা হ্যান্ড-জব এর দ্বারা। তা না হলে পুরুষ নামের পশু, যার মাল মাথায় এসেই থাকে, সেই অবস্থায় তার শরীর ঠাণ্ডা করার জন্য সে যে কোন ফঁুটা খুঁজেই নেবে, হোক না তা জোর করে। সেই এক্সাইটমেন্ট লেভেল থেকে নিজেকে ঠাণ্ডা করা ৯৯ শতাংশ পুরুষের পক্ষেই অসম্ভব, সেটা আপনার মাথায় রাখা উচিত।
...
ধর্ষণ এর ঘটনাগুলো কমানোর জন্য পুরুষকেই প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে। কর্তাই পারে কর্ম সম্পাদন থেকে দূরে থাকতে, উপসঙ্গ গুলো নয়। নারী দিগম্বর হয়ে 'Y' শেপে শুয়ে থাকলেও সে প্রলোভন থেকে মুক্ত থাকা, তথা মনুষ্যত্বকে প্রাধান্য দেওয়া, সেটাই শিক্ষা হওয়া উচিত; দোষারোপ নয়।
সর্বোপরি, নারীজাতি বলে আপনি সম্মান পাচ্ছেন, হয়ত সবার থেকে না, মনুষ্যত্বের প্রভাব বেশি এমন পুরুষ থেকে। সেই সম্মানের জায়গা
'Crying is not the only weapon of a woman, the best one is in between their legs'
এই মন্ত্র ব্যবহার করে হারাবেন না। সেক্ষেত্রে আমিও কোট করতে বাধ্য হই
'ধর্ষণ যখন অনিবার্য, তখন তা উপভোগ করাই শ্রেয়।
....
Well, female body is a work of art. The male body is utilitarian. It's for getting around. It's like a jeep.

One of my favorite writers once wrote,"সৌন্দর্য সবার জন্যে, আটকে রাখার জন্য না।" So, if a woman exposes 'her work of art', you have every bit of right to enjoy it as beauty. Hell, you even have the right to feel jealous for not owning the beauty. But that jealousy does not provide you the right to destroy it, just because you don't have it or doesn't justify your attempt to corrupt the art.

Let me give you an example, if you see a 'Porshe/Lamborghini/Maserati/Aston Martin/Bently/Mclaren' on the road, or even parked in front of your house, you can enjoy the inexplicable beauty of the car, but you don't have the right to destroy the car just because you don't own it, or you can never own it.

Ok, now something different. If you feel aroused seeing a woman's cleavage/backside/leg, it's not a crime. From my favorite comedian;
"Looking at cleavage is like looking at the sun. You don't stare at it. It's too risky. You get a sense of it, then you look away."

It's not a crime even if you are in a committed relationship. It just shows that you have a healthy sexual drive. Having a healthy sexual drive is not a crime. It only becomes a crime when you act upon it without notifying your partner. If you notify your partner, have a clean break, then act on your arousal, it's not a crime. And if you are single, you have every bit of right to pursue that woman. It only becomes a crime if you try to do anything to her without her consent.

এখন বাংলায়
যারা 'বিজ্ঞাপনে নারীদের ব্যবহার করায় তাদের প্রতি প্রতিহিংসা বাড়ছে, বা যৌনতা প্রচারের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করায় নারীরা ধর্ষণের শিকার হচ্ছে' বলে থাকেন, তাদের উদ্দেশ্যেঃ
বিজ্ঞাপনের উদ্দেশ্যই হচ্ছে আপনাকে আকৃষ্ট করা। আকর্ষণের ব্যাপারটা আমার, আপনার মাঝে আছে বলেই নারীদের ব্যবহার করা হয়। আপনার নারীদের প্রতি অসুস্থ চিন্তাকে চুলকানি দেওয়ার জন্য না। ধরেন, একটা বডি স্প্রে, খুবই বাজে গন্ধ, আপনি নিজেই তা সহ্য করতে পারেন না, কিন্তু বিজ্ঞাপন দেখে তা ভুলে গিয়ে, বিজ্ঞাপনে দেখিয়েছে এই বডি স্প্রে ব্যবহার করলে নারীরা আকৃষ্ট হবে তা ভেবে যদি ক্রয় করেন, সেই বডি স্প্রে কোম্পানির সেলস বৃদ্ধি পায়, তবে এখানে ভুল/গাধামিটা কে করলো? নারীদের অবজেক্টিফাই কে করলো এই ঘটনায়? আপনি যতদিন অশিক্ষিত থেকে, কি উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে এই প্রোডাক্টটায় বা প্রকৃতই আপনার কাজের ব্যবহার উপযোগী কি না তা না ভেবে শুধুমাত্র নারী ব্যবহার করা হয়েছে এই বিজ্ঞাপনে দেখে সব কিছু ভুলে গিয়ে 'এই সাবান ব্যবহার করলে "আলিয়া ভাট"কে পাওয়া যাবে' ভেবে সাবান ক্রয় করে থাকেন, তবে আপনিও কি সমান দোষী না নারীদের অবজেক্টিফাই করার পিছনে? যতদিন আমার, আপনার এই ভুল ধারণা থাকবে ততদিন বিজ্ঞাপনে নারীদের ব্যবহার করা হবেই। তাই বিজ্ঞাপনে নারীদের ব্যবহার করাকে দোষ না দিয়ে নিজেকে বদলান।

'নিজে বদলালে বদলে যায় পৃথিবী'। পড়েছেন হয়ত আগে, প্রচুরবার। কিন্তু কিছু শিখেন নি/শিক্ষা গ্রহণ করেন নি বক্তব্যটা থেকে। এটা অবশ্য আপনার দোষ না। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার দোষ।

নারীরা ওমন বিজ্ঞাপনে কাজ করবে কেন, অবজেক্টিফাই করা হচ্ছে জানার পরও, এরকম একটা প্রশ্নও শোনা যায়। আচ্ছা, টাকা কামানোর জন্য সহজ একটা পন্থা আপনারাই যদি প্রোভাইড করে থাকেন তবে কেন অন্য কেউ সেটা গ্রহণ করবে না? বিজ্ঞাপনে তো পুরুষ শরীরও, উদোম শরীর, ব্যবহার করা হয়। কখনও কি শুনেছেন নারীদের সেটা নিয়ে পুরুষদের বিষোদগার/তিরষ্কার করতে? আপনার কী মনে হয় আমরা নারী শরীর দেখে যতটা আকৃষ্ট হই, তারা ততটা হন না পুরুষ শরীর দেখে? অবশই হন। ক্ষেত্রবিশেষে পুরুষদের চেয়ে বেশিই হন, কিন্তু তারা সেই আকর্ষণের উপর ভিত্তি করে ঝাপিয়ে পড়েন না মাত্র, এই হলো পার্থক্য। হয়ত তাদের সুস্থ যৌনতা সম্পর্কে পুরুষদের চাইতে ভালো ধারণা আছে তাই।
আর একটা ধারণা, অনেকের মাঝেই দেখেছি, এমন কী বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া জাতির প্রথম শ্রেণীর সন্তানদেরও বলতে শুনেছি, 'খাইয়া দিছে তো/ওরে তো ওর বয়ফ্রেন্ড কবেই খাইয়া দিছে' এইসব বলে যারা শারীরিক সম্পর্কে জড়ানো নারীকে অপমান করতে চান, ইচ্ছা সাপেক্ষে, এমন কী অনিচ্ছা সাপেক্ষে জড়িয়ে পরলেও, তাদের বলি, ভাই শরীরটা কোন খাবার না যে খাইলেন আর হজম করার পর বের করে দিলেন। সেক্সটা কোন রোগ না। কেউ নারীর ওই স্থান স্পর্শ করলেই তাতে পচন ধরে না। আর তাও যদি না মানেন, নারীরাও কিন্তু 'খাইয়া দিছে' বইলে আপনাকেও বুঝাতে পারে!
....
মানবজাতির সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো নিজের ভুল দেখতে না পারা। নিজের ভুলে যে আজ আপনার এই দশা, বা নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে বা নিজের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে সামান্য ভারমুক্ত হওয়ার জন্য 'সৃষ্টিকর্তা' নামের অলীক একজনকে আবিষ্কার করা হয়েছে। "আল্লাহ/ভগবানে লেখে নাই কপালে, আল্লাহ/ভগবান/গড চাইছে তাই এমন হইছে" শুধু এইটুকু বলতে পারার জন্য। তেমনি অন্য যে কোন ভুল ঢাকতে আমরা অন্য একজন মানুষের ভুল খুঁজে বের করতে চাই। পড়ালেখায় ব্যর্থ হলে প্রেম/মাদকের দোষ, জীবনে ব্যর্থ হলে ভাগ্যের দোষ, প্রেমে ব্যর্থ হলে সংগীর দোষ, ইত্যাদি। কিন্তু প্রকৃত দোষটা যে নিজের, তা আমরা কখনোই স্বীকার করতে চাই না। মাদক নিজে এসে আপনার পায়ে পড়েনি, আপনি নিজেই খুঁজে নিয়েছেন, ভাগ্য বদলানোর হয়ত প্রকৃত চেষ্টা করেন নি, সম্পর্ক ভাঙ্গার পেছনে যে দুইজনেরই দোষ থাকে সেগুলো যেমন মেনে নিতে পারেন না, ঠিক তেমনই নিজের ভেতরে যে পশু বাস করে সেই সত্যটা স্বীকার করতে না পেরে যত্তসব বুজরুকি বের করেন পশুত্বটা লুকানোর জন্য। কিন্তু সেটা কখনোই আসল সমাধান হতে পারে না। পড়াশোনায় মন না বসালে, ভাগ্য পরিবর্তন করার চেষ্টা না করলে, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার চেষ্টা না করলে, এবং প্রত্যেক ক্ষেত্রেই অপরকে দোষারোপ করা বন্ধ না করে, যেমন আসল ফলাফল পাবেন না, তেমনই নিজের পশুত্বকে না দমিয়ে নারীদের দোষ খুঁজে যতই ধর্ষণ আটকানোর চেষ্টা করবেন, কখনোই সাফল্য পাবেন না।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

সূর্যসন্তান
সূর্যসন্তান এর ছবি
Offline
Last seen: 13 ঘন্টা 50 min ago
Joined: রবিবার, নভেম্বর 5, 2017 - 2:09পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর