নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • বিকাশ দাস বাপ্পী
  • রসিক বাঙাল
  • এলিজা আকবর

নতুন যাত্রী

  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম

আপনি এখানে

মুমিনরা চেষ্টা করেও আর তাদের আসল চেহারা লুকাতে পারছে না


অবশেষে জানা গেছে , কথিত টিটু রায় ইসলামের অবমাননা করে নাই , করেছে খুলনা থেকে মাওলানা হামিদি নামের এক মুমিন। মাওলানা মানে সে ইসলামে পন্ডিত ও মাদ্রাসার ডিগ্রীধারী। কিন্তু মুমিনরা কি এখন এই হামিদির বিরুদ্ধে আল্লাহু আকবর বলে ধ্বনি দিয়ে তার বাড়ী ঘর পোড়াতে গেছে? কোন প্রতিবাদ করেছে ? বিচার চেয়েছে ? যেমনটা তারা করেছিল টিটু রায়ের ক্ষেত্রে ? করে নি। কারন কি ? কারন ইহাই মুমিনের আসল চেহারা , ইহাই ইসলামের আসল শিক্ষা।

খাটি সহিহ মুমিন বা মডারেট যে কোন মুসলমানই মুহাম্মদ সম্পর্কে নেতি বাচক কিছু শোনামাত্রই তার শরীরে সাথে সাথেই জঙ্গি জিহাদি জোশ চলে আসে , আর তখন তার হিতাহিত জ্ঞান থাকে না। তখন হিতাহিত জ্ঞান শূন্য হয়ে তারা হাতে চাপাতি বা আগুন নিয়ে ছুটে যায়, অকাতরে প্রকাশ্যে আল্লাহু আকবর ধ্বনি দিয়ে চাপাতি দিয়ে মানুষ কোপায় , বা ঘরবাড়ীতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এর কারন কি ? কারনটাও বলা আছে কোরানে ---

সুরা আহযাব- ৩৩: ৬: নবী মুমিনদের নিকট তাদের নিজেদের অপেক্ষা অধিক প্রিয় এবং তাঁর স্ত্রীগণ তাদের মাতা। আল্লাহর বিধান অনুযায়ী মুমিন ও মুহাজিরগণের মধ্যে যারা আত্নীয়, তারা পরস্পরে অধিক ঘনিষ্ঠ। তবে তোমরা যদি তোমাদের বন্ধুদের প্রতি দয়া-দাক্ষিণ্য করতে চাও, করতে পার। এটা লওহে-মাহফুযে লিখিত আছে।

নবী মুহাম্মদকে নিজের প্রানের চাইতেও বেশী ভালবাসতে হবে। সেটাই কোরানের নির্দেশ। আর মুহাম্মদের স্ত্রীগনকে মুমিনরা তাদের মাতা হিসাবে গণ্য করবে। কেউ কি তার নিজের ও তার মায়ের সম্পর্কে নেতিবাচক কথা সহ্য করতে পারে ? মুহাম্মদ নিজেও বলেছে -

ঈমান অধ্যায় ::সহিহ বুখারী :: খন্ড ১ :: অধ্যায় ২ :: হাদিস ১৪
ইয়া’কুব ইব্‌ন ইবরাহীম ও আদম (র) ......... আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ (সা) ইরশাদ করেনঃ তোমাদের কেউ মু’মিন হতে পারবে না, যতক্ষন না আমি তার কাছে তার পিতা, সন্তান ও সব মানুষের চেয়ে বেশি প্রিয় হই।

নিজের জীবনের চাইতেও মুহাম্মদকে যে বেশী ভালবাসবে না , সে খাটি মুমিন হবে না। এভাবেই মুহাম্মদের সাহাবিরা তাকে ভালবাসত , যেমন --

শপথ ও মানত অধ্যায় ::সহিহ বুখারী :: খন্ড ৮ :: অধ্যায় ৭৮ :: হাদিস ৬২৮
ইয়াহ্ইয়া ইব্ন সুলায়মান (র) …… আবদুল্লাহ ইব্ন হিশাম (রা) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন, আমরা একদা নবী (সঃ) এর সঙ্গে ছিলাম । তিনি যখন উমর ইব্ন খাত্তাব (রা) এর হাত ধরেছিলেন । উমর (রা) তাঁকে বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্! আমার প্রাণ ব্যতীত আপনি আমার নিকট সর্বাধিক প্রিয় । তখন নবী (সঃ) বললেনঃ না, ঐ মহান সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! এমন কি তোমার কাছে তোমার প্রাণের চেয়েও আমাকে অধিক প্রিয় হতে হবে । তখন উমর (রা) তাঁকে বললেন, এখন আল্লাহর কসম! আপনি আমার কাছে আমার প্রাণের চেয়ে অধিক প্রিয় । নবী (সঃ) বললেনঃ হে উমর! এখন (তোমার ঈমান পূর্ণ হয়েছে) ।

ওমর ইবনে খাত্তাব তার নিজ জীবনের চাইতেও মুহাম্মদকে বেশী ভালবাসত বলেই সে ১০০% খাটি মুমিন হতে পেরেছিল।

এই কারনেই সর্বদাই মুহাম্মদের প্রশংসা নিয়ে সারাক্ষন ব্যস্ত থাকতে হবে, যেমন ---

সুরা আহযাব-৩৩: ৫৬: আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ ও প্রশংসা করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর, প্রশংসা কর এবং তাঁর প্রতি সম্মানের সাথে সালাম প্রেরণ কর।

সুতরাং এমতাবস্থায় কেউ যদি মুহাম্মদের নিন্দা করে , সমালোচনা করে , তাহলে তার শাস্তি কি হবে ? সেটাও বলা আছে কোরানে অতি সুন্দরভাবে ---

সুরা আহযাব-৩৩: ৫৭:যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদের প্রতি ইহকালে ও পরকালে অভিসম্পাত করেন এবং তাদের জন্যে প্রস্তুত রেখেছেন অবমাননাকর শাস্তি।

এই কষ্ট দেয়া বলতে বুঝাচ্ছে , তার সমালোচনা করা। সুরা আহযাব নাজিল করেছিল মুহাম্মদ যখন মক্কা ও মদিনাবাসীরা মুহাম্মদকে নিন্দা মন্দ করছিল তারই পালিত পুত্র জায়েদের স্ত্রী জয়নাবকে নানা কায়দা কৌশলে বিয়ে করার জন্যে। সেই যুগে পালিত পুত্রকে নিজের পুত্র হিসাবে মর্যাদা দেয়া হতো। পালিত পুত্রের স্ত্রীকে নিজের আপন পুত্রের স্ত্রী বা পুত্রবধু হিসাবে গণ্য করা হতো। সেই কারনে কেউ পালিত পুত্রের তালাকপ্রাপ্তা বা বিধবা স্ত্রীকে বিয়ে করত না। এটাকে তারা খুবই নিন্দনীয় ও অনৈতিক কাজ বলে গণ্য করত। কিন্তু মুহাম্মদ তার পালিত পুত্র জায়েদের স্ত্রী জয়নাবের প্রেমে পড়েছিল। তারপর আয়াত নাজিল করে , মুহাম্মদ নানা কায়দা কৌশল করে যখন জয়নাবকে বিয়ে করে , স্বাভাবিকভাবেই লোকজন মুহাম্মদকে একটা লম্পট বা বদমায়েশ বলে নিন্দা মন্দ করছিল। তো যারা মুহাম্মদকে এ ধরনের নিন্দা করছিল , কাল বিলম্ব না করে , তাদের কি শাস্তি হবে , সেটা উক্ত ৩৩: ৫৭ আয়াতের ধারাবাহিকতায় পরের ৩৩: ৬০-৬১ নং আয়াতে বলা হয়েছে , যেমন ---

সুরা আহযাব-৩৩: ৬০: মুনাফিকরা এবং যাদের অন্তরে রোগ আছে এবং মদীনায় গুজব রটনাকারীরা যদি বিরত না হয়, তবে আমি অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে আপনাকে উত্তেজিত করব। অতঃপর এই শহরে আপনার প্রতিবেশী অল্পই থাকবে।
সুরা আহযাব-৩৩: ৬১: অভিশপ্ত অবস্থায় তাদেরকে যেখানেই পাওয়া যাবে, ধরা হবে এবং প্রাণে বধ করা হবে।

মুহাম্মদ যদি অনৈতিক কাজও করে থাকে বা উল্টো পাল্টা কথা বলে , তারও কোন সমালোচনা করা যাবে না , যদি কেউ করে , তাহলে তাকে যেখানেই পাওয়া যাবে , সেখানেই হত্যা করতে হবে। হাদিসেও সেটা বলা হয়েছে , কাব ইবনে আশরাফ বলে এক লোক মুহাম্মদের অনৈতিক কাজ ও উল্টা পাল্টা কথাবার্তার জন্যে ব্যাঙ্গ করে কবিতা লিখত। আর সে জন্যে তার শাস্তি কি হয়েছিল , সেটা জানা যাবে নিচের হাদিস থেকে --

মাগাজী অধ্যায় ::সহিহ বুখারী :: খন্ড ৫ :: অধ্যায় ৫৯ :: হাদিস ৩৬৯
আলী ইব্ন আবদুল্লাহ্(র) ... জাবির ইব্ন আবদুল্লাহ(রা) থেকে বর্ণিত, (একদা রাসুলুল্লাহ(সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)) বললেন, কা‘ব ইব্ন আশরাফের হত্যা করার জন্য প্রস্তুত আছ কে? কেননা সে আল্লাহ্ও তাঁর রাসূলকে কষ্ট দিয়েছে। মুহাম্মদ ইব্ন মাসলামা (রা) দাঁড়ালেন, এবং বললেন ইয়া রাসূলুল্লাহ আপনি কি চান যে আমি তাকে হত্যা করি? তিনি বললেন, হাঁ। তখন মুহাম্মদ ইব্ন মাসলাম(রা) বললেন, তাহলে আমাকে কিছু(কৃত্রিম) কথা বলার অনুমতি দিন। রাসূলুল্লাহ(সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হাঁ বল। ----------------- (এর পর মাসলামা আশরাফের কাছে গেল , গিয়ে মুহাম্মদের নিন্দা মন্দ করে আশরাফের ঘনিষ্ঠ হলো , তারপর সুযোগ পাওয়া মাত্রই সোজা তার গর্দানে আঘাত হেনে তাকে হত্যা করল।)

তার মানে মুহাম্মদের যদি কেউ সমালোচনা করে , তাহলে সেই সমালোচনাকারী যদি কোন কারনে নাগালের মধ্যে না থাকে , তাহলে তার নাগালে যেতে দরকারে মুহাম্মদ সম্পর্কে নিন্দা মন্দ কথা বলা যাবে, যাতে মুহাম্মদের সমালোচনাকারীর ঘনিষ্ঠ হওয়া যায়। এটাও ইসলাম সম্মত। আর আগ থেকে ঘনিষ্ঠ থাকলে তো কোন কথাই নেই।

রংপরে যে টিটু রায় ও তার আশপাশের বাড়ীতে আগুন দিয়েছিল , তারা কিন্তু এসব হিন্দুদেরই পাড়া প্রতিবেশী ছিল , পরিচিত লোকজন ছিল , এমন কি হয়ত তাদের কারও কারও মধ্যে বন্ধুত্বও ছিল। কিন্তু যখন তারা শুনল , টিটু রায় মুহাম্মদ সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করেছে , আদৌ সে সেটা বলেছে কি না , সেটা পরীক্ষা নিরীক্ষা করার দরকারও তারা মনে করে নি , সাথে সাথেই সব গুলো উন্মাদ হয়ে গেল , তারপর বেহুশ হয়ে দল বেধে আল্লাহু আকবর শ্লোগান দিতে দিতে গিয়ে হিন্দুদের বাড়ী ঘরে আগুন ধরাল। সেটা করতে গিয়ে , তারা পুুলিশের গুলিকেও তোয়াক্কা করে নি। করার কথাও না। তারা জানত , এসময় কেউ যদি পুলিশের গুলিতে মারাও যায় , তাহলে সে শহিদের মর্যাদা পাবে ও সোজা বেহেস্তে গিয়ে আকন্ঠ মদ পান করে ৭২ হুর ( কুমারি নারী) এর সাথে অনন্তকাল যৌন ফুর্তির সুযোগ পাবে।

কিন্তু এখন যেই দেখা যাচ্ছে , উক্ত ঘটনা টিটু রায় ঘটায় নি , বরং ঘটিয়েছে , একজন মাওলানা , একজন সহিহ মুমিন, তখন কিন্তু এইসব মুমিনরা একেবারেই চুপ। কারও মুখে কোন সাড়া শব্দ নেই। কেউ কোন প্রতিবাদ করছে না , দাবী তুলছে না সেই মাওলানার বিচারের । মিছিল নিয়ে আল্লাহু আকবর ধ্বনি দিয়ে তার ঘর পোড়ানো তো দুরের কথা ! কিন্তু সেটা কেন ? এই চুপ থাকার রহস্য কি ? তাহলে কি মুমিনরা সব ভয় পেয়ে গেছে ? নাকি তাদের জ্ঞান ফিরে এসেছে ? তারা কি তাহলে মানুষের মত চিন্তা করতে পারছে ?

না , এর কোনটাই না। আসলে দেশ ও সমাজে পরিপূর্ন ইসলাম প্রতিষ্ঠার এটা একটা কৌশল মাত্র। আসলে অপকৌশল। আর এই অপকৌশলটা খোদ আল্লাহই এদেরকে শিখিয়েছে, কারন খোদ আল্লা নিজেই মহা অপকৌশলকারী বা প্রতারক। যেমন --

সুরা আর ইমরান-৩:৫৪:এবং কাফেরেরা চক্রান্ত করেছে আর আল্লাহও চক্রান্ত অবলম্বন করেছেন। বস্তুতঃ আল্লাহ হচ্ছেন সর্বোত্তম চক্রান্তকারী।

এই ধরনের অপকৌশল বা প্রতারনা করে , বাংলাদেশের মত মুসলিম দেশ থেকে সব অমুসলিমকে তাড়িয়ে দিতে হবে। মুহাম্মদের আমলে মুহাম্মদ সরাসরি আরব থেকে ইহুদি খৃষ্টানদেরকে তাড়িয়ে দিয়েছিল , কোন রকম প্রতারনার আশ্রয় নিতে হয় নি। যেমন --

কিতাবুল জিহাদ ওয়াস-সিয়ার (সফর অভিযান) অধ্যায় ::সহিহ মুসলিম :: বই ১৯ :: হাদিস ৪৩৬৬
যুহায়র ইবন হারব ও মুহাম্মাদ ইবন রাফি (র)......জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রাঃ) বলেনঃ, আমার কাছে উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসুলুল্লাহ (সা) -কে বলতে শুনেছেন যে, নিশ্চয়ই আমি ইয়াহুদী ও খ্রীষ্টান সম্প্রদায়কে আরব উপ-দ্বীপ থেকে বহিস্কার করবো । পরিশেষে মুসলমান ব্যতীত অন্য কাউকে এখানে থাকতে দেবো না ।

কিন্তু বর্তমানে যুগ পাল্টে গেছে। সরাসরি এভাবে হিন্দুদেরকে বাংলাদেশ থেকে তাড়ান যাচ্ছে না। সেটা করলে বিশ্বের কাছে ভাবমূর্তি নষ্ট হয়ে যাবে , বিদেশ থেকে সাহায্য সহানুভূতি বন্দ হয়ে যাবে , অমুসলিম দেশের সাথে যে ব্যবসা বানিজ্য সুবিধা পাওয়া যায় , তা বন্দ হয়ে যাবে। সুতরাং সে ক্ষেত্রে সরাসরি কিছু করা যাবে না। করতে হবে প্রতারনা বা ষড়যন্ত্র করে। নানা রকম মিথ্যা অভিযোগ ও অজুহাত তুলে এমন কিন্তু সন্ত্রাসী কান্ড করতে হবে , যাতে হিন্দু বা সংখ্যালঘুদের মনের মধ্যে ভীতির সঞ্চার করা যায় , এর ফলে সংখ্যা লঘুরা এমনিতেই ঘরবাড়ী ভিটে মাটি ফেলে বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যাবে। তারা যে চলে যাবে অগোচরে , কেউ সেটা জানবে না , দেখবে না , তাই এসব নিয়ে কোন কথাও উঠবে না। আর সেইসব সন্ত্রাসী ঘটনা নিয়ে যদি নানা আলোচনা সমালোচনা হয় , তাহলে সে সবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত বলে সর্বত্র প্রচার করতে হবে। ব্যাস, কিছুদিন পর সব ঠান্ডা , শান্ত। এই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে , যতদিন না দেশ থেকে সব সংখ্যা লঘুদেরকে খেদান না যায়। আর তখনই দেশে প্রতিষ্ঠা করা যাবে খাটি ইসলামী শাসন।

ঠিক সেই কারনেই , কথিত ইসলাম অবমাননাটা একজন মাওলানা কর্তৃক ঘটানটা বৈধ কারন সেটা দেশে পরিপূর্ন ইসলাম প্রতিষ্ঠার স্বার্থে ঘটান হয়েছে, কিন্তু ধরা খাওয়ার পর সেটা নিয়ে কোন উচ্চবাচ্য করা যাবে না। সবাইকে থাকতে হবে চুপ, শান্ত। ভাবখানা , যেন কিছুই হয় নি।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 2 দিন 1 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর