নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 8 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • কাঠমোল্লা
  • নুর নবী দুলাল
  • বিকাশ দাস বাপ্পী
  • চিত্রগুপ্ত
  • মৃত কালপুরুষ
  • অ্যাডল্ফ বিচ্ছু
  • নরসুন্দর মানুষ

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

ফেমিনিজমের নামে নগ্নতা!!


আমার ডাক্তার সাহেবা একবার বলেছিলেন, সাইকোলজীর বইগুলো পড়লে নাকি বোঝা যায় যে বাংলাদেশের শতকরা ৮০% মানুষই কোন না কোনভাবে মানসিক রোগে আক্রান্ত। শতকরা হিসেবে সংখ্যাটা একটু কমতে পারে তবে ধারণাটা একেবারে ভুল না। আমাদের আশেপাশেই অনেক সুশীল ব্যক্তিবর্গ আছেন যাদের বিভিন্ন কাজকর্ম দেখে সত্যি ব্যাপারটা আরও পরিষ্কার মনে হয়।

মুক্তমনা, এ্যাথিস্ট, ফেমিনিস্ট ভেদে একদল মানুষ প্রতিনিয়ত তাদের সকল কথার মূলে রাখেন যৌনতা। নগ্ন ছবি কিংবা চটি টাইপের পোষ্ট, কবিতা লিখে ভীষণ আনন্দ পায়। নগ্ন ছবিগুলো শতকরা ৯৮% থাকে নারীর। তাদের কাছে নগ্নতা বলতেই প্রথমে নারী শব্দটি মাথায় আসে। আবার আছে বাহবা দেয়ার পাবলিক। মন্তব্যের মাধ্যমে পোষ্টটি আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে এরা বিশাল একটা ভূমিকা রাখে। পোষ্টদাতা এবং মন্তব্যকারী উভয়ের কাছে এ এক অদ্ভুত আনন্দ!

যাহোক আজ দুটো ঘটনা শেয়ার করব। বেশ কিছুদিন আগে আমার একাউন্টে একজন মুসলিম পরিবারের মেয়ে বাবা বাসায় না থাকায় বোরখা ছেড়ে সাধারণ বাঙালি পোষাক পড়ে বের হয়ে একটা সেলফি তুলে আপলোড দেয়। পিকচারের ক্যাপশনেও ঘটনাটা উল্লেখ করে। কিছুক্ষণের মধ্যে দেখি পিকচারের অবস্থা একেবারে রমরমা। লাইক, কমেন্ট, শেয়ারে ভরে গেছে। আমি সচরাচর কোন পোষ্টের কমেন্টে খুব কম যাই। তবু সেদিন গেলাম দেখতে যে মানুষের কি মতামত। দেখে রিতিমত অবাক। একেকজনের মন্তব্য: বাহ, দারুন সাহসী মেয়ে, চমৎকার লাগছে, সুন্দর লাগছে, আরেকটু খোলামেলা পোষাক পড়লে ভালো হতো, ভবিষ্যতে আরও ভালো আপডেট পাবো, চালিয়ে যাও ইত্যাদি ইত্যাদি!!
হ্যা বোরখা, হেজাফ আমি নিজেও ব্যক্তিগতভাবে ভীষণ অপছন্দ করি। বিশেষকরে বোরখাকে বস্তা নামে ডাকতেই বেশী পছন্দ করি।তবে বাংলাদেশে এমন অনেক মেয়ে আছে, যারা স্বেচ্ছায় বোরখা পড়ে। আমি নিজে এমন কয়েকজন নারীর সাথে কথা বলেছি যারা শুধুমাত্র ধর্ম মানতে নয়, ব্যক্তি ইচ্ছায় বোরখা পড়ে। এটা অনেকটা তার ভিন্ন রকম চিন্তাধারা বলতে পারেন। যেমন আমি সবসময় একটু আত্মগোপন করতে পছন্দ করি। চার দেয়ালের সীমাবদ্ধতা বেশীরভাগ সময় আমার কাছে ভালো লাগে। এটা আমার মানসিক সমস্যাও বলতে পারেন কিংবা নিজের ভিন্ন রকম পছন্দ। দুটো ব্যাপারই অনেকটা এক রকম। তাছাড়া পোষাক স্বাধীনতা বলতে শুধুমাত্র বোরখা ছাড়া চলাকে বোঝায় না, ব্যক্তির নিজ ইচ্ছের পোষাক পরিধানের স্বাধীনতাকে বোঝায়। সুতরাং কেউ যদি স্বেচ্ছায় বোরখা পরে নিজের পছন্দ বলে, সেখানে নিশ্চই আমার কিছু বলার থাকবে না। আমি বড়জোর তাকে সামান্য বোঝাতে পারবো, কিন্তু তার কাছে গ্রহণযোগ্য বা ভালো না লাগলে শুনবে না এটাই স্বাভাবিক। তা যাই হোক তবে সেদিন ঐ মন্তব্যগুলো দেখার পর মনে হলো, কাল এই মেয়েটি পুরো নগ্ন হয়ে ফেসবুকে ছবি আপলোড দিলে সেদিনের উক্ত ব্যক্তিদের ভবিষ্যৎ কমেন্ট হবে: বাহ বাহ, সাহসিকতার জন্য তোমাকে পুরস্কৃত করা উচিত, আরও চমৎকার লাগছে, ভীষণ সুন্দর লাগছে, আরেকটু অন্য এঙ্গেলে তুললে আরেকটু ভালো দেখা যেতো, নিয়মিত আপডেট চাই, চালিয়ে যাও এভাবেই!! অথচ মন্তব্যগুলো কিন্তু এমন হলেও পারতো যে আপনার পোষাক স্বাধীনতা আপনার এবং নিজ ইচ্ছে অনুযায়ী পোষাক পড়েছেন এজন্য অভিনন্দন। তা না করে সবাই একেকজন যেন ফিল্মের দর্শক হয়ে দাড়িয়েছেন, আইটেম সং পেলেই আহা চোখ বড় করে সবটুকু নুনূভূতি ঢেলে দেয়া।

দ্বিতীয় ঘটনাটা মাস চারেক আগের হবে। একাউন্টের এক নারীবাদী ব্যক্তিত্ব একটি ছবি আপলোড করলেন। ছবিটা ছিলো তার হাতের। ফিংগারিং করার পর রসাল হাতের ছবি এবং উপরে ক্যাপশন "পুরুষ পারলে আমি পারবো না কেন?" ছবিখানা দেখে আমি হতবাক হয়ে তাড়াতাড়ি স্ক্রোল করলাম। লজ্জা লাগছিলো না তবে একটা ঘেন্যাকর অবস্থা। এই ধরণের কাজ করে কোন সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ কি পারে এই ছবি ফেসবুকে আপলোড করতে!! মলত্যাগ করে ছবি তুলে আপলোড দেয়া আর এই কাজ করে ছবি দেয়া দুটোই ঠু সিমিলার। ঘেন্যা লাগাটাই সহজ স্বাভাবিক। তবে সব থেকে অবাক করা ব্যাপার হলো সেই ছবিটি এখন অনেক মানুষের প্রোফাইল পিকচারে দেখা যায়। আফসোস মানুষ!!

নারী অধিকার বলতেই নগ্ন হওয়ার অধিকার বোঝায় না। হ্যা নারীর পোষাক স্বাধীনতা থাকবে, সে তার নিজের ইচ্ছে অনুযায়ী নিজেকে সাজাবে। কিন্তু আমাদের সমাজে কিছু কাক নারীবাদী পুরুষ আছে যারা ফেমিনিজম এর নামে নারীকে নগ্ন হতে উৎসাহ দেয়। মুখোশের আড়ালে থাকা এসব নারীবাদী মানুষদের উদ্দেশ্য মোটেই ভালো না। তাছাড়া একদল নারীও আছে যারা অধিকার বলতেই এটা বোঝাতে চায় যে পারলে নগ্ন হয়ে ঘুরবে। আরে বাপু নগ্ন হয়ে ঘুড়লেই অধিকার আদায় হয় না। আপনি একজন মানুষ, পারিপার্শের সাপেক্ষে আপনার নূন্যতম বিবেকটাও তো থাকতে হবে! বাংলাদেশের পুরুষরাও নিশ্চই নগ্ন হয়ে ঘুড়ে না বা চাইলেও ঘুরতে পারবে না। রাস্তাঘাটে নগ্ন অবস্থায় মানুষ দেখে পাবলিক পাগল ছাড়া আর কিছু বলে না। সুতরাং সম অধিকারের দিক থেকেও আপনি নগ্নতাকে আনতে পারেন না। ধর্মীয় কারণে নারীকে বস্তাবন্দী হতে হলে তার বিরোধীতা অবশ্যই করা উচিত, প্রত্যেকটি মানুষের নিজ পোষাক স্বাধীনতা থাকবে, তবে তার মানে নগ্ন হওয়ার অধিকার আদায় নয়।

ইদানিং অনেক মহান নারীবাদী দেখি যারা সম অধিকার, পুরুষের চেয়ে নারী কোন অংশে কম নয় এসব প্রমাণ করতে করতে বাসে গিয়ে ঠিকই নারীর সংরক্ষিত আসন খোজেন। পুরুষের ডাক দেয়া রিকসা নিজে নিয়ে নিজেকে দূর্বল প্রমাণ করেন। সম অধিকার চাইলে প্রথমেই এসব সংরক্ষিত আসন, পুরুষের থেকে নিজেকে দূর্বল প্রমাণ করা বন্ধ করুন।

আর একটা ব্যাপার আমি সবসময় সবাইকে বলি যে আমাকে দিয়ে কখনো সকল মুক্তমনা, ফেমিনিস্ট, এ্যাথিস্টকে যেনো বিচার না করা হয়। কারণ আমার মধ্যে অনেক ভুল আছে, আছে জ্ঞানের অভাব, আছে অন্যদের সাথে চিন্তাধারার ব্যপক পার্থক্য। আমি একটা ভুল কিছু বললে বা করলে তার দায় সম্পূর্ণ আমার, অন্য সকল মুক্তমনার না। কিন্তু কথা হলো এই উপরোক্ত কাজগুলো যখন একজন নাস্তিক , নারীবাদী ব্যক্তিত্ব করেন, তখন দীনদার মানুষগুলো এদের দেখিয়ে সব নারীবাদী, নাস্তিকদের এক কাতারে ফেলে। তাই আপনাদের কাছে বিশেষভাবে অনুরোধ এমন কিছু করবেন না যার জন্য পুরো মুক্তমনা, নারীবাদী ব্যক্তিত্বদের লজ্জিত হতে হয়। থিস্ট-এ্যাথিস্ট, নারীবাদী-পুরুষবাদী ভেদে সবারই নিজের বিবেকের ডাক শোনা উচিত। আপনার একটা কাজ হতে পারে আরও দশটা ব্যক্তির জন্য ভীষণ লজ্জার কারণ। তাই নারীবাদী-পুরুষবাদী, থিস্ট-এ্যাথিস্ট হওয়ার আগে একজন বিবেকবান মানুষ হোন।

বিভাগ: 

Comments

সাহাবউদ্দিন মাহমুদ এর ছবি
 

বিষয়টাকে আপনি যেমব গুরুত্বপূর্ণ মনে করতেছেন বিষয়টা আদৌ তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। ফেসবুক প্রোফাইলের মালিক ইচ্ছে করলে যেকোনো সময় যেকোনো ধরনের ছবি আপলোড করতে পারে। এটা তার একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার। আমি ব্যক্তিগতভাবে সেইদিন ছবিটা দেখেছিলাম আমাদের দৃষ্টিতে সেটা একধরনের ফান ছিলো। কিন্তু আপনি সেই বিষয়টাকে নগ্নতার সাথে তুলনা করেছেন। এটা হাস্যকর চাটুকারিতা ছাড়া আর কিছুই না। শত শত বছর ধরে ধর্মের দোহাই দিয়ে আমাদের নারীদের কে বন্দী করে রাখা হয়েছে। নারীদের এই সামান্য স্বাধীনতা আপনার কাছে নগ্নতা মনে হতে পারে। কিন্তু বস্তুত এই স্বাধীনতাটা তাদের প্রাপ্য। আমাদের মত নাস্তিকদের দরকার নারীর পক্ষে কথা বলা কিন্তু আমরা করছি তার উল্টোটা। যেই বিষয়টা ইসলামিস্টদের উস্কে দিচ্ছে প্রতিনিয়ত। আমার মনে হয় আমাদের উচিত নারীবাদের পক্ষে কথা বলা, আর না হলে চুপচাপ থাকা। নারীদের স্বাধীনতার বিপক্ষে কথা বলা কখনো একজন নাস্তিকের কাজ হতে পারেনা। প্রকৃত নাস্তিক হতে হলে আমাদেরকে অবশ্যই নারীদের সকল বিষয় সমর্থন দিতে হবে।

Shahabuddin

 
আরমান অর্ক এর ছবি
 

@সাহাবউদ্দিন মাহমুদ, জীহান রানা যেই ঘটনাটিকে উল্লেখ করলেন সেটা যদি নগ্নতা না হয় তাহলে সেটা নারীবাদও নয়। এভাবে ফিঙ্গারিং এর ছবি আপলোড করাকে আপনি ব্যক্তি স্বাধীনতা হিসেবে উল্লেখ করতে পারেন কিন্তু নারীবাদ হিসেবে উল্লেখ করলে তা দিনশেষে নারীবাদ আন্দোলনকেই প্রশ্নবিদ্ধ এবং হাস্যকর করে তোলে। নারীর ফিঙ্গারিং এর ছবি আপলোড করাই বলেন আর পুরুষের লিঙ্গের ছবি আপলোড করাই বলেন দুটোই অসভ্যতা এবং সভ্য মানুষ হিসেবে আমাদের কর্তব্য হলো তার সমালোচনা করা। যেটা পুরুষ করলেও অপরাধ সেটা নারী করলেও অপরাধ। এভাবে কোন পুরুষ মাস্টারবেশনের ছবি আপলোড করলে আমরা তারও সমালোচনা করতাম।
নাস্তিক, মুক্তমনা, নারীবাদী হতে গিয়ে যদি আমাদের সভ্যতাকে বিসর্জন দিতে হয় তাহলে তেমন নাস্তিকতা বা নারীবাদিতারও প্রয়োজন নেই।

****************************************************************************************
সত্য যে কঠিন ,কঠিনেরে ভালোবাসিলাম; সে কখনো করে না বঞ্চনা ।

 
রাসেল  এর ছবি
 

তোমার লেখা পইড়া মানে হইল তুমি নাস্তিকতার নামে সাম্প্রদায়িকতা ছড়াইতেছ । তোমরা নিজেগো পণ্ডিত ভাবো আর বাকিরা সব মূর্খ ।

 
জীহান রানা এর ছবি
 

*এরকম ছবি পোষ্ট করা নারীদের অধিকার!
*নারীদের পক্ষে কথা বলা বা চুপচাপ থাকা!
*আমি নারীদের স্বাধীনতার বিপক্ষে কথা বলেছি পোষ্টটাতে!
*প্রকৃত নাস্তিক হতে হলে নারীদের সব বিষয়ে সমর্থন দিতে হবে!!

আই এম কনসার্ন মিঃ সাহাবউদ্দিন যে আপনি নাস্তিকতার কোন পাঠ পড়েছেন!! যে কোন বিচক্ষণ ব্যক্তি ব্লগটা পড়লে অন্তত এটুকু বলতে পারবে না যে এখানে নারী স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কিছু বলা হয়েছে। তাছাড়া এ ধরণের একটা কাজ করে ছবি পোষ্ট করা কেমনতর স্বাধীনতা সেটা বোধগম্য হলো না। তাহলে কাল যদি সবাই এরপর নগ্ন হয়ে ছবি দেয় তখনো তো বলবেন স্বাধীনতা, খুশিও হবেন অনেক তাই না?এই পোষ্টে একদল মুখোশধারী নারীবাদী পুরুষের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আপনি কি বুঝছেন পোষ্টটা পড়ে মানুষ আপনার কমেন্ট দেখে আপনাকে তাদের দলে ফেলবে যারা স্বাধীনতার কথা বলে নারীকে নগ্ন হতে উৎসাহ যাগায়। নারী যা করবে তাতেই সমর্থন দিতে হবে অর্থাৎ কাল যদি সব নারী পুরুষ হত্যা শুরু করে তখনও তাকে সমর্থন দিতে হবে তাই না? স্বাধীনতা তো! ধর্ম নিয়ে বলতে বলতে বিবেকবোধটাকে হারিয়ে ফেলবেন না। আস্তিক নাস্তিক ভেদে নূন্যতম বিবেকটা সব থেকে বেশী জরুরী। আপনার প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ রইলো ব্লগের লাস্টের প্যারাটা পড়বেন এবং একটু বোঝার চেষ্টা করবেন। যেহেতু নিজেকে নাস্তিক দাবী করেন সুতরাং এটুকু পরিবর্তন আবশ্যক। ভালো থাকবেন ...

 
সাহাবউদ্দিন মাহমুদ এর ছবি
 

@জীহান রানা-ভাই হিন্দুত্ববাদের চরম শিখরে থাকা একটি মেয়ে, তার প্রথাগত ধর্ম থেকে বেরিয়ে এসে হিন্দু মূর্খদের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত লিখে যাচ্ছে। আর সে মেয়েটার সামান্য একটা পিকচার নিয়ে আপনি তাকে নগ্নতা সমকক্ষ বানিয়ে ফেললেন। অন্ধ ধর্মবিশ্বাসী হিন্দুরা প্রতিহিত সেই মেয়েটাকে গালাগালি করে যাচ্ছে যে বিষয়টা হয়তো আপনার চোখে পড়েনি। সেই মেয়েটার কথা বলার সাহসিকতা আমাকে মুগ্ধ করেছে। শুধু আমাকে নয় আমার মতো হাজারো নাস্তিক হয়তো তার পক্ষে। ঠিক একইভাবে বাংলাদেশের সকল নারীদেরকে পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বিরোধিতা করা দরকার বলে আমি মনে করি। প্রথমত মেয়েটা বাংলাদেশের না দ্বিতীয়ত মেয়েটা বাংলাদেশের কোন মানুষকে বোঝানোর জন্য লেখালেখি করে না। মেয়েটাকে আমি সমর্থন করি। আর একজন নাস্তিক মুক্তমনা হিসেবে এটা আমার কর্তব্য। যেকোনো মানুষকে নিয়ে লেখালেখি করার আগে, তার বিষয়ে ভালোভাবে জানা দরকার আছে বলে আমি মনে করি। কিন্তু আপনার লেখায় সেরকম কোন দিক আমার চোখে পড়েনি। আপনাদের দু'জনকেই আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি, তাই আমি আমার ক্ষুদ্র মন্তব্য জানালাম।

Shahabuddin

 
জীহান রানা এর ছবি
 

লিখালিখি করছে হিন্দু মূর্খদের বিরুদ্ধে সেটাতে সমর্থন আমিও করি। কিন্তু ক্যাপশনটা যখন এমন হয় যে আমিও পারি, তখন নারীবাদের ব্যাপারটা তুলতেই হয়। তাছাড়া যে কোন ধরণের প্রতিবাদের ভাষা এমনতর হোক এটা চাই না। তার সাহসের সাথে প্রতিবাদ করাকে সম্মান জানাই, তবে চাই এমন কিছু যাতে না করে যেন সবার কাছে পুরো মুক্তমনা গোষ্ঠী সহ লজ্জিত হোক। যাইহোক আপনি আমার ফ্রেন্ডলিস্টে আছেন লক্ষ্য করেছিলাম না ভাই। কোন কথায় কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আর আপনার মূল্যবান মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ।

 
সত্যবাদী আমি এর ছবি
 

যার তার মন্তব্যের উত্তর করেন কেন জিহান ভাই?প্রথমে কি আবলতাবল বকছে সে

 
সাইদুর রহমান এর ছবি
 

@রাসেল
কথায় কথায় চিনেন না জানেন না একজনকে তুমি করে বলাটা আপনাদের রক্তে মিশে আছে তাই না? উনি নিজেকে পণ্ডিত না ভাবলেও আপনি যে নিজেকে বিশাল জ্ঞানী ভাবেন তা আপনার মন্তব্য আর ভাষা দেখে বোঝা গেলো। তোমরা দিয়ে সবাইকে কেন বোঝাচ্ছেন যেখানে জীহান ভাই নিজে ব্লগে লিখেছেন যে তার চিন্তাধারার দায় সম্পূর্ণ তার! মানুষ হোন বুঝলেন

 
মৃত কালপুরুষ এর ছবি
 

সহজ সাবলিল ভাষায় খুব ভালো লেখা। তবে একটা জিনিষ মনে রাখতে হবে আমাদের যারা এসব ব্যাপারে অনুভূতি বয়ে নিয়ে বেড়ায় তাদের মধ্যে আর ধর্মান্ধদের মধ্যে কিন্তু কোন প্রকারের পার্থ্যক্য নেই। কারন দুজনেরই কিন্তু অনুভূতি আছে এবং তাতে আঘাতও লাগে।

-------- মৃত কালপুরুষ

 
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

ভাল লাগলো।

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

জীহান রানা
জীহান রানা এর ছবি
Offline
Last seen: 3 weeks 3 দিন ago
Joined: বুধবার, মার্চ 23, 2016 - 7:25অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর