নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • কাঠমোল্লা
  • নুর নবী দুলাল
  • বিকাশ দাস বাপ্পী
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • চিত্রগুপ্ত
  • মৃত কালপুরুষ
  • অ্যাডল্ফ বিচ্ছু
  • নরসুন্দর মানুষ

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

মেডিকেল সায়েন্স পড়া মানুষ কিভাবে কোরানকে ঐশি কিতাব বলে বিশ্বাস করে ?


বাংলাদেশে যে ডাক্তার সম্প্রদায় আছে , মেডিকেল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রী নিয়ে নামকরা ডাক্তার হয়েছে , তারা কিভাবে কোরানকে ঐশি কিতাব হিসাবে বিশ্বাস করে , তা এক বিস্ময়কর ব্যপার। যারা মেডিকেল কলেজে পড়ে , যখন এনাটমি পড়ে , তখন সহজেই তাদের বোঝার কথা যে জীব জগত আসলে বিবর্তনের ফলে আজকের পর্যায়ে এসেছে। যুক্তির খাতিরে ধরা যাক , বিবর্তনবাদ মিথ্যা , তাহলেও কি কোরান জীব বিজ্ঞান সম্পর্কে সঠিক তথ্য দেয় ? এবার দেখা যাক , কোরান জীব বিজ্ঞান সম্পর্কে আসলে কি বলে।

প্রথমেই দেখা যাক , কোরান কি বলে ---

সুরা আজ জারিয়াত - ৫১: ৪৯: আমি প্রত্যেক বস্তু জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি, যাতে তোমরা হৃদয়ঙ্গম কর।

সুরা ইয়াসিন - ৩৬: ৩৬: পবিত্র তিনি যিনি যমীন থেকে উৎপন্ন উদ্ভিদকে, তাদেরই মানুষকে এবং যা তারা জানে না, তার প্রত্যেককে জোড়া জোড়া করে সৃষ্টি করেছেন।

সুরা যুকরুখ-৪৩:১২: এবং যিনি সবকিছুর যুগল সৃষ্টি করেছেন এবং নৌকা ও চতুস্পদ জন্তুকে তোমাদের জন্যে যানবাহনে পরিণত করেছেন

এই প্রত্যেকটি বস্তু বলতে কি বুঝাচ্ছে ? সমস্ত আলেমরা বলেছে এটা আসলে জীব জগতের কথা বলছে আর জীবজগতের প্রত্যেকটা প্রজাতির মধ্যেই পুং ও স্ত্রী লিংগ আছে। যেমন - নারী ও পুরুষ। ডাক্তারদের সারাজীবনের কাজের ৯০% ই অধিকার করে থাকে রোগ জীবানু , তাদের আক্রমন ও এর প্রতিকার নিয়ে।এই যে সব জীবানু , এরাও কিন্তু জীব জগতের অংশ। যত ধরনের ব্যাক্টেরিয়া , ভাইরাস, ছত্রাক ও প্রটোজোয়া প্রজাতির জীবানু- এদের কোন পুং বা স্ত্রী লিংগ নেই। এরা বংশ বিস্তার করে এক কোষ দ্বিখন্ডিত হয়ে অথবা সিষ্ট তৈরীর মাধ্যমে। সিষ্ট হলো একটা ভাইরাস চার পাশে একটা শক্ত আবরন সৃষ্টি করে , ভিতরের ভাইরাস বহু খন্ডে বিভক্ত হয়ে যায়। অত:পর অনুকুল পরিবেশ পেলে উক্ত আবরন ভেংগে ভিতরের সব অংশ বেরিয়ে আসে আর প্রতিটা অংশই একটা করে ভাইরাসে পরিনত হয়।

সুতরাং শুধুমাত্র এই তিনটা আয়াতই প্রমান করে , কোরানের আল্লাহ দুনিয়ার রোগজীবানু সম্পর্কে কিছুই জানত না। আর তাই সে সম্পর্কে কোন কিছু বলতে পারে নাই। একই সাথে বলা যায় , এই তিনটা মাত্র আয়াতের মাধ্যমেই আমরা হৃদয়ঙ্গম করতে পারি যে কোরান কোন ভাবেই ঐশি কিতাব হতে পারে না।

৪৩:১২ আয়াতে বলছে চতুস্পদ জন্তু ও নৌকাকে যানবাহনে পরিনত করেছে। চতুস্পদ জন্তু বর্তমানে আর যানবাহন হিসাবে ব্যবহৃত হয় না , আর নৌকা কিন্তু আল্লাহ বানায় না, মানুষই নৌকা বানিয়ে যানবাহনে পরিনত করেছে। খেয়াল করতে হবে , আল্লাহ কোনভাবেই ভবিষ্যতে মানুষ যে গাড়ী , উড়োজাহাজ ইত্যাদি আবিস্কার করবে , সেটা বুঝতে পারে নাই। মুহাম্মদের সময় নৌকা ছিল , তাই নৌকার কথা বলেছে। যদি আল্লাহ গাড়ী বা উড়োজাহাজের ব্যাপারে জানত , তাহলে উক্ত আয়াতে বলত - "আমি তোমাদের জন্যে জন্তু জানোয়ার , নৌকা ও ভবিষ্যতের জন্যে নানা রকম যন্ত্রযানের ব্যবস্থা করেছি। "

এরপর নিচের আয়াত দেখি --

সুরা আলাক -৯৬:২:সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত থেকে।

ডাক্তাররা খুব ভাল করেই জানে , রক্ত যখন জমাট বেধে যায় , তখন রক্ত আসলে মারা যায় , আর জমাট রক্ত কোন কাজেই আসে না।সুতরাং সেই মৃত রক্ত থেকে কোনভাবেই ভ্রুন সৃষ্টি হতে পারে না। বিজ্ঞানের বিধি মোতাবেক কোনভাবেই নয়। অহ রহ ডাক্তাররা এসব বিষয় দেখার পর কিভাবে বলতে পারে উক্ত আয়াত পরম জ্ঞানী সৃষ্টিকর্তার কাছ থেকে এসেছে ?

সুরা আল মুমিনুন - ২৩: ১৪: এরপর আমি শুক্রবিন্দুকে জমাট রক্তরূপে সৃষ্টি করেছি, অতঃপর জমাট রক্তকে মাংসপিন্ডে পরিণত করেছি, এরপর সেই মাংসপিন্ড থেকে অস্থি সৃষ্টি করেছি, অতঃপর অস্থিকে মাংস দ্বারা আবৃত করেছি, অবশেষে তাকে নতুন রূপে দাঁড় করিয়েছি। নিপুণতম সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ কত কল্যাণময়।

শুধু মাত্র শুক্র বিন্দু জমাট বেধে ভ্রুন তৈরী হয় না , সেই শুক্র বিন্দু কোনভাবেই জমাট রক্তে পরিনত হয় না। শুক্রানু ও ডিম্বানী যখন মিলিত হয়ে ভ্রুনে পরিনত হয় , তা দেখতে জমাট রক্তের মত মনে হলেও সেটা জমাট রক্ত না। আম আর আমড়া অনেক সময় এক রকম দেখতে হলেও দুইটা ফল বিপুলভাবেই পৃথক। দু:খ জনক ভাবে কোরানের আল্লাহ আম ও আমড়াকে এক বলে মনে করেছে। তারপর ভ্রুন যখন বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়ে শিশুতে পরিনত হতে থাকে , তখন মাংস পিন্ড থেকে অস্থি বা হাড় হয় না। আসলে হাড় ও মাংস একই সাথে তৈরী হতে থাকে। অস্থি তৈরী হওয়ার পর তার চারপাশে মাংস পিন্ড আবৃত হয় না। কিন্তু কোরানের আল্লাহর সেই জ্ঞানটাও ছিল না। যারা মেডিকেল সায়েন্স পড়ে ডাক্তার হয়েছে , তারা খুব ভালভাবেই এই বিষয়গুলো জানে। কিন্তু তারপরেও তারা কিভাবে এইসব আয়াত সর্বজ্ঞানী সৃষ্টিকর্তার বলে বিশ্বাস করে , সেটাই বিশ্বের সব চাইতে বড় বিস্ময়।

অথচ এই ভ্রুন বিদ্যা নাকি ভয়ংকরভাবে বিজ্ঞান সম্মত , কোথাকার কোন বাল ছাল নাকি সেটা বলেছে। আর সেটা নিয়ে মুমিনদের কি ছাগলের বাচ্চার মত লম্প ঝম্প।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Online
Last seen: 3 min 19 sec ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর